Be A Designer / Developer

Be A Designer / Developer

Share

Quasar Framework - Build high-performance VueJS user interfaces in record time 20/12/2020

Anybody in this page(among the developer) tried it? Seems pretty good!

Quasar Framework - Build high-performance VueJS user interfaces in record time Developer-oriented, front-end framework with VueJS components for best-in-class high-performance, responsive websites, PWA, SSR, Mobile and Desktop apps, all from the same codebase. Sensible people choose Vue. Productive people choose Quasar. Be both.

25/09/2020

নিজেই নিজের ওয়েবসাইট তৈরি শিখি - পর্বঃ ১ (বিগেনার সিরিজ)

ওয়েবসাইট তৈরি করতে বেসিক্যালি ২টি ল্যাংগুয়েজ জানতে হবেই। তার মধ্যেই একটি হচ্ছে, HTML. HTML-এর পুরো অর্থ Hyper Text Markup Language. HTML মূলত কোন প্রোগ্রামিং Language নয়। এটি একটি Markup Language. Markup Language হলোMarkup Tags এর সমন্বিত রুপ। Markup Tags গুলোই বলে দেয় ওয়েব পেইজটির ছবি, বর্ণনা, শব্দ বা ভিডিও কিভাবে বর্ণনা করবে বা শো করবে বা কাজ করবে। সুতরাং, বলা যায় Markup Tags বা HTML Tags- ই হলো ওয়েবের প্রাণ শক্তি। আরও বিস্তারিত স্টেপ বাই স্টেপ জানবো।

HTML শিখতে যা যা লাগবেঃ
১। একটি ওয়েব ব্রাউজার। যেমনঃ গুগল ক্রম, ফায়ারফক্স। - আপনি যেটায় কমফোর্ট ফিল করেন, সেটাই ইউজ করেন।
২। একটি কোড এডিটর সফটওয়্যার। যেমনঃ নোটপ্যাড++, সিম্পল এবং সহজ।
এবারে চলুন আমাদের প্রথম ক্লাস শুরু করা যাক...

HTML ডকুমেন্ট পরিচিতিঃ
একটি HTML ডকুমেন্ট এর ফাইল এক্সটেনশন হয় .html. মনে করুন, ফাইলের নাম Class 1. সুতরাং HTML ফাইল হিসাবে এর এক্সটেনশন হবে .html, তাহলে ফাইলটির সম্পূর্ন নাম হবে class1.html.

ক) একটি HTML ডকুমেন্ট এর প্রধানত দুটি অংশ থাকেঃ
১. হেড/হেডার(head) এবং
২. বডি(body)।

খ) সম্পূর্ণ HTML ডকুমেন্ট ফরমেটটি ঠিক এরকম-


HTML Class # 1


Hello! This is my first HTML class.



গ) বর্ননাঃ একটি HTML ডকুমেন্ট এর একদম শুরুতে একদম শেষে লিখতে হয়। এটা W3 Consortium এর নিয়ম। আপনি যদি অন্য ফরমেটের ডকুমন্টে করতে চান তবে সেক্ষেত্রেও একই নিয়ম হতে হবে। যেমন PHP এর ফরমেট শুরুতে

HTML এর কিছু ট্যাগ বাদে প্রায় সব গুলোরই শুরু(Staring) এবং শেষ(Ending) ট্যাট আছে। সেরকম হেডার ট্যাগ এর শুরু এবং শেষ , তবে টাইটেল প্রদর্শন করবে ব্রাউজারের টাইটেল বারে। এই শুরু এবং শেষের মাঝে আরো অনেক নেস্টেড(যারা অন্য তথ্য বহন করে) ট্যাগ আসবে। এগুলোর ইলিমেন্ট গুলো কখনই ফ্রন্টইন্ড এ প্রদর্শন করবে না। তবে, বডি শুরু এবং শেষ এর মাঝে যেকোন লিখা, ইমেজ, ভিডিও মার্কাপ এর নিয়ম অনুযায়ী যেভাবেই লিখবেন সেভাবেই এগুলো ফ্রন্টইন্ডে প্রদর্শন করবে। যেমনটা আমি লিখেছি বডি এর প্যারাগারাফ ট্যাগ এর মধ্যে:

Hello! This is my first HTML class.

উপরের খ) নম্বর এর অংশটুকু নোটপ্যাডে কপি পেষ্ট করে সেভ করুন class1.html বা অন্য যে নামে আপনার ইচ্ছা। তবে ফাইল টাইপ .html অবশ্যই লিখতে বা নির্বাচন করতে হবে।

ব্রাউজারে আউটপুট পাবেন এমনটিঃ http://prntscr.com/ung4qk

চেষ্টা করুন। না পারলে, কমেন্ট সেকশনে জানান। :)

ধন্যযোগ সবাইকে!

03/05/2020

ফ্রি’তে ওয়েবসাইট তৈরি করার ৫টি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম

ইন্টারনেটে নিজের একটি ওয়েবসাইট থাকলে একটু অন্যরকম লাগে, তাইনা? আপনি হয়তো শখের বসেই ওয়েবসাইট চালাবেন। হয়তো নিজের মনের ভাব প্রকাশ করবেন ব্লগ আকারে অথবা আপনার জ্ঞানকে অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে দিবেন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে।

কিন্তু, নিজের খেয়ে বনের মোষ কতক্ষণ আর তাড়াবেন? অথবা আপনি হয়তো ভাবছেন, ফাইনান্সিয়াল ইনভেস্টমেন্ট যাবার আগে ফ্রি’তেই একবার ওয়েবসাইট চালানোর মজাটা নেয়া গেলে মন্দ হয়না। তাইনা?

জী, আপনাদের জন্য আমার আজকের এই আর্টিকেল। সহজভাবে বুঝানোর চেষ্টা করবো, তাই মন দিয়ে পড়বেন, না বুঝলে আস্ক করতে পারেন ইনবক্সে বা এখানেও কমেন্ট আকারেও।

তো চলুন শুরু করা যাক –

WordPress.com – ইন্টারনেটের সাথে সম্পৃক্ত খুব কম মানুষই আছেন যারা ওয়ার্ডপ্রেসের নাম শুনে নাই। সারা বিশ্বের ৩৬ শতাংশ ওয়েবসাইট ওয়ার্ডপ্রেসে চলে। ওয়ার্ডপ্রেস এতো জনপ্রিয়তা পাবার কারণ হচ্ছে, এটা সম্পূর্ন ফ্রি প্ল্যাটফর্ম। ওয়েবসাইট করা জন্য অনেক ফ্রি ডিজাইন পাওয়া যায়, যেটাকে আমরা “থিম” নামে জানি। আর প্রয়োজনীয় ফাংশনালিটি যুক্ত করতে চাইলে আছে লাখ লাখ ফ্রি “প্লাগিন”। যেগুলো দিয়ে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় কাজ করে ফেলতে পারবেন। তবে, সব থিম, প্লাগিন কিন্তু ফ্রি না। এমন অনেক থিম প্লাগিন আছে যা কিনে ইউজ করতে হবে। তবে, ফ্রিগুলো আপনার কাজ হয়ে যাবার সম্ভাবনা ৮০%-এর উপরে।
তবে, কিছু লিমিটেশন আছেন, যা আর্টিকেলের শেষে আলোচনা করেছি।

Blogger.com – ওয়ার্ডপ্রেসের পর ব্লগার ডট কম জনপ্রিয়। যেহেতু এটি গুগলের নিজেস্ব সার্ভিস, তাই এসইও(এটা সপর্কে না জেনে থাকলে, আমি জানাবো পরে) এর ব্যাপারে কিছু সুবিধা পাওয়া যায়। ওয়ার্ডপ্রেসের মত ব্লগারেও অনেক ফ্রি ডিজাইন(টেমপ্লেট) পাওয়া যায় যা দিয়ে আপনি ওয়েবসাইট সাজিয়ে নিতে পারবেন। তবে, এখানে প্লাগিনের কোন ফ্যাসিলিটি নাই। যা কাজ করতে হয়, সব ডিজাইন নির্ভর এবং নিজে কোডিং পারলে কাস্টমাইজ করে নিতে পারবেন।

Wix.com – ফ্রি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উইকস-কে বলতে পারে বর্তমান ওয়েবের মডার্ন যুগ! ফ্রি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উইকসে এমন অনেক ফিচার আছে যা ওয়ার্ডপ্রেস বা ব্লগারে সরাসরি এখনও আসে নাই। ওয়ার্ডপ্রেস ডট কমে কিছুটা আসছে, কিন্তু সেটাও পেইড ভার্সনে। যেমনঃ মনে করেন, ইকমার্স ফ্যাসিলিটি। এছাড়াও ওয়ার্ডপ্রেসের মত বিগ জায়েন্টদের সাথে পাল্লা দিতে তারা নিত্য নতুন ফিচার যুক্ত করেই চলছে। তবে, সেসব ফিচার সব পাবেন পেইড ভার্সনে। একবার নিজেই wix.com সাইটে ঘুরেই আসুন না। তাহলে নিজেই বুঝবেন।

Weebly.com – ওয়েবলি এর ফিচার অনেকটাই উইকসের। ফ্রি প্যাকেজে মোটামুটি বেশ অনেকগুলো কাজ করতে পারবেন। তবে এক্সটেনটেড ফিচার পেতে হলে পেইড ভার্সনে যেতে হবে।

Yola.com – ইয়োলা-কে বলতে পারেন ফ্রি’র মধ্যে সবচেয়ে কিপটা প্ল্যাটফর্ম। ফ্রি প্যাকেজে আপনি মাত্র ২টা পেজ তৈরি করতে পারবেন। তাই, এটা নিয়ে বেশি কিছু বলার নাই। নিজেই ঘুরে আসুন yola.com থেকে।

এগুলো বাদেও নেটে খুঁজলে আরও অনেক ফ্রি প্ল্যাটফর্ম পাবেন। তবে, এই ৫টি প্ল্যাটফর্ম উল্লেখযোগ্য।

এবার আসা যাক ওয়ার্ডপ্রেস সহ অন্যসবগুলো প্ল্যাটফর্মের সুবিধা-অসুবিধান নিয়ে আলোচনা করিঃ

সুবিধাঃ
১। ফ্রি ওয়েবসাইট চালানোর ফ্লেভার পাবেন সবগুলো প্ল্যাটফর্মেই।
২। আলাদা করে ডোমেইন হোস্টিং কিনতে হবে না।
৩। লাইফ টাইম ফ্রি চালাতে পারবেন।
৪। কোডিং জানতে নিজের মত কিছু কাস্টমাইজ করে নিতে পারবেন।
৫। ফাইনান্সিয়াল ইনভেস্টমেন্টের আগে কিছু হলেও ওয়েবসাইট চালানোর জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন।

অসুবিধাঃ
১। আপনি নিজ ব্র্যান্ডে ওয়েবসাইট হবে না। যেমনঃ rangpursource.wordpress.com এভাবে সাইটের অ্যাড্রেস হবে। এটাকে সাবডোমেইন ব্রান্ডিং বলে।
২। ১/২ টি প্ল্যাটফর্ম বাদে, অন্যকেউই আপনাকে ভাল মত সাপোর্ট দিবে না। সো, প্রবলেমে পড়লে গুগল মামার শরণাপন্ন হয়া ছাড়া উপায় নাই।
৩। ফ্রি প্ল্যাটফর্ম হবার কারণে, আপনাকে তারা পেইড ভার্সনে যাবার জন্য বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দেখাবে, যেটা আপনার কাছে বিরক্তির কারণ হতে পারে।
৪। ডোমেইন হোস্টিং যেহেতু কিনতে হচ্ছে না, তাই ওয়েবসাইটটিও আপনার নিজের কন্ট্রোলে থাকবে না। একটু টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনে না মিললে যেকোনো সময়, বুম!!
৫। নিজের কন্ট্রোলে না থাকার কারণে, সময় দিয়ে আপনি যত কনটেন্ট ওয়েবসাইট অ্যাড করে রাখবেন, সেগুলো হারিয়ে ফেলতে পারেন যদি কোন কারণে ওয়েবসাইট সাসপেন্ড করে দেয় টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশনে না মিললে।

সুবিধা অসুবিধা সবই বললাম, আপনারা চাইলে গুগল করে চেক করে নিতে পারেন আরও কোন বিবিধা বা অসুবিধা আছে কিনা। তবে আমি আবারও বলবো, যাদের বিজনেসে সিরিয়াসনেস আছে, তারা ডোমেইন হোস্টিং কিনে ওয়েবসাইটের ১০০% কন্ট্রোল নিজের কাছে রাখতে পারেন। আর যাদের ইনভেস্টমেন্ট প্রবলেম বা হঠাৎ বুঝে উঠছেন না কি করবেন, তারা ফ্রি প্ল্যাটফর্মগুলো ইউজ করে দেখতে পারেন। তবে, কনটেন্টের ব্যাকআপ সবসময় নিজের কাছে রাখবেন। তাহলেই ফ্রি প্ল্যাটফর্মও আপনার জন্য নির্ভাবনার কারণ হতে পারে।

সো, বুঝাতে পারলাম তো? কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। কোথায় না বুঝলে কমেন্টে বা ইনবক্সেও জানাতে পারেন।

~ ধন্যবাদ।

Want your business to be the top-listed Media Company in Rangpur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Rangpur
5400

Opening Hours

Monday 10:00 - 13:00
Tuesday 10:00 - 13:00
Wednesday 10:00 - 13:00
Thursday 10:00 - 13:00
Friday 10:00 - 13:00
Saturday 10:00 - 13:00
Sunday 10:00 - 13:00