Birbhum Live

Birbhum Live

Share

05/06/2026

কম দামে ট্রাক্টরপ্রতি মিলছে বালি, স্বস্তিতে আবাসের উপভোক্তারা।
এবার কম দামে পাথর দেওয়ার দাবি নলহাটিতে প্রশাসনের দ্বারস্থ বাসিন্দারা।

রাজ্যে প্রশাসনিক পালাবদলের পর সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে, বিশেষ করে সরকারি আবাস যোজনার উপভোক্তাদের জন্য বালির দাম বেঁধে দেওয়া হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তে গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো স্বস্তি পেয়েছিল। কিন্তু সেই স্বস্তি বেশিদিন স্থায়ী হল না। বালি সস্তা হলেও, হঠাৎ করে পাথরের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন আবাস যোজনার উপভোক্তারা। প্রতিবাদে সোমবার নলহাটি ১ ব্লক অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখনোর পাশাপাশি বিডিওকে স্মারকলিপি জমা দিল।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, আবাস যোজনার ঘর তৈরির জন্য উপভোক্তারা নির্দিষ্ট কিস্তিতে টাকা পান। বালির দাম নিয়ন্ত্রণে থাকায় প্রাথমিক কাজ শুরু করা গেলেও, লিন্টেল বা ছাদ ঢালাইয়ের সময় প্রচুর পাথরের প্রয়োজন হয়। বর্তমান বাজারে চড়া দামে পাথর কিনতে গিয়ে বহু উপভোক্তার সরকারি অনুদানের টাকা শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে বহু জায়গায় বাড়ি মাঝপথেই আটকে রয়েছে। তাই বালির মতো পাথর সরবরাহের ক্ষেত্রেও সরকারের অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করা উচিত বলে মনে করছেন উপভোক্তরা। এই দাবিতে এদিন কয়েকশো উপভোক্তা ব্লক অফিসের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। পরে বিডিওর সঙ্গে দেখা করে গণসাক্ষরিত স্মারকলিপি জমা দেন তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, আবাস যোজনার উপভোক্তাদের জন্য একটা নির্দিষ্ট কোটায় সস্তায় বা ন্যায্য মূল্যে পাথর পাওয়ার ব্যবস্থা না করলে বহু গরিব মানুষের পাকা বাড়ির স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে।

কিন্তু পাথরের এই আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধির কারণ কী? স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল আমলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাথর শিল্পাঞ্চলের রাস্তায় বসানো হয়েছিল রয়‍্যালটি আদায়ের গেট। যদিও বকলমে সেই রয়‍্যালটি আদায় করত তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতারা। তবে নলহাটিতে রয়‍্যালটি আদায়ের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হতো স্থানীয় ট্রাক্টরগুলিকে। অভিযোগ, এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েছিলেন স্থানীয় চালকরা। লেড কারখানায় ট্রাক্টরের ডালাগুলির দৈর্ঘ্য, প্রস্ত ও উচ্চতা বাড়িয়ে ১৭-১৮ টন পাথর বহন করে চলাচল করছিল। অনেকে ক্র্যাশার থেকে ট্রাক্টরে ওভারলোড পাথর বোঝাই করে এনে অন্যত্র মজুত করে পরবর্তী সময়ে লরিতে করে পাচার করে এসেছে বলে অভিযোগ। পুলিস প্রশাসনের একাংশের মদতে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে এই কারবার চলেছে বলে অভিযোগ। যদিও রাজ্যে পালাবদলের পর ডিসিআর কেটে পাথর বোঝাই স্থানীয় ট্রাক্টর থেকে লরি, ডাম্পার থেকে রয়‍্যালটি আদায় করছেন প্রশাসনের লোকজন। তাতে রাজস্ব আদায় কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু গৃহনির্মাণের ক্ষেত্রে চরম সমস্যায় পড়েছেন আবাস যোজনার উপভোক্তরা। বর্তমানে ডিসিআর কেটে পাথর সংগ্রহ করা তাঁদের কাছে অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্দিষ্ট বাজেটের মধ্যে পাথর না পাওয়ায় তাদের অনেকের কাজ মাঝপথে আটকে রয়েছে রয়েছে বলে অভিযোগ।

আলমগির শেখ, সাইদুল ইসলামরা বলেন, আমরা পাথর শিল্পাঞ্চলের আশেপাশের বাসিন্দা। এতদিন আমরা অনেক কম দামে এক ট্রাক্টর পাথর পেয়েছি। কিন্তু বর্তমানে ট্রাক্টরে ১৫০ সিএফটি পাথরের জন্য ১৯৮০ টাকা রাজস্ব দিতে হচ্ছে। আবাসে সরকারি সীমিত বরাদ্দ অর্থে পাথর কেনা আমাদের মতো দুঃস্থ পরিবারের কাছে দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। তাই ট্রাক্টর পিছু বালির দাম যেমন ১২০০ টাকায় বেঁধে দেওয়া হয়েছে, তেমনি রাজস্ব ছাড়াই যাতে আমরা পাথর পেয়ে গৃহনির্মাণ করতে পারি সেই ব্যবস্থা করুক প্রশাসন।

যদিও বিডিও সৌরভ মেহেতা এই নিয়ে সংবাদ মাধ্যমে কিছু বলতে চাননি। তবে ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, উপভোক্তাদের দাবিপত্র উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

সৌজন্যে: বর্তমান।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live

05/06/2026

রামপুরহাট পুরসভায় পরিষেবা সচল রাখতে প্রশাসক বসাল রাজ্য সরকার

রাজ্যে পালাবদলের পর একের পর এক পুরসভায় অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। বিধানসভার প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজের শহর রামপুরহাট। আশিসবাবুও তৃণমূলের জেলা কোর কমিটি ও জেলা চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। এই পুরবোর্ড সরাসরি না ভাঙলেও অধিকাংশ কাউন্সিলার পুরসভামুখী হচ্ছেন না। এই অবস্থায় কাউন্সিলারদের প্রতি ভরসা না রেখে পুর পরিষেবা সচল রাখতে প্রশাসক বসাল রাজ্য সরকার। আগামী শুক্রবার রামপুরহাট মহকুমার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট অ্যান্ড ডেপুটি ক্যালেক্টর ত্রিভুবন নাথ এই পুরসভার দায়িত্ব নেবেন। তার আগে বুধবার এলাকার বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা এবং হবু প্রশাসক পুরসভার বর্তমান চেয়ারম্যান ও স্থায়ী কর্মচারীদের নিয়ে বৈঠক করেন।

এদিকে এদিন গেরুয়া উত্তরীয় পরিয়ে ও পদ্ম ফুলের তোড়া দিয়ে বিধায়ককে সংবর্ধনা জানান তৃণমূল পরিচালিত পুর চেয়ারম্যান সৌমেন ভকত। যা শহরে চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২০২২ সালে অধিকাংশ ওয়ার্ডেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূল জিতেছিল। সেই সময় রাজনৈতিক একাধিপত্যকে হাতিয়ার করে বিরোধীদের ভয় দেখানো ও প্রার্থীপদ প্রত্যাহারে বাধ্য করার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল তৎকালীন শাসকদলের বিরুদ্ধে। সেই কঠিন পরিস্থিতিতেও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সিপিএম প্রার্থী সঞ্জীব মল্লিক ছাপ্পা ভোট রুখে দিয়ে জয়ী হয়ে এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত তৈরি করেছিলেন। গত চার বছরে পুরসভার বিরুদ্ধে 'হাউজিং ফর অল' (সবার জন্য বাড়ি) প্রকল্প সহ একাধিক আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিজেপি ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে এসেছে। অবশেষে বৃত্ত সম্পূর্ণ হয়েছে। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের সঙ্গেসঙ্গেই সেই পুরানো ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

গত ৪ মে ফলপ্রকাশের পরের দিনই পুরসভায় ঢুকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি তালা ঝুলিয়ে দেয় বিজেপির নেতা, কর্মীরা। যে কাউন্সিলাররা একসময় একতরফা ক্ষমতায় ছিলেন, তাঁরা এখন রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যাওয়ায় পুরসভামুখী হতে ভয় পাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে পুর পরিষেবা সচল রাখতে আগামী শুক্রবার রামপুরহাটের মহকুমার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট এবং ডেপুটি কালেক্টর ত্রিভুবন নাথ পুরসভার দায়িত্বভার নেবেন। দায়িত্ব নেওয়ার আগে বুধবার এলাকার বিধায়ক ধ্রুব সাহা ও হবু প্রশাসক ত্রিভুবন নাথ পুরসভায় এসে কতজন স্থায়ী, অস্থায়ী, স্যানিটারি কর্মী রয়েছেন সেসব খোঁজখবর নিয়ে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে নতুন প্রশাসন দ্রুত পুর পরিষেবা নিয়ন্ত্রণে নিতে চাইছে।

এদিকে, তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার চেয়ারম্যান যেভাবে বর্তমান শাসকদলের বিধায়ককে পদ্মফুল ও গেরুয়া উত্তরীয় দিয়ে স্বাগত জানিয়েছেন, তাতে তীব্র জল্পনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, চেয়ারম্যান কি নিজেই এবার বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন, নাকি পদ টিকিয়ে রাখার এটি একটি কৌশল? যদিও, চেয়ারম্যানের দাবি, তিনি বিধায়ককে নিয়মমাফিক কেবল 'সংবর্ধনা' দিয়েছেন। অন্যদিকে, বিধায়ক বলেন, ডিএমডিসি পুরসভার দায়িত্বভার নেবেন। সেজন্যই পুরসভায় আসা।

এদিন পুরসভার স্থায়ী কর্মীদের নিয়েও একটি বৈঠক করেন বিধায়ক ও চেয়ারম্যানকে দেখা যায়নি। বৈঠক শেষে বিধায়ক সরাসরি তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলেছেন। তাঁর মতে, তৃণমূল 'অগণতান্ত্রিকভাবে' এই পুরবোর্ডের ক্ষমতায় এসেছিল। তাই কর্মচারীদের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো পক্ষপাতিত্ব বা অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না।

সৌজন্যে: বর্তমান।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live

05/06/2026

ভোটের রেজাল্টের পর আর দেখা মেলেনি, সাংসদ শতাব্দী রায়ও কি বেসুরো? চলছে জল্পনা।

নির্বাচনের কয়েকদিন আগে মুরারইয়ের জনসভায় দাঁড়িয়ে বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় বলেছিলেন, 'যাঁরা দলে থেকে বিরোধিতা করছেন, তাঁদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত। এমন শাস্তি, যাতে তাঁদের ছেলেমেয়েও আর বিরোধিতা করতে না পারে।' দল বিরোধীদের' কঠোর শাস্তির দাবি তোলা সেই শতাব্দী রায়ই কি এবার বেসুরো বাজছেন এই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে বীরভূমের রা রাজনৈতিক মহলে। কারণ, ভোটের পর থেকে জেলা তো বটেই, কলকাতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক বা কর্মসূচিগুলোতেও শতাব্দীকে দেখা যাচ্ছে না, যা এই প্রশ্নকে আরও জোরালো করেছে।

২০০৯ সাল থেকে বীরভূম লোকসভা কেন্দ্র থেকে টানা চারবার জয়ী হয়ে এলেও শতাব্দী রায় আদতে এই জেলার ভোটার নন। তাঁর স্থায়ী আস্তানা কলকাতায়। সচরাচর মাসে দু'-একবার তাঁকে জেলায় দেখা গেলেও, সাম্প্রতিক বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকে বীরভূমের মাটিতে তাঁর পা পড়েনি। তৃণমূলের এই চরম বিপদের দিনেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দেখা যায়নি তাঁকে। দলের এই দুর্দিনে কেন তাঁর দেখা মিলছে না, তা নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে প্রশ্ন- দল ক্ষমতাচ্যুত হওয়াতেই কি তিনি শীর্ষ নেতৃত্বের থেকে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন?

অভিনেত্রী থেকে রাজনীতিবিদ হয়ে ওঠার শুরুতে শতাব্দী রায়ের রাজনৈতিক 'পরিপক্কতা' নিয়ে কম চর্চা হয়নি। বিশেষ করে তাঁর সেই বহুল আলোচিত মন্তব্য জনমানসে আজও টাটকা- 'আমাকে সিনেমায় দেখতে গেলে টাকা দিতে হয়। কিন্তু বিনা পয়সায় দেখতে গেলে ভোট দিতে হবে।' তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জেলার রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করেন শতাব্দী। বিভিন্ন ব্লকে দলের ভেতরেই তিনি নিজস্ব একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী তৈরি করেছিলেন, যাঁদের বিরুদ্ধে এলাকায় বিস্তর ক্ষোভ ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। রাজনৈতিক মহলের দাবি- সেই বিতর্কিত লোকেদেরই বিভিন্ন সাংগঠনিক পদে বসাতে বড় অবদান থাকত সাংসদের। দলের একটা অংশের দাবি, দুবরাজপুরের অঞ্চল থেকে ব্লকের কোর কমিটি গঠন হোক কিংবা রামপুরহাটের শহর সভাপতি নির্বাচন- সবই নাকি নিয়ন্ত্রিত হতো তাঁর অঙ্গুলি হেলনেই। বিশেষ করে 'খয়রাশোল' এবং দুবরাজপুর ব্লকের সংগঠন ও প্রশাসনকে তিনি নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন। বিক্ষুব্ধ শিবিরের একাংশের দাবি, এই দুই ব্লকের ক্ষমতার রাশ কুক্ষিগত করার নেপথ্যে ছিল সেখানকার বিপুল আর্থিক সমীকরণ। দুবরাজপুরের বিজেপি বিধায়ক অনুপ সাহার অভিযোগ, দুবরাজপুরের বালিঘাট কিংবা খয়রাশোলের কয়লা খনি থেকে যে বিপুল পরিমাণ কাঁচা টাকার লেনদেন হতো, তার সবটাই নিজের ঘনিষ্ঠদের দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করতেন সাংসদ।

বর্তমানে তৃণমূল ভেঙে দুই টুকরো হয়ে গিয়েছে। বিধানসভার পর এবার 'অপারেশন লোকসভা' নিয়ে গুঞ্জন তুঙ্গে। কিন্তু এই সময় রহস্যজনক ভাবে নিরব সাংসদ। সূত্রের খবর, তৃণমূলের সাংসদদের একটি বড় অংশই এবার শিবির বদলের জন্য পা বাড়িয়ে রেখেছেন। সেই তালিকায় বীরভূমের এই দাপুটে সাংসদও রয়েছেন কি না, তা নিয়ে কৌতূহল বাড়ছে। এই বিষয়ে সত্যতা যাচাই করতে সাংসদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁর মোবাইল বন্ধ পাওয়া গিয়েছে। এমনকী মেসেজ পাঠানো হলেও তাঁর থেকে কোনো উত্তর মেলেনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বীরভূমের এই সাংসদের আড়ালে থাকাই এখন জেলার রাজনীতির সবথেকে বড় রহস্য।

সৌজন্যে: বর্তমান।

---------------------------------------------------------

লাইক ও ফলো করুন Birbhum Live

Want your business to be the top-listed Media Company in Suri?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


State Highway 6
Suri
731101