Tips-24

Tips-24

Share

11/10/2019

খাবারে ফরমালিন দূর করবেন যেভাবে
ফরমালিন ছাড়া কোনো খাবার পাওয়া যেন অসম্ভব হয়ে যাচ্ছে। ফলে ফরমালিনযুক্ত খাবার খেয়ে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি। তবে সহজ কিছু উপায় অবলম্বন করে খাদ্য থেকে ফরমালিন দূর করা যায়। যদিও আজকাল ফল থেকে শুরু করে মাছ, মাংস, শাক সবজি, এমনকি দুধে পর্যন্ত দেয়া হচ্ছে এই রাসায়নিক।

ফর্মালিন (রাসায়নিক সংকেত -CHO-)n হল ফর্মালডিহাইডের পলিমার। ফর্মালডিহাইড দেখতে সাদা পাউডারের মত। ফর্মালিন বস্তুটা মূলত টেক্সটাইল, প্লাষ্টিক, পেপার, রং, কনস্ট্রাকশন ও সর্বোপরি মৃতদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ফরমালিনে ফরমালডিহাইড ছাড়াও মিথানল থাকে, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

অনেকের ধারণা, ১৫ থেকে ২০ মিনিট বিশুদ্ধ পানিতে ডুবিয়ে রাখলে খাদ্যদ্রব্য থেকে ফরমালিন দূর হয় বা কমে যায়। আসলে কমলেও তা অতটা কার্যকর নয়। তার চেয়ে বরং কাঁচা অবস্থায় খাবার থেকে ফরমালিন অপসারণ করতে চাইলে পানির কল ছেড়ে তার নিচে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রাখতে হবে।
কারণ কাঁচাসবজি ও ফলের ত্বকে অসংখ্য ছোট ছোট ছিদ্র রয়েছে। আর পানিতে ডুবিয়ে রাখলে ফরমালিন আরো ভালোভাবে খাবারে মিশে যেতে পারে। তাই পানির কল ছেড়ে তার নিচে নির্দিষ্ট খাবার দ্রব্য বা ফলটি রেখে দিন।

ভিনেগার বা লেবুর রসে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ভিজিয়ে রেখেও ফরমালিন দূর করা যায়। আগুনের তাপে ফরমালিন অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। তাই রান্নার আগে ফরমালিন কমানোর পদ্ধতি ব্যবহার করে রান্না করলে খাবার পুরোপুরি ফরমালিন মুক্ত করা সম্ভব।

10/10/2019

কমে যাচ্ছে ঘুমের সময়, কী বলছে গবেষণা?
বর্তমান জীবনযাত্রায় ঘুম কমে গেছে অনেকেরই। অনেক রাত পর্যন্ত চলে কাজ। ফলে ঘুমের সময় ক্রমশ কমে আসছে। এর ফলেই বাড়ছে রোগ

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, যারা কম ঘুমায় কিংবা যারা বেশি ঘুমায় তারা নানা রোগে আক্রান্ত হয় এবং কম বাঁচে। এমনকি মোটাও হয়ে যেতে পারে কম ঘুমালে। মোটের উপর অন্তত ৬ ঘণ্টা ঘুম প্রত্যেকের প্রয়োজন।

গবেষণা বলছে, বয়ঃসন্ধিকালের আগ পর্যন্ত প্রতি রাতে ১১ ঘণ্টা ঘুমানো উচিৎ। সদ্যজাতদের প্রতিদিন ১৮ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। যাদের বয়স ১৩ থেকে ১৯ বছর তাদের প্রতিরাতে ১০ ঘণ্টা ঘুমানো উচিত।
ডাবলিনের ট্রিনিটি কলেজের মস্তিষ্ক বিষয়ক গবেষক শেন ও’মারা বলেন, শুধু কম ঘুমের কারণেই স্বাস্থ্য খারাপ হয় কি না সেটি বলা খুব কঠিন। তবে একটির সাথে আর একটির সম্পর্ক আছে। অনেকে আছেন যারা সাংঘাতিকভাবে ঘুম বঞ্চিত। রাতে এক-দু’ঘণ্টার বেশি তাদের ঘুম হয় না। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এর কারণে স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যায়।

ঘুম কম হওয়ার কারণে শারীরিকভাবে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। পৃথিবীজুড়ে ১৫৩টি গবেষণা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কম ঘুমের কারণে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ এবং মোটা হয়ে যাবার সম্পর্ক আছে। প্রায় ৫০ লক্ষ মানুষের উপর এসব গবেষণা চালানো হয়েছে।

গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, একটানা কয়েক রাত যদি ঘুম কম হয় তাহলে সেটি ডায়াবেটিসের দিকে নিয়ে যেতে পারে। এই ধরনের নিদ্রাহীনতা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে শরীরের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়।

ঘুম কম হলে টিকার কার্যকারিতা এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায়। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুম হলে ক্ষুধার তীব্রতা বাড়ে এবং এতে বেশি খাবারের চাহিদা তৈরি হয়। ফলে মোটা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

10/10/2019

মশা তাড়ান ঘরোয়া উপায়ে
মশার উপদ্রবে ভুগতে হয়নি, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। মশা তাড়াতে ধূপ বা লিকুইডেটর জ্বালানো যায় ঠিকই। তবে সেটা যে স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক, সেটা মানেন সকলেই। মশা তাড়াতে অবলম্বন করা যায় কিছু ঘরোয়া উপায়ও। একনজরে সেগুলো দেখে নেওয়া যাক।-

১) রসুনের গন্ধ মশারা সহ্য করতে পারে না। তাই কয়েক কোয়া রসুন পানিতে ফুটিয়ে নিন। সেই ফোটানো পানিকে ঠান্ডা করে একটা বোতলে ভরে নিন। ঘরের কোণায়, পর্দার পিছনে, ছাদে, বারান্দায় ছড়িয়ে দিন। এমনকী, দরকার পড়লে গায়েও মেখে নিতে পারেন। এতে মশা দূরে থাকবে।

২) একটি পাত্রে কর্পূর জ্বালিয়ে ঘরে রেখে দিন। তবে সেই সময় ঘরের জানলা এবং দরজা বন্ধ রাখতে হবে। ১৫ মিনিট পরে জানলা–দরজা খুলে দিন। দেখবেন ধুয়ার সঙ্গে মশাও বেরিয়ে যাবে।
৩) নিমপাতা রোদে শুকিয়ে নিন। তারপরে ধুনুচিতে শুকনো নিমপাতা নিয়ে জ্বালিয়ে দিন। ঘরের মধ্যে ধুনুচি রেখে জানলা দরজা বন্ধ করে দিন। কিছুক্ষণ পরে দরজা জানলা খুলে দিন। দেখবেন মশা গায়েব।
৪) একটা বাটিতে পানির মধ্যে পুদিনা পাতা রেখে ফুটিয়ে নিন। সেই ধোয়া ভালে করে ঘরের মধ্যে ছড়িয়ে দিন। পানি ছিটিয়ে দিন ঘরের কোণায়। দেখবেন মশা চলে গিয়েছে।

৫) ঘরের মধ্যে টবে তুলসি গাছ রাখলে মশা আসে না।

৬) ঘর মোছার পানিতে কিছুটা লবন মিশিয়ে দিন। এতে মশা, মাছি ঘরে আসবে না।

10/10/2019

নানা রংয়ের ডিম পাড়ে মুরগি!
মুরগি একই সঙ্গে নানা রঙের ডিম পাড়ে। শুনতে আজব মনে হতে পারে। ঘটনা সত্য। যদিও দেখে মনে হয় যে সাধারণ সাদা রঙের ডিমে রং করে এমন বাহারি রূপ দেয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবেই এমন রঙিন ডিম পাড়ে আমেরিকার বিশেষ প্রজাতির একটি মুরগি। বিশেষ প্রজাতির এই মুরগি ‘ইস্টার এগার্স’ নামে পরিচিত।

ইস্টার এগার্স মুরগি মূলত বিখ্যাত তার নানা রঙের ডিমের জন্যই। সাদা, বাদামি, হাল্কা নীল, হালকা গোলাপী বা হালকা সবুজ রঙের ডিম পাড়ে এই ইস্টার এগার্স। নানা রঙের ডিম পেতে কোনও রকম ওষুধ খাওয়ানোর প্রয়োজন হয় না এদের।

ইস্টার এগার্স ছাড়াও এমন রঙিন ডিম পাড়ে আরও বেশ কয়েকটি প্রজাতির মুরগি। এর মধ্যে রয়েছে চিলির শঙ্কর প্রজাতির অ্যারোকানাস মুরগি, ব্রিটেনের ক্রিম লেগবার মুরগি বা ফ্রান্সের মারানস প্রজাতির মুরগি।
অ্যারোকানাস প্রজাতির মুরগির ডিমের রং হাল্কা নিচ বা আকাশি। এই মুরগির কানের ঠিক দুই পাশে অদ্ভুত ধরনের পালক রয়েছে যা এদের আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। এছাড়াও, প্লাইমাউথ রক, লেগহর্ন, ক্যাম্বার্স প্রজাতির মুরগির মিলনে সৃষ্টি হয় ক্রিম লেগবার প্রজাতির মুরগি। এই মুরগি হালকা নীল বা ফিকে সবুজ রঙের ডিম পাড়ে। ফ্রান্সের মারানস প্রজাতির মুরগির ডিমের রং গাঢ় বাদামি বা লালচে বাদামি। এই সব বাহারি রঙের ডিম দেখলে ইস্টারের কথাই মনে পড়ে।

10/10/2019
Want your business to be the top-listed Beauty Salon in KOLKATA?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address


Kolkata
700073