SALIM JABED

SALIM JABED

Partager

02/04/2025

যে কাজে আপনার আগ্রহ নেই, জোর করে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে, সে কাজ ছেড়ে দিন। কাজের প্রতি ভালোবাসা এবং আগ্রহ না থাকলে কখনোই সেই কাজ দিয়ে সফলতা লাভ করতে পারবেন না।
•অস্পষ্টতায় ভরা দূরের কিছুর চেয়ে কাছের স্পষ্ট কিছু দেখাই আমাদের দরকার।
•বর্তমান নিয়ে বাঁচুন। অতীতের ভুল নিয়ে হা হুতাশ করা বন্ধ করুন। এটা নিছক আপনার সময় নষ্ট করে। কোনো উপকার করে না। ভবিষ্যত নিয়েও দুশ্চিন্তা করার দরকার নাই। বর্তমানে আপনি যে কাজ করছেন, সেটাই আপনার ভবিষ্যৎ গড়ে দেবে। সুতরাং বর্তমানকে সুন্দর করুন। ভবিষ্যৎ এমনিতেই সুন্দর হয়ে যাবে।
•ইতিবাচক চিন্তা করুন। তাহলে সঠিক যুক্তি এবং পরিকল্পনামাফিক কাজ করতে পারবেন। নেতিবাচক চিন্তা আপনাকে শুধু উদ্বেগ দেবে, স্নায়ু দুর্বল করে ফেলবে।
•জীবনটাকে বালিঘড়ি বলে মনে করুন। আপনি জানেন বালিঘড়িতে হাজার হাজার বালুকণা থাকে, তারা ধীরে ধীরে যন্ত্রটার ভিতরের ছোট্ট ফুটো দিয়ে পড়তে থাকে। যন্ত্রটা না ভেঙে আমরা একসঙ্গে বেশি বালি ঢোকাতে পারি না। আপনি বা আমি সকলেই ওই বালিঘড়ির মত। সকালে আমরা কাজ শুরু করার সময় শত শত কাজ থাকে, সেই কাজের পাহাড় দেখে দুশ্চিন্তা করলে কাজই আর করা হবে না। একে একে ধারাবাহিকভাবে কাজ করতে শুরু করুন। একসসময় অবাক হয়ে দেখবেন সব কাজ করে ফেলেছেন, ঠিক যেমন বালিঘড়ির সবগুলো বালুকণা একের পর এক নিচে পড়েছে। এজন্য একবারে সফল হওয়ার প্ল্যান করবেন না৷ প্ল্যানকে অনেকগুলো ধারাবাহিক কাজে ভাগ করুন। তারপর ক্রমান্বয়ে সেই কাজ করতে শুরু করুন। সফলতা এভাবেই আসে। একবারে আসে না কখনোই।
•আপনি যদি ডিপ্রেশনে থাকেন, ভেবে দ্যাখেন ওই অতীত নিয়ে হা হুতাশ, আর ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা আপনাকে বেশি কাবু করে ফেলেছে, আপনার জীবনকে হতাশাগ্রস্থ করেছে। এজন্য সর্বপ্রথমে অতীত আর ভবিষ্যতের চিন্তা মন থেকে মুছে ফেলুন। ইতিবাচক পরিকল্পনা নিয়ে বর্তমানে বাঁচুন। দেখবেন আপনার কোনো ডিপ্রেশনই নাই।
•বুদ্ধিমান মানুষের কাছে প্রতিটি দিনই নতুন জীবন।
•আমরা সকলেই জীবনযুদ্ধ এড়িয়ে চলতে চাই। আমরা সবাই দিগন্তপারের কোন মায়া গোলাপের স্বপ্নে আচ্ছন্ন। কিন্তু জানালার পাশে যে অসংখ্য গোলাপ ফুটে রয়েছে তা আমরা দেখি না

11/03/2025

আজকাল মানুষের কথায় কষ্ট দেওয়াকে অনেকেই তেমন গুরুত্ব দেয় না। হয়তো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাব, বা দ্রুত জীবনের চাপে আমরা ভুলে যাই যে, কথারও ওজন আছে, কথারও শক্তি আছে। কিন্তু সত্যি বলতে, কথার আঘাত শারীরিক আঘাতের চেয়েও গভীর ক্ষত তৈরি করতে পারে, যা সময়ের সাথে শুকায় না, বরং আরও গভীর হয়।

আজকের সমাজে অনেকেই মনে করেন, "কথায় কষ্ট কী? সেটা তো শারীরিক নয়!" কিন্তু আসলে কথার আঘাত রুহ অব্দি পৌঁছায়। একটি কঠিন কথা কেউ শুনলে তার মন ভেঙে যায়, আত্মবিশ্বাস নষ্ট হয়, বিশ্বাসে ফাটল ধরে। আমরা হয়তো ভুলে যাই, কিন্তু সেই আঘাত অন্যের মনে দাগ রেখে যায়।

তবুও, এই সময়ে আমরা যদি একটু সচেতন হই, যদি কথা বলার আগে একটু ভাবি, তাহলে অনেক কিছু বদলে যেতে পারে। কথার মাধ্যমে আমরা শুধু কষ্টই দিতে পারি না, বরং আশা, ভালোবাসা এবং উৎসাহও দিতে পারি। আপনার একটি ভালো কথা কারো দিন বদলে দিতে পারে, কারো হৃদয়ে আলো জ্বালিয়ে দিতে পারে।

তাই, আসুন আমরা কথা বলার আগে একটু থামি, একটু ভাবি। আপনার কথায় যেন কেউ কেঁপে না ওঠে, বরং আপনার কথায় যেন ভালোবাসার ছোঁয়া লাগে। কারণ, কথার শক্তি অসীম — এটি দিয়ে আমরা হয়তো কারো জীবন বদলে দিতে পারি।

07/03/2025

জীবনে যা কিছুই করো না কেন, নিজের সুখের চাবিকাঠি অন্য কারো হাতে তুলে দিও না। কখনোই কারো ওপর এত বেশি নির্ভরশীল হবে না যে, তাদের সামান্য অবহেলাতেই তোমার মন খারাপ হয়ে যায়, বিশেষ করে মানসিকভাবে।

তোমার মন খারাপ? তাহলে হেমন্তের গান শুনো, নিজের জন্য এক কাপ ধোঁয়া ওঠা কফি বানাও, বিকেলের মিষ্টি রোদে আপনমনে হাঁটো, কিংবা প্রিয় লেখকের বইয়ে ডুব দাও। যদি কোনো সৃজনশীলতা থাকে, তবে সেটাই হোক তোমার সঙ্গী।

অন্যকে ব্যঙ্গ করে স্ট্যাটাস দেওয়া, নিজের দুঃখ-দুর্বলতা সবার সামনে প্রকাশ করা— এগুলো কোনো পরিণত মানসিকতার পরিচয় নয়। খুব বেশি একা লাগলে বা মন খারাপ হলে ঘর অন্ধকার করে কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে থেকো, প্রার্থনা করো।

পুরোনো স্মৃতি মনে করো, হাসো, কাঁদো— কিন্তু নিজের সাথে এমন একটা সম্পর্ক গড়ে তোলো, যেন দুঃখের দিনগুলোতে কাউকে না পেলেও নিজেই নিজের সবচেয়ে কাছের বন্ধু হয়ে উঠতে পারো।

যদি কোনো কাজে সফল হও, নিজেকে পুরস্কৃত করো। যদি ব্যর্থ হও, নিজের সাথে একটু অভিমান করো, কিন্তু হাল ছাড়বে না। তবে কখনোই অন্যের চোখে নিজের পারফেকশন খোঁজার ভুল করো না।

কারণ, মানুষ সবসময় তোমার গুণের চেয়ে তোমার ত্রুটিগুলো দেখতেই বেশি পছন্দ করবে। তুমি যদি পারো, সেটাই যথেষ্ট। একা রেস্টুরেন্টে বসে খাওয়াটা স্বাভাবিক মনে করো, একা পার্কে সময় কাটানোটা যেন হাস্যকর না লাগে।

নিজেকে আর্থিকভাবে স্বাধীন করো, যাতে মুড অফ থাকলে নিজের জন্য এক টুকরো চকলেট কিনতে পারো, নিজের জন্মদিনে নিজেকে একটা সুন্দর উপহার দিতে পারো। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নিয়ে জন্মদিনের আনন্দ ভাগাভাগি করো, নিজের পছন্দের পোশাক নিজের জন্য নিজেই কিনতে পারো।

মাঝেমধ্যে নিজেকে কিছু ফুল উপহার দাও। ঘরের কোণায় একটা ফুল রাখো, সুন্দর সুবাস মন ভালো করে দেবে। সবার মন জয় করাও তোমার দায়িত্ব নয়, কারণ পৃথিবীর কেউই সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হতে পারেনি। তাই যেখানে প্রয়োজন, সেখানে "না" বলতে শেখো।

"আমার বাবা-মা আমাকে বোঝে না, বন্ধুরা আমাকে সময় দেয় না, কাছের মানুষ আমাকে অবহেলা করে"— এসব ভাবনাকে প্রশ্রয় দিও না। কারণ এগুলো আসলে তোমার নিজের তৈরি করা মানসিক চাপ।

কেন নিজেকে অন্যের বিরক্তির কারণ বানাবে? বরং এমন এক ব্যক্তিত্ব গড়ে তোলো, যাতে তোমার উপস্থিতিই সম্মানের অনুভূতি সৃষ্টি করে।

Vous voulez que votre personnage public soit Personnage Public la plus cotée à Paris ?
Cliquez ici pour réclamer votre Listage Commercial.

équipe culinaire

Tenue

Téléphone

Site Web

Adresse


193 Rue De
Paris
93130