Kamal Auto Engineering Workshop
25/10/2017
আমরা লাখ দুই লাখ টাকা খরচ করে মটর সাইকেল কিনতে পারি সময় বাঁচানোর জন্য বা একটু দ্রুত চলাফেরা করার জন্য কিন্তু নিজের নিরাপত্তার জন্য হাজার দু'এক টাকা খরচ করে হেলমেট কিনতে আসলেমি করি। কিনলেও তা ব্যবহার করিনা, যার ফলে দুর্ঘটনার ধরন স্বাভাবিক হলেও অনেক সময় ক্ষতির পরিমাণ টা হয় অস্বাভাবিক।
আর যেখানে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে আলসেমির একটা অভ্যাস আছে সেখানে লাখ টাকা দামের মটর বাইকের নিরাপত্তার কথা তো চিন্তাও করতে পারিনা। যার ধরুন অনেক সময় লাখ টাকা দামের জিনিস মুহূর্তের মধ্যে চুরি ছিনতাই হয়, তারপর হায় হায় করতে হয়। থানা পুলিশ জিডি করেও অনেক সময় কুল কিনারা করতে পারিনা। যারা একটু সচেতন তারা টুকটাক সিকিউরিটি সিষ্টেম ব্যবহার করেন তাও এর কাভারেজ একশ দুইশ মিটার এর বেশি নয়। অনেকেই এলার্ম বা ইঞ্জিনের জন্য বাড়তি সুইচ লাগান যা কিছুটা নিরাপদ বটে তবে হান্ডেড পার্সেন্ট নয়। কেউ কেউ আবার প্রতিদিন দশ টাকা দশ টাকা করে নিরাপদ পার্কিং এর জন্য পরিশোধ করেন। মাস শেষে গুনলে দেখা যায় কমপক্ষে হাজার পনেরো শ টাকার কাছাকাছি।
তাই সবদিক চিন্তা করে আমি আপনাদের জন্য অসাধারণ এক ডিভাইস আমদানি করতে যাচ্ছি। যা শুধু আপনার লাখ টাকা দামের বাইক বা গাড়ির নিরাপত্তা ই দিবে না বরং এর চেয়ে অনেক বেশি সুবিধা আছে। চুরি তো অসম্ভব এমনকি ছিনতাই ও ঠেকাতে পারবেন। কারন এই ডিভাইস সংযোগ করলে আপনি আপনার বাইক ও গাড়ি নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। সিকিউরিটি এলার্ট তো আছেই বাড়তি নিরাপত্তা হিসাবে ইঞ্জিন অন অফ অটো লক সহ গাড়ির স্পীড নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে বাহির থেকেই ডোর লক আনলক করতে পারবেন। তাও নিজের মোবাইল দিয়ে। অবশ্য এর জন্য এনড্রয়েড ফোনও লাগবে না, সাধারন ফোন দিয়ে সব সম্ভব। নির্দিষ্ট কোন এরিয়া ও নয় যখন যেখানে খুশি যে কোন জায়গা থেকে এমনকি একশ মাইল দূর থেকেও সবি নিয়ন্ত্রণ করতে পাবেন। বাইক গাড়ি কখন কোথায় জানতে তো পারবেন ই, এর বাইরে আরো অনেক সুবিধা আছে। এতো সুবিধার মাঝে দু'একটা অসুবিধা তো থাকবেই।
তবে আমার ডিভাইসের অসুবিধা শুধু একটাই দুইটা নয়। আর সেই অসুবিধাটি হলো দাম একটু বেশি। অর্থাৎ প্রতিটি মটর সাইকেল ডিভাইস এর দাম মাত্র 6999 টাকা এবং কার এর জন্য প্রতিটা ডিভাইস এর দাম পড়বে মাত্র 7999 টাকা। আর হ্যাঁ, এই একটা অসুবিধার মধ্যে বাড়তি স্পেশাল সুবিধা হলো অন্যান্য টংঢাং ডিভাইস এর মতো আমার ডিভাইসে মাসিক কোন ফি নাই। হিডেন চার্জের তো প্রশ্নই উঠেনা।
বিঃ দ্রঃ পহেলা নভেম্বর থেকে ডিভাইসটি পাবেন। যারা অগ্রিম বুকিং দিবেন শুধুমাত্র তাদের জন্য এই মূল্য প্রযোজ্য, এর বাইরে লিফলেট এর মূল্যই চুড়ান্ত মূল্য।
সবাইকে ধন্যবাদ!!
ডিভাইস লাগান
রাত্রে শান্তিতে ঘুমান।
Call for device: 01711447847
13/08/2017
বর্তমানে ঢাকা শহরের রাস্তায় চলাচলের জন্য প্রতিদিন বিভিন্ন ধরনের ৩১৭টি গাড়ির নিবন্ধন দেওয়া হচ্ছে। রাজধানীতে নিবন্ধিত মোটরগাড়ির সংখ্যা প্রায় ৯ লাখ ২৪ হাজার ৩৯২টি। আর সারা দেশে গাড়ি আছে ২২ লাখ ১৪ হাজার ১৭টিরও বেশি। এই লাখ লাখ গাড়ির জন্য দক্ষ জনশক্তির সংখ্যা অনেক কম। তাই এই বিকাশমান ও সম্ভাবনাময় সেক্টরে কর্মসংস্থানের সুযোগ অনেক বেশি। এ বিষয়ে পড়ালেখা করে তাই সাধারণতই চাকরির জন্য বসে থাকতে হয় না। এ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন, শামীম ফরহাদ
কাজের ধরন
একজন অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারকে গাড়ি তৈরি থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত সব সমস্যা সমাধান করতে হয়। অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ভাগ রয়েছেÑ প্রডাকশন, সেলস ও সার্ভিসিং।
প্রডাকশন ক্ষেত্রের কাজে আবার কয়েকটি ভাগ রয়েছে। যেমনÑ ডিজাইন, ড্রয়িং ও ক্যালকুলেশন। হাইস্কিল ইঞ্জিনিয়াররাই মূলত প্রডাকশন ডিভিশনে এসব কাজ করে থাকেন। সেলস ডিভিশনে গাড়ি বিপণন, বিক্রয় ও বিতরণ-সংক্রান্ত কাজ করা হয়। এ ডিভিশনে ভালো করতে ও কারিগরি জ্ঞান খুব ভালো থাকতে হয়। এ ডিভিশনের জনবলের দায়িত্ব গ্রাহকের চাহিদা বুঝে সে অনুযায়ী গাড়ি বাছাই করে তার ইঞ্জিন ও অন্যান্য বিষয়ে সার্বিক তথ্য গ্রাহককে অবহিত করার। অন্যদিকে সার্ভিসিং বলতে মূলত ওয়ারেন্টি বা সার্ভিস ফির মাধ্যমে গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশের মেরামত ও সার্ভিসিং করার কাজ বোঝানো হয়।
কাজের ক্ষেত্র
সময়ের চাহিদা অনুসারে দেশে অটোমোবাইল শিল্পে কাজের ক্ষেত্র এখন অনেক বিস্তৃত। সুযোগ রয়েছে দেশের বাইরেও কাজ করার। দিন দিন যেভাবে ইঞ্জিনের ব্যবহার বাড়ছে, তাতে দক্ষ কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তির চাহিদা আরও বাড়বে। বর্তমানে আমাদের দেশে ২৫টিরও বেশি গাড়ি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এবং ১৩৭টিরও বেশি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানিকারক ও ডিলার রয়েছে। তারা প্রতিনিয়ত বিদেশ থেকে গাড়ি আমদানি করছে এবং এ শিল্পকে সমৃদ্ধ হতে সাহায্য করছে। আমাদের দেশে গাড়ি উৎপাদনের সুযোগও সৃষ্টি হচ্ছে।
আয়-রোজগার
সদ্য পাস করা অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ার ইন্টার্ন হিসেবে যোগ দিয়ে প্রতিষ্ঠানভেদে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন পেতে পারেন। একজন দক্ষ অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারের বেতন সাধারণত ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা হয়ে থাকে। এ ছাড়া গাড়ি প্রস্তুতকারী কোম্পানিতে অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। সে ক্ষেত্রে ন্যূনতম বেতন ১ লাখ টাকার বেশিও হতে পারে। মূলত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ওপর নির্ভর করবে বেতন। আর দেশের বাইরে কাজের সুযোগ তো রয়েছেই।
আত্মকর্মসংস্থান
অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগও রয়েছে। এ বিষয়ে পড়ালেখা করে নিজ উদ্যোগে সার্ভিস সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা যায়। এ জন্য প্রাথমিকভাবে ১০ থেকে ২৫ লাখ টাকার বিনিয়োগ প্রয়োজন। এ পুঁজি সংগ্রহ করতে পারবেন বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকেও। প্রয়োজনীয় শর্তাবলি পূরণ করতে পারলে এ খাতে দেশের প্রায় সব সরকারি-বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ঋণ দেবে। সে ক্ষেত্রে সব খরচ মিটিয়ে স্থানভেদে মাসে ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব।
বাংলাদেশ-কোরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (বিকেটিটিসি)
বাংলাদেশ-কোরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার হচ্ছে কোরিয়ান সাহায্যে স্থাপিত বাংলাদেশের সর্বপ্রথম ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট। এ প্রতিষ্ঠান থেকে অটোমোবাইলের ওপর ট্রেনিং নিয়ে দেশে ও দেশের বাইরে বর্তমানে কর্মরত আছেন শত শত শিক্ষার্থী। তাছাড়া শান্তি মিশনে যাওয়ার আগে বাংলাদেশ পুলিশ, সেনাবাহিনীর সদস্যরা এখান থেকে ট্রেনিং নিতে আসেন।
ভর্তির সময়
বছরে দুবার ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয় এখানে। জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ও জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত। ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন লেবেল শেষ করার পর যোগ্যতা সনদ দেওয়া হয়। তবে কোর্স ছাড়াও বিভিন্ন খ-কালীন ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা আছে। তিনটি ক্রাইটেরিয়ায় অটোমোবাইলে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হয় বিকেটিটিসিতে।
ছয় মাসের কোর্স
অটোমোবাইলের ওপর হালকা ট্রেনিং নিয়ে গ্যারেজে কাজ করার জন্য তৈরি হতে ন্যূনতম ছয় মাসের একটি কোর্স করতে পারেন। বয়সের কোনো মাপকাঠি এ কোর্সের জন্য বাধ্যতামূলক নয়। এ কোর্সে ভর্তি হওয়ার জন্য অষ্টম শ্রেণি পাস হলে ভালো হয়। তাছাড়া কর্মজীবী পুরুষ কিংবা ড্রপআউটরাও ভর্তি হতে পারে। কোর্স শেষ করার পর সেমি স্কিল টেকনিশিয়ান হিসেবে অটোমোবাইল গ্যারেজে চাকরির যোগ্যতা অর্জন হবে। অভিজ্ঞতার ফলে ধীরে ধীরে লেভেল পরিবর্তন করে ছয় লেভেলের অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ানও হতে পারবে।
এক বছরের কোর্স
অটোমোবাইলে আরেকটু ভালো করতে হলে এক বছরের কোর্সে ভর্তি হতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি পাস এবং বয়স সর্বোচ্চ ১৮-এর মধ্যে হতে হবে। কোর্স শেষে জুনিয়র টেকনিশিয়ান হিসেবে যে কোনো কারখানায় বা ওয়ার্কশপে যোগদান করা যাবে।
দুই বছরের কোর্স
সবচেয়ে লম্বা কোর্স হল দুই বছরের। যারা এ কোর্সে ভর্তি হবে তাদের জেএসসি বা জেডিসি পাস হতে হবে। অন্যান্য কোর্স থেকে এ কোর্সের সুবিধা হলো দুই বছর পর কোর্স সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি জেনারেল সার্টিফিকেট পাবে এবং উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ার সময় চাকরির একটি সুযোগ তৈরি হবে। এখান থেকেও উচ্চ শিক্ষা নেওয়ার সুযোগ আছে।
যোগাযোগের ঠিকানা
বাংলাদেশ-কোরিয়া টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (বিকেটিটিসি)
দারুসসালাম, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬
ফোন : ৯০০০১৮৬
ডিপ্লোমা-ইন অটোমোবাইল টেকনোলজি
আমাদের দেশে যে পরিমাণ গাড়ি ও অটোমোবাইল সার্ভিস সেন্টার রয়েছে, কিন্তু সে তুলনায় অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারের সংখ্যা অনেক কম। তাই এ সেক্টরে এ কাজের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ ছাড়া ডিপ্লোমা-ইন অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা এখনো আমাদের দেশে নতুন। তাই সুযোগ রয়েছে এ বিষয়ে পড়াশোনা করে সহজে ক্যারিয়ার গড়ে তোলা।
শিক্ষাগত যোগ্যতা
চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা-ইন অটোমোবাইল টেকনোলজিতে ভর্তি হতে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম এসএসসি বা সমমানের পাস হতে হবে। এ বিষয়ে মেয়েদেরও পড়ার সুযোগ রয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের কোর্স করতে সব মিলিয়ে ৩০ হাজার টাকা প্রয়োজন হবে। তবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ডিপ্লোমা করতে খরচ লাগবে প্রায় ৩ লাখ টাকা। দুটি সরকারিসহ মোট আটটি ইনস্টিটিউটে এ বিষয়ে পড়ার সুযোগও রয়েছে।
সরকারি ইনস্টিটিউট
অটোমোবাইল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, তেজগাঁও, ঢাকা-১২০৮।
বাংলাদেশ-সুইডেন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, কাপ্তাই, রাঙামাটি।
বেসরকারি ইনস্টিটিউট
বাংলাদেশ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট। ই-৩৯৫, হাতেম খাঁ তমিজউদ্দিন রোড, রাজশাহী।
সাকিনা আজহার টেকনিক্যাল কলেজ, মূলঘর, ফকিরহাট, বাগেরহাট।
শ্যামলী আইডিয়াল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, ১৬/সি-ডি, ব্লক-ডি, নূরজাহান রোড, মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭।
চট্টগ্রাম শাখা : ১৩২ নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটি, মুরাদপুর, চট্টগ্রাম।
মটর্স ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, পল্লবী, মিরপুর-১২, ঢাকা-১২১৬।
মিরপুর পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট, ৩২৩, ৩৩১, আহম্মদনগর, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬।
চিটাগাং টেকনিক্যাল কলেজ, ১২৯ মুরাদপুর, বিশ্বরোড, চট্টগ্রাম।
13/05/2017
পুরানো গাড়ী কেনাটা সবসময়ই কিছুটা ঝুঁকির বিষয় । বিক্রেতারা সবসময় চেষ্টা করে নিজেরগাড়ীর ত্রুটিগুলো ঢেকে রাখতে যাতে তারা গাড়িটি সহজে এবং বেশি দামে বিক্রয় করতেপারে। সুতরাং আপনি যদি প্রথমবার গাড়ী কিনতে যান এবং গাড়িটি যদি সেকেন্ডহ্যান্ড হয় তাহলে চেষ্টা করুন সাথে এমন কাউকে (বন্ধু বা কলিগ) নিয়ে যেতে যে গাড়ী সম্পর্কে বেশ অভিজ্ঞ।
কিন্তু আপনি যদি এমন কাউকে না পান তাহলে কি করবেন ? ভয় পাওয়ার কিছু নেই।গাড়ীর বাইরের অবস্থা সম্পর্কে চোখে দেখেও কিছুটা আন্দাজ করা সম্ভব । আসল সমস্যা করে গাড়ীর ইঞ্জিন। গাড়ীর ইঞ্জিন একটি জটিল যন্ত্র যা অনেক সূক্ষ্ম ভাবে পরীক্ষা করা প্রয়োজন । কিন্তু ব্যাপারটা সহজ করতে আমরা পাঁচটি প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো । নিচের পাঁচটি জিনিস খেয়াল রাখলেই আশা করি আর ঝামেলা হবে না ।
গাড়ীর ধোয়া পরীক্ষা করুনঃ
প্রথেমেই আসি গাড়ীর ধোয়ার কথায়। ডিজেল চালিতগাড়ীর ক্ষেত্রে ধোয়া থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আপনি যদি পুরানো পেট্রোল চালিতগাড়ী কিনতেচান , তখন দেখবেন গাড়ী থেকে কিধরণের ধোয়া বের হচ্ছে । গাড়ীরএকজস্ট থেকে ধোয়া যদি নীলচে হয় তবে বুঝবেন গাড়িটি এর মোটর অয়েল ব্যাবহার করছে। যদি ইঞ্জিন ঠাণ্ডা থাকা অবস্থায় চালু করার সময় নীলচে রঙের ধোয়া দেখা যায় এবং কিছুক্ষণ পরে সেটা চলে যায় তাহলে এটা স্বাভাবিক বলে ধরে নিবেন । কারন পুরানো ইঞ্জিন থেকে অনেক সময় রাতে তেল চুইয়ে সিলিন্ডার এর উপর পরে থাকে তাই সকাল বেলা ঠাণ্ডা ইঞ্জিন চালু করার সময় হাল্কা নীলচে ধোয়া থাকাটা স্বাভাবিক । কিন্তু অতিরিক্ত ধোয়া থাকাটা, বিশেষ করে ইঞ্জিন চালু করারও অনেকক্ষণ পর পর্যন্ত , ভালো লক্ষণ নয় । এধরনের গাড়ী এড়িয়ে চলাটাই ভালো । এছাড়াও যদি গাড়ী থেকে কালো ধোয়া বের হয় তার মানে গাড়ী অতরিক্ত জ্বালানি খরচ করছে। এটা গাড়ীর ইঞ্জিনে কার্বন জমে থাকারও সংকেত দেয়। তাই এধরনের গাড়ী এড়িয়ে চলাটাই সবথেকে ভালো ।
তেল এর সাথে সম্পকিত সবকিছু পরীক্ষা করুনঃ
গাড়ীর তেলের মান এবং ইঞ্জিনে তেলএর গভীরতা একটি ডিপস্টিকএর সাহায্যে পরীক্ষা করুন । যদি তেল দেখতে ঘোলাটে মনে হয় তার মাণে হচ্ছে এর বর্তমান মালিক অনেকদিন যাবৎ গাড়ীর তেল বদলায়নি । আপনি যখন গাড়ীর বনেট খুলেপরীক্ষা করবেন ইঞ্জিন এর আসেপাশে চোয়ানো তেল বা জমে থাকা তেলেরদাগ আছে কিনা দেখুন । পুরাতন গাড়ীর ক্ষেত্রে ইঞ্জিন এরআসেপাশে সামান্য কাদাটে তেলের দাগ থাকাটাই স্বাভাবিক।এটা কোন সমস্যা নয় । তবে যদি ইঞ্জিনের মাথার দিকটায় বেশিপরিস্কার ও নতুন তেলের দাগ দেখা যায় তবে বুঝতে হবেগাড়ী থেকে নিয়মিতভাবে তেল লিক করে । যেটা ঠিক করতে অনেক সময় ও অর্থ খরচকরতেহবে । টাটকা তেলের দাগের পেছনে আরও বড় কোন সমস্যাও থাকতেপারে। তেলের ঢাকনা খুলে ভেতরে দেখুন । যদি ভেতরে জমে থাকা কার্বন দেখতে না পান তবে সেটা একটা ভালো লক্ষণ । এছাড়াও গাড়ীর মালিককে জিজ্ঞেস করুন যে সে সাধারণত গাড়ী কোথায় পার্ক করেএবং সেই জায়গায় অথবা গাড়ীর গ্যারেজের মেঝেতে তেলের দাগ আছে কিনা খুঁজে দেখুন।
গাড়ীর শীতলকরনঃ
গাড়ীতে কোন শীতলকারক আছে কিনা দেখুন । গাড়ীর রেডিয়েটরখুলেদেখুনএরবর্তমান মালিক গাড়ীতে কোন অ্যান্টি-ফ্রিজ/ অ্যান্টি-বয়েল ব্যাবহার করে কিনা? দুঃখজনক হলেও সত্যি যে বেশির ভাগ পুরনো গাড়ীর মালিকরাই গাড়ীতে অ্যান্টি-ফ্রিজ ব্যাবহার করে না । যদি গাড়ীর রেডিয়েটর ক্যাপ এর নিচে অতিরিক্ত জং এর চিহ্ন পান তবে বুঝবেন গাড়িটি শুধুমাত্র পানি দিয়েই অনেকদিন ধরে চালানো হচ্ছে । আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে রেডিয়েটরক্যাপএর নীচে তেল ও জলের মিশ্রণ পাওয়া যায় কিনা ? যদি সেখানে ফেনায়িত কোন পদার্থ বা তেলএর চিহ্ন থাকে তবে সেই গাড়ী থেকে দূরে থাকাই নিরাপদ ।
ইঞ্জিনএর আওয়াজঃ
ঠাণ্ডা ইঞ্জিন চালু হওয়ার সময় কিরকম শব্দ হয় দেখুন । সামান্য ক্লিকএর আওয়াজ সাধারণ । এটা নিয়ে চিন্তার কোন কারন নেই । ইঞ্জিন গরম হলেইএই শব্দ বন্ধ হয়ে যাবে । তবে যদি জোরে ধপধপ বা ঠকাঠক আওয়াজ হতে থাকে তাহলে ইঞ্জিনটাকে গরম হতে দিনএবং এক্সেলারেটর সামান্য বাড়িয়ে দিয়ে আবার ভালো করে ইঞ্জিনএর আওয়াজ শুনুন । যদি ইঞ্জিন এরপরেও জোরেশোরে ধাতবআওয়াজ চালিয়ে যায় তবে সেইগাড়ীকে বিদায় বলুন । আপনি নিশ্চয় এমন গাড়ী কিনতে চান না যেটা নিয়ে কেনার প্রথম সপ্তহেই গ্যারাজে ছুটতে হবে ।
টেস্টড্রাইভঃ
গাড়ী কেনার আগে একবার চালিয়ে দেখে নিন । এটা আপনাকে গাড়ীর সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে সাহায্য করবে । ইঞ্জিন ছাড়াও ট্রান্সমিশন গাড়ীর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ । টেস্টড্রাইভ আপনাকে সেটা সম্পর্কে জানতে সাহায্য করবে । আবারএমনও হতেপারে যে গাড়ীটা দেখে আপনার যতটা ভালো লেগেছিলো সেটা চালানোর পর আর ততটা ভালো লাগলো না । তাইগাড়ীটা অবশ্যই চালিয়ে দেখবেন ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Telephone
Website
Address
Tamabil Road, Jaintapur
Sylhet
3100