Green Bongo

Green Bongo

Share

13/12/2025

😂😭 মধ্যবিত্তের মহাকাব্য: নীল-নীলার পূর্ণাঙ্গ যাত্রা 😭😂
​লেখক: মিঃ আর কে সি নীল
​(৩০ মিনিটের ভিডিওর উপযোগী বিশদ কাঠামো)

পর্ব ১: স্বপ্ন ও মধ্যবিত্তের ফন্দি (০ মিনিট – ১০ মিনিট)
​দৃশ্য ১: চায়ের দোকানে রোমান্স ও বাদলের কমেডি
​সময়: দুপুর।
স্থান: নীলের ছোট্ট মুদি দোকান।
​(১.১) সেটআপ: নীল (২৬) তার দোকানে বসে পুরনো খাতা দেখছে। বাদল (২৬) টুলে বসে পা দোলাচ্ছে এবং একটি কৌতুক বলছে যা কেউ শুনছে না।
​বাদল: কিরে নীল! তুই আর আমি মিলে একটা বিজনেস প্ল্যান করি। নাম হবে 'সোনালী স্বপ্ন লিমিটেড'! তুই টাকা দিবি, আমি আইডিয়া!
​নীল: (বিরক্ত হয়ে) তোর আইডিয়া সব ভেজাল, বাদল। আগে তোর ৫০০ টাকা বাকি শোধ কর!
​(১.২) রোমান্টিক আগমন: নীলা (২৪) একটি শাড়ি পরে দোকানে প্রবেশ করে। নীল তাকে দেখে মুহূর্তেই সব ভুলে যায়, চোখ ছলছল করে ওঠে। (তীব্র রোমান্টিকতা)
​নীল: (আবেগাপ্লুত হয়ে) নীলা! তুমি এসেছ! তুমি আমার জীবনে এলে মনে হয় যেন সূর্য উঠেছে!
​নীলা: (হাসি লুকিয়ে) আমার জন্য সূর্য নয়, নীল। আমার জন্য চাল আর ডাল উঠেছে। বাবা পাঠিয়েছেন।
​নীল: (নীলার হাত ধরে, ফিসফিস করে) আমাকে একটু সময় দাও, নীলা। আমি এই দোকানটাকে একটা সুপারমার্কেট বানাব। তোমাকে পৃথিবীর সব সুখ দেব। শুধু বাবার কাছে একবার আমার কথা বলো।
​নীলা: (চোখে জল, আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে) বাবা চান সমাজে পরিচিত একটা মানুষের সঙ্গে আমার বিয়ে হোক। তুমি তো ভালো ফটোগ্রাফার হতে চেয়েছিলে, কিন্তু এখন...
​বাদল: (পেছন থেকে লাফিয়ে উঠে) ফটোগ্রাফার! নীল তো এখন 'ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ম্যাগনেট'! এই দেখো (একটি ভাঙ্গা মোবাইল হাতে নিয়ে), এইটা হলো ওর গ্লোবাল ক্লায়েন্টের সাথে ডিল করার ডিভাইস! তুই চিন্তা করিস না, নীলা।
​(নীল দ্রুত বাদলকে ধাক্কা মারে। নীলা হেসে ফেলে। কিন্তু তার চোখে উদ্বেগ স্পষ্ট।)
​দৃশ্য ২: করিম শেখের কঠিন শর্ত
​সময়: সন্ধ্যা।
স্থান: নীলার বাড়ি।
​(২.১) পারিবারিক চাপ: করিম শেখ (৫০) গম্ভীর মুখে নীলাকে ডেকেছেন। আলেয়া বেগম (৪৫) পাশে চিন্তিত মুখে বসে আছেন।
​করিম শেখ: নীলা! আমার এক বন্ধু আছে, শহরে তার বিশাল জমিদারি। তিনি তার ছেলের জন্য পাত্রী খুঁজছেন। সরকারি বড় চাকরি করে।
​নীলা: (মাথা নিচু করে) বাবা, আমি নীলকে ভালোবাসি। সে খুব ভালো ছেলে।
​করিম শেখ: (চিৎকার করে) ভালো ছেলে! ভালোবাসে! এই শহরের রাস্তায় এই সব চলে না! আমার মান-সম্মান, আমার পরিচিতি – সব কি ওই মুদি দোকানদারের হাতে ছেড়ে দেব? মধ্যবিত্তের জীবনটা শুধু সম্মান দিয়ে চলে!
​আলেয়া বেগম: (কাঁদতে কাঁদতে) শোন মা, আমরা তোমাকে ভালো দেখতে চাই। নীলের ভরসা নেই!
​(২.২) সংঘাতের শুরু: করিম শেখ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন।
​করিম শেখ: শোন! যদি এক মাসের মধ্যে নীল নিজেকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে না পারে, তবে তোর ওই ভালোবাসা নিয়ে আর বাড়াবাড়ি করবি না! আমি নুরু কাজীর সাথে কথা দিচ্ছি! তার টাকাই তোর ভবিষ্যতের নিরাপত্তা!
​(নীলা কেঁদে ওঠে। বুঝতে পারে, তার প্রেম আজ বাস্তবতার কঠিন জালে বন্দি।)
​পর্ব ২: ভালোবাসার অবহেলা ও ভিলেনের চাল (১০ মিনিট – ২০ মিনিট)
​দৃশ্য ৩: নুরু কাজীর চক্রান্ত এবং লাবণ্যের প্রবেশ
​সময়: এক মাস পর।
স্থান: নীলের দোকান।
​(৩.১) ব্যর্থতা ও হতাশা: এক মাস পরও নীলের ব্যবসায় উন্নতি হয়নি। নীল হতাশ হয়ে বসে আছে। বাদল এসে নতুন একটি ফন্দি দেয়।
​বাদল: (কান্নার অভিনয় করে) কিরে নীল! তোর তো হাতে আর মাত্র একদিন সময়! শোন! তুই কাজীর বাড়িতে গিয়ে নিজেকে 'হলিউডের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর' বলবি!
​নীল: (বিরক্ত হয়ে) বাদল, তুই যাবি?
​(৩.২) লাবণ্যের বুদ্ধি: ঠিক তখনই লাবণ্য (২৪) দ্রুত দোকানে প্রবেশ করে। সে নীলার বান্ধবী, কিন্তু নীলের প্রতি সহানুভূতিশীল।
​লাবণ্য: নীল! তোর হাতে সময় নেই! নুরু কাজী (৫৫) করিম শেখকে চাপ দিচ্ছে। সে কালই নীলাকে জোর করে তুলে নিয়ে যাবে! নুরু কাজী তোর ব্যবসার ক্ষতি করার জন্য ক্লায়েন্টদের ভয় দেখিয়েছে!
​নীল: (ক্রোধে) কী! ওই লোকটা এত নিচে নামতে পারে?
​লাবণ্য: এখন সময় নেই রাগের। শোন, নুরু কাজীর দুর্বলতা হলো মান-সম্মান। তোর একটা ছবি দরকার, যা দেখে নুরু কাজী ভয় পাবে। আমি জানি নুরু কাজীর নামে একটা মানি লন্ডারিং কেস চলছে।
​নীল: (প্রস্তুত হয়ে) কী করতে হবে বল!
​দৃশ্য ৪: তীব্র সংঘাত ও হৃদয় বিদারক বিদায়
​সময়: পরের দিন সকাল।
স্থান: নীলার বাড়ির বাইরে।
​(৪.১) চূড়ান্ত অবহেলা: নীল একটি পুরনো ক্যামেরা নিয়ে নীলার বাড়ির সামনে আসে। সে নীলার সাথে শেষবারের মতো দেখা করতে চায়। নীলাও বাধ্য হয়ে ঘর থেকে বের হয়।
​নীল: (আবেগাপ্লুত হয়ে, হাতে কিছু ফুল নিয়ে) নীলা! আজ আমি তোমার জন্য কিছুই আনতে পারিনি। কিন্তু আমি হার মানিনি। আমাকে আর একটু সময় দাও।
​নীলা: (কঠিন কণ্ঠে, চোখে জল) নীল, আর সময় নেই! আমার বাবা-মা চান না আমি আর কোনো অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকি। এই শহর শুধু সফলদেরই জায়গা দেয়। তুমি আমার ভালোবাসাকে অবহেলা করে শুধু স্বপ্ন দেখেই গেলে! তোমার স্বপ্ন আমার কাছে একটা বোঝা! আমাকে যেতে দাও!
​(নীল স্তব্ধ হয়ে যায়। তার হাত থেকে ফুলগুলো মাটিতে পড়ে যায়। এই দৃশ্য দর্শককে কাঁদাবে।)
​নীল: (চিৎকার করে, কণ্ঠে তীব্র যন্ত্রণা) তুমি কি সত্যিই মনে করো আমি তোমাকে ভালোবাসিনি? ঠিক আছে নীলা! তুমি আমার ভালোবাসাকে অবহেলা করলে! তোমার এই অবহেলা আমি ভুলব না!
​(নীলা রায়হানের দেওয়া গাড়িতে উঠে দ্রুত চলে যায়। নীল রাস্তায় বসে পড়ে। তার চোখের জল গড়িয়ে পড়ে। সে প্রতিজ্ঞা করে, এই অবহেলা সে একদিন ফিরিয়ে দেবে।)
​পর্ব ৩: প্রতিশোধ ও অনুধাবনের সমাপ্তি (২০ মিনিট – ৩০ মিনিট)
​দৃশ্য ৫: নুরু কাজীর পতন ও লাবণ্যের সহায়তা
​সময়: কয়েক মাস পর।
স্থান: একটি লোকাল আদালত।
​(৫.১) প্রতিশোধের সূচনা: নীল (এখন কিছুটা সফল), লাবণ্যকে সঙ্গে নিয়ে নুরু কাজীর নামে মানি লন্ডারিং মামলা করে। নীল গোপনে কাজীর কিছু ছবি প্রমাণ হিসেবে জমা দেয়।
​নীল: লাবণ্য, আমার ভালোবাসা চলে গেলেও, আমার প্রতিজ্ঞাটা রয়ে গেছে। আমি নুরু কাজীকেও ছাড়ব না, আর নীলাকেও দেখাব, সে কী হারিয়েছে।
​(৫.২) কাজীর পতন: আদালতে নুরু কাজীর মানি লন্ডারিং প্রমাণ হয়। আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে।
​নুরু কাজী: (চিৎকার করে) নীল! তুই আমার মান-সম্মান সব ডুবিয়ে দিলি! আমি তোকে দেখে নেব!
​নীল: (শীতল কণ্ঠে) এটা অবহেলার শহর, কাজী সাহেব। এখানে মান-সম্মান কিনতে পাওয়া যায় না।
​দৃশ্য ৬: নীলার অনুধাবন ও নীরব অশ্রু
​সময়: তিন বছর পর।
স্থান: নীলের নতুন ফ্ল্যাট ও একটি আন্তর্জাতিক ফটোগ্রাফি ম্যাগাজিন।
​(৬.১) সফলতা ও শূন্যতা: নীল এখন একজন প্রতিষ্ঠিত ফটোগ্রাফার। তার স্টুডিও বেশ বড়। সে একটি আন্তর্জাতিক ম্যাগাজিনে তার ছবি ছাপিয়েছে, নাম দিয়েছে: "The Love of the Neglected"।
​(৬.২) অনুধাবনের মুহূর্ত: নীলা (এখন চাকরি হারানো), একটি কফি শপে বসে পত্রিকা পড়ছে। সেখানে নীলের ছবি এবং সাফল্যের গল্প দেখে সে স্তব্ধ হয়ে যায়।
​নীলা: (পত্রিকাটি বুকে চেপে, স্বগত) নীল! তুমি সফল হয়েছ! তোমার স্বপ্ন সত্যি হয়েছে! কিন্তু... আমি তোমাকে হারিয়ে ফেলেছি।
​(৬.৩) চূড়ান্ত দেখা ও নীরব অশ্রু: নীলা সাহস করে নীলের ফ্ল্যাটে আসে। নীলকে দেখে তার চোখ ছলছল করে ওঠে।
​নীলা: (কান্নায় ভেঙে পড়ে) নীল! আমাকে ক্ষমা করে দাও। আমি তোমাকে চিনতে পারিনি। আমার বাবার চাপ আর এই শহরের লোভ আমাকে অন্ধ করে দিয়েছিল। তোমার ভালোবাসা আমার জীবনের সবথেকে বড় ভুল ছিল না, বরং আমার অবহেলাই সবথেকে বড় ভুল ছিল।
​নীল: (স্থির চোখে তাকিয়ে, কণ্ঠে তীব্র বিষাদ) আপনি ঠিক বলেছেন, নীলা। আমার ভালোবাসা আপনাকে দেওয়া সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ ছিল। কিন্তু আপনি তাকে অবহেলা করেছেন। আপনার জীবনের সেই হিসেবটা আজ পূরণ হয়েছে। আপনি সফলতা চেয়েছিলেন, আর আমি সেই সফলতাকে শিল্পে রূপ দিয়েছি।
​(নীল আলতো করে নীলার হাত থেকে সরে যায়। তার চোখে কোনো ক্রোধ নেই, শুধু চাপা বেদনা। এই দৃশ্যে দর্শক আবারও আবেগী হবে।)
​নীল: আপনি এখন যেতে পারেন। আমার জীবনে আপনার জন্য আর কোনো স্থান নেই।
​(নীলা নীরব অশ্রু নিয়ে ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে যায়। নীল জানালা দিয়ে সেই দূরে চলে যাওয়া নীলার দিকে তাকিয়ে থাকে। তার মুখে এখন সফলতা, কিন্তু তার পাঁজরে সেই পুরনো ভালোবাসার অবহেলার ক্ষতটা রয়ে যায়।)
​(নাটকটি শেষ হয় বাদলের কমেডি ভয়েসওভার দিয়ে: "নীল! তোর ক্যামেরাটা তো হিট! কিন্তু লাভ স্টোরিটা একটু বেশিই স্যাড! পরেরবার 'সোনার পালঙ্কের' ছবি তুলিস!")

04/04/2025

মলদ্বার বেরিয়ে আসা বা আলিশ রোগের ফ্রী চিকিৎসা
আয়ুর্বেদ চিকিৎসক ডাঃ মোঃ রেজাউল করিম নীল

07/03/2025

যৌনশক্তির হালুয়া :

১. শুক্রক্ষয়ে ভালো কাজ করে ।

২. দ্রুত বীর্যপাত ও ধাতু দূর্বলতা দূর করে।

৩. বহুমুত্র রোগ সারাতে সাহায্য করে।

৪. শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে।

৫. মূত্রনালীর সংক্রমণ রোধে বা সংক্রমণে।

1,250.00৳ Original price was: 1,250.00৳ .750.00৳ Current price is: 750.00৳ .

যৌনশক্তির হালুয়া উপকারিতা:

১.যারা যৌবনে অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ ও হ-স্ত-মৈথুনের কারনে বা অন্য কোন কারনে যৌন দু-র্ব-লতায় ভুগছেন

২.বিয়ে করতে সাহস পাচ্ছেন না

৩.বিবাহিত জীবনে অক্ষমতার পরিচয় দিচ্ছেন

৪. মি ল নে স্থায়িত্ব বলতেই নেই।

৫. দাম্পত্য জীবনে কলহ লেগেই থাকে।
৬. দাম্পত্য জীবনে কোন সুখ নেই।

৭. একই কারনে শুকিয়ে স্বাস্থ্য ও চেহারা নষ্ট করে ফেলছেন।

৮. অতিরিক্ত স্ব+প্ন দোষ

৯. বী র্য একেবারেই পাতলা

১০. শুক্র ক্ষমতা দূর্বল

১১. যারা অতিরিক্ত পরিশ্রম করেন

১২. অলসতা -অবসাদের কারণে কোন কিছুই ভাল লাগেনা

১৩. প্রচন্ড রকমের শারীরিক দূর্বলতা

১৪. রাতের ঘুম কম

১৫. যারা জিম করেন তাদের জন্য…

16. শুক্রক্ষয়ে ভালো কাজ করে ।
17. দ্রুত বীর্যপাত ও ধাতু দূর্বলতা দূর করে।
18. বহুমুত্র রোগ সারাতে সাহায্য করে।
19. শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি করে।
20. মূত্রনালীর সংক্রমণ রোধে বা সংক্রমণে

👉কোন প্রকার গ্যারান্টি দেব না এবং চুক্তিতেও ঔষধ তৈরি করে দেই না। কারণ গ্যারান্টি দেওয়ার ক্ষমতা আমার নেই। রোগ সৃষ্টিকারী দিয়েছেন আল্লাহ, সুস্থতা দানকারীও আল্লাহ। আর আল্লাহ তায়ালা প্রকৃতিতে সবকিছুই আমাদের উপকারের জন্যই সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে মাধ্যম হিসেবে আমাদের ঔষধ সেবন করলে ইনশা আল্লাহ ফল পাবেন।

তবে মনে রাখতে হবে, রোগ থেকে আরোগ্য দানকারী একমাত্র আল্লাহ। ঔষধ কেবল মাধ্যম। সুতরাং আল্লাহ যদি না চান তাহলে কোনো ওষুধই কাজ করে না। কারণ আল্লাহ হয়তো বান্দাকে রোগব্যাধি দিয়ে পরীক্ষা করেন অথবা এর মাধ্যমে তার গুনাহ মোচন করেন, আখিরাতে মর্যাদা বৃদ্ধি করেন এবং সেখানে তাকে এর চেয়েও বড় পুরস্কারে ভূষিত করেন যা দুনিয়ার সকল কল্যাণ এর থেকেও অধিক উত্তম। আল্লাহ চাইলে অবশ্যই সুস্থতা অর্জিত হবে। অন্যথায় তিনি অন্যভাবে বান্দাকে এর বিনিময় দান করবেন। এ বিশ্বাস রাখাই মুমিনের কর্তব্য।

১০০% খাঁটি উপাদান দিয়ে তৈরি “ন্যাচারাল পাওয়ার পাউডার ও ন্যাচারাল পাওয়ার হালুয়া” যা আপনার দেহের উপকারে আসবেই। আপনার কষ্টার্জিত অর্থের একটি মূদ্রাও বিফলে যাবে না, ইনশা আল্লাহ।
আয়ুর্বেদ চিকিৎসক ডাঃ মোঃ রেজাউল করিম নীল

14/02/2025

ফুলকপির ঔষধী গুনা গুণ কি?

শীতের মৌসুমে ফুলকপি খাবেন না, তা কি হয়? ফুলকপির যে মেলা গুণ! ফুলকপি শুধু স্বাদের জন্যই নয়, এতে থাকা সালফার সুস্বাস্থ্য ধরে রাখার জন্য উপকারী। যকৃৎ থেকে ক্ষতিকর বিষাক্ত উপাদান দূর করে এটি সুস্থ রাখতে পারে ফুলকপি। ফুলকপির বিশেষ কিছু গুণ আছে, যা সবার জেনে রাখা ভালো:

১. কোলস্টেরল কমায়: এতে প্রচুর ফাইবার আছে, যা শরীরে কোলস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

২. ওজন কমাতে: গবেষণায় দেখা গেছে, ফুলকপি মস্তিষ্ক ভালো রাখে, ওজন কমায় এবং সর্দি-কাশিসহ নানা রোগ প্রতিরোধ করে।

৩. হাড় ও দাঁত শক্ত করে: ফুলকপিতে রয়েছে দাঁত ও মাড়ির উপকারী ক্যালসিয়াম ও ফ্লোরাইড। এর ক্যালসিয়াম হাড় শক্ত করে।

৪. ক্যানসার প্রতিরোধ করে: মারাত্মক ক্যানসার প্রতিরোধ করতে পারে ফুলকপি। এতে আছে সালফোরাপেন, যা ক্যানসার কোষকে মেরে টিউমার বাড়তে দেয় না। স্তন ক্যানসার, কোলন ও মূত্রথলির ক্যানসারের জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়ার ক্ষমতাও আছে ফুলকপির।

৫. হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য উপকারী: ফুলকপি হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য ভালো। এতে যে সালফোরাপেন আছে, তা হৃদ্‌রোগের বিরুদ্ধে লড়তে পারে।

৬. রোগ প্রতিরোধ করে: ফুলকপিতে আছে ভিটামিন ‘বি’, ‘সি’ ও ‘কে’, যা এ সময়ের সর্দি, ঠান্ডা, কাশি জ্বর ভাব, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, গা-ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া ফুলকপির আরও সব প্রয়োজনীয় উপাদান রোগ প্রতিরোধেও অংশ নেয়।

৭. শক্তি জোগায়: এই সবজিতে আছে প্রচুর আয়রন। রক্ত তৈরিতে আয়রন রাখে গুরুত্বপূর্ণ অবদান। গর্ভবতী মা ও অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করা মানুষের জন্য ফুলকপি অত্যন্ত জরুরি।

৮. চুল ও ত্বকের জন্য উপকারী: কম ক্যালরিযুক্ত ও উচ্চমাত্রার আঁশসমৃদ্ধ ফুলকপি চুল ভালো রাখে। ত্বকের সংক্রমণও প্রতিরোধ করে।

৯. পরিপাকতন্ত্র ভালো রাখে: ফুলকপি পরিপাকতন্ত্রকে ভালো রাখতে সাহায্য করে।

১০. দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়: চোখের যত্নে ফুলকপির কোনো তুলনা হয় না। ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন ‘এ’ চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। চোখ সুস্থ রাখতে বেশি করে ফুলকপি খাওয়া উচিত।

🌿 আয়ুর্বেদ চিকিৎসক🌿 ডাঃ মোঃ রেজাউল করিম নীল 🌿 াসের_টাইমিং_বৃদ্ধি_করুন #বিশেষজ্ঞের_পরামর্শ_নিতে_ইনবক্স_করুন #দ্রুত_বীর্য

05/02/2025

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Sumon Ahmed, মোঃ ওবাইদুল ইসলাম জিহাদ, মো সুমোন

Want your business to be the top-listed Photography Service in Rangpur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Rangpur