Desh24x7.com

Desh24x7.com

Share

17/11/2014

নারায়ণগঞ্জে হত্যার দায়ে ৬ জনের ফাঁসি......

রূপগঞ্জের মনির হোসেন হত্যা মামলায় ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

নারায়ণগঞ্জের ২ নম্বর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মিয়াজি সহিদুল আলম চৌধুরী সোমবার এই রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া ছয় আসামি হলেন- সোলেমান, রিপন, জাহঙ্গীর, আক্কাস, অহিদ ওরফে রনি ও আক্তার হোসেন। রায়ের সময় তারা সবাই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০০৮ সালের ২৫ জুলাই রাত সাড়ে ১২টার দিকে রূপগঞ্জের ভুলতা গাউছিয়া এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে রিকশায় করে বাড়ি ফিরছিলেন ব্যবসায়ী মনির হোসেন। পথে হুরগাঁও ভোলাইখালী সড়কে ৭/৮ জনের একটি ডাকাত দলের কবলে পড়েন তিনি।

ডাকাতরা তাকে রিকশা থেকে নামিয়ে মারধর করে এবং সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন ও এক হাজার ৩০০ টাকা ছিনিয়ে নেয়।

এ সময় মনির কয়েকজনকে চিনে ফেলায় তারা তার হাত-পা ও চোখ বেঁধে পানিতে ফেলে হত্যা করে। পরে স্থানীয়রা মনিরের লাশ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় মনিরের স্ত্রী হাসিনা বেগম একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ ছয় আসমিকে গ্রেপ্তার করে এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর কেএম ফজলুর রহমান। আসামিপক্ষে ছিলেন সালাউদ্দিন সবুজ ও দেলোয়ার হোসেন।

১১ জনের সাক্ষ্য শুনে বিচারক ছয় আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করেন।

মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নিহতের স্ত্রী হাসিনা বেগম বলেন, "আদালতের এ রায়ে আমরা খুশি। এ আসামিরাই আমার স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। এবার দ্রুত রায় কার্যকর দেখতে চাই।"

অপরদিকে রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা।

Photos 13/11/2014

‘গুগল বাস’এর যাত্রা শুরু ......

ইন্টারনেট ব্যবহার এবং এর সুবিধা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা দিতে বাংলাদেশে ইন্টারনেটে সার্চ ইঞ্জিন গুগলের শিক্ষামূলক উদ্যোগ ‘গুগল বাস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। গুগলের দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার এমার্জিং মার্কেটসের প্রধান জেমস ম্যাকক্লার এসময় উপস্থিত ছিলেন।

‘গুগল বাস বাংলাদেশ প্রজেক্ট’ নামের এই প্রকল্পের আওতায় নয়টি থ্রিজি ইন্টারনেট সংযোগ সম্বলিত মনিটর ও সাউন্ড সিস্টেম সম্পন্ন একটি বাস রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘুরবে।

‘গুগল বাস’র মনিটর ও সাউন্ড সিস্টেমে অডিও-ভিডিওর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ইন্টারনেট ব্যবহারের নানা দিক ও এর সুবিধা সম্পর্কে ধারণা পাবেন। গুগলের বিনামূল্যের সব এপ্লিকেশনের সঙ্গেও তাদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে।

প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশের প্রায় ৩৫টি জায়গায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় পাঁচ লাখ শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে এ প্রকল্পের।

এরইমধ্যে ঢাকার কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মশালার আয়োজন করেছে ‘গুগল বাস’। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে ছয়টি বিভাগীয় শহরসহ বিভিন্ন জেলার বাছাই করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই বাস পৌঁছে যাবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়েছে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণে আগ্রহীরা গুগল প্লাসে ‘গুগল বাস বাংলাদেশ কমিউনিটি’ পেইজ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য জানতে পারবেন।

এ কর্মশালা থেকে পাওয়া ইন্টারনেট সম্পর্কিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীরা তথ্য-প্রযুক্তি খাতে উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবেন বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, “এ প্রকল্পের অংশীদার হতে পেরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় গর্বিত। এই বাসটি আগামী এক বছরে ৫০০টি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় পাঁচ লাখ শিক্ষার্থীকে ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর প্রশিক্ষণ দেবে।

“প্রতিটি নাগরিকেরই ইন্টারনেট ব্যবহার সম্পর্কিত জ্ঞান থাকা উচিত। ভবিষ্যতের তথ্য- প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির সুযোগ কাজে লাগাতেই আমরা এ ধরনের প্রকল্পে অংশ নিয়েছি।”

ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ইন্টারনেট কেবল চ্যাট করার জন্য নয়। অভিভাবকদের মাঝে ইন্টারনেট সম্পর্কে বাজে ধারণা রয়েছে। এর অনেক ব্যবহারই আমাদের অজানা। গুগলের ফ্রি এপ্লিকেশনের মাধ্যমে শিক্ষা , স্বাস্থ্য সম্পর্কিত যেসব তথ্য গুগলে রয়েছে সে ব্যাপারে সচেতন করার জন্যই এই আয়োজন।”

গুগলের কর্মকর্তা জেমস ম্যাকক্লার বলেন, “বাংলাদেশ হলো এমন এক দেশ যেখানে সম্ভাবনাময় বিপুল সংখ্যক তরুণ রয়েছেন, যারা দেশকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যেতে পারেন।

“আমরা মনে করি, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ পেলে সমাজের এই উৎসাহী-উদ্যমী ও প্রাণচঞ্চল তরুণ শক্তিই একদিন ইন্টারনেটের অমিত সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলবে এবং এদেশকে প্রযুক্তিভিত্তিক গ্লোবাল ভিলেজ বা বৈশ্বিক গ্রামের মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করবে।”

ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নতুন নতুন প্রকল্পে গুগল অংশ নিতে আগ্রহী জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে ‘স্ট্রিট ভিউ’ প্রকল্প চালু করতে যাচ্ছেন তারা।

ভবিষ্যতে ১৬ বছরের কম বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্যও ইন্টারনেট ব্যবহার সম্পর্কিত শিক্ষামূলক প্রকল্প চালুর প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেন, বর্তমানে সারা দেশে সাড়ে ২৩ হাজার মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ এবং সাড়ে তিন হাজার কম্পিউটার ল্যাব রয়েছে। আগামী দুই বছরে মাল্টিমিডিয়া সুবিধা সম্বলিত আরো দুই হাজার কম্পিউটার ল্যাব করা হবে।

13/11/2014

শিক্ষাবিদ জিল্লুর রহমানকে শেষ শ্রদ্ধা.......

অধ্যাপক জিল্লুর রহমান সিদ্দিকীর কফিনে ফুল দিয়ে তার প্রতি শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানিয়েছেন শিক্ষাবিদ, রাজনীতিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

সাবেক কর্মস্থল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রয়াত অধ্যাপকের মরদেহ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হয়।

প্রখ্যাত এই শিক্ষাবিদের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে আগে থেকে সমবেত হন বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা। উপস্থিত হন কয়েকজন অধ্যাপকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষে জিল্লুর রহমান সিদ্দিকীর কফিনে ফুল দেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্ব দলীয় নেতাকর্মীরা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) পক্ষে খালেকুজ্জামান, ওয়ার্কার্স পাটির পক্ষে সাংসদ ফজলে হোসেন বাদশাহ, গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয় জুনায়েদ সাকি প্রয়াত অধ্যাপককে শ্রদ্ধা জানান।

শিক্ষাবিদ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ও আনিসুজ্জামানও ছিলেন শ্রদ্ধা নিবেদকদের কাতারে।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের পক্ষে নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু ও হাসান আরিফ জিল্লুর রহমান সিদ্দিকীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

এছাড়া বাংলা একাডেমি, জাতীয় কবিতা পরিষদ, ছায়ানট, জাতীয় রবীন্দ্র সংগীত সম্মিলন পরিষদের পক্ষ থেকে তার কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জিল্লুর রহমান সিদ্দিকীর জানাজা হয়। এরপর তার মরদেহ নেওয়া হয় বনানীতে।

বাদ আছর গুলশানের আজাদ মসজিদে জানাযা শেষে বনানী কবরস্থানে তার দাফন হবে হবে প্রয়াতের ভাগ্নে ওয়াজিদ হাসান শাহ জানিয়েছেন।

এর আগে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জিল্লুর রহমান সিদ্দিকীর মরদেহ নেওয়া হয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে, যে প্রতিষ্ঠানের উপাচার্য ছিলেন তিনি।

শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সকাল ৮টা থেকে প্রায় ঘণ্টা উপাচার্যের বাসভবনের সামনের মাঠে রাখা হয় তার মরদেহ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ফারজানা ইসলাম, সহ-উপাচার্য আবুল হোসেন, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আলাউদ্দিন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতারা সাবেক এই উপাচার্যের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

এছাড়া বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (জাবিসাস), জাহাঙ্গীরনগর থিয়েটার, বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা সমিতি, প্রভোস্ট কমিটি, কর্মচারী সমিতি, কর্মচারী ইউনিয়ন ও জিল্লুর রহমানের নিজের কর্মস্থল ইংরেজি বিভাগের পক্ষ থেকে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক শরীফ এনামুল কবীর, অধ্যাপক আনু মুহাম্মদসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া ব্যক্তিগতভাবে অনেক ভক্ত-অনুরাগী অধ্যাপক জিল্লুর রহমানকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।পাশাপাশি শোক বইয়ে স্বাক্ষর করেন বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন স্থান থেকে আগতরা।

শ্রদ্ধা জানানো শেষে সকাল ৯টায় উপাচার্যের বাসভবনের সামনের মাঠে তার প্রথম জানাজা হয়।

গত মঙ্গলবার রাত পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার বনানীতে নিজের বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী। তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত এই শিক্ষাবিদ ১৯৯০-৯১ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেন।

জিল্লুর রহমান সিদ্দিকীর জন্ম ১৯২৮ সালে ২৩ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহে। তার পড়াশোনার হাতেখড়ি কলকাতায়, নর্মাল স্কুলে।

বাবার চাকরি সূত্রে বিভিন্ন স্কুল ঘুরে ১৯৪৫ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় স্টার মার্কসসহ উত্তীর্ণ হয়ে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন তিনি। ১৯৪৭ সালে আইএ পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন।

ভারত ভাগের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে ভর্তি হন জিল্লুর রহমান। স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে ইংরেজি সাহিত্যে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়ে ১৯৫২ সালে সরকারি বৃত্তি নিয়ে অক্সফোর্ডে যান তিনি।

দেশে ফেরার পর প্রথমে ঢাকা কলেজে যোগ দেন। এরপর ১৯৫৫ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে অধ্যাপনা শুরু করেন তিনি।

১৯৭৬ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে যোগ দেন জিল্লুর রহমান। ১৯৮৪ সালে উপাচার্য পদ থেকে বিদায় নিলেও ইংরেজির অধ্যাপক হিসেবে ছিলেন তিনি। এর মধ্যে বিশ্বভারতীতেও পড়িয়ে আসেন জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী।

২০০০ সালে বেসরকারি গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হন অধ্যাপক জিল্লুর। তিন বছর পর সেখান থেকে তিনি স্বেচ্ছা অবসর নেন।

বাংলা একাডেমি, এশিয়াটিক সোসাইটিতে সম্পৃক্ত থাকার পাশাপাশি বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতির সভাপতি; নাগরিক নাট্য চক্রের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি।

ইংরেজি-বাংলা মিলিয়ে অধ্যাপক জিল্লুর রহমানের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ৪০টি৷ এর মধ্যে ১৯৭৭ সালে প্রকাশিত ‘শব্দের সীমানা’ প্রবন্ধ গ্রন্থের জন্য তিনি ‘আলাওল সাহিত্য পুরস্কার’ লাভ করেন৷ তার কবিতা গ্রন্থ ‘হৃদয়ে জনপদে’ বাংলা একাডেমি পুরস্কার পায়।

মুক্ত চিন্তার বিকাশে অধ্যাপনা, গবেষণা ও সৃজনশীল লেখনীর মাধ্যমে শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১০ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয় জিল্লুর রহমান সিদ্দিকীকে

Want your business to be the top-listed Media Company in Tangail?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Pathrail Bazar, Delduar
Tangail
1912