Developer Latif
01/06/2026
আমার ওয়েবসাইট ডেভলপমেন্ট শেখার স্যার যখন ছাত্রকে মনে রাখে......
02/01/2026
লোকে কি ভাববে! কি মনে করবে! কি বলবে!
🤷♂️ লোকের ভাবনায় আমার কোনো অধিকার নেই। প্রত্যেক মানুষের নিজের মতো ভাবার অধিকার আছে।
লোকের মনে করায় আমার কোনো ক্ষতিও নেই। প্রত্যেক মানুষের নিজের লাভ-ক্ষতির হিসাব কষার অধিকার আছে।
লোকের বলায় আমার বাধা দেওয়ার অধিকার নেই। কারণ প্রত্যেক মানুষের বাক স্বাধীনতা আছে।
,👉 আমার আছে লোকের কথায় কান না দেওয়ার অধিকার।
আমার আছে নিজের বিবেক বুদ্ধি কে কাজে লাগানোর অধিকার।
আমার আছে নিজের লক্ষ্যে স্থির থাকার অধিকার।
🙏 গতকাল গুরুজির কাছে এই মন্ত্রটা শিখে এলাম।
ঠিক করেছি এটাই 2026 সালের থিম বানাবো।জীবনযাপনের অর্থাৎ লাইফস্টাইলের থিম।
ওয়বসাইটের থিম তো আগেই শিখিয়েছিলেন। এটা লাইফের থিম। নতুন বছরের গিফ্ট।
30/12/2025
দুনিয়ার সেরা মানুষদের কমন স্কিল।
2026 র কাউন্ট ডাউন শুরু।
ঠিক করেছি নতুন বছরে, একটা নতুন স্কিল শিখবো। এমন একটা স্কিল, যেটা শিখলে আমাকে আর কোনো কিছু শিখতে হবে না।
2025 সালে তো ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট শিখলাম।
এবার নতুন কি?
কিন্তু কি শিখবো?সেটা কিছুতেই মাথায় আসছে না।
আসলে মাথায় অনেক কিছুই আসছে। কিন্তু ডিসিশন নিতে পারছি না। কোনটা শিখবো।
সকালে উঠে ভাবলাম একবার মামাকে জিজ্ঞাসা করলে কেমন হয়।
আসলে ChatGpt কে আমি মামা বলি।আমার অফিসের কলিগ থেকে আসিফ স্যার সবাই এটা জানে।
ভাবনা মতো ChatGpt কে লিখলাম।
দুনিয়ার সেরা মানুষগুলোর কমন স্কিল কি ছিলো?
ChatGpt উত্তর দিলো ...“System Thinking + Moral Courage”
📣(বাংলায় বললে: ব্যবস্থাকে বোঝার ক্ষমতা + নৈতিক সাহস)।
এটা কোনো আলাদা দুইটা জিনিস না।
এটা একটাই স্কিল, যার দুইটা দিক আছে।
আমি আবার জিজ্ঞাসা করলাম... কেন তূমি এটাকেই একমাত্র স্কিল বলছো?
উত্তর দিলো...
কারণ—
এই স্কিল থাকলে
👉 রাজনীতি শিখতে হয় না
👉 ধর্ম আলাদা করে শিখতে হয় না
👉 লিডারশিপ কোর্স লাগে না
👉 ম্যানেজমেন্টের বই লাগে না
আবার জিজ্ঞাসা করলাম...
কেন “এই একটাই স্কিল শিখলেই যথেষ্ট”?
উত্তর এলো...
কারণ এই স্কিল থাকলে তুমি—
👉 নিজে নিজে ঠিক প্রশ্ন করতে পারবে।
👉 কোন জায়গায় চাপ দিলে কাজ হবে বুঝবে।
👉 কখন কথা বলবে, কখন নীরব থাকবে জানবে।
👉 কার সাথে কাজ করবে, কাকে এড়াবে বুঝবে।
📣 বাকি সব স্কিল (কমিউনিকেশন, লিডারশিপ, স্ট্র্যাটেজি)
এইটার সাব-প্রোডাক্ট।
গান্ধী, নেলসন ম্যান্ডেলা, হযরত মুহাম্মদ (সা.), কার্ল মার্কস, আইনস্টাইন, রবীন্দ্রনাথ—
এরা কেউ একরকম মানুষ ছিলেন না।
কেউ ধর্মীয়, কেউ রাজনৈতিক, কেউ বিজ্ঞানী, কেউ কবি।
কেউ আস্তিক, কেউ নাস্তিক।
তবুও তাদের মধ্যে একটা অদ্ভুত মিল ছিল।
তারা সবাই খুব বড় ডিগ্রি বা ক্ষমতা দিয়ে শুরু করেননি।
তারা একটা জিনিস শিখেছিলেন—
👉 ব্যবস্থাটা (System) কীভাবে কাজ করে, সেটা বোঝা।
👉আর অন্যায় দেখেও চুপ না থাকা।
এই দুইটা মিলেই একটা স্কিল তৈরি হয়।
আমি এটাকে বলি—
“ব্যবস্থাকে বোঝা + নৈতিক সাহস”।
একটু গল্প করে বলি।
গান্ধী বুঝেছিলেন, ব্রিটিশদের শক্তি বন্দুক না—
আইন আর আমাদের ভয়।
তাই তিনি বন্দুক ধরেননি, লবণ তুলেছিলেন।
এক মুঠো লবণ পুরো সাম্রাজ্য কাঁপিয়ে দিয়েছিল।
নেলসন ম্যান্ডেলা ২৭ বছর জেলে ছিলেন।
চাইলেই বেরিয়ে এসে প্রতিশোধ নিতে পারতেন।
কিন্তু তিনি বুঝেছিলেন—
প্রতিশোধ নিলে সিস্টেম বদলাবে না, শুধু মুখ বদলাবে।
তাই তিনি ক্ষমা করলেন, দেশটাকে বাঁচালেন।
হযরত মুহাম্মদ (সা.) এমন এক সমাজে দাঁড়িয়েছিলেন
যেখানে জন্মই ছিল মর্যাদা।
তিনি বললেন—
মানুষের মান নির্ধারণ হবে তার কাজে।
এই একটা ধারণা পুরো আরব সমাজের কাঠামো বদলে দিল।
দাস ও মালিককে তিনি একই লাইনে দাঁড় করাতে পেরেছিলেন। মানুষে মানুষে বিভেদ মুছে দিয়েছিলেন।
কার্ল মার্কস বললেন,
“গরিব মানুষ অলস নয়,
সে এমন এক ব্যবস্থায় আটকে আছে যেটা তাকে গরিব রাখে।”
এই ভাবনা আজও দুনিয়ার রাজনীতিকে নাড়িয়ে দেয়।
আইনস্টাইন শুধু অংক করেননি।
তিনি সাহস করে বলেছিলেন—
সময় আর স্থান স্থির না।
পুরো বিজ্ঞানের চিন্তাধারা বদলে গেল।
রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন—
দেশপ্রেম মানে অন্যকে ঘৃণা করা না,
মানুষ হওয়াই আসল পরিচয়।
এই স্কিলটা আসলে কীভাবে কাজ করে?
সহজ ভাবে বললে—
“এই সিস্টেমটা মানুষকে কীভাবে বাধ্য করছে—আর আমি নৈতিকভাবে কোথায় দাঁড়াতে পারি?”
এই দুইটা প্রশ্ন যে নিয়মিত নিজেকে করতে পারে,
সে ধীরে ধীরে পরিবর্তনের মানুষ হয়ে ওঠে।
যাইহোক, অনির্বাণ স্যারকে একবার বলে দেখবো, এই স্কিলটা শেখার কোনো কোর্স চালু করা যায় কিনা। বিশ্বাস কোম্পানি তো সবসময় অন্যদের থেকে আলাদা কিছু করে।
2026 সালে এটাই শিখবো।
゚
19/12/2025
সবচেয়ে সেরা ইনভেস্ট হলো নিজের উপর ইনভেস্ট করা। উক্তিটি ওয়ারেন বাফেটের (Warren Buffett)।
যিনি একজন বিশ্ববিখ্যাত আমেরিকান বিনিয়োগকারী,জনহিতৈষী ব্যবসায়ী। একই সঙ্গে বিশ্বের অন্যতম সফল এবং ধনী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।
গতকাল একটা Soft Skill ডেভলপমেন্ট ট্রেনিং এ্যাটেন্ড করার সুযোগ পেয়েছিলাম। আমাদের ট্রেনার ছিলেন Sabarna Sinha। EUREKA FORBES এর KOLKATA ডিভিসনের ট্রেনার।
ট্রেনিং এর মূল বিষয় ছিল কিভাবে নিজের কমিউনিকেশন ডেভলপ করা যায়। It was a great session।
বাজারে সব্জি বিক্রি হোক, কিংবা চাকরির ইন্টারভিউ, ক্লায়েন্ট মিটিং হোক কিংবা স্টেজে বক্তৃতা দেওয়া সব জায়গাতেই ভালো কমিউনিকেটর হওয়া খুবই জরুরি।
যাইহোক সবর্না ম্যাম খুব ভালো ট্রেনার। Highly knowledgeable, Very friendly and energetic।
ওনার কাছ থেকে নতুন অনেক কিছু জানলাম।
শিখলাম কথাটা ইচ্ছা করে লিখলাম না।
কারণ আমার কাছে -
জানা + নিজে প্রাকটিস করা = শেখা।
Thanks to Mam and EFL Management আমাদের মত কোম্পানির বেস লেবেলে কাজ করা CRO দের জন্য এরকম একটা High Skilled ট্রেনিংর ব্যবস্থা করার জন্য।
Ecommerce ওয়েবসাইট তৈরি করা শেখানোর সময় আসিফ স্যার Cross Sealing এর সাইকোলজি শিখিয়েছিলেন। যাতে সেল বাড়ে। গতকালের ট্রেনিংএ ক্রস সেলিং নিয়ে কিছু আলোচনা হয়। যার ফলে আগে শেখা জিনিসটা আরেকবার ঘষামাজা হয়।
14/11/2025
এক্স যখন জানতে চায়… 😄✨
সেদিন হঠাৎই দেখা।
রাস্তার ওপার থেকে নাম ধরে ডাকলো — সেই গলা, যা একসময় খুব চেনা ছিল।
এই ডাকের মধ্যে যে কত রকম স্মৃতি লুকিয়ে থাকে! 🎭
ভালো–মন্দ মেশানো একটা দীর্ঘ পর্বের কথা মনে পড়লো।
একসাথে থাকা দিনগুলো, ছোটখাটো তর্ক, অযথা অভিমান…
আর ছেড়ে যাওয়ার পরেও সেই একবারের ফোনে ঝগড়া।
সব মিলিয়ে জটলার মতো ছিল সম্পর্কটা।💢
একটু থমকে গেলাম।
যাবো, না থামবো — বুঝতেই পারছিলাম না।
কত বছর কেটে গেছে!
শেষবার কথা হয়েছিল তিক্ততায় ভরা এক সন্ধ্যায় —
ফোনের ওপারে দু’পক্ষেরই গলায় ঝড় উঠেছিল। 🌪️
আজ কিন্তু গলায় কোনো ঝড় নেই।
বরং অদ্ভুত এক শান্তি। 😌✨
“এই যে! কেমন আছো?”
সেই চেনা হাসি, কিন্তু আজ তাতে আছে অন্যরকম নির্লিপ্ততা।
তবু আজ যেন কিছুরই ভার নেই। 😄
আবারও হাত নেড়ে বললো,
“এই তো! কেমন আছো?”
আমিও সৌজন্য দেখিয়ে উত্তর দিলাম —
“ভালো।” 🙂। আরো কিছুক্ষণ চললো সৌজন্য বিনিময়।
কথা গড়াতে গড়াতে জিজ্ঞেস করলাম,
“কোথায় যাচ্ছো?”
ও বললো, “সামনে একটু কাজ আছে।”
আমি হেসে বললাম,
“আমার জন্য একটা কাজ দেখো না!” 😉
ওর মুখে সেই পুরনো হাসির ঝিলিক—✨
বললো,
“বেশ তো আছো অফিসে। ফেসবুকে দেখি ওয়েবসাইটও বানাচ্ছো!
আচ্ছা, ওইটা কি করো তুমি?” 🤔
প্রশ্ন শুনে বুঝলাম—
এক্স আসলে ‘ওয়েবসাইট’ ❓ খায়, না মাথায় দেয়❓ — কিছুই জানে না। 😄💩
আমি বললাম,
“তুমি কি Amazon, Flipkart, বা কোনো অনলাইন সাইট থেকে জিনিস কিনো?”
বললো, “হ্যাঁ, মাঝে মাঝে।”
আমি বললাম,
“আচ্ছা, Amazon-এর দোকান বা শোরুম কোথায় জানো?”
উত্তর এলো,
“সেটা জেনে আমি কি করবো?
আমি অর্ডার করি, বাড়িতে ডেলিভারি দিয়ে যায়। এর বেশি জানলে কি হবে?” 😄
আমি একটু হেসে বললাম,
“ঠিক তাই!
এখন সবাই গুগলে সার্চ করে — দোকানে যায় না।
যেমন ধরো, তোমার কোনো আইনি সাহায্য লাগলে তুমি লিখবে—
Best Advocate in Kolkata 👨⚖️
আর গুগল দেখাবে যাদের ওয়েবসাইট আছে!”
সেখান থেকে তুমি তোমার পছন্দ মতো উকিল বেছে নেবে।
বুঝতে পারলে? 🤓
আসলে একটা ওয়েবসাইট হলো —
অনলাইনে নিজের দোকান/অফিস/চেম্বার/শোরুম/পরিচয় — যা ইচ্ছা বলো। 🏢💻✨
ও বললো, “বুঝলাম।”
আমি বললাম, “বুঝলে তো নিজের একটা Portfolio Website বানাবে নাকি?”
মুখে ঝকঝকে হাসি মেখে বললো,
“আবার শুরু করলে!” 😄✨
হঠাৎ পর্ব এখানেই শেষ।
এরপর বিদায় সম্ভাষণ। 👋
হাঁটতে হাঁটতে মনে হলো—
কী অদ্ভুত! এত বছরের দূরত্ব পেরিয়েও কিছু সম্পর্ক
ঠিক নিজের মতোই থাকে,
অল্প কথাতেই আবার জীবন্ত হয়ে ওঠে। ❤️🔥
আর হ্যাঁ—
আমার ‘এক্স’-এর নামটাই তো বলিনি। 😄👻
প্রসেনজিত মালিক।
অফিসের প্রাক্তন টেকনিশিয়ান।
মানে, প্রাক্তন সহকর্মী।
তুমি কি অন্য কিছু ভাবছিলে নাকি ⁉️
08/11/2025
প্রবলেম সলভিং স্কিল
ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট সহ যেকোনো পেশার আসল ইউএসপি হলো প্রবলেম সলভিং স্কিল ।
ওয়েবসাইট এর ক্ষেত্রে যে প্রবলেম গুলো হয় সেগুলো হলো ওয়েবসাইট হ্যাক হতে পারে, ক্র্যাশ হয়ে যেতে পারে, ম্যালওয়ার এ্যটাক হতে পারে - এরকম আরো অনেক প্রবলেম হয়।
গতকাল আমার নিজের ওয়েবসাইটটা ওপেন হচ্ছিল না।
প্রথমে নিজে চেষ্টা করি প্রবলেমটাকে সলভ করার। কিন্তু ব্যর্থ হই।
একদিন চেষ্টা করার পর যখন প্রবলেমটা সলভ হলো না স্যারকে ম্যাসেজ দিলাম- স্যার, একটু হেল্প দরকার।ওয়েব ওয়েবসাইট ওপেন হচ্ছে না । স্যার একটা মন্ত্র শিখিয়ে দিলেন মন্ত্রটা ওয়েবসাইটে এপ্লাই করার পর প্রবলেম সলভ ।
আসিফ স্যার শুধুমাত্র ওয়েবসাইট বানানো শেখায়নি, ওয়েবসাইটে যা কিছু প্রবলেম আসে সেগুলো কিভাবে সলভ করতে হয় সেগুলোও আমাদেরকে শেখাচ্ছেনা।
আরো একটা বিশেষ জিনিস হল আসিফ স্যার নিজে প্রবলেম সলভ করে দেন না।
কিভাবে সলভ করতে হয় সেটা বলে দেন । কাজটা আমাদেরই করতে হয়।
লাভ যেটা হচ্ছে প্রবলেমগুলো সলভ করার পর মনে হচ্ছে গুরুদেব যখন আছে তাহলে আমাকে আর আটকায় কে। কনফিডেন্স একেবারে এভারেস্টের গোড়ায়।
07/11/2025
কপি দেখে মন খুশিতে ভরে গেলো।
কয়েক দিন আগে হ্যাকিং নিয়ে একটা পোস্ট করেছিলাম।
গতকাল রাতে ফেসবুকের নোটিফিকেশন চেক করে দেখলাম, একই হেডিং ও ছবি দিয়ে আরেকজন পোস্ট করেছে।
যাকে ডিজিটাল ভাষায় বলে কপি-পেস্ট।
দেখেই মনটা খুশিতে ভরে গেলো।
অপেক্ষায় আছি কবে আমার ওয়েবসাইটে ডিজাইন টা কেউ কপি করবে। এখন যেমন আমি আসিফ স্যার কে কপি করি।
হেডিং ও ছবিটা কপি করলেও ভেতরের কনটেন্ট টা উনি নিজেই লিখেছেন।
তাই একটা লাইক দিলাম। কমেন্টে লিখলাম খুব ভালো হয়েছে লেখাটা।
আপনারা কমেন্টে গিয়ে কিছু লিখুন।
06/11/2025
চল ভাই জেরক্স দোকান করি।
ট্রেন-বাস, হাট-মাঠ, ধর্মতলা-কর্মতলা
মাছ বাজার-সব্জি বাজার, কলতলা-জলতলা, চা দোকান-সেলুন দোকান - এসব জায়গায় প্রতিদিন যা কিছু আলোচনা হয় তার ডেটা Google বা ChatGpt মামার কাছে থাকে না।
কিন্ত আপনি খুব ভালো ভাবেই জানেন পশ্চিমবঙ্গের বাতাসে সবচেয়ে বেশি আলোচিত বিষয় কোনটা। যাকে ইংরিজিতে Trending🔥🔥বলে।
সকালে বালিগঞ্জ স্টেশনে নামার সময় মসিহূরদা বললো , জানো দাদা 1 পাতা জেরক্স এর দাম 20 টাকা।
মসিবুরদা ট্রেনের সহযাত্রী। বজ বজ থেকে বালিগঞ্জ এটা আমাদের রুট। দাদা
কথা কম বললেও মজার মানুষ।
প্রথমে আমি ব্যাপার টা বূঝতে পারিনি।
ভাবলাম মজা করছে।
আমিও মজা করে বললাম কেন, জেরক্সের পাতায় কি সোনা আছে?
আসলে 2019 সালে গরুর দুধে সোনা আবিষ্কার হওয়ার পর থেকে সোনা নিয়ে এখন খুব চর্চা হচ্ছে।
সোনার দামও এভারেস্টের মাথায় উঠে বসে আছে । কোনদিন আর এই ধরাধামে নামবে কিনা কেউ বলতে পারছে না।
যাই হোক, মসিবুরদা একটু রহস্য মাখিয়ে
বললেন পৃষ্টাটা খুব দামি।
আমি বললাম পৃষ্ঠার সাইজ বড়ো হবে নিশ্চয়।
উনি বললেন না সাইজ একই A4।
এবার আগ্রহ আরো বেড়ে গেলো।
বললাম রহস্য করছেন কেনো❓ ব্যাপারটা খুলে বলুন না।
বললেন 2002 সালের ভোটার লিস্টের 1 পাতা জেরক্স করতে 20 টাকা নিচ্ছে।
*SIR* নিয়ে মানুষ খুবই আতঙ্কিত ।
যে কারনে সবাই 2002 সালের ভোটার লিস্টে যেখানে যার নাম বা বাবার নাম আছে সেটা জেরক্স করে নিজের কাছে রেখে দিতে চাইছে। যাতে করে ঘ্যাচাং-ফু না হতে হয়।
আর সেই সুযোগের ফায়দা নিচ্ছে - ফিরভি ম্যেরা ভারত 🇮🇳 মহান,এর কিছু মহাপুরুষ।
আমি বললাম ভোটার লিস্ট তো নেট থেকেও ডাউনলোড করা যায়। আর এখন তো এখন সবার হাতে মোবাইল নামক একটা যন্ত্র আছে।আর আমাদের এলাকায় তো এরকম কিছু হচ্ছে বলে তো শুনিনি।
ওনি বললেন সবাই কি আর সবকিছু জানে। আর সব মানুষও কি সমান হয়।
এর মধ্যে আমাদের বড়ো গাড়ি বালিগঞ্জে এসে থামে।ট্রেন থেকে নেমে আমরা কর্মস্থলের দিকে দৌড়🏃লাগাই।
বিকেলে দীপকদাকে কথাটা বলায়, উনি বললেন আমার কাছে তো 50 টাকা নিয়েছে রে।
তখন একটা নতুন আইডিয়া মাথায আসে।
আইডিয়াটা হলো - এই সময় একটা জেরক্স দোকান করলে কেমন হয়।
2 টাকার জেরক্স 20 টাকা । কত পারসেন্ট গ্রোথ সেটা নিজেরা হিসেব করে নাও। আমি অঙ্কে খুবই কাঁচা।
তবে এই বিসনেস আইডিয়া টা কেমন সেটা একটু জানাও।
আর হ্যাঁ সবাই কে কিন্তু বোলো না।
কারন -
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শেখার পর এসব কথা বললে,
রেগে যাবে।
কে👤❓
খুব রেগে যাবে।
কে👤❓
রেগে যাবে তাই ...... নামটা বলবো না।
যদি বুঝতে পারো তাহলেও নামটা কমেন্টে লেখার দরকার নেই।
ছবিটা ChatGpt দিয়ে বানানো। ভোটার বানান টা ভুল আছে, সেটার জন্য কিছু মনে করবেন না।
01/11/2025
সবাইকে যখন হ্যাকার মনে হয় ।
গতকাল রাতে আসিফ স্যারের ফ্রি ক্লাসটা 🎦করছিলাম ।
তখন অচেনা একটা নাম্বার থেকে কল 📞 আসে । একজন ফোন করে বলে যে তিনি হ্যাকিং নিয়ে স্যারের ওই ভিডিওটা পাননি। ওটা ওনার দরকার।
তো আমি ওনাকে জিজ্ঞেস করলাম যে, আপনি কে ⁉️
উনি বললেন যে আমি স্যারের ওয়েবসাইট ক্লাসের ব্যাচ ৩৩ এর স্টুডেন্ট । "বিশ্বাস কোম্পানির ফেসবুক কমিউনিটিতে হ্যাকিং নিয়ে আপনার পোস্ট টা দেখে আপনাকে ফোন করছি"।
আমি বললাম স্যার প্রত্যেকটা পেড ব্যাচের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ওই ভিডিওর লিংকটা শেয়ার করেছেন।
আপনি যে ব্যাচের স্টুডেন্ট ওই ব্যাচের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপটা চেক করুন আপনি ওই ভিডিওটা পেয়ে যাবেন ।
উনি বললেন ঠিক আছে। বলে কলটা কেটে দিলাম।
পাঁচ মিনিট পর আবার ফোন করলেন। বললেন যে - না, আমি আমাদের ব্যাচের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপটা চেক করেছি, কিন্তু ওখানে খুঁজে পাইনি।
তখন আমি বললাম আচ্ছা ঠিক আছে ক্লাসটা শেষ হলে আমি আপনাকে ওই ভিডিওর লিংকটা শেয়ার করে দিচ্ছি ।
আপনি হোয়াটসঅ্যাপে আমাকে একটা হাই বলে মেসেজ করে দিন। উনি সেটা করে দিলেন।
এর মধ্যে মনে হল আরে উনিতো ☣️ হ্যাকারও হতে পারেন বা অন্য কেউ যিনি স্যারের পেইড ব্যাচের স্টুডেন্ট নয়।
সেই কারণে স্যারকে মেসেজ দিলাম, বললাম, স্যার এরকম একটা ফোন কল এসেছিল আমি কি ওনাকে ভিডিও লিংকটা শেয়ার করতে পারি ?
স্যার বলল না ❌।
আমি তখন ওনাকে বললাম যে আমি স্যারকে বলে দিয়েছি আপনি স্যারের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিন। স্যার আপনাকে ভিডিওটা পাঠিয়ে দেবেন ।
একটা জিনিস ভেবে খুব মজা😇 লাগলো। মাত্র 4 দিন আগে আমি কে, আমি কি করি সেটা কেউ জানতো না।
কিন্তু বিশ্বাস কোম্পানির কমিউনিটি গ্রুপে পোস্ট করার পর অনেকেই জেনে গেছে যে আমি একজন 🛠 ওয়েবসাইটের মিস্ত্রি ।
আমি যে তার কোন কাজে আসতে পারি সেই বিশ্বাস নিয়ে তিনি আমাকে ফোন করেছেন।
যাইহোক 2 দিন আগে অনির্বাণ স্যার
মার্কেটিং এর বীজ পোঁতা শিখিয়েছিলেন।
সেটা থেকে ছোটো একটা গাছ🌴 বেরিয়েছে।
31/10/2025
হ্যাকিং! তাও আবার আসিফ স্যারের ওয়েবসাইট !
অনলাইনে, আজকের দিনে হ্যাকিং টা একটা বড় সমস্যা ।
ওই আসলে রাস্তাঘাটে চুরি, ছিনতাই, পকেটমারি, কিডন্যাপিং, ভয় দেখানো, ব্লাকমেলিং - অনেকটা এরকম আর কি ।
যাই হোক গতকাল Website Development ক্লাসের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে স্যার একটা ভিডিও পাঠায় ।
ভিডিও পাঠিয়ে বলেন যে আমার একটা ওয়েবসাইট হ্যাক হয়ে গেছে এবং সেই ওয়েবসাইট টা আবার কিভাবে রিকভারি করা যায় সেই প্রসেসটা উনি আমাদেরকে শেখালেন।
সেই সঙ্গে এটাও বললেন যে এটুকুই শেষ না । এটা প্রবলেমের শুধু মাত্র 5 পারসেন্ট।
এখনো নাইন্টি ফাইভ পার্সেন্ট বাকি আছে ।
সেগুলো সমাধান কিভাবে করা যায় সেটা আপনাদের শেখাবো।
ক্লাস শেষ হয়ে যাওয়ার পরও এই যে সাপোর্ট দেয়া এটার জন্য কি ধন্যবাদ দেয়া উচিত? আপনারাই বলুন তো।
এইসব স্যারদের নিয়ে কি করা যায় কমেন্টে একটু লিখে জানান তো।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Vill-Kalim Beria, P. S./Budge Budge, P. O-Uttar Raipur, Dist-south 24 Pgs
Kolkata
700137