Sengupta Project Management Consultancy
আমার গবেষণা
তারিখ : ২৮-০৩-২০২৫
ভাবছিলাম অনেকদিন ধরে লিখবো। মায়ণমার বা ব্যাঙ্ককের আজকের ভূমিকম্প দেখে বাধ্য হয়ে লিখলাম। বিশ্বাস করা না করা আপনাদের ব্যাপার। একজন সাধারণ সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে সকলকে সাবধান করা উচিৎ বলে মনে হলো। তাই লিখলাম।
বেশ কয়েকবছর ধরে প্রকৃতির নানা খেলা দেখে হিসাব কষে দেখলাম। কলকাতা ও তার পার্শবর্তী এলাকায় ভুখন্ডের চলার গতি অগের তুলনায় প্রায় দেড়গুন বৃদ্ধি পেয়েছে। অল্পস্বল্প ঘর্ষণের ফলে মাটিতে ধস নামছে।
ক্রমাগত গরমে মাটির ভুপ্রিষ্ঠ থেকে প্রায় ৭-৮ কিলোমিটার মাটির উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। মাটির নিচে জলাধার গরম হয়ে ধোয়া সৃষ্টি করছে। ভালো করে লক্ষ করুন যারা ভোরে মর্নিং ওয়াক এ যান দেখবেন মাটির উপরিতল অল্প ভিজে। হালকা ধোয়া বেরোচ্ছে কিংবা একটা অদ্ভুত গন্ধ অনুভূতি হয়। কিছুটা সালফার কিছুটা কার্বন ডাই অক্সাইড কিংবা কিছু পোড়া গন্ধ।
এই ফলে মাটির নিচের অংশ ক্রমশঃ আলগা হচ্ছে। যে কোনো সময় যে কোনো জায়গায় হঠাৎ মাটির ধস নামবে। গভীর থেকে গভীরতর হয়ে উঠবে সেই সব ধস। মনে হবে যেন এক্ষুনি কোনো আগুনের গোলা বেরিয়ে আসবে। আমাদের হানিকারক ব্যাকটেরিয়া গুলো জীবদেহে নানারকম ভাবে আক্রমন করবে। আজকাল তাই চর্ম রোগের প্রকোপ বেশী দেখা যাচ্ছে।
প্রায়শ হালকা ভূমি কম্পন হচ্ছে যার রিখটার স্কেল ২-২. ৫ অনুভূত হয়। তাই আমরা সকলে অভ্যস্থ হয়ে উঠেছি। ৪-৪. ৫ রিখটার স্কেলের ভূমিকম্প কে আমরা অভ্যস্থ করে ফেলেছি। তাই ভীত হই না বা কম অনুভূতি হয়।
বর্তমান অবস্থা নিয়ে এই ভাবে চলতে থাকলে আগামী ২০৩০ সনের মধ্যে ভয়ানক ভূমিকম্প হবে। সেখানে বড় বড় ঘর বাড়ি, ব্রিজ ইত্যাদি তাসের ঘরের মত ভেঙে পরবে।
বাঁচবার উপায়? জন প্রতি ১০ টি করে দীর্ঘ জীবন ধারী গাছ লাগাতে হবে। প্রচুর কৃত্তিম জলাশয় বানাতে হবে।
নতুবা এখানের মানুষদের অকাল মৃত্যু ও আগামী ভয়ানক ভূমিকম্প (৭-৮ রিখটার স্কেল ) থেকে ঈশ্বর আল্লাহ বা ভগবান কেউ বাঁচাতে পারবে না।
রাজনীতি করবার দিন পাবে সবাই আগে যদি কোনো সাবধানতা অবলম্বন না করেন।
এটা আমার নিজস্ব রিসার্চ
দীপঙ্কর সেনগুপ্ত
সিভিল ইঞ্জিনিয়ার
তারিখ : ২৮-০৩-২০২৫
of India # State Govt of India
Please contact "Project Management Consultancy " for your dream projects. we are giving our all service through single window. We are expertise in PMC
1. Project report
2. Project survey
3. Architectural, Structural, MEP & Environmental Design
4. Project Budget
5. Design evaluation
6. Cost Control
7. Site Supervision
8. Technical Audit
9. Project marketing
10. Project sales
11. Client satisfaction
12. Quality
13. Safety
14. Technical & Commercial tender with evaluation & recommendation
15. Project planning ( Pre construction, During construction & Post construction
16. Structural rehabilitation
Others
Interested Directors, Chairmans or Top Management can mail me : [email protected] , [email protected] or WhatsApp / ring : +91 9836429451
উপলব্ধি
কলমে : দীপঙ্কর সেনগুপ্ত
রচনাকাল : ২৬-১২-২০২৪
ভাবছি কি লিখবো? কেন লিখবো? আপন অনুভূতি! নাকি আপন প্রেমের কথাকলি? ভাবতে ভাবতে বুকের বামদিকে একটা চিলিক দিলো। হালকা ব্যাথা অনুভব করলাম। ডান হাত দিয়ে বুকটা চেপে ধরলাম। একটু ডলে দিলাম। একটু আরাম হলো।
বুঝলাম হৃদপিন্ডটা ঢুক পুক ঢুক পুক করছে। আজ থেকে প্রায় সাত বছর আগে। অতি মেরামত করা হয়েছিল। ডাক্তার বলেছিলো মেরামত না করলে ছয় মাস আর মেরামত করলে বেশ কয়েকবছর। অনেক নিয়ম মেনে চলা। আহারে রাশ টানা। কোনো রকম নেশা দ্রব্য বারণ। মেনে চলেছি আজও।
হঠাত মনে হলো ঈশ্বরের সৃষ্টি এই দম দেওয়া ব্যাটারি নিয়ম মেনে টিক টিক করে চলছে। সেটির মেরামত হলো। আবার কবে যে বিগরবে সেটা সৃষ্টি কর্তা জানেন।
কিন্তু আসলে কেউ জানে না এই হৃদপিন্ডে রয়েছে এক অদৃশ্য মন। সে কখন কাঁদে, কখন হাসে, স্বপ্ন দেখে, স্বপ্ন গড়ে ভাঙে, কখন প্রেমের ডাকে সারা দেয়, কখন হিংস্র হয়ে ওঠে। কত রকমের রকমারি রং ছড়ায়!
কল্পনার জগতে নিয়ে যায়। চোখে রঙিন আলো ছড়ায় আবার দয়ায় সে ব্যতিব্যাস্ত হয়ে ওঠে। করুনার সাগরে ডুব দেয়। সব ভালো মন্দের স্মৃতি রেকর্ড করে রাখে শুধু আমাকে শোনাবার জন্য। যন্ত্রণাগুলো লুকিয়ে রাখতে চায়। অজস্র গোপন ইচ্ছে, গোপন কথা সে চিরদিনের জন্য গোপন রেখে দেয়।
ভাবছো পাগলের প্রলাপ? হয়ত তাই। যখন আকাশে মেঘ করে বৃষ্টির জন্য। ময়ূর পেখম মেলে ধরে নাচতে থাকে। ঠিক তেমনই মন নাচতে থাকে নতুনের আগমনে। নতুনকে আঁকড়ে ধরবার জন্য।
অথচ সে যখন ভূমিষ্ঠ হয়েছিল, একা কিন্তু উত্তাপ চেয়ে ছিল যা সে তার গর্ভধারিণীর কোল আর বুকের দুধে পেয়েছিলো। সে শৈশব থেকে তারুন্য সান্নিধ্য চেয়েছিলো মা বাবা ভাই বোন ও আত্মীয়দের কাছে। এক এক করে সে ত্যাগ করে সান্নিধ্য পায় তার সহধর্মিনী র, পরবর্তী তে সন্তানাদির সর্ব শেষে সেই শৈশবে ফিরে যেতে চায়।
কিন্তু মন চাইলেও শরীর আর সাথ দিতে চায় না। শরীরটা ক্রমশঃ নুয়ে পরতে থাকে। তবু সেই শরীরকে মন স্বপ্ন দেখায় আগামীকালের সুদিনের। রোগে জর্জরিত শরীর যেন ফিরে পেতে চায় তার যৌবন।
একদিন সেই মন এমন বিস্ফোরণ ঘটায় যে হৃদ স্পন্দনের ব্যাটারিটা আর কাজে করে না। মন বেরিয়ে যায় দেহ ছেড়ে খুঁজে ফেরে আর এক সদ্যজাত কোনো শিশুর শরীর।
উপলব্ধি বোধহয় এটাই।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Near Sus Hospital
Pune
Opening Hours
| Monday | 10am - 6pm |
| Tuesday | 9am - 6pm |
| Wednesday | 10am - 6pm |
| Thursday | 9am - 6pm |
| Friday | 9am - 6pm |
| Saturday | 10am - 4pm |
| Sunday | 10am - 6pm |