Silchar tech

Silchar tech

Share

16/06/2026

হাইলাকান্দির জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলায় জনসাধারণের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (BNSS) ১৬৩ ধারার অধীনে কয়েকটি নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ জারি করেছেন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অভিষেক জৈন সোমবার এক আদেশ জারি করে জানিয়েছেন কিছু সমাজবিরোধী উপাদান সমাজের বিভিন্ন অংশের মধ্যে বিদ্যমান শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি এবং সম্প্রীতি বিঘ্নিত করার অপচেষ্টা করছে বলে প্রশাসন থেকে লক্ষ্য করা হয়েছে। এই ধরনের হুমকিগুলিকে আগে থেকেই মোকাবিলা করার জন্য, সমগ্র হাইলাকান্দি জেলা জুড়ে বেশ কয়েকটি কার্যকলাপ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জেলা প্রশাসনের পূর্বানুমতি ছাড়া বেআইনি সমাবেশ, মিছিল, র‍্যালি বা জনসভা করা, এবং উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া যেকোনো পাবলিক প্লেসে (জনসমক্ষে) পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমবেত হওয়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়াও, লাউডস্পিকার ব্যবহার করে বা না-করে, উস্কানিমূলক, সাম্প্রদায়িক, রাষ্ট্রবিরোধী বা দেশবিরোধী বক্তব্য বা স্লোগান দেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কোনো সংস্থা, এনজিও (NGO) বা সংগঠক কর্তৃক মাইক্রোফোন বা যেকোনও শব্দ-বর্ধক যন্ত্র বাজানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যা শুধুমাত্র নির্দিষ্ট এবং চরম জরুরি প্রয়োজনেই অনুমতি সাপেক্ষে ব্যবহার করা যাবে। এই নির্দেশিকায় উস্কানিমূলক পোস্টের মাধ্যমে ক্ষতিকারক সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারণাকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তদুপরি, অননুমোদিত ক্রিয়াকলাপের জন্য যানবাহনের ব্যবহার-যার মধ্যে বিভিন্ন জাতিগত, ভাষাগত বা ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা, বিদ্বেষ বা সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে এমন আপত্তিকর বিষয়বস্তু সম্বলিত ব্যানার, পোস্টার বা দেয়াল লিখন প্রদর্শন অন্তর্ভুক্ত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক, ধারালো অস্ত্র বা লম্বা লাঠি বহন করার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, যা অন্য মানুষের ক্ষতি করতে পারে বা হুমকির সৃষ্টি করতে পারে।

জনসাধারণের সমাবেশের এই বিধি-নিষেধগুলি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মী, স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থী, বা সরকারি কর্তব্যরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। পরিস্থিতির জরুরি অবস্থার কারণে এই আদেশটি একতরফাভাবে (ex-parte) পাস করা হয়েছে। এই নির্দেশিকায় ক্ষুব্ধ যেকোনো ব্যক্তির সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের জন্য কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হওয়ার অধিকার রয়েছে।

জনসাধারণের সমাবেশের এই বিধি-নিষেধগুলি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মী, স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থী, বা সরকারি কর্তব্যরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। পরিস্থিতির জরুরি অবস্থার কারণে এই আদেশটি একতরফাভাবে (ex-parte) পাস করা হয়েছে। এই নির্দেশিকায় ক্ষুব্ধ যেকোনো ব্যক্তির সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের জন্য কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হওয়ার অধিকার রয়েছে।

এই আদেশ লঙ্ঘনকারীকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ২২৩ ধারা বা আইনের অন্য কোনো প্রাসঙ্গিক ধারার অধীনে কঠোরভাবে শাস্তি দেওয়া হবে বলে আদেশে জানানো হয়েছে। ১৫ জুন থেকে কার্যকর হওয়া এই আদেশ আগামী ৫ জুলাই পর্যন্ত সমগ্র জেলায় বলবৎ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

16/06/2026

আগরতলা-শিলচর এক্সপ্রেসে যাত্রাকালীন এক প্রসূতি মহিলার নিরাপদ সন্তান প্রসবের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্তের সাক্ষী থাকলেন যাত্রীরা। চলন্ত ট্রেনেই হঠাৎ প্রসব বেদনা শুরু হলে সহযাত্রী ও রেলকর্মীরা দ্রুত তৎপর হয়ে প্রসূতির পাশে দাঁড়ান।

সহযাত্রীদের সহযোগিতা এবং রেলকর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় ট্রেনের মধ্যেই নিরাপদে এক নবজাতকের জন্ম হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে সকলেই সম্মিলিতভাবে উদ্যোগী হওয়ায় মা ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। পরবর্তীতে ট্রেনটি শিলচর রেলস্টেশনে পৌঁছালে মা ও নবজাতককে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে শিলচর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ সময় শহরের তরুণ সমাজকর্মী সুবীর ধরও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। তাঁর সহযোগিতা এবং রেলকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকায় মা ও শিশুকে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা সম্ভব হয়।

ঘটনাটি ট্রেনের যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। উপস্থিত যাত্রীরা জানান, সংকটময় মুহূর্তে সকলের সহমর্মিতা, মানবিকতা ও দ্রুত পদক্ষেপের ফলেই মা ও নবজাতক নিরাপদ রয়েছেন। অনেকেই এই ঘটনাকে বিপদের সময় মানুষের পাশে মানুষের দাঁড়ানোর এক উজ্জ্বল ও অনুকরণীয় উদাহরণ হিসেবে অভিহিত করেছেন। যাত্রী ও রেলকর্মীদের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

14/06/2026

রবিবার সকালে টানা কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই ফের জলমগ্ন হয়ে পড়েছে শিলচর শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হাইলাকান্দি রোডের ন্যাশনাল হাইওয়ে পয়েন্ট, লিংক রোড, সোনাই রোড, বিলপার, শ্যামাপ্রসাদ রোডসহ একাধিক এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন পথচারী, ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় বাসিন্দারা।

বৃষ্টির জলে রাস্তা ডুবে যাওয়ায় স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হয়েছে। জলাবদ্ধতার কারণে রোগী পরিবহণকারী অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবাও সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। অনেক স্থানে রাস্তা ও নিকাশি নালা একাকার হয়ে যাওয়ায় যান চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং বিভিন্ন এলাকায় যানজটেরও সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বলতা, অসম্পূর্ণ নিকাশি প্রকল্প এবং নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার না হওয়ার ফলেই সামান্য বৃষ্টিতেই শহরের বিভিন্ন অংশ জলমগ্ন হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি ড্রেনে নির্বিচারে আবর্জনা ফেলার প্রবণতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। ফলে বৃষ্টির জল দ্রুত নিষ্কাশিত না হয়ে রাস্তাঘাট ও বসতিপূর্ণ এলাকায় জমে থাকছে।

বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই শহরের এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে আধুনিক ও কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি নিয়মিত নিকাশি নালা পরিষ্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।

Want your business to be the top-listed Media Company in Silchar?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Silchar
788003