Unknown Things
01/06/2024
#খড়কুটোর_বাসা
সকল পর্বের লিংক
পর্বঃ১
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/137469145842898/?app=fbl
পর্বঃ২
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/137799139143232/?app=fbl
পর্বঃ৩
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/138136349109511/?app=fbl
পর্বঃ৪
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/138445102411969/?app=fbl
পর্বঃ৫
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/138782915711521/?app=fbl
পর্বঃ৬
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/139188119004334/?app=fbl
পর্বঃ৭
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/139459195643893/?app=fbl
পর্বঃ৮
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/139770112279468/?app=fbl
পর্বঃ৯
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/140080628915083/?app=fbl
পর্বঃ১০
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/140414842214995/?app=fbl
পর্বঃ১১
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/141383542118125/?app=fbl
পর্বঃ১২
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/141957312060748/?app=fbl
পর্বঃ১৩
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/142284715361341/?app=fbl
পর্বঃ১৪
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/142902841966195/?app=fbl
পর্বঃ১৫
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/143194058603740/?app=fbl
পর্বঃ১৬
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/143523281904151/?app=fbl
পর্বঃ১৭
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/143872181869261/?app=fbl
পর্বঃ১৮
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/144158578507288/?app=fbl
পর্বঃ১৯
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/144477311808748/?app=fbl
পর্বঃ২০
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/144812588441887/?app=fbl
পর্বঃ২১
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/145136378409508/?app=fbl
পর্বঃ২২
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/145457958377350/?app=fbl
পর্বঃ২৩
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/145786968344449/?app=fbl
পর্বঃ২৪
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/146381561618323/?app=fbl
পর্বঃ২৫
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/146679014921911/?app=fbl
পর্বঃ২৬
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/146998028223343/?app=fbl
পর্বঃ২৭
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/147723801484099/?app=fbl
পর্বঃ২৮
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/148013298121816/?app=fbl
পর্বঃ২৯
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/148639411392538/?app=fbl
পর্বঃ৩০
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/148942814695531/?app=fbl
পর্বঃ৩১
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/149332944656518/?app=fbl
পর্বঃ৩২
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/149691047954041/?app=fbl
পর্বঃ৩৩
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/150637647859381/?app=fbl
পর্বঃ৩৪
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/151666504423162/?app=fbl
পর্বঃ৩৫
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/152371621019317/?app=fbl
পর্বঃ৩৬
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/152464617676684/?app=fbl
পর্বঃ৩৭
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/153014367621709/?app=fbl
শেষ পর্ব
https://www.facebook.com/100087394385165/posts/153747140881765/?app=fbl
প্রবাস থেকে নিজের বউয়ের জন্য আনা গয়না ছোট ভাইয়ের বউরা ভাগাভাগি করে সব নিয়ে নিয়েছে। ইরহান শুধু দেখেছে কিছুই বলেনি।মুখ দিয়ে বলতেও পারে নি এগুুলো আমার বউয়ের তোমাদের তো অনেক দিলাম।এগুলো নিও না।তাদের হাসি মাখা মুখের দিকে তাকিয়ে কিছু বলতে পারেনি।থাক নিয়ে নেক তার বউকে নাহয় আবার এনে দিবে।
দীর্ঘ বারো বছর পর দুই দিন হলো সৌদি আরব থেকে দেশে আসে ইরহান।
টাকা কামাতে কামাতে নিজের দিকে নজর দেয়নি। বাড়ি,গয়না, জায়গা,জমি সব করলো।
ছোট ভাইয়ের বউরা যখন গয়না গা'টি ভাগাভাগি করতে ব্যস্ত ইরহান তখন নিজের রুম থেকে মায়ের রুমের দিকে যেতে থাকে। তখনই তার বউয়ের ফোন আসে। কথা বলতে বলতে এগিয়ে যায় মায়ের রুমের দিকে। দেশে আসার পর ভালো করে কথা হয়নি মায়ের সাথে।
-------------------------------------
বারো বছর আগে ইরহান নিজের দেশ ছেড়ে টাকা কামানোর ও নিজের পরিবারের সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে পাড়ি দেয় নিজের দেশ ছেড়ে অন্য দেশে। কিশোর ছেলেটা নিজের সব শখ আ'ল্লা'দ ভুলে যায় নিজের পরিবার কে ভালো রাখতে।এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েই পাড়ি জমায় সুদূর প্রবাস।
এই বারো বছরে আর দেশে আসেনি ইরহান।নিজের শরীরের র/ক্ত পানি করে একমনে কাজ করে গেছে।মানুষ ভাবে প্রবাস জীবন কতোইনা সহজ।বসে বসেই বুঝি টাকা পাওয়া যায়। যে কাজ করে সে জানে কতোটা কঠিন।ইরহান কঠোর পরিশ্রমে আস্তে আস্তে সফল ও হয়েছে। হাজার টাকা থেকে লাখ টাকা বেতনে গেছে। এখন বিদেশি সেই কোম্পানিতে ভালো বেতনে কাজ করে। খারাপ দিন ঘুরে এসে ভালো দিনের দেখা মিলেছে।নিজের জন্য শুধু খাওয়ার টাকা রেখে সব দেশে পাঠিয়ে দিতো।
সে নিজে যা ইচ্ছে পূরণ করতে পারেনি তার ভাইরা যেনো করতে পারে। সব টাকা মায়ের কাছে পাঠিয়ে দিতো।মা কে জায়গা জমি কিনে বড় করে বাড়ি করতে বলেছে।মায়ের নামে বলেছে জায়গা কিনতে।
নিজের জন্য কিছুই রাখেনি সব পরিবার আর মা,ভাইদের জন্য করেছে।
নিজের বউয়ের সাথে কথা বলতে বলতে মায়ের রুমের সামনে এসে চলতি পা থেমে যায় রুমের ভিতর অবস্থিত মা আর ভাইদের কথা শুনে।
ইরহানের দুই ভাই ইমন ও ইশান মায়ের সঙ্গে তাকে নিয়েই কথা বলছে। কথা বলছে বললে ভুল হবে।টাকা পয়সা জায়গা জমি ভাগাভাগি করছে তারা।
দুইজন কে যেনো সমান ভাগ করে দেয় একটুও কম বেশি না দেয় কারণ দুইজনেরই সমান অধিকার।
তোরা চুপ করতো দুইজন। সমান সমানই পাবি।তোদের জন্যইতো এতো কিছু করলাম।টাকা পয়সা,জমি,গয়না সব নিজের নামে করলাম যেনো তোরাই পাস।
আমি তো তোদের মা।আমার নামের সব কিছু তোরাই পাবি ঐ ইরহান না।কয়েকটা দিন যেতে দে তারপর ইরহানকে এই বাড়ি থেকে ও বিদায় করবো। আমার ছেলে দুটো রাজার হালে থাকবে।
এই পুরো বাড়িটা অনেক চেষ্টা করে ও নিজের নামে লিখতে পারিনি ঐ বুড়োর কাছ থেকে। নয়তো এই বাড়িটা ও তোদের হতো বুঝলি? এখনতো এ ইরহান ও ভাগ পাবে।
সে যাই হোক এখান থেকে কতটুকুই বা পাবে? সব তো আমাদের নামে লিখে নিয়েছি।বোকা ইরহান নিজের নামে টাকা পয়সা জায়গা জমি না করে আমার নামে করেছে সব।
ইরহান এক জায়গায় ঠায় দাঁড়িয়ে রয়।তার মুখ ভঙ্গি নির্বাক।কোনো পতিক্রিয়া নেই।চোখ দুটো মা আর ভাইদের হাসি মাখা মুখের উপর নিবদ্ধ।
আহারে আমার বোকা বড় ছেলেটা মায়ের কথায় উঠে বসে।টাকা চাইতে দেরি দিতে দেরি হয় না।চুপচাপ দিয়ে দেয়।জায়গা আমার নামে রাখতে বললাম চুপচাপ তা মেনে নিয়ে তাই করলো।
মা পা'গল ছেলে আমার কথাটা বলেই মুখ দিয়ে চ জাতীয় শব্দ করে কয়েক বার।তারপর খিলখিলিয়ে হেসে দেয়।
ইরহান এক দৃষ্টিতে তার মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে রয়। তাকে ঠকাতে পেরে কি খুশি। অথচ তার মা মুখ ফোটে একবার বললে সে নিজেই সব দিয়ে দিতো এতোদিন যেমন দিতো।এতো ছলচাতুরী করার কোনো প্রয়োজন ও ছিলো না।
---------------------------------------
ইরহানের মা ইরহানের যখন পাঁচ বছর তখনই মারা যায়।ইরহানের দেখাশোনা ও ওর মায়ের অভাব পূরণ করার জন্য আবার বিয়ে করেন তার বাবা। ইরহান তাছলিমা বানুকেই নিজের মায়ের আসনে বসায়। অথচ তাছলিমা বানু সেই প্রথম থেকেই ইরহানের প্রতি উদাসীন। ছেলেটা কে না ভালোবেসে কাছে টানে না দূরে সরায়। ইরহান তাও সব মেনে নিতো। তারপর দুই ভাই হয়।
ইরহানের প্রতি তাছলিমা বানুর বিরক্ততা আসে তাও কিছু বলে না। ইরহান এইচএসসি দেওয়ার পরে তার বাবা ও চলে যায়। নিজেদের স্বচ্ছতার জন্য ইরহানকে প্রবাসে পাঠিয়ে দেয় তাছলিমা বানু।অথচ ইরহান পড়াশোনায় অনেক ভালো কতো স্বপ্ন ছিলো পড়াশোনা করে একদিন অনেক বড় কিছু করবে।সেই স্বপ্ন ও মাটি চাপা দিয়ে দিয়েছে মায়ের জন্য। হয়তো এইবার মা তাকে একটু ভালোবাসা দিবে।ইরহান বড্ড ভালোবাসার কা'ঙাল।
আরো আগে দেশে আসতে চেয়েছিলো ইরহান।তাছলিমা বানু নানান বাহানা এটা দরকার ওটা দরকার বলে আসা আঁটকে দিতো।ইরহান চুপচাপ মেনে নিতো।
বোকা ইরহান এদের কাছে ভালোবাসা চাইতো।অথচ এরা টাকা কামানোর মেশিন ছাড়া আর কিছুই ভাবতো না। ছোট দুই ভাই ইরহানের আগেই বিয়ে করে ফেলেছে।দুই ভাই ই অনেক বড় জায়গায় বিয়ে করেছে।ইরহান কে তাছলিমা বানু গরিব জায়গায় বিয়ে করিয়েছে। যার পরিবার বলতে এক দাদি ছাড়া আর কেউ নেই। মানুষের বাড়িতে কাজ করে দিন আনে দিন খায়। ইরহান চুপচাপ মায়ের পছন্দ মেনে নিয়েছে। বুঝতে ও পারলোনা ওদের চা'লাকি।
কয়েক মাস আগে ফোনে বিয়ে পরিয়েছে।কথা হয়েছে ইরহান দেশে আসলে দুই একজন গিয়ে উঠিয়ে নিয়ে আসবে নতুন বউকে।
-------------------------------------------------
তিনজন মিলে যখন ইরহানের সম্পত্তির ও টাকা পয়সা ভাগাভাগি নিয়ে ব্যস্ত ইরহান তখন চুপচাপ তার মায়ের রুমের দরজার পাশ থেকে নিজের রুমে চলে আসে।
ভাইয়ের বউরা গয়না গাটি নিয়ে চলে গেছে। মনে মনে হাসে ইরহান বাড়িতে সকলে ভাগাভাগি নিয়ে ব্যস্ত।
লোকে মনে হয় ঠিকই বলে পর কখনো আপন হয় না। তাছলিমা বানু যদি আজ ইরহানের নিজের মা হতো তাহলে কি এমন ভাবে পারতো তাকে ঠকাতে? জীবনে ও না। নিজের দুই ছেলের জন্য কতো চিন্তা। ইরহান কে ঠকাতে ও একবার বিবেকে বাধলোনা। এই ছেলে টা যে মা মা বলে মুখে ফেনা তুলে সেই মর্যাদা টা ও রাখলোনা।
মাথায় তার নানান চিন্তা। যাদের সে আপন ভাবতো তারা তার আসলে আপন নয়। শুধু টাকার জন্য তার সাথে ওমন ভালো ব্যবহার করে গেছে। আজ ইরহানের কাছে কিছু নেই।
হাত খরচের কয়েকটা টাকা ছাড়া সে এখন নিস্ব। এই নিয়ে তার চিন্তা ছিলো না সব নিয়ে গেছে নিয়ে যাক।কিন্তু আর কয়েক মাস আগে ওদের রুপটা সামনে আসলে হয়তো ভালো হতো।একটা জীবন বেঁচে যেতো।
এখন তো ইরহান একা নয় তার সাথে আরেকটা জীবন জড়িয়ে আছে। নয়তো আবার দেশ ছেড়ে একেবারের জন্য চলে যেতো আর এই দেশে ফিরতো না সে। এখন তো কোনো উপায় নেই। মেয়েটা তো তার সাথে সারাজীবনের জন্য জড়িয়ে গেছে।
মানুষের মুখের বিষাক্ত ভাষায় যে মেয়ে টা কে বাঁচতে দিবে না।যদি ইরহান মেয়েটাকে ছেড়ে দেয়।
সেই মনে হয় একমাত্র স্বামী প্রবাস থেকে এতোকিছু এনেও নিজের বউকে একটা সুতো ও দিতে পারলোনা।পারবেও হয়তো না।
ইরহান অনেক ভেবে চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নেয় আবার প্রবাস পাড়ি জমাবে।তবে এইবার ঐ মানুষ গুলোর জন্য না।এইবার তার সাথে জড়িয়ে যাওয়া ঐ অসহায় মেয়েটার জন্য। এই বার নিজের জন্য কিছু করবে।অনেক তো হলো ওদের জন্য করা।
ইরহান নিজের রুমে বসে চারিপাশে চোখ বুলায়।তারপর তাচ্ছিল্যের হাসি হাসে।এটা আর তার রুম নয়।নামে মাত্র তার।হয়তো কয়দিন পর এই রুম থেকে বিতাড়িত করবে।
---------------------------------
ইরহান হয়তো জানে ও না যে মেয়েটার জন্য সে চিন্তা করছে। নিজে নতুন করে সব গড়ার স্বপ্ন দেখছে ঐসময় মোবাইলের ঐপাশ থেকে সব শুনে তারপরই কল কেটেছে।
মনেমনে তার বউ ও অনেক কিছু ভেবে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে।
যুথি তার দাদিকে ডাকতে থাকে,,,,
দাদি এই দাদি কই তুমি?
যুথির ডাক শুনে তার দাদি ঘরে ঢুকে। কিরে কি হইছে? এমনে চিল্লাস কেন?
আমি কল লাগায় দেই তোমার জামাইরে কও আমারে এখনই ঐ বাড়িতে আইসা নিয়ে যাইতে।
কি কস ছেরি?
যা বলছি তাই করো।
শরমের ব্যাপার আছে না? তোর কি তর সইতাছে না? জামাইর বাড়ি যাওয়ার লাই এমন পা'গল হয়নি কেউ? মাইনষে কি কইবো?
বিয়ে করছি জামাইর বাড়ি যাওয়ার জন্য পা'গল হবোনা?
ধুর তোমার বলা লাগবো না। এমনিতেই আমি চলে যাচ্ছি। তারপর তারাতাড়ি গিয়ে পরার জন্য যেই দুটো জামা আছে তা একটা শপিং ব্যাগে নিয়ে বেরিয়ে পরে যুথি তার স্বামীর বাড়ির উদ্দেশ্যে।
#চলবে,,,,,,,
#খড়কুটোর_বাসা
#সূচনা_পর্ব
09/11/2023
#প্রেমনন্দিনী গল্পের সব পর্বগুলোর লিংক একসাথে -
লেখিকা : সাদিয়া শওকত ( বাবলি )
পর্ব - ১
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=313548091172655&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ২
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=314143397779791&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৩
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=314690467725084&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৪
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=315835694277228&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৫
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=316333037560827&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৬
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=316871570840307&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৭
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=317381377455993&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৮
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=317762147417916&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৯
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=317961654064632&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ১০
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=318453840682080&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ১১
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=319576180569846&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ১২
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=320130480514416&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ১৩
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=320738690453595&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ১৪
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=321150030412461&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ১৫
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=321629623697835&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ১৬
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=322177186976412&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ১৭
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=322695316924599&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ১৮
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=323264203534377&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ১৯
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=323821553478642&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ২০
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=324388323421965&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ২১
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=324942213366576&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ২২
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=325451839982280&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ২৩
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=325987703262027&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ২৪
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=326479213212876&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ২৫
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=326946193166178&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ২৬
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=327441853116612&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ২৭
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=327870433073754&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ২৮
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=328361906357940&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ২৯
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=328834929643971&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৩০
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=329348456259285&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৩১
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=329913929536071&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৩২
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=332213632639434&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৩৩
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=332600495934081&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৩৪
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=332809802579817&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৩৫
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=333402609187203&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৩৬
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=334002952460502&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৩৭
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=334535599073904&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৩৮
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=335068132353984&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৩৯
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=335645602296237&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৪০
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=336255338901930&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৪১
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=336614258866038&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৪২
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=336770008850463&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৪৩
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=337248758802588&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৪৪
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=337749902085807&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৪৫
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=338298255364305&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৪৬
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=338856241975173&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৪৭
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=339467361914061&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
পর্ব - ৪৮ ( শেষ পর্ব )
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=339514171909380&id=100075524000647&mibextid=2JQ9oc
#প্রেমনন্দিনী
#সাদিয়া_শওকত_বাবলি
#পর্ব_১
( অনুমতি ব্যতীত কপি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ )
- শুনলাম তুই নাকি কার সাথে প্রেম করছিস?
কারো গম্ভীর কন্ঠের প্রশ্ন শুনে তড়িৎ গতিতে পিছন ফিরে তাকালো চৈত্রী। পিছনের ছেলেটাকে অবলোকন হতেই ভ্রুদ্বয় কুঁচকে এলো তার। এ তো তাদের পাশের বাসার রোগা পাতলা হ্যাংলা ছেলেটা। কি যেন নাম , উমমম মনে পড়েছে নির্ময়। কিন্তু এই লোক ওকে কেন এসব প্রশ্ন করছে? এই ছেলের সাথে তার আগে কখনও কথা হয়েছে বলে তো মনে পড়ছে না। তবে এই ছেলেকে সে চিনে ভালোভাবে। চিনবে না? উঠতে বসতে, খেতে , ঘুমাতে ২৪ ঘন্টা এই ছেলের জন্য মায়ের কাছে ঝাড়ি খেতে হয় তাকে। কোন ক্লাসে পড়ে এই নির্ময় নামক নির্মম জঞ্জাল জানা নেই চৈত্রীর তবে তার উপরের ক্লাসেই পড়ে এইটুকু সে জানে। ভীষণ পড়ুয়া এই ছেলে, সারাদিন নাকি পড়ে। এত পড়ে লাভ কি ভাই? সেই তো একদিন মরেই যেতে হবে। কোথায় একটু ঘুরে ফিরবে জীবনকে উপভোগ করবে তা নয় সারাদিন পড়বে আর পাড়া প্রতিবেশীদের জ্বালাবে। তবে এ ছেলে তো তার সাথে কখনও কথা বলেনি ঐ দুই একবার দেখা হলে একে অপরের দিকে চোখ পড়েছে এই যা। তাহলে আজ হঠাৎ সেধে সেধে কথা বলছে কেন ? আবার প্রথম বারেই তুই তুই করছে। কি অভদ্র ছেলেরে বাবা, এর মধ্যে এই ছেলের জন্য তার মা আবার উঠতে বসতে ওকে কথা শোনায়। আবার জিজ্ঞেস করছে সে প্রেম করছে কিনা। করলে করছে তাতে তোর ব্যাপের কি ব্যাটা। তোকে এই চৈত্রী ঘৃনা করে, ভীষন ঘৃনা করে। এই তোর আর তোর পড়াশোনার জন্য তার এখন বাড়িতে থাকা দায় হয়ে পড়েছে , শুধু তোর জন্য। চৈত্রীর ভাবনার মধ্যেই আবার গম্ভীর কন্ঠে প্রশ্ন করলো নির্ময়, বলল - কি রে প্রেম করছিস নাকি ঘটনা কি সত্যি?
কোনো উত্তর দিল না চৈত্রী। সে প্রেম করছে কিনা সে নিজেই তো জানে না তা, তাহলে উত্তর দিবে কি করে? চেহারা সুরত দেখতে তার মাশাআল্লাহ। উজ্জ্বল শ্যামবর্না গায়ের রং, গোলগাল মুখশ্রী, লম্বাও যা আছে ঠিক ঠাক। তার মধ্যে কোনো ছেলে প্রেম নিবেদন করে না তাকে। তার ক্লাসের সবচেয়ে কুৎসিত মেয়েটাও হয়তো একটা না একটা প্রেমের প্রস্তাব পেয়েছে কিন্তু এই ইন্টার প্রথম বর্ষে পড়া পর্যন্ত সে কোনো প্রেমের প্রস্তাব পায়নি। তবে তার এই রেকর্ড ভেঙে দিয়ে দিন দুই আগে কে যেন একটা চিরকুট দিয়েছে তাকে। চিরকুটায় শুধু মাত্র লেখা ছিল "আমি তোমাকে ভালোবাস "
ভালোবাসি বানানটাও ভুল। কোন অশিক্ষিত ছেলে লিখেছে কে জানে। চৈত্রী আর বেশি ঘাটেনি ওটা নিয়ে। এর মধ্যে আজ আবার এই নির্ময় নামক নির্মম পড়ুয়া ছেলে ওকে এসে বলছে সে নাকি প্রেম করছে। ঠোঁট বাঁকালো চৈত্রী , বলল - আমি প্রেম করছি আর আমিই জানি না অথচ পাড়া পড়শী দেখছি সবাই জানে।
নির্ময় চৈত্রীর দিকে একটু এগিয়ে এলো। কন্ঠটা কিছুটা খাদে নামিয়ে বলল - আমার বাগানে একটি মহামূল্যবান ফুলের গাছ লাগিয়েছিলাম। এত বছর ধরে দেখে শুনে যত্ম করে রেখেছি গাছটা। বড় আশায় ছিলাম গাছটায় কবে ফুল আসবে, কবে কলি নিবে। অবশেষে সময় হলো গাছটায় কলি আসার, কলিও নিল গাছে। কিন্তু তখনই সে কলিতে নজর পড়লো অন্য কারো। আমার গাছসহ কলিটা নেওয়ার জন্য সে মরিয়া হয়ে উঠলো। তো বলো মেয়ে এখন কি করা উচিৎ আমার?
চৈত্রী ভাবলো কিছুক্ষণ, অতঃপর উত্তর দিল - মেরে তার হাত পা ভেঙে দেওয়া উচিৎ। অন্যের গাছের দিকে সে কেন হাত বাড়াবে? দরকার হয় নিজে গাছ লাগিয়ে নিক।
ঠোঁট প্রসারিত করে হাসলো নির্ময়, বলল - ঠিক আছে তাহলে তোমার কথাই রইলো আমি ভেঙে দেব ওর হাত পা।
- হ্যা তবে...
ভ্রু কুঁচকালো নির্ময়, বলল - তবে কি?
- তবে আপনার গাছটির প্রতি আরও যত্মশীল হওয়া উচিৎ। যেহেতু গাছটি অনেক মূল্যবান আর ইতমধ্যেই তার দিকে নজর একজনের পরে গেছে তার মানে আরও লোকের নজর পড়বে। আপনার এখন চোখে চোখে রাখা উচিৎ গাছটি দরকার পড়লে নিজের কাছে নিয়ে রাখা উচিৎ।
চোখে হাসলো নির্ময়, বলল - বুদ্ধিটা কিন্তু তুমি খারাপ দেওনি মেয়ে। তোমাকে যতটা বুদ্ধিহীন আমি ভেবেছিলাম ততটা বুদ্ধিহীনও নও তুমি।
চৈত্রী বোকা বোকা চোখে তাকালো নির্ময়ের পানে। তাকে কি অপমান করলো ছেলেটা? তাকে কি পরোক্ষভাবে ছেলেটা বুদ্ধিহীন গাধার সাথে তুলনা করলো? চৈত্রীর ভাবুক মুখশ্রীর পানে একবার তাকালো নির্ময় অতঃপর পাশ কাটিয়ে হাঁটা ধরলো সামনের দিকে। পিছু ডাকলো চৈত্রী, বলল - শুনুন।
থমকে দাঁড়ালো নির্ময় তবে পিছন ফিরে তাকালো না সে। চৈত্রী বেশ উৎসুক কন্ঠে প্রশ্ন করল - আপনি প্রথম এসেই আমাকে তুই বলে সম্বোধন করেছেন। কিন্তু শেষের দিকে আবার তুমি বলে সম্বোধন করেছেন কেন?
নির্ময় দৃষ্টি সম্মুখে রেখেই বলল - আমি প্রথম দিকে রেগে ছিলাম তাই তুই বলেছি আর শেষের দিকে রাগটা গলে গিয়েছিল কারো স্নিগ্ধ দৃষ্টিতে তাই তুমি বলেছি।
কথাটুকু শেষ করেই নির্ময় পা ফেলল সামনের দিকে, চলে গেল তার বাড়ির দিকে। ঠোঁট বাঁকালো চৈত্রী। রাগ হয়েছে তাতে তার দোষটা কোথায় তাকে কেন তুই বলবে? অভদ্র ছেলে একটা। মনে মনে ভেংচি কাটলো চৈত্রী। কলেজ ড্রেসের সাথে দুই পাশে বাঁধা দুই বিনুনি ঝুলাতে ঝুলাতে ছুটলো কলেজের দিকে। সকাল সকাল কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্যেই তৈরি হয়ে বেরিয়েছিল সে। কিন্তু রাস্তায় বেরিয়েই এই নির্মম নির্দয় নির্ময়ের সাথে দেখা তার। কই আজকে ভেবেছিল একটু আগেভাগে কলেজে গিয়ে বান্ধবীদের সাথে একটু আড্ডা দিবে। তা অভদ্র ছেলেটা দেরী করিয়ে দিল।
____________________________________
দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়েছে। সূর্যটা ঢলে পড়েছে পশ্চিম আকাশে। পাখিদের ও দেখা যাচ্ছে দল বেঁধে নীল আকাশে উড়তে। চৈত্রী রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে দোকানের উদ্দেশ্যে, খাতা আর কলম কিনতে হবে তাকে। মফস্বল শহর, এখানে দুপুরের দিকে প্রায় সকল দোকানই বন্ধ করে বাড়িতে যায় দোকানীরা। সে যখন দুপুরের দিকে কলেজ থেকে ফিরেছে তখন খাতা আর কলম কিনতে পারেনি। তাই তো এখন আবার বের হতে হলো। চৈত্রী খানিকটা বিরক্তি নিয়েই গিয়ে দাঁড়ালো একটা লাইব্রেরীর সামনে, ছোট খাটো লাইব্রেরীটা। লাইব্রেরীর ছেলেটা তার চেনা আগে থেকেই। প্রায়ই এই লাইব্রেরী থেকেই সে খাতা কলম কিনে। ছেলেটা চৈত্রীকে দেখেই একগাল হাসলো, বলল - আপা অনেক দিন পর, কেমন আছেন?
ভ্রু কুঁচকালো চৈত্রী, বলল - অনেকদিন কোথায়? এক সপ্তাহ আগেও তো এলাম।
লাইব্রেরীর ছেলেটা দাঁত বের করে হাসলো, বলল - এক সপ্তাহ কি কম আপা?
চৈত্রী আর কথা বাড়ালো না। কথায় কথা বাড়ে আর তার মোটেই ইচ্ছে নেই যে এই হাদারামের সাথে সে এখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তর্ক করবে। চৈত্রী ঘুরিয়ে নিল কথাটি, বলল - সে যাই হোক দুইটা খাতা আর দুইটা কলম দিন তো।
ছেলেটা একটু খুঁজে দুটো খাতা আর দুটো কলম বের করে দিল চৈত্রীকে। সে হাত বাড়ালো আনবে খাতা আর কলম দুটো। কিন্তু তার নেওয়ার আগেই পিছন থেকে কোনো বলিষ্ঠ পুরুষালী একটি হাত নিয়ে নিল তার খাতা কলম। মেজাজ বিগড়ে গেলো চৈত্রীর। তড়িৎ গতিতে সে ফিরে তাকালো পিছনের দিকে। তার পিছনে অবস্থানরত ছেলেটা তার এতই কাছে অবস্থান করছিল যে পিছন ঘুরতে গিয়ে চৈত্রীর কপাল গিয়ে ঠেকলো সোজা ছেলেটির বুকে। সাথে সাথে চৈত্রী কপালে হাত দিয়ে চেপে ধরলো, ঝাঁঝালো কন্ঠে বলল - মা গো মা! এটা দেহ নাকি ইটের ভাটার ইট।
কথাটা বলেই মাথা উঁচু করে চোখ তুলে তাকালো তার সামনে অবস্থানরত ছেলেটির মুখপানে। একি এতো সেই নির্মম নির্ময়। সকাল থেকে এই ছেলে আবার তার পিছু পিছু কি করছে? তার উপর ওর খাতা কলমগুলোও নিয়ে নিয়েছে। ভ্রু কুঁচকালো চৈত্রী, বলল - আপনি আমার খাতা কলম গুলো নিয়ে নিলেন কেন?
নির্ময় খাতা কলমগুলো উল্টে পাল্টে দেখলো একটু অতঃপর চৈত্রীর দিকে তাকিয়ে বলল - এগুলো তোমার? কই কোথাও নাম লেখা তো দেখছি না। এই তোমার নামটা যেন কি?
লাইব্রেরীর ছেলেটা দাঁত কেলিয়ে হাসলো, বলল - চৈত্রী।
নির্ময় তীক্ষ্ম দৃষ্টিতে তাকালো লাইব্রেরীর ছেলেটির দিকে, গম্ভীর কন্ঠে বলল - আমি আপনার কাছে জানতে চাইনি ওর কাছে জানতে চেয়েছি।
চৈত্রী ভ্রু কুঁচকালো, বলল - নাম তো নামই। উনি বললেও সেটা আমার নাম আর আমি বললেও সেটা আমার নাম।
- কিন্তু আমি তোমার মুখ থেকে শুনতে চাইছি।
- আর আমি আমার মুখ থেকে বলতে চাইছি না। আমার খাতা কলমগুলো দিয়ে দিন তাড়াতাড়ি।
- এগুলো তোমার প্রমান আছে কোনো?
চৈত্রী উত্তর দিল না কোনো। কেবলই সে দোকান থেকে নিয়েছিল খাতা কলমগুলো এইটুকু সময়ের মধ্যে প্রমানটা আসবে কোথা থেকে? চুপ রইলো চৈত্রী। এই মুহুর্তে এই নির্দয় নির্মম নির্ময়ের সাথে ঝগড়া করার কোনো ইচ্ছে নেই তার। চৈত্রী ঘুরে তাকালো লাইব্রেরীর ছেলেটির দিকে, বলল - ভাইয়া আমাকে আর দুটো খাতা আর কলম দিন তো।
লাইব্রেরীর ছেলেটা আবারও দুটো খাতা আর কলম বের করে বাড়িয়ে দিল চৈত্রীর দিকে। এবার আর নিল না নির্ময়, চৈত্রী হাত বাড়িয়ে নিল খাতা কলমগুলো অতঃপর হাঁটা ধরলো নিজের বাড়ির দিকে। পিছন থেকে ডাক দিল দোকানদার ছেলেটা, বলল - আপা খাতা কলমের দাম তো দিলেন না।
চৈত্রী হাঁটতে হাঁটতেই উত্তর দিল - খাতা কলমের দামটা নির্মম নির্ময় নামক ব্যক্তির কাছ থেকে নিয়ে নিবেন।
চলবে.....
[ Note : পর্বটি ছোট হয়েছে আমি জানি। আমি লিখেছিই ছোট করে। এই গল্পের পরের পর্ব নির্ভর করছে আপনাদের সাড়ার উপরে। ভালো সাড়া পেলে কাল বিকাল থেকে নিয়মিত পাবেন গল্পটি আর সাড়া না পেলে অন্য কোনো গল্প নিয়ে ভাববো। ]
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the organization
Telephone
Address
Savar