Tech Biggan
27/04/2024
লিথিয়াম আয়রন ফসফেট (এলএফপি) ব্যাটারি :
গত ২৫শে এপ্রিল বৃহস্পতিবার চীনের রাজধানী বেইজিং এ এক আটো শোতে চীনের এক (ইভি) কার ব্যাটারি ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি সিএটিএল তাদের নতুন উদ্ভাবিত লিথিয়াম আয়রন ফসফেট (এলএফপি) ব্যাটারি বিশ্বের সামনে উন্মোচন করে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি মতে, তাদের তৈরি এই জাতীয় এডভান্স টেকনোলজির ব্যাটারি মাত্র একবার চার্জে ইভি কার এক হাজার কিলোমিটারের অধিক পথ অতিক্রম করতে পারবে। তাছাড়া প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তিবিদেরা জানিয়েছেন যে, বর্তমানে প্রচলিত লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি অপেক্ষা তাদের নতুন নতুন উদ্ভাবিত লিথিয়াম আয়রন ফসফেট (LiFePO4) ব্যাটারি অনেক বেশি পরিবেশ বান্ধব, নিরাপদ এবং শক্তিশালী। এটি এক ধরণের দীর্ঘস্থায়ী চার্জযোগ্য ব্যাটারি।
সৌজন্য - Sherazur Rahman
ইউটিউব - Tech Biggan
22/04/2024
সাদা তেলের উপকারিতা অনেকগুলি হলো হৃদয়ের স্বাস্থ্য উন্নতি সাদা তেলে থাকা অমিগা-৩ এবং অমিগা-৬ হৃদয়ের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অমিগা অ্যাসিডগুলি রক্তের চলার প্রক্রিয়াকে উন্নত করে এবং হৃদয়ের রোগের ঝুঁকি কমায়।
2. **মস্তিষ্কের উন্নতির সাথে সম্পর্কিত**: অমিগা-৩ এবং অমিগা-৬ মস্তিষ্কের উন্নতির জন্য উপকারী, যা মনোবিজ্ঞানিক সমস্যার ঝুঁকি কমিয়ে তার সুস্থতা উন্নত করে।
3. **কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ**: সাদা তেলে থাকা অমিগা-৩ এবং অমিগা-৬ কোলেস্টেরলের নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং হৃদয়ের রোগের ঝুঁকি কমায়।
4. **হ্রদয়ের রোগের সুরক্ষা**: অমিগা-৩ এবং অমিগা-৬ সাদা তেলে থাকা কারণে হ্রদয়ের রোগের ঝুঁকি কময়ে যায়।
5. **জড়িৎ শক্তির বাড়ানো**: সাদা তেলে থাকা প্রোটিন এবং ভিটামিন শরীরের জড়িৎ শক্তি বাড়ায় এবং অবস্থানিক ক্ষমতা বাড়ায়।
6. **ত্বকের স্বাস্থ্য সুরক্ষা**: সাদা তেলে থাকা অমিগা-৩ ও অমিগা-৬ স্বাস্থ্যকর ত্বক প্রদান করে এবং ত্বকের স্বাস্থ্য সুরক্ষা করে।
সাদা তেলের উপকারিতা ব্যবহার প্রায়শই সামগ্রিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে এবং এটি স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসাবে বিবেচিত হয়।
YouTube - Tech Biggan
20/04/2024
"বিশ্বের সবচেয়ে বড় ট্রাফিক জ্যাম যেটি গিনেস বুক ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে জায়গা করে নিয়েছিল"
বিশ্বের দীর্ঘতম ট্র্যাফিক জ্যাম চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে ২০১০ সালর ১৪ আগস্ট দেখা গিয়েছিল।এটি ১২ দিন পর্যন্ত স্থায়ী ছিল এবং ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দীর্ঘ ছিল। বেশ কিছু ভারী ট্রাক ও গাড়ি বেইজিং-তিব্বত এক্সপ্রেসওয়ে অতিক্রম করার চেষ্টা করলে এই জ্যাম শুরু হয়।
ওই জ্যামে অনেক চালক প্রতিদিন তাদের যানবাহন মাত্র ১ কিমি (০.৬ মাইল) সরাতে সক্ষম হয় এবং কিছু চালক পাঁচ দিন ধরে যানজটে আটকে ছিলেন। কোনো গাড়ি আবার একই জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিল টানা ২-৩ দিন। মূলত এই যানজট শুরু হয় একসঙ্গে কয়েকটি সড়কের সংস্কারকাজ হাতে নেওয়ার কারণে। এতে মহাসড়কগুলোর সক্ষমতা প্রায় ৫০ শতাংশ নেমে আসে। এ ছাড়া সড়ক সংস্কারের কাজে মালবাহী ট্রাকের আনাগোনা তো ছিলই।
দীর্ঘ এই যানজটে ৩০ টি শিশুর জন্ম,১৮ জনের মৃত্যু,২৫০ এর বেশি ছিনতাই,৯টি খুন সবই হয়েছিল।অবশেষে ২৬ শে আগস্ট দীর্ঘ এই যানজটের অবসান হয়েছিল।
(সংগ্রহীত)
30/12/2023
৬ বছরে ৫ বারের চেষ্টায় এই ছবিটি তুলেছেন ফটোগ্রাফার। ফিচার করেছে নাসা!
এই ধরণের ছবি তুলতে প্রচুর পরিমাণে প্লানিং এর প্রয়োজন৷ সবার প্রথমে দরকার এমন ৩টি বস্তুর পরস্পর একই স্থানে মিলনের। দ্বিতীয় কাজ হচ্ছে এমন একটি জায়গা খুজে বের করা যেখান থেকে এই ঘটনার সবচেয়ে সুন্দর ছবি তোলা যাবে। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে ওই স্থানে একদম নিদিষ্ট সময়ে পৌঁছানো এবং আকাশ পরিষ্কার থাকা। কিন্তু এই পরিষ্কার আকাশ পাওয়াটাই সবচেয়ে কঠিন কাজ। যার কারণে ৬ বছরে ৫ বার চেষ্টা করার পরও ফটোগ্রাফার ছবি তুলতে পারছিলেন না। শেষে ১৫ দিন আগে আবহাওয়া পরিষ্কার থাকে ছবি তোলার জন্য এবং অবশেষে এমন চমৎকার ছবি পাওয়া যায়৷
ছবিটি তোলা হয়েছে ইতালির পাইমোন্টেতে৷ সবার সামনে যে ক্যাথেড্রালটা দেখা যাচ্ছে তা হচ্ছে ব্যাসিলিলা অব সুপারগা৷ মাঝের পর্বতটির নাম হচ্ছে মোনভিসো। আর পিছনে থাকা চন্দ্রটি অস্ত যাওয়ার সময় ক্রিসেন্ট ফেজে তোলা৷ আর ছবিটি তুলেছেন ভ্যালেরিও মিনাটো!
সৌজন্য: Scince Bee
**সাইন্স বি পেজ থেকে সংগ্রহীত
21/12/2023
।। বন্যা থেকে বাঁচতে ভাসমান বাড়ি ।।
জলাভূমি আর জলের সঙ্গে মানব সম্প্রদায়ের সদস্যদের নিবিড় সম্পর্ক। অবশ্য জলের সঙ্গে মিতালি না করে তাদের উপায়ও নেই। যেখানে তাদের বাস, সেখানে নেই কোনো রাস্তা, নেই কোনো ফুটপাত। রয়েছে নদী কিংবা হ্রদ।
তাই জলপথে এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়ি কিংবা এক পাড়া থেকে অন্য পাড়ায় যায় তারা।
ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলের আগুসান মার্শল্যান্ডে মানোবো সম্প্রদায়ের প্রায় তিন লাখ মানুষ বাস করে। তাদের বাড়ির কাঠামো কিন্তু মোটেও আর ১০টি সাধারণ বাড়ির মতো নয়। তাদের বাড়িগুলো ভাসমান।
ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে পানির পরিমাণ কমবেশি হলেও এ জলাভূমি অঞ্চলে নদী কিংবা হ্রদ কখনো শুকিয়ে যায় না। ফলে এখানে স্থায়ীভাবে বাড়িঘর তৈরির জন্য শক্ত জমি পাওয়া যায় না। তাই বসবাসের একটি বাস্তব সমাধান হলো এই ভাসমান বাড়ি। তবে ভাসমান বাড়ি তৈরির পেছনে এই সম্প্রদায়ের আরেকটি কারণও রয়েছে।
ওই অঞ্চলে বন্যা একটি সাধারণ ঘটনা। প্রতিবছর ডিসেম্বর থেকে মার্চ মাসে মৌসুমি বৃষ্টিপাতেও পানির স্তর বাড়ে। কিন্তু এতেও মানোবো সম্প্রদায়ের তেমন চিন্তার কারণ নেই। পানি বাড়লে ভাসমান বাড়ির উচ্চতাও বেড়ে যায়। তাই পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ি তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও নেই।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বন্যা ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে নগর এলাকার যেসব সম্প্রদায় ঝুঁকিতে রয়েছে, তাদের জন্য একটি সম্ভাব্য সমাধান হতে পারে এই ভাসমান বাড়ি।
সূত্র: বিবিসি
ফেসবুক সৌজন্যতা : Science Bee পেজ
ফেসবুক পেজ : টেক বিজ্ঞান | Tech Biggan
YouTube : Tech Biggan
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আকর্ষণীয় ভিডিও গুলি দেখতে , এক্ষুনি চেক করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল - Tech Biggan
লিঙ্ক - https://youtube.com/?si=rNd1cCIOH7-gEO7G
20/12/2023
মধু খুঁজছেন? আফ্রিকার এই পাখি আপনার ডাক শুনবে, আপনাকে মৌচাকের সন্ধান দেবে
এই পাখিটা মোম খেতে খুব পছন্দ করে। তাই জঙ্গলের কোথায় মৌচাক তার নখদর্পণে।আবার সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার পরম বন্ধুত্ব। ডাকলেই সে সাড়া দেয়।বাঁশি বাজালেও কাছে আসে। শুধু তাই নয় বনের মধু সংগ্রাহক বা মৌয়ালদের সে পথ দেখিয়ে নিয়ে যায় মৌচাকে। তবে এ পাখি টিয়া, ময়না, পায়রা বা কাকাতুয়ার মতো গৃহপালিত বা পোষ্য পাখি নয়।তবুও সে মানুষের সঙ্গ পছন্দ করে, সেইসাথে মৌচাকের সন্ধান দিয়ে মৌয়ালদের সাহায্য করে।
পাখিটার নাম বৃহত্তর মধু নির্দেশক বা The greater honeyguide (Indicator indicator) ।
সম্প্রতি ৯ ডিসেম্বর ২০২৩ Science জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় অন্যরকম এই পাখিটিকে নিয়ে নতুন এ তথ্য সামনে এলো। সমীক্ষায় দেখা গেছে, তানজানিয়া এবং মোজাম্বিকের হানিগাইডরা পর্যটকদের চেয়ে মধু সংগ্রহকারীদের ডাকে বেশি সাড়া দেয়।
পাখিটির এমন আচরণগত বৈশিষ্ট্য সম্বন্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের জীববিজ্ঞানী ডা. ক্লেয়ার স্পটিসউড (Claire Spottiswoode, a researcher at the University of Cape Town, South Africa, and University of Cambridge)বলেছেন-
আমরা দেখেছি হানিগাইডরা বিদেশি পর্যটক বা অন্য যে কোনো মানুষের চেয়ে স্থানীয়দের ডাকে বেশি সাড়া দেয়।
তাঁর গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে -
মানুষ এবং পাখির সহযোগিতামূলক এমন আচরণে উভয়পক্ষই উপকৃত হয়।
ক্লেয়ার স্পটিসউড আরো বলেছেন-
এ ঘটনায় উভয় প্রজাতিই উপকৃত হয়। হানিগাউড পাখিটি মৌয়ালদের মৌচাকের কাছে নিয়ে যায়, যা সাধারণত মৌয়ালদের খুঁজে পাওয়া বেশ কষ্টসাধ্য। আবার মধু সংগ্রহের পর মানুষের রেখে যাওয়া প্রোটিসমৃদ্ধ লার্ভা এবং ক্যালরিসমৃদ্ধ মোম থেকে উপকৃত হয় পাখিটি। মানুষ ও পাখিদের যোগাযোগের বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন গবেষকরা।
গবেষকগণ আফ্রিকান মধু সংগ্রহকারী ইয়াও এবং হাডজা (Yao and Hadza) সম্প্রদায়ের সঙ্গেও কথা বলেন।
স্পটিসউড একটি দারুন কথা বলেছেন-
মানুষ এবং হানিগাইডের মধ্যকার এ সম্পর্ক প্রত্যক্ষ করা সত্যি এক দারুন ব্যাপার। হানিগাইডরা এখনও মানুষকে ডাকে, কিন্তু অনেক জায়গায় অনেকক্ষেত্রেই মানুষ আর পাখিদের ভাষা বুঝতে বা অনুসরণ করতে পারে না।কি জানি আমরা কি কোনোদিন আমাদের প্রকৃতির সাথে এমন নিবিড় ভালোবাসার সম্পর্ক হারিয়ে ফেলব!
তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান পত্রিকা
লেখা - পঞ্চানন মণ্ডল
ফেসবুক পেজ : টেক বিজ্ঞান | Tech Biggan
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আকর্ষণীয় ভিডিও গুলি দেখতে , এক্ষুনি চেক করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল - Tech Biggan
লিঙ্ক - https://youtube.com/?si=rNd1cCIOH7-gEO7G
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Address
Howrah