Anik's Collection
04/08/2022
আখিরাতের তুলনায় দুনিয়ার জীবন অতি তুচ্ছ
"তোমরা কি আখিরাতের পরিবর্তে দুনিয়ার জীবনে পরিতুষ্ট হয়ে গেলে? অথচ আখিরাতের তুলনায় দুনিয়ার জীবনের উপকরণ অতি অল্প।"
সূরাঃ তাওবা-৩৮
🌹🌹তাফসীর🌹🌹
মানুষ পার্থিব জীবনের বাহ্যিক দিক জানে, অথচ তারা পরকালের খবরও রাখে না। অর্থাৎ পার্থিব জীবনের এক পীঠ তাদের নখদর্পনে। যেমন- ব্যবসা কিভাবে পরিচালনা করবে, কিসের ব্যবসা করবে, মাল কোথা থেকে ক্রয় করবে, কোথায় বিক্রয় করবে, কৃষি কাজ কিভাবে করবে, কোন সময় বীজ বপন করবে, কখন শস্য কাটবে, উন্নতমানের দালান-কোঠা কিভাবে নির্মান করবে, বিলাস-ব্যসনের উপকরণ কিভাবে অর্জন করবে? এসব বিষয়ে তারা সম্যক অবগত।
কিন্তু এই পার্থিব জীবনেরই অপর পীঠ তথা পরকালীন জীবন সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ। এই পীঠের উদ্দেশ্য হচ্ছে পার্থিব জীবনের স্বরূপ ও তার আসল লক্ষ্যকে ফুটিয়ে তোলা। অর্থাৎ এ কথা প্রকাশ করা যে দুনিয়া একটি মুসাফিরখানা। এখান থেকে আজ না হয় কাল যেতেই হবে। মানুষ এখানকার নয় বরং তারা প্রকৃত পক্ষে পরকালের বাসিন্দা এবং তার আসল বাড়ী জান্নাত। এখানে কিছুদিনের জন্য আল্লাহর ইচ্ছায় আগমন করেছে মাত্র। এখানে তার কাজ হচ্ছে, পরকালে সুখে-শান্তিতে কালাতিপাত করার জন্য এখান থেকে সুখের সামগ্রী সংগ্রহ করে সেখানে প্রেরণ করবে।
কিন্ত পরিতাপের বিষয় হচ্ছে আমরা আজ দুনিয়ার জীবনের আরাম আয়েশকে চরম ও পরম লক্ষ্য বানিয়ে নিয়েছি। কিন্তু আখেরাতের জীবনই প্রকৃত ও স্থায়ী জীবন এবং সেখানে চিরস্থায়ী সুখ নিহিত সে কথা আমাদের ভুললে চলবে না।
পণ্যের বিবরণ
টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম দেখতে যেমন লোভনীয় খেতেও তেমন সুস্বাদু। একবার খেলে সারাজীবন এর স্বাদ মুখে লেগে থাকবে এবং বারবার খেতে মন চাইবে।
আমি সাবিনা ইয়াসমিন হোম ডিস্ট্রিক্ট টাঙ্গাইল। কাজ করছি টাঙ্গাইল থেকে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত তাঁতের শাড়ি এবং পোড়াবাড়ির চমচম নিয়ে।
03/08/2022
চার মাযহাবের প্রখ্যাত ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল। ইমাম সাহেবের ছেলের বিয়ের সব ঠিকঠাক। একদিন সময় করে পুত্রকে ডেকে পাশে বসালেন। আন্তরিক ভঙ্গিতে বলতে শুরু করলেন
ওয়ালাদী! তুমি কি সুখী হতে চাও?
না—আম ইয়া আবী! (হ্যা অবশ্যই আব্বাজান!)
তাহলে তোমাকে তোমার হবু জীবনসঙ্গিনীর জন্যে দশটা বিষয় নিয়ে যেতে হবে।
- কী সেগুলো? কোথায় পাওয়া যাবে?
তোমাকে কোথাও যেতে হবে না। কিনতেও হবে না। আমার কাছে, তোমার কাছে, সবার কাছেই সেগুলো আছে। সবাই ব্যবহার করতে পারে না। এই যা। তাহলে চলো দেখা যাক, অমূল্য সেই দশটা বিষয় কী?
👉🏻 প্রথম ও দ্বিতীয়: নারীরা সাধারণত রোমান্টিকতা পছন্দ করে। খুনসুটি রসিকতা পছন্দ করে। নখরা-ন্যাকা তাদের স্বভাবজাত। তারা ভালোবাসার স্পষ্ট প্রকাশকে খুবই পছন্দ করে। তুমি একান্তে তোমার স্ত্রীর কাছে এসব প্রকাশে কখনোই কার্পণ্য করবে না। তাকে বেশি বেশি ভালোবাসার কথা বলবে।
যদি এসবে কার্পণ্য করো, তাহলে দেখবে কিছুদিন পরই তোমার আর তার মাঝে একটা অদৃশ্য পর্দা ঝুলে গেছে। এরপর দিনদিন পরস্পরের সম্পর্কে শুষ্কতা আসতে শুরু করবে। ভালোবাসা জানালা দিয়ে পালাবার পথ খুঁজবে।
👉 তৃতীয়: নারীরা
কঠোর-কর্কশ-রূঢ়-বদমেজাজী-রুক্ষস্বভাবের পুরুষকে একদম পছন্দ করে না। তোমার মধ্যে এমন কিছু থেকে থাকলে এখনই ঝেড়ে ফেল। কারণ তারা সুশীল, ভদ্র, উদার পুরুষ পছন্দ করে। তুমি তার ভালোবাসা অর্জনের জন্যে তাকে আশ্বস্ত করার জন্যে হলেও গুণগুলো অর্জন করো।
👉🏻 চতুর্থ: এটা খুব ভাল করে মনে রাখবে, তুমি তোমার স্ত্রীকে যেমন পরিচ্ছন্ন, সুন্দর, পরিপাটি, গোছালো, সুরুচিপূর্ণ, সুগন্ধিময় দেখতে চাও, তোমার স্ত্রীও কিন্তু তোমাকে ঠিক তেমনটাই চায়। তাই সাবধান থাকবে, তার চাহিদা পূরণে যেন, কোনও অবস্থাতেই, তোমার পক্ষ থেকে বিন্দুমাত্র অবহেলা না হয়।
👉🏻 পঞ্চম: ঘর হলো নারীদের রাজ্য। একজন নারী নিজেকে সব সময় সেই রাজ্যের সিংহাসনে আসীন দেখতে খুবই পছন্দ করে। সে কল্পনায়, স্বপ্নে, বাস্তবে এই রাজ্য নিয়ে ভাবে। সাজায়। রচনা করে। খুবই সাবধান থাকবে! কখনোই তোমার স্ত্রীর এই সুখময় রাজত্বকে ভেঙে দিতে যেও না। এমনকি তাকে সিংহাসন থেকে নামিয়ে দেয়ার প্রয়াসও চালাবে না।
👉🏻 ষষ্ঠ: নারীরা তার স্বামীকে মনেপ্রাণে-সর্বান্তঃকরণে প্রবলভাবে স্বামীকে পেতে চায়। তবে পাশাপাশি বাপের বাড়িকেও হারাতে চায় না। হুঁশিয়ার থেকো বাবা! তুমি ভুলেও নিজেকে আর স্ত্রীর পরিবারকে এক পাল্লায় তুলে মাপতে শুরু করে দিওনা। তুমি এ অন্যায় দাবী করে বসো না, হয় আমাকে বেছে নাও, নাহলে তোমার বাবা-মাকে।
তুমি এ বিষয়টা চিন্তাতেও স্থান দিও না। তুমি তাকে এমনটা করতে বাধ্য করলে, সে হয়তো চাপে পড়ে মেনে নিবে। কিন্তু তার মনের গহীনে কোথাও একটা চাপা-বোবা কান্না গুমরে মরতে থাকবে। তোমার প্রতি এক ধরনের সুপ্ত অশ্রদ্ধা তার কোমল মনে জেগে উঠবে।
👉🏻 সপ্তম: তুমি জানো, অনেক শুনেছ এবং পড়েছ নারীকে সৃষ্টি করা হয়েছে বাহু (বা পাঁজরের) বাঁকা হাড় থেকে। এই বক্রতা কিন্তু তার দোষ নয়, সৌন্দর্য। তুমি চোখের ভ্রু লক্ষ করে দেখেছো? সেটার সৌন্দর্যটা কোথায়?
- বক্রতায়।
একদম ঠিক কথা। বক্রতাই ভ্রুকে সুন্দর করে তোলে। ভ্রুটা যদি সোজা হতো, দেখতে সুন্দর লাগতো না। যদি তোমার স্ত্রী কোনও ভুল করে ফেলে, অস্থির হয়ে রেগেমেগে হামলা করে বসো না। উত্তেজিত অবস্থায় তাকে সোজা করতে যেও না, তাহলে অতিরিক্ত চাপে ভেঙে যাবে। আর ভাঙা মানে বুঝই তো, তালাক।
👉🏻 অষ্টম: তুমি হাদীসটা পড়োনি?
- কোনটা আব্বাজান?
- ঐ যে, যার ভাবার্থ হলো নারীদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে এমনভাবে যে, তারা স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ হয়। তার প্রতি অতীতে কৃত সব সদ্ব্যবহার-সদাচার ভুলে যায়। তুমি যদি তার প্রতি যুগ-যুগান্তরও সুন্দর আচরণ করো, হঠাৎ একদিন কোনক্রমে একটু রূঢ় আচরণ করে ফেলেছো, ব্যস অমনিই সে নাকের জল চোখের জল এক করে বলবে আমি তোমার কাছ থেকে কখনোই ভালো কিছু পাইনি।
দেখো বাছা! তার এই আচরণে রুষ্ট হয়ো না। তার এই চপল স্বভাবের প্রতিক্রিয়ায় তার প্রতি বিতৃষ্ণা এনো না। তার এই স্বভাবকে তুমি অপছন্দ করলেও, তার মধ্যে তুমি অনেক এমন কিছু পাবে যা তুমি শুধু পছন্দই করো না, বরং জানও লড়িয়ে দিতে পারো।
👉🏻 নবম: নারীদের শরীর-মনের অবস্থা সবসময় এক রকম থাকে না। একেক সময় একেক রকম থাকে। প্রতি মাসে নির্দিষ্ট একটা সময় তাদের শারীরিক দুর্বলতা থাকে। অনেক সময় মানসিক অস্থিরতাও বিরাজ করে। তাদের এই দুর্বলতা, অসহায় অবস্থার কথা বিবেচনা করে আল্লাহ তা'আলা তাদের নির্দিষ্ট সময়ের নামায মাফ করে দিয়েছেন। রোযাকে পিছিয়ে দিয়েছেন, তার স্বাস্থ্য ও মেজাজ ঠিক হওয়া পর্যন্ত।
তুমি তো রব্বে কারীমের বান্দা। তুমিও তোমার রবের গুণে গুণান্বিত হও। রব্বানী হও। তুমি তোমার স্ত্রীর দুর্বল মুহূর্তগুলোতে তার প্রতি কোমল হবে। তোমার আবদার আবেগ শরমে রেখো। তোমার রবও খুশি হবেন।
👉🏻 দশম: সবসময় মনে রেখো, তোমার স্ত্রী তোমার কাছে অনেকটা দায়বদ্ধ, বিভিন্নভাবে তোমার মুখাপেক্ষী। তোমার সুন্দর আচরণের কাঙাল। তুমি তার প্রতি যত্নবান হবে। তার প্রতি অনেক বেশি মনোযোগ দিবে। তাকে আপন করে নিবে। তাহলে সে তোমার জন্যে শ্রেষ্ঠ সম্পদে পরিণত হবে। তাকে অনুপম সঙ্গী হিশেবে পাবে।
পণ্যের বিবরণ
টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম দেখতে যেমন লোভনীয় খেতেও তেমন সুস্বাদু। একবার খেলে সারাজীবন এর স্বাদ মুখে লেগে থাকবে এবং বারবার খেতে মন চাইবে।
আমি সাবিনা ইয়াসমিন হোম ডিস্ট্রিক্ট টাঙ্গাইল। কাজ করছি টাঙ্গাইল থেকে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত তাঁতের শাড়ি এবং পোড়াবাড়ির চমচম নিয়ে।
02/08/2022
🌹🌹শিক্ষণীয় গল্প🌹🌹
এক চাষি জমিতে চাষ করছিল! চাষ করার সময় জমিতে হঠাৎ সে তিনটি পাথর খুজে পেল।
পাথরগুলো জমির পাশে রেখে জমির চাষ শেষ করল।
বাড়ি যাবার সময় পাথরগুলো সাথে নিয়ে গেল। বাড়িতে গিয়ে পাথরগুলো টেবিলের ওপর রাখল।
যখন সন্ধ্যা হলো। তখন চাষির স্ত্রী আলো জ্বালাতে গেল গিয়ে দেখল পাথরগুলো থেকে আলো বের হচ্ছে।
ঘর পুরো আলোকিত হয়ে গেছে।
তারপর ৩/৪ দিন কেটে গেলো চাষির ঘরে আলো জ্বালাতে হয় না পাথরের আলোয় হয়ে যায়। তারপর একদিন পাশের ঘরের একজন মহিলা এলো চাষির ঘরে। এসে চাষির স্ত্রীকে বললো তোমার ঘর আলো ছাড়া আলোকিত কিভাবে। তখন চাষির স্ত্রী সবকিছু বললো ঐ মহিলাকে।
মহিলার স্বামী ছিল ব্যবসায়ি। তাই মহিলা বললো এই পাথর আমার স্বামীকে দিয়ে দাও। আমার স্বামী তোমাদেরকে ৫/৬ লক্ষ টাকা দেবে। তখন চাষির স্ত্রী বললো আমার স্বামী বাড়ি এলে বলবো।
তারপর চাষি বাড়ি এলে চাষির স্ত্রী তাকে ৫/৬ লক্ষ টাকার কথা বললো। তখন চাষি বললো ব্যবসায়ি যখন সাধারণ এই পাথরের বিনিময়ে ৫/৬ লক্ষ টাকা দিতে রাজি। তাহলে বাদশাহ তো আরো বেশি দিবে।
চাষি পাথর নিয়ে বাদশার কাছে গেল। বাদশাহ পাথর দেখে চাষিকে বললো এই পাথরের বিনিময়ে তুমি কি চাও? তখন চাষি বলল আপনি যা দিবেন তাই নিবো।
তখন বাদশাহ মন্ত্রীকে বললেন সব থেকে যে গুদামে মোহর বেশি ঐ গুদামের চাবি দিয়ে দাও।
তারপর বাদশাহ চাষিকে বললো সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত তোমাকে সময় দেওয়া হলো। তুমি যত মোহর পারো নিয়ে নাও। যদি সবগুলো নিতে পারো নিয়ে নাও।
তারপর চাষি চাবি দিয়ে দরজা খুললো। খোলার পর দেখতে পেল মোহর ভর্তি ঝুড়ি।
তারপর চাষি বলতে থাকলো এটা আগে নিবো ঐ টা আগে নিবো। চাষি মোহর দেখতে দেখতে ২ টা বেজে গেল। গুদামের শেষ মাথায় চলে গেল। শেষ মাথায় গিয়ে দেখতে পেল একটি স্বর্ণের খাট তখন চাষি মনে মনে বললো এখন পর্যন্ত কিছুই নিতে পারলাম না।
দেখতে দেখতে শেষ মাথায় চলে এসেছি। যাক এই স্বর্ণের খাট টা নিয়ে নিবো।
তখন চাষি মনে মনে ভাবল একটু শুয়ে দেখি। চাষি শুয়ে দেখতে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়লো। যখন চাষির ঘুম ভাঙ্গল চাষি দেখলো সন্ধ্যা হয়ে গেছে। সময় শেষ কিন্তু কিছুই নিতে পারলাম না।
তখন চাষি বললো একটি মোহরের ঝুড়ি নিয়ে নেই।
কিন্তু পাহারাদার বললো তোমার সময় শেষ তুমি আর কিছুই নিতে পারবে না। তখন চাষি খালি হাতে ফিরে গেল। চাষি ভেবেছিল সময় আছে একটু দেখে নিই দেখতে গিয়ে সময় চলে গেছে।
এটা থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারি যে, আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে ঠিক এইভাবে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন কিছু সময় দিয়ে। আমরা এই সময়ের ভেতরে সময়ের কাজগুলো সময়ে করে নিবো।
তা না হলে চাষির মতো খালি হাতে ফিরতে হবে।
আমরাও দেখতে দেখতে সময় নষ্ট করে ফেলছি।
আল্লাহ যেন আমাদেরকে এগুলো বুঝার এবং সময়ের কাজ সময়ে আদায় করার সেই তৌফিকটুকু দান করুক।
পণ্যের বিবরণ
টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম দেখতে যেমন লোভনীয় খেতেও তেমন সুস্বাদু। একবার খেলে সারাজীবন এর স্বাদ মুখে লেগে থাকবে এবং বারবার খেতে মন চাইবে।
আমি সাবিনা ইয়াসমিন হোম ডিস্ট্রিক্ট টাঙ্গাইল। কাজ করছি টাঙ্গাইল থেকে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত তাঁতের শাড়ি এবং পোড়াবাড়ির চমচম নিয়ে।
29/07/2022
🌹🌹ওজনে কম দেওয়ার শাস্তি🌹🌹
ব্যবসা বাণিজ্য ও লেনদেনের ক্ষেত্রে পরিমাণ এবং ওজনে কমবেশি করা কিংবা ঠকানোর মাধ্যমে জীবিকা উপার্জন একটি জঘন্য অপরাধ। মানুষ মাত্রাতিরিক্ত লোভ ও অল্পে তুষ্ট না হওয়ার কারণেই অবৈধ পন্থায় উপার্জনের পেছনে ছুটে থাকে। পবিত্র কুরআন ও হাদিসে এ ধরনের কাজকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ, নিন্দনীয় ও পরকালীন দুর্ভোগের কারণ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে কুরআন কারিমে ইরশাদ হয়েছে, দুর্ভোগ তাদের জন্য, যারা মাপে কম দেয়। যারা লোকদের কাছ থেকে মেপে নেওয়ার সময় পূর্ণমাত্রায় গ্রহণ করে, আর যখন তাদের মেপে দেয় অথবা ওজন করে দেয়, তখন কম দেয়।
আল্লাহতায়ালা আরও বলেন, মাপার সময় পুরো মাপবে এবং সঠিক পাল্লা দিয়ে ওজন করবে।
কুরআন কারিমের অন্যত্র আল্লাহতায়ালা বলেন, ওজনে বাড়াবাড়ি কর না, ঠিক ঠিকভাবে ইনসাফের সঙ্গে ওজন কর এবং পাল্লায় কম করে দিয়ো না।
সুরা আর রাহমান : ৮-৯
ইবনে মাজাহ শরিফে বর্ণিত এক হাদিসে নবী কারিম (স) ইরশাদ করেছেন, যে জাতিই মাপ ও ওজনে কম দেবে, সে জাতিই দুর্ভিক্ষ, কঠিন খাদ্য-সংকট এবং শাসকগোষ্ঠীর অত্যাচারের শিকার হবে।
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (র) যখন বাজারে যেতেন, তখন বিক্রেতাদের উদ্দেশ্যে হজরত রসুলুল্লহ (স) -এর হাদিস শুনিয়ে বলতেন, আল্লাহকে ভয় করো। কেননা, মাপে কমদানকারীরা কিয়ামতের দিন দাঁড়িয়ে থাকবে এমন অবস্থায় যে, ঘামে তাদের কানের অর্ধেক পর্যন্ত ডুবে যাবে। (সহিহ্ বোখারি ও মুসলিম)
মাপে কম দেওয়ার কারণে অতীতে অনেক জনগোষ্ঠীকে আল্লাহতায়ালা ধ্বংস করে দিয়েছেন। হজরত শোয়াইব (আ) -এর জাতির কথা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। কুরআন কারিমের সুরা আরাফে এ ঘটনা বিস্তারিতভাবে এসেছে।
আল্লাহর নবী হজরত শোয়াইব (আ) -এর সম্প্রদায়ের লোকেরা লোভ-লালসায় মত্ত হয়ে পারস্পরিক লেনদেনের সময় ওজনে কম দিয়ে মানুষের অধিকার নষ্ট করত। ওই সময় দুর্নীতি, রাহাজানি, ছিনতাই, ধর্ষণ ও মজুদদারির মতো জঘন্য অন্যায় কাজ তাদের সমাজের মধ্যে বিষবাষ্পের মতো ছড়িয়ে পড়েছিল।
হজরত শোয়াইব (আ) তাদের এগুলো থেকে ফিরিয়ে আনার অনেক চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তারা তার দাওয়াতে সাড়া দেয়নি। বরং তাদের সীমালঙ্ঘন বেড়েই চলছিল। একসময় তাদের ওপর আল্লাহর গজব নেমে আসে। কয়েক দিন তাদের অঞ্চলে প্রচণ্ড গরম পড়ল। গরমে তারা ছটফট করতে লাগল। এরপর কাছাকাছি একটা ময়দানের ওপর গাঢ় মেঘমালা দেখা দিল। ময়দানে মেঘের ছায়া পড়ল। শীতল বাতাস বইতে লাগল। এলাকার সবাই ওই ময়দানে উপস্থিত হলো। বলতে লাগল, এই মেঘ থেকে আমাদের ওপর বৃষ্টি বর্ষিত হবে। কিন্তু তাদের ওপর অগ্নিবৃষ্টি শুরু হলো। আর নিচের দিকে শুরু হলো প্রচণ্ড ভূমিকম্প। ফলে সবাই সেখানে ধ্বংস হয়ে গেল।
সুতরাং মানুষের হক নষ্ট করা যে কতটা মারাত্মক বিষয় তা হজরত শোয়াইব (আ) -এর জাতির ঘটনা থেকেই বোঝা যায়। তাই প্রতিটি ব্যবসায়ীর উচিত সততার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করা। মানসম্মত ত্রুটিমুক্ত পণ্য সরবরাহ করা। কোনোভাবেই যেন ওজনে কম চলে না যায়, সেদিকে লক্ষ রাখা। মানুষের হক নষ্ট না করা। লোভের বশবর্তী হয়ে ওজনে কম দেওয়ার মতো অপরাধে জড়িত না হওয়া।
আমি সাবিনা ইয়াসমিন হোম ডিস্ট্রিক্ট টাঙ্গাইল। কাজ করছি টাঙ্গাইল থেকে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত তাঁতের শাড়ি এবং পোড়াবাড়ির চমচম নিয়ে।
28/07/2022
প্রতিটা মানুষেরই একটা গল্প আছে। না খেয়ে থাকার নির্মম গল্প। চোখের জলে রাত কাটিয়ে দেওয়ার নির্ঘুম গল্প। অসহায়ের গল্প, একাকিত্বের গল্প। সবার গল্পই আলাদা আবার কারও কারও গল্পটা এক হলেও গল্পের ট্রাজেডি আলাদা।
কারও জীবনের দুঃখ কষ্টই কাউকে স্পর্শ করে না। কেউ কেউ বলে আপনার দুঃখ কষ্টে আমি শেষ হয়ে যাচ্ছি। কিন্তু আসলেই তা না। মানুষ এগুলো শুধু মুখে মুখে বলে। এর চেয়ে বেশি কিছু না।
কারও দুঃখ কষ্ট নিয়ে কেউ ভাবে না, একজনের দুঃখ কষ্ট কখনো অন্য কাউকে ভাবায় না। নিজের দুঃখ কষ্টগুলো দিনশেষে নিজেকেই সবচেয়ে বেশি ভাবায়, নিজেকেই সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয়। হাজারো দুঃখ কষ্টের সাথে নিজেকে একাই লড়াই করতে হয়। কেউই পাশে থাকে না। কেউ কেউ শুধুু পাশে থাকার অভিনয় করে। সময় মতো তারাও নিজেদের আসল রুপটা দেখিয়ে দেয়। যেটা দেখার জন্য আমরা হয়ত কখনই প্রস্তুত থাকি না। কিন্তু আমাদেরকে ঠিকই মেনে নিতে হয়। কারণ তখন মেনে নেওয়া, আর মানিয়ে নেওয়া ছাড়া আমাদের আর কিছুই করার থাকে না।
পরিস্থিতি আর পরিবেশ আমাদের অনেক কিছুই শেখায়। আর আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষাটা দেয় জীবনের ব্যর্থতা আর খারাপ সময়গুলো। ব্যর্থতা আমাদেরকে শিখায় জীবনের সফলতার পথটা এত সহজ নয়, দমে গেলে চলবে না। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করে যেতে হবে। আপনার জন্য কেউ একটু জায়গাও ছেড়ে দিবে না, নিজের জায়গাটা নিজেকেই তৈরি করে নিতে হবে।
আর খারাপ সময় আমাদেরকে শিখায় জীবনে সবাইকে আপন ভাবতে যেও না। দেখবে খারাপ সময়ে তুমি এমন অনেক'কেই হারিয়ে ফেলবে যাদেরকে সবসময় তুমি নিজের খু্ব আপন ভেবে এসেছো। তাই মানুষ চিনতে ভুল করো না, আর মানুষটা ভুল এটা জেনে যাওয়ার পরও সেই ভুল মানুষটাকে নিয়ে এগিয়ে যেও না। মনে রেখো সাময়িক কষ্ট পাওয়া ভালো আজীবন ক্ষত বয়ে বেড়ানোর চেয়ে।
পণ্যের বিবরণ
টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম দেখতে যেমন লোভনীয় খেতেও তেমন সুস্বাদু। একবার খেলে সারাজীবন এর স্বাদ মুখে লেগে থাকবে এবং বারবার খেতে মন চাইবে।
আমি সাবিনা ইয়াসমিন হোম ডিস্ট্রিক্ট টাঙ্গাইল। কাজ করছি টাঙ্গাইল থেকে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত তাঁতের শাড়ি এবং পোড়াবাড়ির চমচম নিয়ে।
25/07/2022
মধ্য বয়সী একটি মেয়ে কোন এক আইসক্রিম ফ্যাক্টরির ম্যানেজার হিসাবে কাজ করত। তার কাজ ছিল, প্রতিদিন আইসক্রিম তৈরী এবং বিক্রির হিসাব রাখা।
একদিন কাজ শেষ হবার কিছু সময় আগে সে আইসক্রিম রাখার স্টোরেজ রুমে ঢুকল। যেটা মূলত কোল্ড স্টরেজ। তখন হুট করে বাইরে থেকে দরজাটি লক হয়ে যায়। সে অনেক চেষ্টা করলেও দরজাটা খোলা সম্ভব হয় নি। অনেক চিৎকার করেও কেন লাভ হয় নি। কারণ ততোক্ষণে অন্যান্য সব কর্মী কাজ শেষ করে বেরিয়ে গেছে।
আস্তে আস্তে সে ঠান্ডায় জমে যেতে লাগল। সে কাঁদছিলো কারণ সে জানে তার মৃত্যু আসন্ন এবং তার বাঁচার কোন সম্ভাবনাই নেই।
হঠাৎ বেশ অপ্রত্যাশিতভাবে একজন সিকিউরিটি গার্ড এসে দরজা খুললেন এবং তাকে অর্ধ হিম অবস্থায় সেখান থেকে তাকে মুক্ত করলেন। মেয়েটি কাঁপতে কাঁপতে তাকে জিজ্ঞেস করলো, আপনার তো এখানে আসার কথা নয়। হঠাৎ কি মনে করে এমন সময় এখানে আসলেন?
গার্ড উত্তর দিলেন, আমি একটা দীর্ঘ সময় ধরে এ কম্পানিতে সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করছি। প্রায় ৩৫ বছর। কিন্তু আমি এমন মানুষ খুব কম দেখেছি যারা প্রতি সকালে আমাকে সালাম দিয়ে ঢুকেছে এবং সন্ধ্যায় বের হবার সময় সালাম দিয়ে বেরিয়েছে। বেশিরভাগ মানুষ এমন আচরণ করত যেন তারা আমাকে দেখতেই পায় না। কিন্তু আপনি ছিলেন সেই মানুষ যিনি প্রতিদিন আমাকে হাসিমুখে সালাম করতেন। এবং যথারীতি আজ সকালেও করেছেন।
কিন্তু আজ সন্ধ্যায় আমি আপনার কাছ থেকে সালাম শুনিনি। তার মানে আপনি এখনো বের হন নি। সেটা আমি বুঝতে পেরে আপনাকে খুঁজতে শুরু করি।
শিক্ষা: আমাদের জীবন খুবই ছোট। এই পৃথিবীতে কাউকে ছোট মনে করবেন না। সবাইকে যথাযত সম্মান দিয়ে কথা বলুন। জীবনের প্রয়োজনে কখন কাকে আপনার প্রয়োজন হবে সেটা বলা যায় না। বড় জব বা টাকা পয়সার মালিক হলেই কেউ বড় হয়ে যায় না। বিনয়, সামাজিকতা, সুশিক্ষা মানুষকে বড় করে তুলে।
পণ্যের বিবরণ
টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম দেখতে যেমন লোভনীয় খেতেও তেমন সুস্বাদু। একবার খেলে সারাজীবন এর স্বাদ মুখে লেগে থাকবে এবং বারবার খেতে মন চাইবে।
আমি সাবিনা ইয়াসমিন হোম ডিস্ট্রিক্ট টাঙ্গাইল। কাজ করছি টাঙ্গাইল থেকে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী বিখ্যাত তাঁতের শাড়ি এবং পোড়াবাড়ির চমচম নিয়ে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Tangail
1900