Math & ICT Batch
#শিক্ষককে সম্মান করতে না জানলে অন্তত তাদের অ'পমান করবেন না! সারা জীবন তাদেরকে মা বাবার চোখে দেখে আসছি এখন তাদের এই অ'পমান মেনে নিতে পারছিনা 🥺🖤
একজন শিক্ষিত ছাত্র তার শিক্ষক'কে কোনো দিন অ'পমান করতে পারে না।
#ডিপ্লোম্যাসি::
#০১. আজ উপদেষ্টা নাহিদ মহোদয় যেভাবে প্রতিবেশি দেশটিকে বার্তা (message) দিয়েছেন এবং প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় দেশটির হাইকমিশনারকে তলব করেছেন, তা সত্যিই অ্যামাইজিং। প্রতিপক্ষকে deter (বিরত) করতে ৩টি স্টেপ নিতে হয়-
#১ম স্টেপ: message (বার্তা) প্রদান। এটি ইনফরমালি হয়৷ যাতে প্রতিপক্ষ মনে করে যে, যা ঘটানো হয়েছে তার জন্য আমরা ইতিবাচকভাবে গ্রহণে প্রস্তুত না।
#২য় স্টেপ: communication (যোগাযোগ)। এটি ফর্মাল হয়৷ ১ম স্টেপ ব্যর্থ হলে নেয়া হয়। এখানে সরাসরি বুঝানো হয় যে, we r not taking u cordially, but ready to react (যেটা আজ প্রধান উপদেষ্টা মহোদয় করলেন)
#৩য় স্টেপ: threat (হুমকী)। ১ম ও ২য় স্টেপ ব্যর্থ হলে এই স্টেপ নেয়া হয়। এখানে বুঝানো হবে যে, তোমার কার্যক্রম পরিবর্তন না হলে আমরা এই এই পদক্ষেপ নিব৷ যেমন হতে পারে-
- ১৯৭২ সালের নৌ ট্রানজিট চুক্তি বিবেচনায় নেয়া
- ২০১১ সালের ট্রানজিট প্রটোকল নিয়ে ভাবা
- ২০২৪ সালের রেল ট্রনজিট বাতিলের হুমকী
- চীন ও পাকিস্তানের সাথে পানি বণ্টন আলোচনার হুমকী
- বাংলাদেশে ২য় বৃহত্তর আমদানী বাজারকে মূল্যায়নে নেয়া। ইত্যাদি..
অর্থাৎ, এমন কিছু power show করা যাতে তারা বুঝে, if u strike me first in next time, then u will be striken harder.
আজ ১ম ও ২য় স্টেপ ফলো করায় তাদেরকে ধন্যবাদ৷
০২. ডিপ্লোমেসিতে কয়েকটি বিষয় অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি-
ক. প্রতিপক্ষের শক্তির কথা স্বীকার করা যাবে না। আপনাদের মনে থাকতে পারে, ২০১৬ সালে ভারত পাকিস্তানে সার্জিক্যাল অ্যটাক করে। ভারত দাবি করে তাদের সফল আক্রমণে পাকিস্তানের বেশ কয়েকজন সেনা প্রাণ হারিয়েছে, কিন্তু পাকিস্তান তা স্বীকার করেনি৷ আবার ২০২০ সালে চীন দাবি করে গালওয়ান উপত্যকায় ভারতের ৩৩ সেনাকে উপত্যকা থেকে ফেলে দিয়েছে, কিন্তু ভারত এই দাবি উড়িয়ে দেয়৷ তেমনি, আমরা বার বার প্রতিপক্ষ দেশের শক্তিকে প্রকাশ করলে কার্যত আমরা দুর্বলতা প্রকাশ করে তাদের শক্তির উল্লাসের সুযোগ দেই।
খ. কূটনীতি 2w চায় না এবং 2H কে হিডেনলি মেম্যোরিতে রাখে৷ এখানে 2W= war & using of weapons আর 2H= Head (মাথায় শুধু স্বার্থ আদায় থাকবে) এবং Hand shaking (প্রকাশ্যে হাসি থাকবে)
গ. প্রতিপক্ষের নাম বার বার নেয়া যাবে না৷ দেশের নাম না নিয়ে যেমন পশ্চিমা, প্রাচ্য, প্রতিবেশি, রাজধানীর নাম নিতে হয়৷
ঘ. নিজের দুর্বলতা প্রকাশ না করে নিজের শক্তি নিয়ে আলোচনা করা যায়৷ যেমন, আমরা বলতে পারি, কুমিল্লা ও ফেনী আক্রান্ত হওয়ায় বিবিরবাজার ও বিলোনিয়া স্থলবন্দর দিয়ে ট্রানশিপমেন্ট বন্ধ করার কথা প্রেজেন্ট করা যায়।
ঙ. বিশ্বায়নের যুগে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ না করে, প্রতিপক্ষের কাছে আমার দেশটি কতটা অপরিহার্য তা মনে করিয়ে দিতে হয়। যেমন, ULFA, Kuki-chin, Moitoi, MLF সহ স্থিতিশীলতার জন্য বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমরা এ বিষয়ে ভেবে দেখবো তা মনে করিয়ে দিলেই বুঝবে আমাদের ট্রাম্পকার্ডগুলো কী কী।
আমরা আয়তনে ছোট হতে পারি, কিন্তু ৮ম বৃহত্তর জনবহুল এবং ৫ম বৃহত্তর বাজার। ভাঙ্গবো কিন্তু মচকাবো না। এটাই ফাইনাল। ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশকে কেউ হারাতে পারবে না, পারেনি৷
12/08/2024
06/08/2024
Alhamdulillah 🙏
Finally, our beloved motherland has been liberated from the oppression of the tyrant, zalim, mass murderer Hasina regime.
We salute the incredible, brave, and heroic students of this generation. 🇧🇩
We are incredibly indebted to each and every one of you for your remarkable contribution.
May Allah taala accept our Shuhadah and reward our brothers and sisters immensely for their immense sacrifice
কাজে মনোযোগ ধরে রাখার উপায়
যেকোনো কাজে সাফল্যের পূর্বশর্ত—মনোযোগ দিয়ে কাজ করা। কাজে মনোযোগ ধরে না রাখতে পারলে শুধু কর্মদক্ষতা কমে যায় না, বরং কাজের মান, কাজ করার ইচ্ছা, আগ্রহ ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। কিন্তু কিছু কৌশল অবলম্বন করলে কাজে মনোযোগ ধরে রাখা সম্ভব। লিখেছেন এম এম মুজাহিদ উদ্দীন।
কাজের সময়সীমা নির্ধারণ করুন:
যেকোনো কাজ শুরু করার আগে সে কাজের সময়সীমা নির্ধারণ করাটা জরুরি। কত সময়ের মধ্যে কাজটি শেষ করতে হবে, তা যদি আগে থেকে জানা যায়, তাহলে কাজে গতি বাড়ে। সময় বেঁধে দেওয়া থাকলে নিজের মন অবচেতনে একটা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে। ফলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজটা শেষ করার জন্য মন তাড়াহুড়া করে। মনে রাখতে হবে, কাজের মধ্যে বারবার ঘড়ি দেখলেও মনোযোগে বিঘ্ন ঘটে।
কাজের তালিকা আগেই তৈরি:
আগামীকাল কী কী কাজ করতে হবে, সেগুলো আগেই ঠিক করে নিতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ তালিকার প্রথম দিকে রাখতে হবে। তারপর একটু কম গুরুত্বপূর্ণ কাজ। এভাবে পর্যায়ক্রমে তালিকা তৈরি করলে গুরুত্বপূর্ণ কোনো কাজ বাকি থাকবে না। আগামীকাল কী কী কাজ করতে হবে, সেগুলো যদি আগেই ঠিক করে রাখা যায়, তাহলে কাজের গতি ঠিক থাকে। মনোযোগও ঠিক থাকে। অন্যদিকে সময়ও বাঁচানো যায়। যদি এক দিন আগে কাজের শিডিউল তৈরি করা সম্ভব না হয়; তাহলে ঘুম থেকে উঠে সকালে প্রথম গুরুত্ব অনুসারে কাজের তালিকা তৈরি করে নিতে হবে। কাজটা করতে কত সময় লাগবে, সেটাও লিখে রাখতে হবে।
কাজের মাঝে কিছু বিরতি:
একটানা অধিক সময় কাজ করলে কাজে মনোযোগ না থাকারই কথা। কারণ, একটানা অনেক সময় কাজ করলে স্বাভাবিকভাবে মানব মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে যায়। কাজের গতি কমে যায়। তাই কাজের গতি ঠিক রাখা এবং কাজে মনোযোগ ধরে রাখার জন্য কাজের মাঝে ৪-৫ মিনিটের বিরতি নিন। এতে সতেজতা আসবে। আর কাজেও গতি, মনোযোগ—দুটোই থাকবে।
একসঙ্গে একাধিক কাজ নয়:
আমরা অনেকে একসঙ্গে একাধিক কাজ করতে চাই। ফলে কোনো কাজই ঠিকঠাকমতো হয়ে ওঠে না। তাই গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার সময় সেই নির্দিষ্ট কাজটিই একমনে করতে হবে। অন্যদিকে মন দেওয়া যাবে না। কম্পিউটার একসঙ্গে একাধিক কাজ করতে পারলেও মানুষের মস্তিষ্ক একসঙ্গে একাধিক কাজ করতে গেলে কোনো দিকেই ফোকাস ঠিক রাখা যায় না। তাই যে কাজ করছেন, শুধু সে কাজই করুন। সেই কাজের প্রতি ফোকাস রাখুন। সেই কাজটি শেষ হলে অন্য কাজে হাত দিন।
কাজের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করুন:
ভালোভাবে কোনো কাজ সম্পন্ন করার জন্য সে কাজের অনুকূল পরিবেশ খুব গুরুত্বপূর্ণ। কাজের জন্য অনুকূল পরিবেশ যতটা থাকবে, কাজটা তত অল্প সময়ে সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা সহজ হবে। তাই কাজ করার সময় কাজের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করুন। কাজের জন্য প্রয়োজনীয় জিনিস পাশে রাখুন।
সামাজিক মাধ্যম থেকে দূরে থাকুন:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেন আমাদের জীবনের সঙ্গে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে। কিছু সময় পরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রবেশ করতে না পারলে যেন অস্থির হয়ে যাই। কিন্তু কাজের সময় ঘন ঘন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রবেশ করলে কাজে নির্ঘাত ব্যাঘাত ঘটবে। তাই কাজ করার সময় যথাসম্ভব ফেসবুক, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, ইমো প্রভৃতি থেকে দূরে থাকতে হবে। হাতের স্মার্টফোনটিও একটু দূরে রাখতে হবে; যাতে ঘন ঘন চোখে না পড়ে আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নোটিফিকেশন চেক করার জন্য ব্যস্ত হয়ে না উঠি।
কাজের অনুপ্রেরণা খুঁজুন:
কাজের মধ্যে অনুপ্রেরণা খুঁজুন। অনুপ্রেরণা পেলে কাজটি করার জন্য আপনার আগ্রহ, উদ্যম বেড়ে যাবে। আর যখনই আপনার কাজের আগ্রহ, উদ্যমে বেড়ে যাবে, তখনই কাজে পূর্ণ মনোযোগ ধরে রাখতে পারবেন। আর কাজটি দ্রুত সম্পন্ন করা আপনার জন্য সহজ হবে। তাই যেকোনো কাজ করার সময় অনুপ্রেরণা নিয়ে, আগ্রহ নিয়ে, কাজটি ভালোবেসে করুন।
শরীর সুস্থ রাখুন:
কাজে মনোযোগ ধরে রাখার জন্য শরীর সুস্থ রাখা অন্যতম শর্ত। শরীর সুস্থ না থাকলে কোনো কাজেই মন বসানো যায় না। শরীর সুস্থ রাখার জন্য পরিমিত খাবার খান, পানি পান করুন, ব্যায়াম করুন। মনে রাখতে হবে, দেহঘড়িটা ঠিকমতো সায় দিলে মনঘড়িটাও ঠিকমতো সংকেত দেবে। আর শরীর-মন ঠিক থাকলে যেকোনো কাজে মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়।
আরও কিছু কৌশল:
কাজে মনোযোগ ধরে রাখার জন্য স্বাস্থ্যসম্মত পরিমিত খাবার খান। আপনি যে ধর্মেরই হোন না কেন, প্রার্থনা করুন। প্রার্থনায় মন সতেজ থাকে আর যেকোনো কাজে মনোযোগ দিতে তো মনই আপনাকে তাড়না করে। তাই আজ থেকে মনোযোগ দিয়ে কাজ করুন। হয়ে উঠুন সফল সুন্দর মানুষ।
-দৈনিক আজকের পত্রিকা
©এম এম মুজাহিদ উদ্দীন
লেখক: ভাইভা বোর্ডের মুখোমুখি,
মুজাহিদ'স ভাইভা সাজেশন,
ব্যাংকার'স ভাইভা বোর্ড।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
Rangpur
5660