Syloti Canadian

Syloti Canadian

Share

11/06/2025

হবিগঞ্জী সুনামগঞ্জী মৌলভীবাজারী বলে কেউ কেউ সিলেটিদের মধ্যে বিভাজন ধরাতে চায়। এটা বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশের চার জেলা এবং ভারতের আট জেলার সবাই সিলেটি। এখানে ভিন্ন সম্বোধন চলবে না।

10/27/2025

হায়রে আমার প্রাণপ্রিয় বাংলাদেশ!

পর্তুগালের রাজধানী লিসবনের রাস্তায় একটি বিলবোর্ডে চোখ আটকে গেল। তাতে পর্তুগিজ ভাষায় লেখা—“ISTO NÃO É O Bangladesh”, অর্থাৎ “এটা বাংলাদেশ নয়।” পর্তুগালের বিরোধীদলীয় নেতা আন্দ্রে ভেনচুরা (Andre Ventura) তার দেশের সরকারকে উদ্দেশ্য করে এই কথাটি বলেছেন।

শব্দগুলো নিছক একটি রাজনৈতিক ব্যঙ্গ নয়; এর মধ্যে লুকিয়ে আছে এক জাতির প্রতি অবমাননা। শুধু পর্তুগাল নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আজ “বাংলাদেশ” নামটি দুর্নীতি আর অরাজকতার প্রতীক হয়ে উঠছে।

মাতৃভূমি বাংলাদেশকে নিয়ে বরাবরই আমরা গর্ব করি। একসময় বিদেশি বন্ধুদের বলতাম, বাংলাদেশ কোনো পিছিয়ে পড়া দেশ নয়। ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করা এই জাতি প্রতিনিয়ত বিশ্বকে চমকে দিচ্ছে।

গর্ব হতো ভেবে যে, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে দক্ষ বাঙালি কর্মীরা নিজেদের মেধা ও পরিশ্রমে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা পাচ্ছেন। বাংলাদেশি বিজ্ঞানীরা নাসায় গবেষণায় অবদান রাখছেন, আর বাঙালি শিক্ষার্থীরা পড়ছেন বিশ্বের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে। আরও গর্বে বুক ভরে যেত যখন শুনতাম, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও সামাজিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বহু উন্নয়নশীল দেশকে পেছনে ফেলে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

এ কথা মানতে হবে যে, আমরা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা কিংবা মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপের দেশগুলোতে বসবাসরত বাঙালিরা সৎ, পরিশ্রমী ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। শত মতপার্থক্য থাকলেও, অন্য জাতিগোষ্ঠীর তুলনায় বাঙালিদের মধ্যে অপরাধপ্রবণতা তুলনামূলকভাবে অনেক কম।

প্রশ্ন জাগে তবে কেন আমাদের দেশের এত বদনাম? কেন বিদেশিরা আমাদের জাতিকে আজ হেয় চোখে দেখছে?

বিগত পঞ্চাশ বছর ধরে লক্ষ্য করেছি প্রবাসী বাংলাদেশিরা কিভাবে দেশকে ভালবাসে। আমি উপলব্ধি করেছি নাড়ির টান কাকে বলে! বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নেতিবাচক কিছু শুনলেই আমার রক্তে আগুন জ্বলে ওঠে। কেবল আমারই নয়; আমি মনে করি প্রত্যেক প্রবাসী বাঙালির রক্ত টগবগ করে ওঠে।

বছর কয়েক আগের এক ঘটনা আজও আমার স্নায়ুতে দোলা দেয়। দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার, আমার ছুটির দিন। দুপুরে টরন্টোর ব্যস্ততম এলাকায় ঘুরছিলাম। ঘুরতে ঘুরতে এক ইলেকট্রনিক্স দোকানে ঢুকলাম। দোকানে বাজছিল উচ্চস্বরে ক্যারিবিয়ান সংগীত। হঠাৎ গানের মাঝে শুনতে পেলাম ‘বাংলাদেশ’। চমকে উঠে ঐদিকে গেলাম। এক কৃষ্ণাঙ্গ সেলসম্যান গানের তালে তালে নাচছিল।

তাকে জিজ্ঞেস করলাম, “এই গানটিতে কি বাংলাদেশের কথা বলা হচ্ছে?”
সে হেসে বলল, “অবশ্যই।”
আমি তাকে গানটি আবার প্লে করতে অনুরোধ করলাম, আর সে হাসিমুখে গানটি আবার চালাল। শুনলাম, সত্যিই বাংলাদেশের কথা এসেছে। কিন্তু ক্যারিবিয়ান ভাঙা ইংরেজিতে অর্থ বুঝতে পারলাম না। জানতে চাইলাম, এটি কোন দেশের গান। সেলসম্যান জানাল, এটি এন্টিগুয়ার (দক্ষিণ আমেরিকার ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জে দেশটি অবস্থিত) গান, গেয়েছেন সেদেশের গণসংগীত শিল্পী Brother Emmanuel।

আমি কৌতূহলভরে জিজ্ঞেস করলাম, “গানে বাংলাদেশের নাম কেন এসেছে?”
সেলসম্যানের উত্তর আজও কানে বাজে। “Brother Emmanuel তাঁর দেশবাসীকে সতর্ক করে বলেছেন, ‘হে আমার দেশের মানুষ, দেশকে ভালোবাসো, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি ত্যাগ করো, না হলে একদিন তোমাদের দেশও বাংলাদেশ হয়ে যাবে।’”

পলকে শরীরের প্রতিটি শিরা যেন কেঁপে উঠল। মুহূর্তেই বুঝতে পারলাম, ‘বাংলাদেশ’ আজ কেবল একটি দেশের নাম নয়, এটি বিশ্বের কাছে এক সতর্কবার্তা। এই বুঝি আমাদের পরিচয়! যে জাতি একসময় সাহস, ত্যাগ আর সংগ্রামের প্রতীক ছিল, আজ তার নাম উচ্চারিত হচ্ছে হতাশা ও দুর্নীতির উদাহরণ হিসেবে! নিজের মনকে প্রশ্ন করি—কীভাবে সেই গর্বিত বাংলাদেশ এমন অবস্থায় এসে দাঁড়াল? একদিন যে পৃথিবীর মানুষ বাঙালির বীরত্ব ও আত্মত্যাগে মুগ্ধ হয়েছিল, আজ তারাই কেন আমাদের দিকে তাকায় তাচ্ছিল্যের, এমনকি ঘৃণার দৃষ্টিতে?

না, হতাশ হচ্ছি না। হতাশ হব না। স্বপ্ন দেখি, আবারও বাঙালি জেগে উঠবে; যেভাবে একদিন মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় জেগে উঠেছিল। যেদিন আমরা সৎ নেতৃত্ব বেছে নেব, দুর্নীতির শিকড় উপড়ে ফেলব, স্বজনপ্রীতির সংস্কৃতি ভাঙব তখন হয়তো আবার পৃথিবীর মানচিত্রে ‘বাংলাদেশ’ নামটি গর্বের প্রতীক হয়ে উঠবে। সেদিন বিশ্ববাসী আবার বলবে— “সাবাস, বাংলাদেশ, এ পৃথিবী আবার অবাক তাকিয়ে রয়, জ্বলে-পুড়ে-মরে ছারখার তবু মাথা নোয়াবার নয়।”

©Nazrul Minto

09/25/2025

অন্টারিওতে স্পিড ক্যামেরা থাকছে না।

অন্টারিওতে স্পিড ক্যামেরা নিষিদ্ধের আইন আগামী মাসেই অন্টারিও প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড ঘোষণা করেছেন, তাঁর সরকার আগামী মাসে একটি আইন আনবে যা পৌরসভাগুলোর ব্যবহৃত স্পিড ক্যামেরাগুলো পুরো প্রদেশজুড়ে তুলে দেবে। ফোর্ডের ভাষায়, এগুলো মূলত স্থানীয় সরকারের জন্য “ক্যাশ গ্র্যাব” ছাড়া আর কিছু নয়। বৃহস্পতিবার ভন-এ এক সংবাদ সম্মেলনে ফোর্ড বলেন, এমন সময়ে যখন সব স্তরের সরকারকে খরচ কমানোর এবং মানুষের জীবনকে আরও সাশ্রয়ী করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা উচিত, অনেক পৌরসভা স্পিড ক্যামেরাকে ক্যাশ গ্র্যাব হিসেবে ব্যবহার করছে।
নতুন আইন পাশ হলে, অন্টারিওর ৪০টি শহরের ৭০০-রও বেশি স্পিড ক্যামেরা তুলে দেওয়া হবে। পৌরসভাগুলোকে এ বছরের নভেম্বরের মধ্যে বড় বড় সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড বসাতে হবে এবং ২০২৬ সালের শরৎ নাগাদ স্থায়ী ফ্ল্যাশিং লাইট সাইন বসানো বাধ্যতামূলক হবে। প্রদেশ বলছে, সড়ক নিরাপত্তা জোরদার করতে “নতুন প্রাদেশিক তহবিল” গঠন করা হবে। এর মাধ্যমে স্পিড বাম্প, রাউন্ডএবাউট, উঁচু ক্রসওয়াক, কার্ব এক্সটেনশন, জনসচেতনতা কার্যক্রম এবং সাইনেজ উন্নয়নের মতো বিকল্প উদ্যোগে অর্থ দেওয়া হবে। ভন-এর মেয়র স্টিভেন ডেল ডুকা, যিনি ইতিমধ্যেই তাঁর শহরের ক্যামেরা প্রোগ্রাম বাতিল করেছেন, তিনি ফোর্ডকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, স্পষ্টতা দেওয়ার জন্য এবং অন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য সম্পদ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞ।

08/18/2025

✋🇨🇦 সব দোষ নতুনদের উপর তুলে দিবেন না, এর জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী পুরাতন বাংলাদেশী বাঙালি কমিনিটির লোক,আমি আমার ঘরে সুযোগ না দিলে কারও বাবার ক্ষমতা নেই আমার ঘরে আড্ডা দিবে, এদের কারা সুযোগ দেয়? কারা বসায়? সব ডেনফোর্থ এর ওই দিকের ব্যারিস্টার ,দোকানদার,ব্যাবসায়ী,সব পুরোনো লোক জড়িত , এতো মেলা,গান ,বাজনা,লটারী,পিকনিক, খেলাধুলা ,মিটিং,মিছিল ,বাংলা মেলা,পথও মেলা,বিজয় উৎসব,,বাংলাদেশ থেকে আগত শিল্পী ইত্যাদি এসব কারা করে? কানাডার আর কোথাও কি এসব হয় ডেনফোর্থ এর মতো মাসে মাসে, কানাডায় সব দেশেরই উৎসব পালন করা হয় বছরে এক দুবার,তবে বাঙালির মতো না, হুম ভালো ছিল মানুষ ছিল না, পরিস্কার ছিলো না ইত্যাদি ,তাহলে নতুন মানুষ নিয়ে এতো ব্যাবসা কেন? দুই বছর আগে কয়টা দোকান ছিল? ডেনফোর্থ এতো নতুন নতুন দোকান রেসটুরেট কেন? আপনারা ডেনফোর্থ নিয়ে পড়ে আছেন আসেন ডাউনটাউন কফি খাই, বাঙালি কয় হাজার লোক আসছে,অন্য দেশের কি পরিমাণ লোক আসছে আপনি চিন্তা ও করতে পারবেন না, Mexico, China indian , ইত্যাদি , পুরোনো বাঙালি কমিনিটির বেশির ভাগ লোক মোটা অংকের টাকা নিয়ে আত্মীয় সজন ও এলাকার লোক কানাডা আনলেন , তাহলে এখন এতো নতুদের নিয়ে এতো চিন্তা আর হিংসা হয় কেন,কয়জন বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন আমরা নতুন দের সাহায্য সহযোগিতা করেছি? না ভালো একটা উপদেশ ও দেন নি, ডেনফোর্থ এর বেশির ভাগই লোকের কাজ নেই, নতুন দের নিয়ে ব্যাবসা বানিজ্য করবেন আবার তাদের নিয়ে সমালোচনা ও করবেন হিংসা ও করবেন কেন,এসব বাদ দিয়ে মানুষ কে সাহায্য করেন,ভালো উপদেশ দেন, সবাই সচেতন হই, তাহলে সব বাঙালির দের সুনাম অর্জন হবে ,আমি অনেকের লেখা দেখি,তাই লিখতে বাধ্য হলার, কে সিলেটি কে নোয়াখালি, কে ঢাকা ,কে নতুন কে পুরাতন এসব টেনশন বাদ দিন,
কেউ কষ্ট পেলে কিছু করার নেই যা সত্যি তাই বললাম ,আমি সব জানি কারও নাম নিলাম না,আসুন সবাই মিলে ডেনফোর্থ কে বাংলা টাউন হিসাবে সুন্দর ও মডেল করে গড়ে তুলি।
লেখা গুলো ভালো করে পড়ে তারপর comment করবেন। ধন্যবাদ।

Want your business to be the top-listed Advertising & Marketing Company in Toronto?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


33 Bexhill Avenue
Toronto, ON
M1L3B5