Engineering Infrastructure & Developments Limited

Engineering Infrastructure & Developments Limited

Share

13/07/2023
Photos from Engineering Infrastructure & Developments Limited's post 10/06/2023

✅✅Static axial compressive pile load test : (শেয়ার করুন)

পাইল ড্রাইভ করার পর পাইল তার ডিজাইন অনুযায়ী লোড বহনে সক্ষম কিনা তা জানার জন্য স্ট্যাটিক এ্যক্সিয়াল কম্প্রেসিভ পাইল লোড টেস্ট করা হয়।
ধরুন পাইলের সাইজ ১৬" * ১৬"।
বিবরণ ঃ

১। পাইল ড্রাইভ করার পর পাইলের উপর থেকে ১ ফিট পর্যন্ত ভেঙে নতুন করে মাথা লেভেল করে ঢালাই করুন।
২। এবার পাইলের উপর হাইড্রলিক জ্যাক বসান।
৩। চিত্র অনুযায়ী জ্যাকের উপরে আই জয়েস্টের মাধ্যমে প্লাটফর্ম তৈরি করুন এবং বালুর বস্তা দিয়ে লোড চাপান।
৪। পাইলের যে পরিমাণ লোড বহন করার কথা তার ৩ গুন লোড বালির বস্তার মাধ্যমে দেন।
৫। ধরুন পাইলকে 700 KN লোড বহন করতে হবে তাহলে 2100 KN লোড দেন অর্থ্যাত ২১৪ টন লোড দেন।
৬। এবার জ্যাকের দুইপাশে ম্যাগনেট বসানোর জন্য স্টিল চ্যানেল দিয়ে ম্যাগনেটিক বেজ রেডি করুন।
৭। ম্যাগনেটিক বেজ দুটি অবস্যই ওয়াটার লেভেলে থাকবে।
৮। এবার ম্যাগনেট দুইটির সাথে দুইটি ডায়াল গেজ যুক্ত করুন।( ডায়াল গেজের সাহায্যে পাইলের বসনের পরিমাণ জানা যায়)
৯। এবার যে মেশিন দিয়ে হাওয়া দিয়ে হাইড্রলিক জ্যাক উঠা নামান করা হবে সেই পাম্প দেওয়া মেশিনের সাথে প্রেসার গেজ লাগান।
১০। প্রেসার গেজের সাহায্যে কি পরিমান প্রেসার আপনি পাইলে দিচ্ছেন এবং এই প্রেসারে কি পরিমান লোড পাইলে পড়ছে তা জানা যায়।
১১। এবার প্রেসার গেজের সাহায্যে ডিজাইন লোডের ২৫% লোড দিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন এবং ১০ মিনিট পর পর পাইলের কি পরিমাণ বসন হচ্ছে তা ডায়াল গেজ দিয়ে দেখে লিপিবদ্ধ করুন।
১২। ৩০ মিনিট পর আবার ডিজাইন লোডের ৫০% লোড দিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন এবং ১০ মিনিট পর পর রিডিং নিন।
১৩। ৩০ মিনিট পর এবার ৭৫% লোড দিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন।
১৪। ৩০ মিনিট পর এবার ডিজাইন লোডের ১০০% লোড দিন এবং ১ ঘণ্টা রাখুন এবং ১০ মিনিট পর পর রিডিং নিন।
১৫। ১ ঘণ্টা পর এবার লোড কমাতে হবে, মানে
পুনরায় ৭৫% লোড ৩০ মিনিট, ৫০% লোড ৩০ মিনিট, ২৫% লোড ৩০ মিনিট, ০% লোডে ৩০ মিনিট রেখে ১০ মিনিট পরপর রিডিং নিতে হবে।
১৬। লোড বারানোর ফলে পাইলের বসন হবে। যেমনঃ ২,২.৫,৩....৬ মিলি।
ঠিক তেমনি লোড কমাতে থাকলে মাটির ইলাস্টিসিটি গুনের কারনে পাইল পুনরায় উপরের দিকে উঠে আসবে।যেমনঃ ৬,৫....৩ মিলি।
১৭। এবার আবার লোড বারান,আবার ৫০%, ১০০%, ১২৫%, ১৫০%, ১৭৫%,২০০%, ২২৫% লোড দিয়ে যথাক্রমে ৩০ মিনিট করে রাখুন এবং ১০ মিনিট পরপর রিডিং নিয়ে তা লিপিবদ্ধ করুন।
১৮। এবার ডিজাইন লোডের ২৫০% লোড দিন এবং ১২ ঘণ্টা এই লোডে রাখুন। এই ১২ ঘন্টার ২ ঘন্টা ১০ মিনিট পর পর রিডিং নিবেন এবং বাকি ১০ ঘন্টা ৬০ মিনিট পরপর রিডিং নিন।
১৯। ১২ ঘন্টা অতিবাহিত হওয়ার পর পুনরায় লোড রিলিজ করুন।অর্থ্যাত,
১৭৫%, ১৫০%, ১২৫%, ১০০%, ৫০% লোডে ৩০ মিনিট করে রাখুন এবং ১০ মিনিট পরপর পাঠ নিন।
২০। এবার ০% লোডে ২ ঘন্টা রাখুন এবং ১০ মিনিট পরপর রিডিং নিন।

ফলাফলঃ এই পরীক্ষায় প্রাপ্ত রিডিং থেকে আমরা জানতে পারব আমাদের পাইল নিরাপদ আছে কিনা।
তবে ২৫০% লোডে পাইলের বসন ২০ মিলি পর্যন্ত গ্রহণীয় এবং ০% লোডে মাটির ইলাস্টিসিটির জন্য পাইলের পুনরায় ৩ মিলি এর জায়গায় ফিরে আসা গ্রহণীয়।

ভুল হলে জানিয়ে সংশোধন করার এবং আরো জানলে জানার সুযোগ দিন।

মোঃ মারুফুল ইসলাম।
ইইডি- ২০১৮ ব্যাচ।

✅✅✅অথবাঃ

.
.
#পাইল_লোড_টেস্ট।।

যে কোন ফাউন্ডেশন ডিজাইন করার সময় দুইটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হয়। ১। ফাউন্ডেশনের ভারবহন ক্ষমতা, ২। লোড চাপানোর পর ফাউন্ডেশনের সেটেলমেন্ট।

পাইল যখন ডিজাইন করা হয় তখন, কত লোডের বিপরীতে কত সেটেলমেন্ট হতে পারবে তা নির্ধারন করে দেওয়া হয়। এই দুটি বিষয় পরীক্ষা করার জন্যই পাইল লোড টেস্ট করা হয়।

পাইলের ডিজাইন ক্যাপাসিটি পরীক্ষা করার জন্য সাইটে একটি টেস্ট পাইল করা হয়। টেস্ট পাইলটির লোড টেস্ট করে দেখা হয় পাইলটি প্রয়োজনীয় ভারবহনে সক্ষম কিনা। প্রথমে এস্টিমেটেট লোড অনুযায়ী সয়েল টেস্টের রিপোর্ট অনুযায়ী পাইল ডিজাইন করা হয়। তারপর সেই ডিজাইন অনুযায়ী টেস্ট পাইল করে লোড টেস্ট করা হয়। ফলাফল অনুযায়ী ডিজাইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হয়।

আমাদের দেশে এ্যাংকর পদ্ধতি বহুল প্রচলিত তাই এই পদ্ধতি নিয়েই আলোচনা করি। যদিও এই পদ্ধতিটি দীর্ঘ্য সময় ব্যাপি।

প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি/মালামাল : বিয়ারিং প্লেট, হাইড্রলিক জ্যাক, রকার বা মাস্টার বীম, প্রাইমারী বা মেইন বীম বা লোড বীম, সেকেন্ডারি বীম, রেফারেন্স বীম, ডায়াল গেজ, হাইড্রলিক পাম্প, প্রেসার গেজ,ক্রীব ওয়াল, বালির বস্তা (চাপানো লোড)।

পদ্ধতি : প্রয়োজনীয় পরিমান মাটি খনন করে পাইলের মাথা বের করে পরিষ্কার করতে হবে। তারপর পাইলের মাথাটি সমতল করে বিয়ারিং প্লেট বসাতে হবে। বিয়ারিং প্লেটের উপর হাইড্রলিক জ্যাক স্থাপন করতে হবে।হাইড্রলিক জ্যাকের উপর রকার বসিয়ে তার উপর লোড বীম স্থাপন করতে হবে। লোড বীমের সাথে আড়াআড়ি ভাবে সেকেন্ডারি বীম বসিয়ে তার উপর সীট স্থাপন করে বালির বস্তা (লোড) চাপাতে হবে।
লোড বীম ও প্রাইমারী বীম গুলো প্রাথমিক ভাবে ক্রীব ওয়ালের উপর অবস্থান করে। ক্রীব ওয়াল সাধারনত ইটের গাঁথুনীর হয়, বালির বস্তা দিয়েও করা হয়ে থাকে।
পাইলের সেটেলমেন্ট পরিমাপ করার জন্য রেফারেন্স বীম ও হাইড্রলিক জ্যাকের সাথে ডায়ালগেজ স্থাপন করা হয় (অধিক সূক্ষ্ম পরিমাপের জন্য দুই পাশে দুইটি) । লক্ষ্য রাখতে হবে টেস্ট শুরু হওয়ার পর কোন ভাবেই রেফারেন্স বীম নড়াচড়া করা যাবে না। সকল সেটআপ শেষে হাইড্রলিক পাম্প দিয়ে পাম্প করে হাইড্রলিক জ্যাকের মাধ্যমে পাইলের উপর ধাপে ধাপে (০%, ২৫%, ৫০%, ৭৫%, ১০০%) লোড প্রয়োগ করা হয়। প্রত্যেকবার লোড প্রয়োগের পর ১০মিনিট পরপর (পরপর দুই রিডিং-এর মান কাছাকাছি হলে পরবর্তী লোড প্রয়োগ করতে হয়) সেটেলমেন্ট পরিমাপের জন্য ডায়াল গেজের রিডিং নেওয়া হয়। ১০০% লোড দেওয়ার পর প্রাপ্ত সেটেলমেন্ট হলো গ্রস সেটেলমেন্ট। তারপর ধাপে ধাপে আন-লোডিং করতে হয় এবং একই ভাবে সেটেলমেন্টের রিডিং নেওয়া হয়। লোডের পরিমান ০ (শূন্য) কারার পর স্থায়ীভাবে যে সেটেলমেন্ট পাওয়া যায় তাই নেট সেটেলমেন্ট। আবার লোডিং শুরু করতে হয়। সাধারনত এভাবে ডিজাইন লোডের ১৫০% থেকে ২০০% পর্যন্ত লোড প্রয়োগ করা হয়।
লোড প্রয়োগের পর যদি চাহিদা অনুরুপ ফলাফল না পাওয়া যায় তবে ডিজাইন সংশোধন করা হয়।

বি:দ্র: ছবিগুলো দেখা জরুরী।

Want your business to be the top-listed Engineering Company in Tangail?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Tangail
1900