SCCH
গঙ্গাসাগর অন ক্রুজ
~~~~~~~~~~~~~
সব তীর্থ বারবার, গঙ্গাসাগর একবার—এই কথাটা ছোটো থেকেই শুনে আসছি। সত্যি বলতে কী, গঙ্গাসাগরে আমার একবারও যাওয়া হয়নি। একবার লট নম্বর ৮ পর্যন্ত গিয়েও ফেরি ক্রস করা হয়নি। কিন্তু বিগত দু’বছরে অন্তত আট-নয় বার ঘোরা হয়ে গেল আমার। পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকার দৌলতে আট-নয় বার ট্যুরিস্ট নিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলাম কপিল মুনির আশ্রমে।
চলুন, একটু বিস্তারিতভাবে ব্যাপারটা আপনাদের বলি। Osprey Waterways নামক একটি সংস্থা নিয়মিত জলযানে করে গঙ্গাসাগরে তীর্থযাত্রী নিয়ে যায়। খবর পেলাম, কিন্তু অধিকাংশ সময় পর্যাপ্ত লোকজন না হওয়ায় যাত্রা বাতিল হয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবেই অল্প লোক নিয়ে এত বড় ক্রুজ চালানো লোকসানের।
তাই আমরা ঠিক করলাম একটি বাল্ক বুকিং করব। ৪৫ জন যাত্রী নিয়ে মিলেনিয়াম পার্ক থেকে যাত্রা শুরু করলাম। সড়কপথে অনেকেই এই যাত্রা করে থাকবেন—ডায়মন্ড হারবার রোড দিয়ে কাকদ্বীপের পর ডানদিকে ঘুরে লট নং ৮ থেকে ফেরি পেরিয়ে বাসে করে ৩০ কিমি গঙ্গাসাগর।
কিন্তু আজ বলব এক অন্যরকম অভিজ্ঞতার কথা। গঙ্গার পথ ধরে মোহনার দিকে পাড়ি—উফ! সে এক দারুণ অভিজ্ঞতা। বিলাসবহুল ক্রুজ, বাতানুকূল কেবিন আর প্যাকড ব্রেকফাস্ট। কোনোমতে ব্রেকফাস্ট সেরে পৌঁছে গেলাম ডেকে। গঙ্গার মনোরম হাওয়া আর অপূর্ব দৃশ্য দেখে সকলেরই মন-প্রাণ জুড়িয়ে যাবে।
ঘণ্টা চারেকের এই পথ আপনার সারা জীবনের এক স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে—কথা দিলাম।
এবার আসি ক্রুজের ভেতরের কথায়। ক্রুজটি চারটি বিভাগে বিভক্ত—
প্রথমত, প্রিমিয়াম ক্লাস—অনেকটা বিমানের বিজনেস ক্লাসের মতো। চারিদিকে কাঁচের জানলা, আরামদায়ক সিট, তবে একটু কনজেস্টেড (আমার মতে)। ৩×৩ সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট। তবে এখন নতুন সিট লাগানো হয়েছে।
দ্বিতীয়ত, ইকোনমি ক্লাস—এই জায়গাটি বেশ চওড়া। এখানেও দু’দিকে কাঁচের জানলা, ৪×৩ সিটিং ব্যবস্থা, গান-বাজনার সুন্দর আয়োজন, একটি টিভিও আছে—তবে চালানোর প্রয়োজন হয় না।
হ্যাঁ, বলে রাখা ভালো—তিনটি টয়লেট আছে, এবং খাবারের জন্য ঠান্ডা ও গরম জলের ব্যবস্থাও রয়েছে।
তৃতীয় বিভাগ হলো ক্যাপ্টেনের কেবিন, যা দোতলায়। এখানেও সুন্দর সোফা পাতা আছে। ক্যাপ্টেনের সঙ্গে গল্প করতে করতে দারুণ সময় কাটবে।
চতুর্থ বিভাগ হলো ডেক—যা আমার সবচেয়ে প্রিয় জায়গা। খোলা আকাশের নিচে, নদীর মনোরম হাওয়ায় গেয়ে উঠতে ইচ্ছা করবে—
“তোমার খোলা হাওয়া লাগিয়ে পালে…”
একটা কথা বলতে পারি—একবার এই যাত্রা করলে আপনাকে বলতেই হবে,
“সব তীর্থ একবার, গঙ্গাসাগর বারবার।”
ঘন্টাচারেকের এই সুন্দর যাত্রার পর আমরা পৌঁছে যাব কচুবেড়িয়া ঘাট সেখানে অপেক্ষমাণ আমাদের গাড়ি (এসি টাটা সুমো) আমাদের নিয়ে চলবে ওয়েস্ট বেঙ্গল ট্যুরিজিমের বিলাসবহুল কটেজে, একটা কথা বলতে পারি One of the best property of WBTDCL এর প্রত্যেকটা কটেজ স্যুট রুম দুটো ঘর একটা ছোটো একটা মাস্টার বেডরুম অবশ্যই দুটো রুমে এ্যাটাচ বাথরুম আছে, দুটো ঘরেই এসি টিভি আছে। আত্মীয়স্বজন কিংবা বন্ধুবান্ধব নিয়ে চারজন থেকে পাঁচজন অনায়াসে থাকা যায়।
এবার আসি ভাড়ার কথায়—
প্রিমিয়াম সিটের ভাড়া ১৫০০ টাকা (একপিঠ, কলকাতা–কচুবেরিয়া)
ইকোনমি সিটের ভাড়া ১৩৫০ টাকা (একপিঠ, কলকাতা–কচুবেরিয়া)
আমাদের প্যাকেজ একটা রুমে দুজন থাকলে ১রাত ২দিনের খরচ ৩৫০০ জনপ্রতি (সমস্ত খাওয়াদাওয়া ঘোরা নিয়ে)আর একটা রুমে তিন বা অধিক জন থাকলে ৩০০০ জনপ্রতি। অতএব অপ ডাউন ক্রুজ টিকিট প্রিমিয়াম জনপ্রতি (কলকাতা থেকে কলকাতা)আর থাকা খাওয়া ঘোরা নিয়ে ৩৫০০ টাকা টোটাল ৬৫০০ জনপ্রতি ডবল শেয়ার। ইকোনমি টিকিট সহ ট্রিপিল শেয়ার খরচ ৫৭০০ জনপ্রতি ।
১৮ই জুলাই আমাদের ট্যুর রয়েছে বুকিং চলছে।
যারা যেতে চান, যোগাযোগ করুন—
SCCH TOURS & TRAVELS
📞 8017548939 / 9836494093
SCCH Travel and transport
২১শে আগস্ট থেকে ১লা সেপ্টেম্বর লাদাখ ট্যুরে তৃতীয় গাড়ির বুকিং চলছে যারা যেতে ইচ্ছুক তাড়াতাড়ি যোগাযোগ করুন। 8017548939 / 9836494093
18th Aug Starting from Srinagar, Kargil, Leh, Nubra, Pangong, Hanle, Tsomoriri, Jispa Manali 10N/11D, 36000 PP MAP few seats left contact 8017548939 / 9836494093
মুকুটমনিপুর বসন্ত উৎসব
~~~~~~~~~~~~~~~~
২৪শে মার্চ রবিবার সকাল ৬টায় ঠাকুরপুকুর থেকে এসি বাস ছাড়বে, তারপর বিভিন্ন পিকআপ পয়েন্ট ছুঁয়ে বেলা ১২টা নাগাদ পৌঁছাবো মুকুটমনিপুরে মিলি রিসর্টে পথে অবশ্যই ব্রেকফাস্ট দেওয়া হবে। রুমে চেক ইন করে একটু ফ্রেস হয়ে নিয়ে লাঞ্চ সেরে বেরিয়ে পড়বো মুকুটমনিপুর ড্যাম দেখতে। ড্যামে বোটিং এর ব্যবস্থা আছে বোটে বসে সূর্যাস্ত দেখে হোটেলে ফেরা। আজ থাকছে পুল পার্টি সঙ্গে চা কফি পকোড়া তো থাকবেই। রাত ৯টা নাগাদ ডিনারের ডাক পড়লেই ডিনার সেরে ঘুম।
২৫শে মার্চ আজ কিন্তু হোলি তাই সকাল সকাল উঠে তৈরি হয়ে নেওয়া (নির্ধারিত ড্রেসকোড) আমাদের বসন্ত উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে হোটেলের এসি ব্যাঙ্কোয়েটে থাকছে বিশেষ কিছু আকর্ষণ, নাচ গান হুল্লোড় আর খাওয়াদাওয়া। সারাদিন আনন্দের পর সন্ধ্যায় পুলে নেমে একটু গা ভাসিয়ে দেওয়া। আজ আপনারা খুবই ক্লান্ত তাই ডিনার সেরে ঘুমিয়ে পড়ুন।
২৬শে মার্চ মঙ্গলবার আজ ফেরার পালা ৮টায় ব্রেকফাস্ট সেরে বাসে চেপে বসা বিষ্ণুপুরের বিভিন্ন টেরাকোটার মন্দির দেখে দুপুরে বনলতা রিসর্টে লাঞ্চ সেরে জয়পুর ফরেস্ট দেখতে দেখতে কলকাতা পৌঁছে যাওয়া। এই ট্যুরের খরচ ৮০০০ জনপ্রতি (ডবল শেয়ার ) ৭৫০০ জনপ্রতি (ট্রিপিল শেয়ার) হোটেলের সমস্ত রুমই আমরা বুক করে নিয়েছি।
♦রিসর্টটি ৩ তারা বিশিষ্ট।
♦এসি রুমের জন্য অতিরিক্ত খরচ নেই।
♦২৪শে মার্চ ব্রেকফাস্ট থেকে ২৬শে মার্চ লাঞ্চ পর্যন্ত আমাদের প্যাকেজ।
♦কলকাতা থেকে কলকাতা সরাসরি এসি বাসে যাতায়াত।
♦বুকিং অনুয়ায়ী বাসের সিট দেওয়া হবে।
♦বাস ৩/২ সিটিং
♦বোটিং এবং বিষ্ণুপুরে টোটো চার্জ অতিরিক্ত।
♦বুকিং মূল্য জনপ্রতি ২০০০টাকা।
♦বুকিং ক্যানসেল করলে তার পরিবর্তে লোক পেলেই তবে বুকিং মূল্য ফেরত করা হবে।
♦বুকিং করতে ফোন করুন ববিতাকে 9836494093
Join our WhatsApp Channel for regular updates of our Tours. Click below link
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
56/76
Kolkata
700040