Uzzal Homeo Hall, Rangpur
26/11/2015
পরবর্তী আপডেট পোস্ট পেতে লাইক, কমেন্ট করেন
26/10/2015
কোমরের ব্যথা
চিকিৎসার জন্য যোগাযোগের ঠিকানাঃ
আলহাজ্ব ডাঃ মোঃআব্দুর রহমান চৌধুরী
ডি,এইচ,এম,এস,জুম্মাপাড়া রংপুর
চেম্বারঃ-উজ্জল হোমি ও হল
মোবাইলঃ নং – (01942228648)
কোমরের ব্যথায় আমরা বহু লোককে কষ্ট করতে দেখি । বাংলাদেশে শতকরা ৮০ জন মানুষ কোন না কোনভাবে কোমরের ব্যথায় ভোগেন । এ ব্যথা সাধারণত কোমরের ঠিক মাঝখানে বেশি অনুভূত হয় । কোন কোন সময় এ ব্যথা কোমরের ডানে বা বামে সরে যায় । আবার কারো কারো এ ব্যথা পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত পৌছে । সকাল বেলা বিছানা থেকে প্রথম উঠবার সময় সমস্ত কোমরে আড়ষ্ট ভাব থাকে এবং একটু নড়াচড়া করার পর ধীরে ধীরে ব্যথা কমে যায় । নারী -পুরুষ ঊভয়কেই এ সমস্যায় ভুগতে দেখা যায় । এটি অত্যন্ত কষ্টকর একটি রোগ । এর কারণ ও প্রতিকার সম্বন্ধে নিচে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হলঃ
ব্যথার কারণঃ
কোমরের ব্যথার নানাবিধ কারণ রয়েছে এর মধ্যে অন্যতম হলোঃ
*হাড়ের রোগ
*মেরুদন্ডের কশেরুকার মাঝখানের ডিস্কের ডিজেনারেশন বা ক্ষয়প্রাপ্তি
*ত্রুটিপুর্ণ দৈহিক গঠন
*যে কোনভাবে আঘাত বা ঝাঁকুনি প্রাপ্তি
*অপ্রত্যাশিত ওজন বৃদ্ধি
*অধিক সময় ধরে একনাগাড়ে বসে থাকা বা দাড়িয়ে থাকা
*বেশি বেশি যান বাহনে ভ্রমন করা
*নরমাল বিছানায় শোয়া
*মোভিং(রিভল্ভিং) চেয়ারে বসা
*উঁচু হিলের জুতা পরা
*ঠান্ডা ও স্যাতস্যাতে জায়গায় বাস করা
*অধিক সময় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে অবস্থান করা
*অপরিমিত রতিক্রিয়া
*বিশৃঙ্খল জীবন যাপন করা
*কোন ভারি জিনিস হাতে ঝুলিয়ে বহন বা উত্তোলন করা ।
প্রতিকারঃ
*পরিকল্পিত ও পরিমিত মৃদু ব্যায়াম করা
*ওজন নিয়ন্ত্রণে এবং প্রয়োজনে ওজন হ্রাস করা
*ব্যথার স্থানে কুশুম গরম পানি ঢালা
*মেরুদন্ড সোজা করে বসার অভ্যাস করা
*কোনকিছু মাটি থেকে তুলতে কোমর বাঁকা না করে হাঁটু ভাঁজ করে তোলা
*অবসর সময়ে বিছানায় আরাম করে শুয়ে হট ওয়াটার ব্যাগ দিয়ে ব্যথার স্থানে স্যাক নেয়া
*একনাগাড়ে অনেক্ষন হাঁটাহাটিঁ না করা
*কর্মস্থলে একনাগাড়ে বসে না থেকে কিছুক্ষন পরপর একটু হালকা হাটাহাটি বা নড়াচড়া করা
*শক্ত বিছানায় ঘুমানোর অভ্যাস করা
*অলিভ অয়েল কুশুম গরম করে ব্যথার স্থানে মৃদুভাবে মালিশ করা
*সুশৃঙ্খল জীবন যাপন করা
*কোমরে বেল্ট বেঁধে চলা ফেরা করা, যাতে কোনভাবেই কোমরে ঝাঁকুনি না লাগে
*ভরা বালতি বা ভারী বাজারের ব্যাগ হাতে ঝুলিয়ে বহন না করা ।
ব্যাথার রোগীর খাবারঃ
ব্যথা হ্রাস বৃদ্ধিতে খাবারের ভূমিকা অনেক । তাই ব্যথার রোগীদের নিম্ন বর্ণিত খাবারের প্রতি যত্নবান হওয়া উচিতঃ
*আমাদের নিত্যকার খাবারের মধ্যে সবুজ শাক-সব্জি ও ফলমূল অন্যতম । এসব খাবারের মধ্যে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এ, সি, ডি ও সাইট্রাস সমৃদ্ধ উপাদান । এগুলো অস্থিকে মজবুত ও অস্থির ক্ষয় রোধে সহায়তা করে । তাই খাবারের ব্যাপারে আমাদের বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে এবং বেশি সবুজ শাক-সব্জি ও ফলমূল খেতে হবে । তাছাড়া প্রতিদিনের খাবার হবে সহজ পাচ্য ও কম মসলাযুক্ত ।
চিকিৎসাঃ
কোমরের ব্যথায় সুনির্বাচিত হোমিও ঔষধ বেশ ফলপ্রসু -- যা বহুল পরিক্ষিত । লক্ষণসমষ্টি নির্ণয় করে রোগের হ্রাস-বৃদ্ধি ও ধাতুগত দিক বিবেচনায় রেখে নিম্নলিখিত ওষুধগুলো ব্যবহার করা যেতে পারেঃ
রাসটক্স, ব্রায়োনিয়া, মেডোরিনাম, সিফিলিনাম, কস্টিকাম, ল্যাকেসিস, লাইকোপডিয়াম, ডালকামারা, রুটা, আর্নিকা, কেলিকার্ব প্রভৃতি
17/09/2015
আমাদের পেজে লাইক দিয়ে পাসে থাকুন,Uzzal
Homeo Hall,Rangpur নিজে সুস্থ থাকি , অন্যকে
সুস্থ রাখি । সাস্থ্য
ও চিকিৎসা সেবায় আমরা রয়েছি।
16/09/2015
উজ্জল হোমিও হল রংপুর
আলহাজ্ব ডাঃ মোঃ আব্দুর রহমান চৌধুরী
ডায়াবেটিস প্রতিরোধে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা
ডায়াবেটিস সারা জীবনের রোগ। একবার দেখা
দিলে আর ভালো হতে চায় না। এটিকে মানিয়ে
নিয়ে চলতে হয়। এটি একটি বিপাকজনিত রোগ।
শরীরে ইনসুলিনের সম্পূর্ণ বা আপেক্ষিক
ঘাটতিতে এ সমস্যা সৃষ্টি হয়ে রক্তে
গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায়। এক সময় তা
প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে আসে।
সুস্থ ব্যক্তির রক্তরসে গ্লুুকোজের পরিমাণ
খালি পেটে ৬.৪ মিলি মোলের কম এবং খাওয়ার
দুই ঘণ্টা পর ৭.৮ মিলি মোলের কম থাকে।
অভুক্ত অবস্থায় রক্তরসে গ্লুকোজের
পরিমাণ ৭.৮ মিলি মোল বা এর বেশি হলে অথবা
৭৫ গ্রাম গ্লুুকোজ খাওয়ার দুই ঘণ্টা পর
রক্তরসে গ্লুকোজের পরিমাণ ১১.১ মিলি
মোল কিংবা এর বেশি হলে ডায়াবেটিস
নিশ্চিতভাবে বলা যায়। একই সঙ্গে ক্ষুধাধিক্য,
অতিরিক্ত পিপাসা, প্রস্রাবের পরিমাণ বেড়ে যায়।
এছাড়া হঠাৎ একাধিক ফোঁড়া ও ওজন কমে যায়।
ক্লান্তি ও দুবর্লতা দেখা দেয়, দৃষ্টিশক্তি কমে
যায়, শরীরে ব্যথা হয়, দেহের চামড়া খসখসে
হয়, চুল শুকনো ও পাতলা হয়, নখ সহজে
ভেঙে যায়, দাঁতে ক্ষত হয়, ঠোঁট শুকিয়ে
যায়, শরীরের কোনো স্থানে ক্ষত হলে
তা সহজে শুকায় না, কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে
এবং রোগী জীর্ণ-শীর্ণ হয়ে পড়েন।
করণীয় : চিনি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার বর্জন
করতে হবে। উচ্চতা ও বয়স অনুযায়ী
শরীরের ওজন স্বাভাবিক রাখতে হবে। রান্নায়
তেল কম খেতে হবে। চাল, আটা দিয়ে তৈরি
খাবার, মিষ্টি ফল কম করে খেতে হবে।
কোনো বেলায় খাওয়া বাদ দেওয়া যাবে না।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় খেতে হবে। নিয়মিত
ব্যায়াম করা বা ৪৫ মিনিট হাঁটা উত্তম। পা, দাঁত ও
চোখের যতœ নিতে হবে।
সতর্কতা : হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে শর্করা
স্বল্পতা) শর্করা ২.৫ মিলি মোলের কম হওয়া।
হাইপোগ্লাইসেমিয়ায় যা করতে হবে : ৪
থেকে ৮ চা-চামচ গ্লুকোজ বা চিনি এক গ্লাস
পানিতে মিশিয়ে খেতে হবে। অজ্ঞান
রোগীদের ক্ষেত্রে ইন্টাভেনাস
গ্লুকোজ ও অক্সিজেন দিতে হবে।
প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
রক্তের চর্বি কমাতে খাওয়া নিষেধ : ধূমপান,
অ্যালকোহল, নারিকেল, চিংড়ি মাছ, গরু-খাসির মাংস,
হাঁস-মুরগির চামড়া, ডিমের কুসুম, কলিজা, মগজ,
মাছের ডিম, দুধের সর, ক্রিম, ঘি, মাখন, পনির
ইত্যাদি খাওয়া যাবে না।
যা খেতে হবে : পেয়ারা, আমলকী,
কালোজাম, বরই, জলপই, পাকা টমেটো, কামরাঙা,
আমড়া, জাম্বুরা, ইলিশ, পাঙ্গাশ, সরপুঁটি, কৈ, টেংরা,
সামুদ্রিক মাছ, বুটের ডাল, বুটভাজা, মটর ডাল, পুঁইশাক,
লালশাক, ডাঁটাশাক, ঢেঁড়শ, শিম, বরবটি, শিমের বিচি,
গাজর, রসুন, পাকা টমেটো ও মাশরুম খেতে
হবে।
পরামর্শ : যেহেতু হোমিওপ্যাথি লক্ষণভিত্তিক
চিকিৎসা পদ্ধতি, সেহেতু সঠিকভাবে রোগলিপি
প্রস্তুত করে রেপার্টরি ও ড্রাগ ফিল্টার করে
সুনির্দিষ্ট মাত্রা ও সঠিক পরিমাণ ওষুধ প্রয়োগের
মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষেত্রবিশেষ
নিরাময় সম্ভব। প্রয়োজনে হোমিও
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন।
আলহাজ্ব ডাঃ আব্দুর রাহমান চৌধুরী বকুল
01942228648
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the restaurant
Telephone
Address
C/O:Dr. Abdur Rahaman Chowdhury Bokul Jummapara
Rangpur
RANGPUR,BANGLADESH,5400