CryptoGyan
10/04/2022
ক্রিপ্টোজ্ঞান
দ্বিতীয় ভাগ
ক্রিপ্টোকারেন্সি কি?
এটি এক ধরনের কারেন্সি বা অর্থ যার কোনো বাস্তব অস্তিত্ব যেমন কাগজের নোট বা ধাতব কোন মুদ্রা হিসেবে কোন অস্তিত্ব নেই। এর একমাত্র অস্তিত্ব ডিজিটালি অনলাইনে রয়েছে তাই একে ডিজিটাল কারেন্সি বা ডিজিটাল মুদ্রা বা ডিজিটাল কয়েন বলা হয়ে থাকে। এই মুদ্রার কোন সেন্ট্রাল কন্ট্রোলিং অথরিটি যেমন কোন দেশের সরকার বা ব্যাংক হয়না। এটি সম্পূর্ণরূপে পাবলিক বা জন সাধারণ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত তাই এই অর্থব্যবস্থাকে ডিসেন্ত্রালাইজড অর্থব্যবস্থা বলা হয়। ক্রিপ্টোকারেন্সি হল সম্পূর্ণরূপে আগামী যুগের অর্থব্যবস্থা যেটা সবেমাত্র অংকুর হিসেবে বর্তমানে শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি আপনি এক কাপ চা খেতে যান আপনি দোকানদারকে কোন অর্থ দেবেন না আপনি তাকে অনলাইনে কিছু ডিজিটাল মুদ্রা বা বোঝার সুবিধার জন্য বলা যেতে পারে কিছু ডিজিটাল পয়েন্ট তার ওয়ালেটে ট্রান্সফার করবেন। এখনই অবশ্য আমরা গুগোল পে, ফোন পে, পেটিএম এসবের মাধ্যমে পেমেন্ট করছি কিন্তু এগুলোর মাধ্যমে যে অর্থ ট্রান্সফার হচ্ছে তা সরকার বা ব্যাংকের অধীনে এবং এই সমস্ত ট্রানজেকশনের জন্য একটা নির্দিষ্ট ফি কাটা হয়। এই ফিগুলো যদি যোগ করা হয় তাহলে দেখা যাবে ব্যাংক বা সরকার ট্রানজেকশন ফি বাবদ কোটি কোটি টাকা আমাদের থেকে নিচ্ছে। এই ট্রানজেকশন ফি হল ব্যাংক বা সরকারের ইনকাম করার একটা বড় মাধ্যম তাই প্রতিদিনই ফোন পে গুগল পের মত পেমেন্ট ভেন্ডার অ্যাপস তৈরি হচ্ছে। কোন সরকার ব্যাংক বা এই সমস্ত অ্যাপস ট্রানজেকশন ফিজ কেন নেয় তার কারণ হলো এরা একটা লেজার বা হিসেব খাতা মেনটেন করে, কোন ব্যক্তি কাকে কত টাকা দিল কার কাছ থেকে কত নিলো, সত্যিই অর্থ দিল কি দিল না এই সমস্ত কিছু। কিন্তু ক্রিপ্টোকারেন্সি কোন দেশ বা ব্যাংকের অধীন নয়। এখানে হিসাবের খাতা বা লেজার বুক জনসাধারণ নিজেরাই মেইনটেইন করে একটি বিশেষ পদ্ধতির মাধ্যমে যাকে ব্লক চেইন সিস্টেম বলে এই সিস্টেম অত্যন্ত গভীর সিকিউরিটি যুক্ত যা হ্যাক করা সম্ভব নয়। প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় যদিও আপনার অর্থ হ্যাক হতে পারে কিন্তু ক্রিপ্টোগ্রাফিক ব্লকচেইন সিস্টেমে তা কখনোই সম্ভব নয়।....
চলবে...
09/04/2022
জ্ঞানই দিতে পারে সাফল্য
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Kolaghat