Cool Service Center BD

Cool Service Center BD

Share

04/05/2023

আপনার রুম টেম্পারেচার এখন ৩২ ডিগ্রি। আপনি ২৬ ডিগ্রি সেট করে এসি স্টার্ট করলেন।

রুম টেম্পারেচার ২৬ ডিগ্রি নামাতে যতক্ষণ সময় লাগবে ততক্ষণ ইনভার্টার এবং নন-ইনভার্টার এসি সমান বিদ্যুৎ খরচ করবে (যদি দুইটাই সমান টনের হয়)।

রুম টেম্পারেচার ২৬ হয়ে যাওয়ার পরে ইনভার্টার এবং নন-ইনভার্টার এসি দুই ভাবে কাজ করবে। নন-ইনভার্টার এসির কম্প্রেসার বন্ধ হয়ে শুধু ফেন চালু থাকবে টেম্পারেচার ২৬ এ ধরে রাখার জন্য। টেম্বারেচার বেড়ে গেলে আবার কম্প্রেসার চালু হবে।

বিপরিণত দিকে ইনভার্টার এসির কপ্রেসার বন্ধ না হয়ে তা কম বিদ্যুতে চালু থাকবে এবং ২৬ ডিগ্রি টেম্পারেচার ধরে রাখার চেষ্টা করবে। ফলে ১৫০০ ওয়াটের কম্প্রেসার হয়তো ৪০০/৫০০ ওয়াট ব্যবহার করবে ঐ সময়।

১২-১৪ ঘন্টার মত লম্বা সময় একই টেম্পারেচার ধরে রাখতে হলে নন-ইনভার্টারকে হয়তো ৩-৪ বার কম্প্রেসার চালু-বন্ধ করতে হবে। ফলে বিদ্যুৎ বেশি খরচ হবে ইনভার্টারের তুলনায়।

যদি আপনার এসি ৫/৬ ঘন্টা চলে তবে ইনভার্টার অথবা নন-ইনভার্টারের বিদ্যুৎ বিলে খুব একটা তফাত হবে না। কিন্তু যদি ১২-১৫ ঘন্টা টানা চলে তবে ইনভার্টারে ৩০-৩৫% পর্যন্ত বিল কম আসবে।

সুতরাং ১৫-২০ হাজার টাকা বেশি দিয়ে ইনভার্টার এসি কিনে ৫-৭ বছরে আপনি হয়তো ১৫-২০ হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল বাচাতে পারবেন না, যদি আপনার ইনভার্টার এসি কম সময় ধরে চলে।

বাংলাদেশে মুলত ৫-৭ মাস এসি চালানোর প্রয়োজন পড়ে। আবার অনেকে শুধু মাত্র রাতেই ৫-৬ ঘন্টা এসি ব্যবহার করে, দিনে ২-৪ ঘন্টা। এই শ্রেনীর ব্যবহারকারীদের জন্য নন-ইনভার্টার আর ইনভার্টারে খুব একটা তফাত হবে না।

অফিস, দোকান বা বাসায় যদি টানা ১০-১২-১৫ ঘন্টা এসি চালানোর প্রয়োজন পড়ে তখন ইনভার্টারের ব্যবহার লাভজনক।

Want your business to be the top-listed Engineering Company in Savar?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address


Hemayetpur Savar Dhaka
Savar
1340