Ibrahim Ali. Jaflong
03/03/2026
এটি একটি বাস্তব ঘটনার আলোকে লেখা অনুভবের গল্প।
একটা সময় ছিল—একজন আরেকজনকে না দেখলে দিন যেন ঠিকভাবে কাটত না। দেখা করার অজুহাত খোঁজা, একটু কথা বলার জন্য অস্থিরতা, ছোট ছোট ভুল বা দুষ্টুমিও হাসিমুখে মেনে নেওয়া—সবকিছু মিলিয়ে সম্পর্কটা ছিল নিঃশর্ত। সেখানে ছিল না কোনো ভয়ভীতি, ছিল না কাউকে হারানোর শঙ্কা। ছিল না বড় কোনো চাহিদা বা দাবি। ভাগ্যে যা জুটত, তাতেই তৃপ্তি; যা ছিল, তাই নিয়েই সুখ।
কিন্তু জীবনের গল্প তো সবসময় একরৈখিক হয় না। হঠাৎ করেই সেই সুখের সংসারে বিচ্ছেদের সুর বেজে ওঠে। সময় পেরোয়—দুই, তিন বছর। একজন অপেক্ষা করে থাকে, বুকভরা কষ্ট আর অব্যক্ত যন্ত্রণা নিয়ে। তার সামনে সুযোগ ছিল নতুন করে জীবন সাজানোর, নতুন পথে হাঁটার। কিন্তু সে বিশ্বাস করত এক পুরুষে অঙ্গীকারে, এক সম্পর্কেই আস্থায়। তাই অন্য কাউকে জীবনে স্থান দেওয়ার কথা ভাবতেও পারেনি।
অন্যদিকে, যিনি একসময় বলতেন—এই সম্পর্ক টিকে থাকার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা শূন্য—একসময় তিনিই দাবি করেন সম্পর্কটি নাকি এখন পরিপূর্ণ। অথচ আচরণে প্রকাশ পায় ভিন্ন ছবি। মানুষের বুকের ভেতর ছুরি বসিয়েও হাসিমুখে বলা—“আমি কিছুই জানি না”—এই বৈপরীত্যই সবচেয়ে বেদনাদায়ক। কারণ সব কথা মুখে বলতে হয় না; অনেক সত্য আচরণের মাঝেই ধরা পড়ে।
পবিত্রতার শপথ, বিশ্বাসের অঙ্গীকার, ধর্মীয় স্থানকে সাক্ষী রেখে দেওয়া প্রতিশ্রুতি—সবই যখন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে, তখন আঘাতটা আরও গভীর হয়। লুকিয়ে যোগাযোগ রাখা, আলাদা ফোন ব্যবহার করে সম্পর্ক চালিয়ে যাওয়া—এসব আচরণ বিশ্বাসের ভিত নড়বড়ে করে দেয়। কথায় বড় বড় আদর্শের কথা বলা সহজ; কিন্তু বাস্তবের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়াই আসল প্রমাণ।
আসলে খাঁটি জিনিসের কদর সবাই দিতে জানে না। বিশ্বাস, ভালোবাসা ও নিষ্ঠা—এই তিনটি বিষয় কোনো সম্পর্কের মূল ভিত্তি। এর একটিও দুর্বল হলে সম্পর্কের নিরাপত্তা আর থাকে না।
তাই প্রশ্ন জাগে—একজন পুরুষ কবে, কোন নারীর কাছে নিজেকে নিরাপদ ভাবতে পারে? কিংবা কবে একজন নারী একজন পুরুষের কাছে নিজেকে সম্পূর্ণ আস্থায় সঁপে দিতে পারে?
উত্তরটি একটাই—যেখানে কথার সঙ্গে কাজের মিল থাকে, যেখানে প্রতিশ্রুতি শুধু উচ্চারণে নয়, আচরণেও প্রতিফলিত হয়; যেখানে গোপনীয়তা নয়, স্বচ্ছতাই সম্পর্কের ভিত্তি; যেখানে ত্যাগ একতরফা নয়, পারস্পরিক।
সম্পর্কে নিরাপত্তা আসে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সততা ও দায়বদ্ধতা থেকে। যে সম্পর্ক মানুষকে ছোট করে, অনিশ্চয়তায় রাখে, প্রতিনিয়ত সন্দেহে জর্জরিত করে—সেটি ভালোবাসা নয়, সেটি কেবল আবেগের ছায়া।
শেষ পর্যন্ত, নিজেকে উৎসর্গ করার আগে প্রয়োজন মানুষটিকে যাচাই করা—কথায় নয়, সময়ে; প্রতিশ্রুতিতে নয়, পরীক্ষায়; আবেগে নয়, বাস্তবতায়।
কারণ ভালোবাসা শুধু পাওয়া নয়—ভরসা রাখার মতো একজন মানুষ পাওয়াই আসল প্রাপ্তি।
হুম, তুমি যে কতটা পুরাতন কামলা—এখন পর্যন্ত কয়টা জামাই পাল্টেছো? যার নামে এসব নাটকীয় পোস্ট ছড়ানো হয়, এবং যার নামের উপর ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হলে লেখা হয়েছে—আসলে কি সেই মানুষটা এসব কোনো সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে?
নাকি সব ভোগ করছে তোমার বাব-ভাই?
নাটক সাজিয়ে সব কিছু নিজের আপন ভাইকে ঘর দিয়ে এসেছো। ভাইকে বিয়ে করিয়ে সেই ঘরেই বসিয়েছো—এতে একটুও লজ্জা লাগে না? ছিঃ… ছিঃ… ছিঃ…
আগে তো কখনো ফেসবুক ব্যবহার করতে দেখিনি,
আর এখন ছবি-ভিডিও আপলোড না দিলে নাকি ইনকামই বন্ধ হয়ে যায়! যে মানুষটার সঙ্গে নিয়মিত বেইমানি আর প্রতারণা করেছো, আড়াই বছরে তার জীবন কোথায় দাঁড়িয়েছে একবার ভেবে দেখেছো?
এখন পর্যন্ত তুমি আবার নতুন করে কত মাল-সামানা নিয়েছো?
অথচ যে মানুষটা তোমার চেয়ে চারগুণ বেশি ইনকাম করে,
তার খেতা-বালিশ পর্যন্ত কিছুই নেই!
নাটক কম করো। কথা হবে—সাক্ষাৎ করে।
31/01/2026
ঘুম থেকে উঠে থাকলে সৃষ্টিকর্তার উপর একবার শুকরিয়া আদায় করুন।
ফুল ফুটার আগেই তুমি ধ্বংস করে দিতে পারলে।🥲🥲
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Sylhet