Sylhet Live

Sylhet Live

Share

করোনা উপসর্গ নিয়ে মৌলভীবাজারে ৩ জনের মৃত্যু 19/06/2020

https://thecitizen.news/2020/06/19/করোনা-উপসর্গ-নিয়ে-মৌলভীব/

করোনা উপসর্গ নিয়ে মৌলভীবাজারে ৩ জনের মৃত্যু মৌলভীবাজার সংবাদদাতা: মৌলভীবাজারে করোনা উপসর্গ নিয়ে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। জ্বর-সর্দি ও কাশি নিয়ে কুলাউড়ার এক ব্...

বাবুনগরীকে সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি! | 𝐓𝐡𝐞 𝐂𝐢𝐭𝐢𝐳𝐞𝐧 𝐍𝐞𝐰𝐬 17/06/2020

হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

বাবুনগরীকে সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি! | 𝐓𝐡𝐞 𝐂𝐢𝐭𝐢𝐳𝐞𝐧 𝐍𝐞𝐰𝐬 হাটহাজারী মাদ্রাসা থেকে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীকে সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হ The Citizen News is first leading newspaper in Bangladesh

SYLHETLIVE.COM » ছাতকে যুবলীগের কমিটি ঘোষণা নিয়ে দু’পক্ষে উত্তেজনা 27/07/2015

ছাতকে যুবলীগের কমিটি ঘোষণা নিয়ে দু’পক্ষে উত্তেজনা

SYLHETLIVE.COM » ছাতকে যুবলীগের কমিটি ঘোষণা নিয়ে দু’পক্ষে উত্তেজনা ছাতক প্রতিনিধি:: ছাতকে উপজেলা যুবলীগের কমিটি ঘোষণা নিয়ে দুই পক্ষে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। একপক্ষ বলেছে, স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক এম পি কমিটি ঘোষণা করেছেন’। অপরপক্ষ বলছেন, জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মাধ্যমে কমিটি গঠনের গঠনতান্ত্রিক পন্থা উপেক্ষা করে শুধুমাত্র এমপির স্বার্থে একটি অবৈধ কম…

SYLHETLIVE.COM » রাজন হত্যাকাণ্ড : ওসি আলমগীরকে বহিস্কার 27/07/2015

রাজন হত্যাকাণ্ড : ওসি আলমগীরকে বহিস্কার

SYLHETLIVE.COM » রাজন হত্যাকাণ্ড : ওসি আলমগীরকে বহিস্কার নিউজ ডেস্ক: কিশোর সামিউল আলম রাজন হত্যার ঘটনায় সিলেট মহানগরীর জালালাবাদ থানার ওসি (তদন্ত) আলমগীর হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগ এনে এর আগে আলমগীরকে জালালবাদ থানা থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছিলো।

Photos 12/07/2015

এ কেমন হত্যাণ্ড: "তোকে কীভাবে মারব বল; আমরার সব পদ্ধতি জানা আছে"
স্টাফ বিপোর্টার:
১২/১৩ বছরেরর একটা শিশু। শিশুটিকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে বেদম প্রহার করছে ৪ যুবক। যন্ত্রণায় চিৎকার করে কাঁদছে শিশুটি। অথচ নির্যাতনকারীরা তখন উল্লাসে হাসছিলো। শিশুটির নাম শেখ সামিউল আলম রাজন। আনুমানিক বয়স তেরো বছর। ওই শিশুকে পাষণ্ডরা ঠিক কতটা সময় ধরে নিপীড়ন চালিয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া না গেলেও, তাকে নির্যাতন করার প্রায় আধাঘণ্টা একটি ভিডিও ক্লিপ এখন সবার হাতে হাতে।

ঘটনাটি ঘটেছে সিলেট শহরতলীর কুমারগাঁওয়ে। একটি দোকানের খুঁটির সাথে বেঁধে প্রায় দেড় ঘণ্টা নির্যাতন করা হয় ১৩ বছরের কিশোর শেখ সামিউল আলম রাজনকে। রাজনকে নির্যাতনের সময় তাকে উদ্দেশ্য করে ঘাতকদের বলতে শোনা গেছে, ‘কোন সিস্টেমে তরে মারতাম খ, আমরার হখল সিস্টেম জানা আছে’। (তোকে কীভাবে মারব বল, আমরার সব পদ্ধতি জানা আছে)।

নির্যাতনের সময় সে পানি চাইলেও নির্যাতনকারীরা তাকে উল্টো বলে ‘পানি নাই ঘাম খা’। কয়েকজন মিলে উল্লাসের সাথে কিশোর রাজনের উপর চালায় অমানবিক বর্বরাতা। কিশোর রাজনের চোখে বাঁধভাঙা জল। চোখ মুখ ফুলে গেছে। প্রহারে প্রহারে ক্লান্ত। শরীর ক্ষতবিক্ষত। একটা খুঁটিতে পিছমোড়া করে বাঁধা সে বারবার করজোরে বাঁচার আকুতি জানাচ্ছে। বলছে, সে চোর নয়। তারপরও উৎসাহী জনতা তাদের ‘বীরত্ব’ ফলিয়েছে চোর সন্দেহে ধৃত নিরীহ কিশোরটির ওপর।

মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়া অবধি তারা খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মেরেছে তাকে। আর প্রচণ্ড উল্লাসে সেই মধ্যযুগীয় বর্বর ঘটনার ভিডিও করেছে তারা। নির্মম সে ভিডিওটি রীতিমতো প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয় সভ্যতাকে, সভ্য মানুষের বিবেককে।

জানা গেছে, গত বুধবার এ ঘটনার পর দুষ্কৃতকারীরা রাজনের লাশ গুম করার চেষ্টা করে। ওই দিনই পুলিশ লাশসহ দুইজনকে আটক করে। তবে ওই ঘটনা সাধারণ ‘চোর পেটানোর’ ঘটনা হিসেবেই চাপা পড়ে যায়। যখন হাতে হাতে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে এবং ঘটনার নির্মমতা ও বর্বরতা বুঝা যায় তখনই ফুঁসে ওঠলো জনতা। তারা রীতিমতো বিক্ষোভও করেছে। কোনো প্রমাণ নেই, হাতেনাতে ধরার বিষয়টিও নেই। কেবল ‘চোর’ সন্দেহেই ১৩ বছরের কিশোরটিকে পিটিয়ে মারে দুষ্কৃতকারীরা-এমন প্রশ্নই জেগেছে মানুষের মনে।

শিশু রাজনের বাড়ি সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের বাদেআলী গ্রামে। রাজনের বাবা শেখ আজিজুর রহমান পেশায় একজন মাইক্রোবাস চালক। তার দুই ছেলের মধ্যে রাজন বড়। অনন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করা রাজন সবজি বিক্রি করত। আর সবজি বিক্রির টাকা দিয়েই চলতো রাজনের পরিবারের খরচ।

গত বুধবার ভোরে সে সবজি বিক্রি করতে বাড়ি থেকে বের হয়। শহরতলীর কুমারগাঁও এলাকায় আসার পর চোর সন্দেহে তাকে আটক করে স্থানীয়রা। কুমারগাও বাসস্ট্যান্ড এলাকার বড়গাঁও সুন্দর আলী ও গাজী লালাই মিয়া মার্কেট সংলগ্ন স্থানে তাকে একটি খুঁটির সঙ্গে হাত-পা বেঁধে টানা আধাঘণ্টা ধরে মারধর করে তারা। তাদের পিটুনিতে মারা যায় রাজন। রাজন মারা গেছে বুঝতে পেরে তার লাশ গুমের চেষ্টা চালায় তারা। লাশ গুমের চেষ্টাকালে মুহিত আলম নামে একজনকে স্থানীয় জনতা আটক করে পুলিশে দেয়। পুলিশ ওইদিন দুপরের দিকে রাজনের লাশ উদ্ধার করে।

কিন্তু তখনও রাজনের বাব-মা জানতেন না যে তার ছেলেকে নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে। রাতে ছেলে বাড়ি না ফেরায় রাজনের বাবা-মা জালালাবাদ থানায় জিডি করতে যান। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন একটি কিশোরের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এক পর্যায়ে তারা তাদের সন্তানকে সনাক্ত করেন।

রজনের বাবা আজিজুর জানান, তিনি যেদিন ভাড়ায় মাইক্রোবাস চালাতে পারেন না, সেদিন সংসার খরচ চালাতে সবজি বিক্রি করতে বের হয় রাজন।

মা লুবনা আক্তার জানান, ওইদিন (বুধবার) রাজনের বাবা গাড়িতে (ভাড়ার ট্রিপে) ছিলেন বলে বাড়ি ফেরেননি। ভোরে টুকেরবাজার থেকে সবজি নিয়ে বিক্রির জন্য রাজন বের হয়েছিল। সারা দিন ছেলের খোঁজ পাননি তারা। রাতে থানায় গিয়ে জিডি করার সময় এক কিশোরের লাশ পাওয়া গেছে জানতে পেরে তারা রাজনকে সনাক্ত করেন।

লুবনা আরো বলেন, আমার ছেলে চোর নায়। এই কথা সবাই জানে পুরো গ্রামবাসী। আমার ছেলেকে তারা নির্মমভাবে হত্যা করেছে। আমি এর উচিৎ বিচার চাই।

এ ঘটনায় রাজনের পিতা বাদি হয়ে জালালাবাদ থানায় একটি হত্যা মামলা (নং-২৯৭/১৫) দায়ের করেন। মামলার এজহারনামীয় আসামিদেরকে গ্রেফতার করার জন্য শনিবার দিবাগত রাতে কুমারগাঁও এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় যৌথবাহিনী অভিযান চালালেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

এ ঘটনায়, সিলেট মহানগর পুলিশের জালালাবাদ থানায় পুলিশ বাদি হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলায় রাজনের লাশ গুমের সময় হাতেনাতে আটক মুহিত ও তার ভাই কামরুল ইসলাম (২৪), তাদের সহযোগী আলী হায়দার ওরফে আলী (৩৪) ও চৌকিদার ময়না মিয়া ওরফে বড় ময়নাকে (৪৫) আসামি করা হয়েছে।

জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন বলেন, এ হত্যার সঙ্গে মামলার আসামি চারজনই সম্পৃক্ত বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভিডিওচিত্র ধারণসহ পুরো ঘটনার ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মুহিতকে আদালতে ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। রোববার আদালতে রিমান্ড আবেদনের শুনানি হবে।

পুুলিশ আরো জানায়, লাশটি ওই দিন পর্যন্ত অজ্ঞাত ছিল। খবর পেয়ে বুধবার রাত ১১টায় থানায় গিয়ে পরিবারের সদস্যরা শনাক্ত করলে পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হলে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ ওঠে।

ওই ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে নির্মম সেই হত্যার ঘটনা। ভিডিওতে দেখে গেছে, কুমারগাঁও এলাকায় একটি দোকানের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে প্রায় আধা ঘণ্টা নির্যাতন করা হয় ১৩ বছরের কিশোর শেখ সামিউল আলম রাজনকে। বাঁধা অবস্থায় পানির জন্য বেশ কয়েকবার আর্তনাদ করেও রাজনকে পানি দেয়নি নির্যাতনকারীরা। টানা ২৮ মিনিট বাঁধা অবস্থায় অনেকটা খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে চলে নির্যাতন। কিশোর শরীরে টানা নির্যাতন সইতে না পেরে শেষে পানি খাওয়ার আকুতি জানায়।

কয়েক মিনিটের জন্য রাজনকে হাতের বাঁধন খুলে রশি লাগিয়ে হাঁটতে দেয়া হয়। ‘হাড়গোড় তো দেখি সব ঠিক আছে, আরও মারোৃ’ বলে রাজনের বাঁ হাত খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রেখে আরেকদফা পেটানো হয়। এসময় রাজনের শরীর ও চোখ-মুখ বেশ ফোলা দেখা গেছে। একপর্যায়ে মাটিতে নিস্তেজ হয়ে পড়ে রাজন।

নির্যাতনের সময় নির্যাতনকারীদের উল্লাস করতে দেখা গেছে। এছাড়াও নির্যাতনের এক পর্যায়ে সামিউলকে বোতলের কর্ক দিয়ে একজন কয়েক ফোটা পানিও দিতে দেখা গেছে। মারধর করার সময় একদিকে রাজনের মুখে আর্তচিৎকার, আর অন্যদিকে নির্যাতনকারীদের মুখে অট্টহাসি দিয়ে নানা কটূক্তি করতেও শোনা গেছে।

যে ভিডিও ধারণ করার কাজটি করছিল, তাকে নির্দেশ করে নির্যাতনকারীরা জানতে চায়- ঠিকমতো ভিডিও ধারণ হচ্ছে কি-না। ওপাশ থেকে ‘ফেসবুকে ছাড়ি দিছি, অখন সারা দুনিয়ার মানুষ দেখবৃ’ বলতে শোনা গেছে। শেষ দিকে নির্যাতনকারী একজন সঙ্গীদের কাছে জানতে চায়- ‘কিতা করতাম?’ অপর একজনকে তখন ‘মামায় যে কইছন, ওই কাম করি ছাড়ি দে!’ বলতে শোনা যায়।

Want your business to be the top-listed Media Company in Sylhet?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address


Sylhet
3100