Zuba Al Hind
09/11/2022
সি-রিয়া থেকে নতুন ভিডিও প্রকাশ করলো আন-সার আল-ইসলাম
সিরিয়ায় এখনো আল-কা-য়েদা সমর্থিত যে কয়েকটি জি-হাদি গ্রুপ কাজ করছে, তার মধ্যে আন-সার আল-ইসলাম অন্যতম। নানান প্রতিকূলতা সত্বেও দল-টির প্রতি-রোধ যো-দ্ধারা জি-হা-দের গুরত্বপূর্ণ এই ফারজিয়্যতকে আদায় করে যাচ্ছেন।
সম্প্রতি দলটির অফিসিয়াল “আল-আন-সার” মিডিয়া থেকে ১৪ মিনিটের একটি নতুন ভিজ্যুয়াল মিডিয়া প্রচারণা প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন প্রকাশিত এই ভিডিওটির শিরোনাম ছিলো ‘শাব-কদের প্র-শিক্ষণ কেন্দ্র’। এমন নামকরণের কারণ হচ্ছে, ভিডিওটিতে আন-সার আল-ইস-লামের সাম-রিক কেন্দ্রে সদ্য যুক্ত হওয়া একদল শাব-কের সাম-রিক ও তরবিয়তি প্রশিক্ষণ দেখানো হয়।
ভিডিওটি থেকে সংগৃহীত কিছু দৃশ্য দেখুন..কমন্ট বক্সে (আল ফিরদাউস)
05/11/2022
বেল-ফোর ঘোষণার ১০৫ বছর: মুস-লিম উম্মাহর ঘু-ম ভাঙা জরুরী নয় কি?
ইতিহাসের একটি কলঙ্কিত অধ্যায় বেল-ফোর ঘোষণা। ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর তৎকালীন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস আর্থার বেলফোর ফিলিস্তিন ভূখন্ডে অভি-শপ্ত ইহু-দিদের জন্য একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে ব্রিটেনের অবস্থানের কথা ঘোষণা করে। এ বিষয়ে ইহু-দি লেখক আর্থার কোয়েস্টলার মন্তব্য করেছে, এর মাধ্যমে একটি জাতি অন্য একটি জাতিকে তৃতীয় জাতির ভূমি দখলের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।বেলফোর ঘোষণা কী?
বেলফোর ঘোষণা ছিল ফিলিস্তিনে ইহু-দিদের স্থায়ী বসবাসের জন্য একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ১৯১৭ সালে যুক্তরাজ্যের দেয়া একটি প্রতিশ্রুতি। তৎকালীন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক চিঠিতে ব্রিটিশ ইহুদি নেতা লিওনেল ওয়াল্টার রথসচাইল্ডকে এই প্রতিশ্রুতি দেয়। অথচ সেসময় ফিলিস্তিনে অল্প কিছু ইহুদি বসবাস করতো, যা ছিল জনসংখ্যার দিক থেকে মাত্র ৯ শতাংশ।প্রথম বিশ্বযুদ্ধের (১৯১৪-১৯১৮) সময় ফিলিস্তিন অটোমান সাম্রাজ্যের অংশ ছিল। বিশ্বযুদ্ধের পর অটোমান সাম্রাজ্যের পতন ঘটলে বেলফোর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা শুরু করে ব্রিটিশরা।
ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ইহুদিদেরকে ফিলিস্তিনে এনে বসবাসের সুযোগ করে দিতে থাকে ব্রিটিশ সরকার।এর ফলে ১৯২২ সাল থেকে ১৯৩৫ সালের মধ্যে সেখানে ইহুদি জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে প্রায় ২৭ শতাংশে গিয়ে দাঁড়ায়। ধীরে ধীরে ১৯৪৮ সালে সেখানে ইহুদীদের সংখ্যা ৬ লাখে উন্নীত হয়।বেলফোর ঘোষণায় ‘ধর্মীয় অধিকার লঙ্ঘন করে এমন কিছু করা হবে না’ বলে প্রতিশ্রুতি থাকলেও, গাদ্দার ব্রিটিশরা নিজেদের করা প্রতিশ্রুতি নিজেরাই ভঙ্গ করে। ইহুদি জনগোষ্ঠীকে স্বনিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহ করার পাশাপাশি প্রায় ত্রিশ হাজার ইহুদিকে যুক্তরাজ্যে নিয়ে সেনা প্রশিক্ষণ দেয় ব্রিটিশরা।১৯১৮ সাল থেকে ব্রিটেনের সহযোগিতায় গঠিত ইসরাইলের গুপ্ত ইহুদী বাহিনী “হাগানাহ” ইহুদীবাদীদের অবৈধ রাষ্ট্র তৈরির কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে শুরু করে। প্রথম পর্যায়ে হাগানাহ বাহিনীর দায়িত্ব ছিল ফিলিস্তিনী জনগণের বিরুদ্ধে ইহুদী-বাদীদের সহায়তা করা। তবে পরবর্তীকালে তারা সংঘবদ্ধ স-ত্রাসী বাহিনীতে পরিণত হয়। ফিলিস্তিনী জনগণের বাড়িঘর ও ক্ষেত-খামার দখল করে তাদেরকে বিতাড়িত করা এবং বাজার ও রাস্তাঘাটসহ জনসমাবেশ স্থলে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ফিলি-স্তিনীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করাই ছিল হাগানাহ বাহিনীর প্রধান কাজ।
মানবতার ‘ঠিকাদার’ জাতিসঙ্ঘ ও পশ্চিমারা দখলদার ইহুদিদের পক্ষে!
মুসলিমদের প্রথম কিবলা বায়তুল মোকাদ্দাসকে কেন্দ্র করে ইহু- ও পশ্চিমা বিশ্বের ন্যাক্কারজনক ষড়যন্ত্র আরও প্রকাশ্য রূপ ধারণ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর। ফিলিস্তিন ভূখণ্ডটি একটি স্বাধীন ও একচ্ছত্র মুসলিম এলাকা হওয়া সত্ত্বেও, ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডকে দ্বিখণ্ডিত করা সংক্রান্ত ১৮১ নম্বর প্রস্তাব গৃহীত হয়।পশ্চিমাদের চক্রান্তকে সফল করার জন্য সমগ্র মুসলিম বিশ্বের বিরোধিতাকে তোয়াক্কা না করে ফিলিস্তিনকে দ্বিখণ্ডিত করার প্রস্তাব পাশ করে ইহুদীদের ক্রীড়নক জাতিসংঘ। এই প্রস্তাব অনুসারে মাত্র ৪৫ শতাংশ থাকে ফিলিস্তিনীদের এবং বাকি ৫৫ শতাংশ ভূমি ইহুদীবাদীদের দিয়ে দেয়া হয়।একই সাথে আমেরিকা অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল রাষ্ট্রগুলোকে চাপ দিতে থাকে জাতিসংঘে ইহুদী রাষ্ট্র ইসরাইলের পক্ষে ভোট দেয়ার জন্য।
আমেরিকার প্রবল চাপ ও মুসলিমদের দুর্বলতার সুযোগে ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ব্রিটিশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন ইহুদিদের কাছে ছেড়ে দেয়।পরদিনই, ১৯৪৮ সালের ১৫ মে, ইহুদি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলায় সাড়ে সাত লাখেরও বেশি মুসলিম ফিলিস্তিন ভূখণ্ড থেকে বিতাড়িত হয়। বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা ভেবেছিল, যুদ্ধ শেষ হলে তারা বাড়ি ফিরে আসতে পারবে। কিন্তু পশ্চিমা ক্রুসেডারদের প্রত্যক্ষ মদদে দখলদার ইসরাইল তাদেরকে আর কখনোই বাড়িতে ফিরতে দেয়নি। এভাবেই ক্রুসেডার যুক্তরাজ্য ও দালাল জাতিসংঘের সাহায্যে ইসরাইল নামক একটি অবৈধ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৪৮ সালে ইহু-দি নির্যাতনের কারণে বাস্তু-চ্যুত ফিলিস্তিনিরা।অ-বৈধ রাষ্ট্র ইস-রাইল প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত ফিলিস্তিনি মুসলিমদের উপর ইতিহাসের সবচেয়ে নির্লজ্জ নিপীড়ন চালিয়ে আসছে ইহুদিরা। আর অভিশপ্ত ইহুদের এসব নিপীড়নে এখনো প্রকাশ্যেই সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে দালাল যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র তথা পশ্চিমা বিশ্ব।এদিকে মুসলিম উম্মাহর কিছু অংশ আজ ব্যক্তিগত স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত, কিছু অংশ ব্যস্ত ফুরুয়ি ইখতিলাফ নিয়ে, কিছু অংশ তাকিয়ে আছে পশ্চিমাদের দিকে তথাকথিত গণতান্ত্রিক উপায়ে সমস্যা সমাধানের জন্য।
আর কিছু অংশ বসে আছে এই ভেবে যে, ইমাম মাহদি আলাইহিস সালাম আসলে সব সমাধান হয়ে যাবে।ইতিহাস সাক্ষী, এমন শতধা বিভক্ত জাতি কখনও লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি। মুসলিমদের প্রথম কিবলা রক্ষায় প্রয়োজন শীশাঢালা প্রাচীরের ন্যায় একটি ঐক্যবদ্ধ মুসলিম জাতি, যাদের লক্ষ্য অভিন্ন, যারা তাদের লক্ষ্য সম্পর্কে পূর্ণরূপে ওয়াকেবহাল এবং যারা লক্ষ্য অর্জনে সকল ধরনের কুর-বানি করতে প্রস্তুত।
লেখক : ইউসুফ আল-হাসান
(alfirdaws)
সবরের অটল পর্বত শাইখ উ-সা-মা রাহিঃ
শাইখ উ-সা-মা রাহিঃ যখন সুদানে থেকে আমে-রিকা ও তা-গুত সৌদি শাসকদের মু-খোশ উন্মোচন করে একের পর এক বিবৃতি প্রকাশ করছিলেন, তখন তাকে সৌ-দিতে ফিরিয়ে নিতে বাদশাহ ফাহাদ কয়েকবার চেষ্টা করেছিল।
১৯৯৪ সালের শুরুর দিকে শাইখকে সৌদিতে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য শাইখের কয়েকজন ভাই (যাদের মধ্যে শাইখের বড় ভাই বকর বিন লা-দেনও ছিলেন) ও শাইখের মুহতারামা মা-কে তাদের নিজস্ব বিমানযোগে একদিনে তিনবার সুদানে পাঠিয়েছিল।
তারা বাদশাহ ফা-হাদের পক্ষ থেকে শাইখের কাছে এই প্রস্তাব রাখেন যে, যদি তিনি সৌদি ফিরে যান তাহলে তার সকল অপরাধ (?) ক্ষমা করে দেওয়া হবে,
১৯৯২ সালে তার যত সম্পদ ও ব্যাংক ব্যালেন্স ফ্রিজ করা হয়েছিল তার মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়া হবে, সাথে সাথে তার পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র ফিরিয়ে দেওয়া হবে এবং স্বাভাবিক জীবন যাপনের অনুমতি দেওয়া হবে। কিন্তু সুদৃঢ় পর্বতের সামনে ঝড়ো হাওয়া কীইবা করতে পারে। শাইখ উসা-মা রাহিঃ পাহাড়সম দৃঢ়তা নিয়ে তাদের সকল প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।
আলে সৌদের তা-গু-তগোষ্ঠি সর্বোচ্চ যা করার সব করল। তারা শাইখের জাতীয়তা ছিনিয়ে নিল এবং বিন লা-দেন পরিবারকে বাধ্য করে নামে একটি বিবৃতি প্রকাশ করল, যাতে বিন লা-দেন পরিবার তাদের ভাই উ-সা-মা থেকে নিজেদের দায়মুক্ত ঘোষণা করে। এই বিবৃতিটি যে পুরোটাই বানোয়াট তারা যেন এ ব্যাপারে সামান্য ইঙ্গিতও না দেয়, এজন্য তাদেরকে হু-ম-কি দিয়ে চুপ করিয়ে রাখা হয়েছিল।
বাস্তবিক অর্থেই এই কঠিন পরিস্থিতিগুলো শাইখের মাঝে চুল পরিমাণ পরিবর্তনও আনতে পারেনি। আমার (শাইখ আবু খু-বা-ইব সুদানি হাফিঃ) স্পষ্ট মনে আছে, শাইখ অনেক বেশি বেশি হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকিল পড়তেন। তাকে সবসময় স্থির দেখতাম। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তিনি আমাদেরকে এই শিক্ষাই দিতেন। তিনি বলতেন - তোমরা বেশি বেশি হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকিল পড়ো।
এ ব্যাপারে শাইখ উ-সা-মা রাহিঃ বলেন -
"আমে-রিকা আমাদের চুপ থাকার বিনিময় নিয়ে আমাদের সাথে দর কষাকষি করতে চায়। আমে-রিকা ও তার আঞ্চলিক গোলামেরা অসংখ্যবার আমার নীরবতাকে কিনে নিতে চেয়েছে। তারা লোভ দেখিয়েছে - চুপ থাকো, তাহলে তোমার পাসপোর্ট ফিরিয়ে দিব, তোমার সম্পদ ফিরিয়ে দিব, তোমার পরিচয়পত্র ফিরিয়ে দিব, তোমার বেঁচে থাকার অধিকার ফিরিয়ে দিব। এই সবকিছুর বিনিময় শুধু আমার চুপ থাকা। তারা মনে করেছে, মানুষ শুধু দুনিয়ার জন্যই বেঁচে থাকে। তারা ভুলে গিয়েছে, আমরা যদি আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য আমাদের সর্বস্ব বিলিয়ে না দেই, তবে আমাদের এই অস্তিত্বের কোনই মূল্য নেই।"
সূত্র - শাযা-রাত মিন তারিখিল কা-য়িদাহ, পৃষ্ঠা ১৩০-১৩১
(dawah-ilallah forum)
তা-লি-বান গোয়েন্দা সংস্থা G.D.I : Forces Video বিশ্বপটে নয়া ধামাকা!
02/11/2022
তা লি বান গোয়েন্দা সংস্থা G.D.I : বিশ্বপটে নয়া ধামাকা!
(আল ফিরদাউস)
সম্পুর্ণ নিউজ কমেন্ট বক্সে
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Bucharest
2345