Samark Sourcing

Samark Sourcing

Share

03/04/2024
02/03/2024

আপনি কি বাংলাদেশ থেকে টুরিস্ট ভিসায় আমেরিকা যেতে আগ্রহী? কিন্তু জানেন না কিভাবে যাবেন 🤔🤔
তাহলে এ লেখাটি আপনার জন্য।
আমাদের অনেকের ড্রিম কান্ট্রি আমেরিকা। তাই হয়তো আমাদের সবার চেষ্টা থাকে আমেরিকা যাওয়ার। আর সত্যি কথা হচ্ছে চাইলে আপনিও যেতে পারেন যদি আপনি আমেরিকা যাওয়ার একজন যোগ্য ব্যক্তি হন। ।
কিন্তু আমরা কোন কিছু না জেনে না বুঝে আমেরিকার ভিসার জন্য আবেদন করে ফেলি, যে কারণে আমরা সহজে রিফিউজও হয়ে যাই। তাই চলুন জেনে নেই কি কি যোগ্যতা না থাকার কারণে ভিসা রিফিউজ হয়।
∆ প্রথমত আমরা যে ভুলটা করি আমরা একেবারে সাদা পাসপোর্টে কোন দেশ ট্রাভেল করা ছাড়াই ইউএস ভিসার জন্য জমা দেই। আপনি ভিসা অফিসারের কাছে একজন ট্রাভেলার হিসেবে কিভাবে প্রমাণ করবেন যে আপনি আমেরিকা গিয়ে আবার ফিরে আসবেন? যেহেতু এটি একটি টুরিস্ট ভিসা আপনাকে প্রমাণ করতে হবে আপনি একজন ট্রাভেলার। আর প্রমাণ করার একটি ভালো মাধ্যম হলো আমাদের দেশের পার্শ্ববর্তী দেশগুলো টুরিস্ট ভিসায় ভিজিট করা।
তবে আপনার নিজ পরিবার ও আত্মীয়র মধ্যে কেউ যদি আমেরিকায় থাকে সেক্ষেত্রে তেমন একটা ভিজিট না থাকলেও হবে, সেখানে ওনাদের দেখতে যাবেন বা ওনারা কোন প্রোগ্রাম এরেঞ্জ করেছেন সেখানে আপনি উপস্থিত থাকার কারণ দেখিয়ে আমেরিকা ভিজিট ভিসায় যেতে পারেন যদিও তার যুক্তিযুক্ত কারণ থাকতে হবে।
অনেকে বলে আমেরিকা থেকে আপনার জন্য ইনভাইটেশন এনে ভিসা করিয়ে দিবে, এটিও ভুল কথা। আর ইনভাইটেশন ব্যাপারটি শুধুমাত্র মেডিকেল ইমারজেন্সি, বিজনেস, কনফারেন্স, বিয়ে, জন্মদিন এবং ট্রেড ফেয়ার এর ক্ষেত্রে কিছুটা কার্যকর হয়।
∆ দ্বিতীয়ত আপনি , আর্থিকভাবে যথেষ্ট সচ্ছল আপনার আমেরিকাতে গিয়ে টাকা পয়সা খরচ করার মতো সামর্থ্য আপনার আছে, এর মানে আপনি আমেরিকাতে যাবেন এবং অবশ্যই ফিরে আসবেন। আমরা যারা ভালো কোন দেশে যাওয়ার চিন্তা করি, তখনি যখন এটলিস্ট কিছু ভালো পরিমাণ টাকা আমাদের কাছে থাকে। তাহলেই আমেরিকার ভিসা নিয়ে চিন্তা করি। সেক্ষেত্রে আমরা ভালো জব বা ভালো ব্যবসা দেখাতে পারি।
কেননা ভিসা অফিসার এটা ভাবতেই পারে যে, আপনি আপনার দেশে যে পরিমাণ টাকা উপার্জন করেন, হয়তো সেখানে গিয়ে আরো ভালো পরিমাণ টাকা উপার্জন করলে আপনি দেশে ফিরবেন না। এটা চিন্তা করে ভিসা অফিসার আপনাকে ভিসাটি নাও দিতে পারে। ইউএস এম্বাসির ওয়েবসাইটে লেখা আছে আপনি যখন নন ইমিগ্রেন্ট তথা টুরিস্ট ভিসায় (B1/B2) আবেদন করেন, ইন্টারভিউর আগের সময় পর্যন্ত ভিসা অফিসার ধরে নেন আপনি আমেরিকাতে গিয়ে আর ফিরে আসবেন না।
∆ তৃতীয়ত ভিসা অফিসারের সামনে নিজেকে প্রেজেন্ট করার সব থেকে বড় একটি মাধ্যম হলো DS-160 ফর্ম। এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ফর্ম।
কিন্তু দুঃখের বিষয় আমরা এই ফর্মটিকে নিয়ে বেশ অবহেলা করি। যেমন অনভিজ্ঞ কাউকে দিয়ে DS-160 ফর্মটি পূরণ করানো এবং অনভিজ্ঞ কারো সাথে পরামর্শ নেওয়া। অনেকেই এই ক্ষেত্রে খরচ কমানোর জন্য যেখানে সেখানে কোন এক কম্পিউটার দোকান থেকে DS-160 ফর্মটি পূরণ করে অথবা এমন কারো কাছ থেকে পরামর্শ নেয় সে হয়তো আমেরিকা টুরিস্ট ভিসা সম্পর্কে তেমন অভিজ্ঞ । তাই এরকম অনেকের পরামর্শ নিয়ে ভিসা আবেদন ফর্ম পূরণ করে বা ইন্টারভিউ দিয়ে অনেকেই রিফিউজ হয়েছে। কেননা DS-160 ফর্মটি আপনি যেভাবে ডিজাইন করবেন ভিসা অফিসার আপনার সম্পর্কে সেভাবেই ধারণা পাবেন।
∆ চতুর্থত আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা একটি ইন্টারভিউ নির্ভর ভিসা । ৫ থেকে ৭ মিনিটের ছোট একটি ইন্টারভিউ এর মাধ্যমে ভিসাটি হয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে আপনার ইন্টারভিউতে ভিসা অফিসারকে কনভেন্স করতে হবে ।
ভিসা অফিসারকে আপনার বোঝাতে হবে যে আপনি বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত, -আমেরিকা যাওয়ার আপনার কাছে যৌক্তিক কারণ আছে এবং আপনি আমেরিকাতে গিয়ে ঘুরে ফিরে আসবেন ।
আর এ কনভিন্স করার উপায় হচ্ছে DS-160 ফর্মটি সুন্দর ভাবে, নির্ভুল ভাবে পূরণ করা। অনেকেই DS-160 ফর্ম ও ইন্টারভিউ এই গুরুত্বপূর্ণ দুইটি বিষয়কে আলাদাভাবে পার্সেন্টেজ করে। কিন্তু আমরা জানি না, এই দুইটির কম্বিনেশনে কাঙ্খিত ভিসাটি পাওয়া সম্ভব হয়ে থাকে।
আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো, আমেরিকার ভিসা কন্ট্রাকে বা টাকা পয়সা দিয়ে কোনভাবে নেওয়া যায় না। তাই এ ব্যাপারে কখনোই কন্ট্রাকে কারো সাথে যোগাযোগ করবেন না। শুধুমাএ সঠিকভাবে আবেদন করে ও সঠিকভাবে ইন্টারভিউ দিয়ে আপনি পেতে পারেন আমেরিকার টুরিস্ট (B1/B2) ভিসা।
∆ আমেরিকার টুরিস্ট ভিসার বর্তমান এম্বাসি ফি ১৮৫$ ডলার যা বাংলাদেশ এর টাকায় কনভার্ট করলে আসে ২০,৩৫০/- টাকা। এই টাকা শুধুমাত্র EBL অর্থাৎ ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড এ জমা দেওয়া যায়। এই টাকা জমা দিয়ে ইন্টারভিউ এর ডেট নিতে হয়।
∆ পরিশেষে বলবো যে, আমেরিকার টুরিষ্ট ভিসার ক্ষেএে যদি DS-160 ফর্মটি একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তি দ্বারা পূরণ করাতে পারেন, আমেরিকা যাওয়ার যথেষ্ট যৌক্তিক কারণ দেখাতে পারেন এবং ইন্টারভিউতে ভিসা অফিসারকে সন্তুষ্ট করতে পারলে, তাহলে আপনার আপনার ভিসাটি হবে ইনশাল্লাহ।
∆ আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা (B1/B2) প্রসেসিং এর ক্ষেত্রে আমরা সহায়তা প্রদান করে থাকি। যেমনঃ-
১। DS-160 ফর্ম নির্ভুল ও সুন্দর ভাবে পূরণ করে দিবো।
২। ইন্টারভিউ এর জন্য যে সকল ডকুমেন্টস প্রয়োজন তার সঠিক গাইড লাইন দিবো।
∆ আবেদন করার জন্য প্রথমে যা যা প্রয়োজনঃ-
১। পাসপোর্ট এর রঙিন কপি।
২। দুইটা ফোন নাম্বার।
৩। একটা ই-মেইল আইডি।
৪। ছবি (২x২ সাইজ) সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড (সফট কপি)।
এগুলো থাকলেই আপনি আমেরিকার টুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদনটি করতে পারেন।
ইনশাআল্লাহ আমরা আপনার স্বপ্নের দেশের টুরিস্ট ভিসা পাওয়ার ব্যাপারে যথাসাধ্য সাহায্য করতে পারবো।
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:
01711051982 (WhatsApp)
01611051982 (WhatsApp)
E-mail: [email protected]

Want your business to be the top-listed Shop in Sylhet?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Sylhet