Doctor Liton Rana PHD India
যৌন রোগের স্থায়ী হোমিও চিকিৎসা
একটু পড়ুন আপনার ই উপকার হবে।
*******************************
১। লিঙ্গ উত্তেজিত হবার পরেই পানির
মতো তরল পদার্থ বেরিয়ে যাওয়া।
২। একটুতেই লিঙ্গ উত্তেজিত হওয়া
দুই/এক মিনিট পরেই লিঙ্গ আউরে আসা।
৩। প্রসাবের আগে বা পরে শরীর
ঝকিমারা বা প্রসাবের বেগ ধিরে
ধিরে হওয়া।
৪। আটকা আটকা প্রসাব বা প্রসাবের
শেষে মনে হয় আরও কিছু প্রসাব
ভিতরে আছে এমন অবস্থা।
৫। সকালের প্রসাব বোতলে ধরলে
নিচে গামের মতো নারীকেলের মতো
ঘন পদার্থ জমে থাকা।
৬। মিলনে সময় খুবই সীমত পাওয়া।
৭। যথেষ্ট ভিটামিন খাবার খেয়েও
বীর্য ঘন হতে না পারা।
৮। সহবাসের পরে শরীর একেবারে
ক্লান্ত হয়ে যাওয়া এবং ২য় বার যাওয়ার
অনুভূতি হারিয়ে ফেলা।
৯। অধিক মিলনে বা হস্থমৈথনে যৌন
তৃপ্তি হারিয়ে ফেলা।
১০। ফোটা ফোটা প্রসাব এবং প্রসাবের
বেগ ধরে রাখতে না পারা।
১১। অস্থায়ী ঔষধ সেবন না
করে মিলনে যেতে না পারা।
১২। আগের তুলনায় লিঙ্গ অনেক ছোট
লাগা ও গোড়ার দিকটা চিকন হওয়া।
১৩। অণ্ডকোষ সারাক্ষণ ঝুলে থাকা বা
বীর্যের আঠা হারিয়ে যাওয়া।
১৪। প্রসাব পায়খানার শুরুতে বা শেষে
ঘন ভাতের মারের মতো আঠা আঠা
পদার্থ লিঙ্গ দিয়ে বেরিয়ে আসা।
এই সব লক্ষন দেখা দিলে অতি তারাতারি যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডক্টর কে দেখান এবং চিকিৎসা নিয়ে যৌন রোগ হতে স্থায়ী সুস্থ্য হোন। যত বেশী দেরি করবেন ততই বেশি আপনার ক্ষতি হবে।চিকিৎসার সময়কাল বৃদ্ধি পাবে চিকিৎসার ব্যয় বেশি হবে।
ডঃ লিটন মাহমুদ
ডি এইচ এম এস
বি এইচ বি
ঢাকা
01746006100
অতিরিক্ত স্বপ্নদোষের কারনে যৌনরোগ দেখা দেয় ।
যক্ষ্মা কখন সন্দেহ করবেন
যক্ষ্মা এখনো বড় একটি স্বাস্থ্য সমস্যা। যক্ষ্মা যে কারোরই হতে পারে। যক্ষ্মারোগীর কাছাকাছি থাকেন, এমন ব্যক্তি, যেমন পরিবারের সদস্য, চিকিৎসক, নার্স বা সেবা-শুশ্রূষাকারীর আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। ধূমপান, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, মাদকাসক্তি, বার্ধক্য, অপুষ্টি ইত্যাদি যক্ষ্মার ঝুঁকি বাড়ায়। যাদের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কম, যেমন এইডস রোগী, দীর্ঘ মেয়াদে স্টেরয়েড বা ইমিউনোথেরাপি ওষুধসেবীরাও যক্ষ্মার ঝুঁকিতে আছেন।
শতকরা ৮৫ ভাগ যক্ষ্মা ফুসফুসে হয়ে থাকে। ফুসফুসের আবরণী, লসিকাগ্রন্থি, মস্তিষ্ক ও এর আবরণী, অন্ত্র, হাড় বা ত্বকেও হতে পারে যক্ষ্মা।
যক্ষ্মার জীবাণু চারদিকেই আছে
চারপাশের পরিবেশে, বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে যক্ষ্মার জীবাণু। শ্বাসপ্রশ্বাসের সঙ্গে ছড়ায় বলে আমরা যক্ষ্মার জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকি। অনেক সময় জীবাণু সুপ্ত অবস্থায় থাকে, এর উপসর্গ বোঝা যায় না এবং রোগ ছড়ায় না। কোনো একসময় পরে সুপ্ত যক্ষ্মা সক্রিয় যক্ষ্মায় রূপ নিতে পারে।
কখন সন্দেহ করবেন
তিন সপ্তাহের অধিক সময় ধরে কাশি (শুকনো/ কফযুক্ত), কাশির সঙ্গে রক্ত, বুকে ব্যথা, ওজন হ্রাস, অবসাদ, অরুচি, সন্ধ্যায় হালকা কাঁপুনি দিয়ে জ্বর (৯৯-১০১ ডিগ্রি), রাতে ঘাম হলে অবশ্যই যক্ষ্মা সন্দেহ করে পরীক্ষা–নিরীক্ষা করা উচিত। লসিকাগ্রন্থির স্ফীতি, মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন, পেটব্যথা, বুকে বা পেটে পানি জমা, খিঁচুনি বা অজ্ঞান হয়ে পড়া ইত্যাদিও যক্ষ্মার ভিন্ন উপসর্গ।
যক্ষ্মা হলে রক্ষা আছে
চিকিৎসায় যক্ষ্মা সম্পূর্ণরূপে ভালো হয়। দুই ধরনের চিকিৎসা আছে। এক, ছয় মাস ধরে ওষুধ খাওয়া। দুই, আট–নয় মাস ধরে ওষুধ খাওয়া। যক্ষ্মা প্রতিরোধে জন্মের পরপর প্রত্যেক শিশুকে বিসিজি টিকা দেওয়া হয়। হাঁচি, কাশি ও কফের মাধ্যমে এ রোগ ছড়ায়। তাই রাস্তাঘাটে হাঁচি-কাশির বেগ এলে মুখে রুমাল চাপা দেওয়া উচিত। যত্রতত্র কফ ফেলা উচিত নয়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the practice
Telephone
Website
Address
Shakipur, Dhaka_Road_Nalua
Tangail