Tarakeswar GREEN MATES

Tarakeswar GREEN MATES

Share

10/06/2026

#সচেতনতামূলক
রোজই বজ্রপাতের কারণে মৃত্যু হচ্ছে।
বজ্রপাত থেকে বাঁচতে কি কি সাবধানতা জরুরী
🔴🔵 বাড়িতে -
🔴 বজ্রপাতসহ বৃষ্টির সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির ধাতব রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না।
🔵 প্রতিটি বিল্ডিংয়ে বজ্র নিরোধক দণ্ড (lightning rod) স্থাপন নিশ্চিত করুন। বজ্র নিরোধক দণ্ডের আর্থিং যেন ঠিকমতো থাকে।
🔵 কোনো বাড়িতে যদি পর্যাপ্ত বজ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকে তাহলে সবাই এক রুমে থেকে আলাদা আলাদা রুমে যান।
🔴 বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি বা বারান্দায় থাকবেন না
🔵 ঘরের ভেতরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম থেকে দূরে থাকুন।
🔵 ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির প্লাগগুলো লাইন থেকে বিচ্ছিন্ন রাখতে হবে। খুব বেশি বজ্রপাত হলে বাড়ির মেইন সুইচ অফ রাখুন।
এই সময় মোবাইল বা কোনো বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম চার্জে রাখবেন না।
🔵 জরুরী প্রয়োজনে মোবাইলে কথা বললে কোনো অসুবিধা নেই।

🔴🔵 বাড়ির বাইরে থাকলে বা খুব প্রয়োজনে এ সময় বাইরে বের হলে
ছেঁড়া বৈদ্যুতিক তার থেকে দূরে থাকতে হবে। বৈদ্যুতিক তারের নীচ থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকতে হবে।
🔴 বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা, মাঠ বা উঁচু স্থানে থাকবেন না।
🔵 খোলাস্থানে অনেকে একত্রে থাকতে বাধ্য হলে বজ্রপাত শুরু হলে প্রত্যেকে ৫০ থেকে ১০০ ফুট দূরে দূরে সরে যান।
যত দ্রুত সম্ভব দালান বা কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।
🔴 খোলা জায়গায় কোনো বড় গাছের নীচে আশ্রয় নিরাপদ নয়।
গাছ থেকে ন্যুনতম চার মিটার দূরে থাকতে হবে।
🔵 উঁচু গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি, তার, ধাতব খুঁটি ও মোবাইল টাওয়ার ইত্যাদি থেকে দূরে থাকুন।
🔵 আকাশে ঘন-কালো বজ্রগর্ভ মেঘ দেখা গেলে অতি জরুরি প্রয়োজনে রাবারের জুতো পরে বাইরে বের হতে পারেন।
বজ্রপাতের সময় জরুরি প্রয়োজনে প্লাস্টিক বা কাঠের হাতলযুক্ত ছাতা ব্যবহার করুন।
🔵 বজ্রপাতে আহতদের বৈদ্যুতিক শকের মতো প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হবে। যত দ্রুত সম্ভব নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যান।
🔴 আকাশে বজ্রগর্ভ মেঘ সঞ্চার হলে, খুব জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বেরোবেন না। বাড়িতে /অফিসে থাকুন।
কালো মেঘ দেখা দিলে নদী, পুকুর, ডোবা, জলাশয় থেকে দূরে থাকুন।
🔴 এসময় বেশি মাছ পড়বে ভেবে বঁড়শি বা জাল নিয়ে মাছ ধরতে বেরিয়ে পড়বেন না।নদীতে থাকলে বজ্রপাতের সময় মাছ ধরা বন্ধ রেখে নৌকার ছাউনির নিচে থাকুন।
🔴 বজ্রপাতের সময় শিশুদের খোলা মাঠে খেলাধুলা থেকে বিরত রাখুন এবং নিজেরাও বিরত থাকুন।
বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে থাকলে কাছাকাছি নিরাপদ আশ্রয় না থাকলে পায়ের আঙুলের ওপর ভর দিয়ে এবং কানে আঙুল দিয়ে মাথা নিচু করে বসে পড়ুন।
🔴 বজ্রপাতের সময় গাড়ির মধ্যে থাকলে, গাড়ির থাতব অংশের সঙ্গে শরীরের সংযোগ ঘটাবেন না।
সম্ভব হলে গাড়িটিকে নিয়ে কোনো কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।

সচেতন থাকুন। সাবধানে থাকুন। নিরাপদ থাকুন। সুস্থ থাকুন।
✍ সংগৃহীত

09/06/2026

শব্দ তাণ্ডব ও কিছু কথা

1. সমস্যার চিত্র

বিগত কয়েক বছর ধরেই আমরা দেখছি ‘শব্দ তাণ্ডব’। DJ বক্সের তীব্র আওয়াজে মেতে উঠছে যুবসমাজের একাংশ। যদিও মোট জনসংখ্যার মাত্র 5-10% এই কাজে যুক্ত, তাদের কারণে ভুগতে হচ্ছে বাকি 90% মানুষ ও প্রকৃতির অন্যান্য প্রাণীদেরকে।

মানুষ নিজেকে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ জীব মনে করে। অথচ সেই শ্রেষ্ঠত্ব দেখাতে গিয়েই সে বারবার প্রকৃতিকে ধ্বংস করছে, পরিবেশকে দূষিত করছে।

2. আনন্দ না অত্যাচার?

এই বিশেষ গোষ্ঠীর যুক্তি— “আমরা আনন্দ করার জন্য DJ বাজাই”। প্রশ্ন হল, কিসের আনন্দ?

যে আনন্দে প্রতিবেশীর ঘুম নষ্ট হয়, অসুস্থ মানুষের কষ্ট বাড়ে, বয়স্ক ও শিশুরা আতঙ্কিত হয়— সেটা কি আদৌ আনন্দ?

যে আনন্দে পাখিরা বাসা ছাড়ে, কুকুর-বিড়াল মৃত্যুর মুখে পড়ে, সেটা কি মানসিক সুস্থতার পরিচয়?

3. ‘পেশা’ বনাম ‘আইন’

অনেকে বলেন, “এই DJ বাজানোর সাথে অনেক মানুষের পেশা জড়িত। এটা বন্ধ হলে তাদের পরিবার চলবে কী করে?”

ভারতীয় Noise Pollution (Regulation and Control) Rules, 2000 অনুযায়ী, প্রকাশ্যে উচ্চশব্দের যন্ত্র ব্যবহার আইনত নিষিদ্ধ। বিশেষ করে রাত 10টার পর আবাসিক এলাকায় 45 dB-এর বেশি শব্দ করা যায় না।

আইনবিরোধী কোনো কাজ যদি কারও পেশা হয়, তাহলে কি সেটাকে মানবিক দৃষ্টিতে দেখা যায়? কেউ যদি বলে “চোরাচালান আমার পেশা, এতে আমার সংসার চলে”— তাহলে কি আমরা তাকে ছাড় দেব? আইন সবার জন্য সমান।

4. ধর্মের নামে শব্দদূষণ

পুজো বা উৎসবের সময় DJ-বক্সের বিরোধিতা করলেই অনেকে বলেন, “আপনি ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলছেন”। না, আমি ধর্মের বিরুদ্ধে নই। আমি ধর্মকে ঢাল করে অনৈতিক কাজ করার বিরুদ্ধে।

ভেবে দেখুন, যদি উৎসবে DJ, নেশা, উগ্র বিনোদন বন্ধ করে দেওয়া হয়— তাহলে যুবসমাজের এই অংশটা কি আদৌ ধর্ম মানবে? তার মানে তারা ধর্ম নয়, শব্দ আর নেশাটাকেই ভালোবাসে।

ইতিহাস বলছে, ধর্মকে ব্যবহার করে এক শ্রেণির মানুষ বরাবর সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়েছে। আজও সেই ধারাই চলছে। অথচ উন্নত দেশগুলো ধর্মের নামে ভোট করে না। তারা প্রাধান্য দেয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে।

5. বিজ্ঞান, কুসংস্কার ও আমাদের দায়

কেউ কেউ বলেন, “বিজ্ঞান যেখানে শেষ, ধর্ম সেখান থেকে শুরু”। এটা ভুল। বিজ্ঞান প্রতিটি ঘটনার যুক্তি খোঁজে। আজ ব্যাখ্যা নেই মানে কালও থাকবে না— এমন নয়।

“অমুক বিজ্ঞানীও তো পুজো করেন”— এই যুক্তিও ধোপে টেকে না। ব্যক্তিগত বিশ্বাস আর বিজ্ঞান এক জিনিস নয়। বংশ পরম্পরায় বয়ে চলা কুসংস্কারই আমাদের পিছিয়ে রাখছে। এই কুসংস্কারই মানুষকে বিশ্বাস করায় যে, মানুষই ভগবানের ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’ করে।

সংকটে কোনো ধর্ম নেই, সংকটে আছে পৃথিবী। প্রতি মুহূর্তে দূষিত হচ্ছে প্রকৃতি। এই লড়াই শুধু সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে নয়— এই লড়াই রাষ্ট্র, মুখোশধারী নেতা আর পুঁজিবাদের বিরুদ্ধেও।

উপসংহার

ধর্মের বেড়াজাল একদিনে ভাঙবে না। কারণ এই তো কুসংস্কার কে সরাতে গেলে চাই প্রকৃত শিক্ষা। বর্তমানে কোন সরকার চায় না মানুষ শিক্ষিত হোক । কিন্তু চেষ্টা জারি থাকবে। তেমনি চেষ্টা থাকবে শব্দ তাণ্ডবের বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করার।

পৃথিবীর আর কোনো প্রাণী বিনোদনের নামে নিজের বাসস্থান ধ্বংস করে না। বিজ্ঞান আমাদের জীবন সুন্দর করেছে, আবার বিজ্ঞানের অপব্যবহারেই আমরা পৃথিবী ধ্বংস করছি।

ক্ষণিকের আনন্দের জন্য যদি বয়স্ক, শিশু বা অন্য প্রাণীর কথা না ভাবি, তাহলে আমরা ‘সর্বশ্রেষ্ঠ জীব’— এই দাবি করার অধিকারটাই হারিয়ে ফেলি।

16/05/2026

🌏*জীববৈচিত্র্য দিবস উদযাপন - 2026*

*📅 তারিখ:* 22.05.2026, শুক্রবার
*🔖 সময়:* সকাল ১০ টা
*🏫 স্থান:* নারায়ণপুর এ বি উচ্চ বিদ্যালয়, নারায়ণপুর, তারকেশ্বর, হুগলী

*🪴 আয়োজক:* বোটানিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া, শিবপুর, হাওড়া
*⚡ ব্যবস্থাপনা:* তারকেশ্বর গ্রীন মেটস, তারকেশ্বর, হুগলী

*✅ কর্মসূচি:*
1. *অঙ্কন প্রতিযোগিতা* - ছাত্র ছাত্রীদের জন্য | বিষয়: জীববৈচিত্র্য
2. *কুইজ প্রতিযোগিতা* - সর্বসাধারণের জন্য | বিষয়: জীববৈচিত্র্য
3. *সেমিনার* - সর্বসাধারণের জন্য | বিষয়: জীববৈচিত্র্য

*📞নাম নথিভুক্ত করতে ফোন করুন:* 9749660361

Want your organization to be the top-listed Non Profit Organization in Tarakeswar?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Narayanpur, Hooghly
Tarakeswar
712410