Please Support Me
26/07/2025
স্কুলের ক্যান্টিনে বসে আড্ডা দিচ্ছিল এই তিন বন্ধু। আরমান,নাফি এবং প্রলয় ওরা সবাই ক্লাস সিক্সের স্টুডেন্ট।
আড্ডার মাঝখানে হঠাৎ তারা দেখতে পায় বিকট শব্দে একটা বিমান এসে পড়েছে ক্লাসরুমের উপর। তারা তিনজনই আড্ডা বাদ দিয়ে দৌড়ে চলে যায় ক্লাসরুমের দিকে।
আরমান গিয়ে দেখে অনেকগুলো বাচ্চার শরীর পুড়ে ঝলসে গিয়েছে, শরীর থেকে মাংস গলে গলে পড়ছে। পুড়ে যাওয়া একটা ছেলেকে নিজের স্কুল ব্যাগ দিয়ে চেপে ধরে আরমান,
তাতে শরীরের আগুনটা নিভে যায়। এরপর তাকে ফাঁকা জায়গায় পাঠিয়ে দেয় আরমান।
নাফি তখন দেখতে পায় ৪-৫ জন বাচ্চা পোড়া শরীর নিয়ে দিক্বিদিক হয়ে দৌড়াচ্ছে। একটা বাচ্চা মেয়ের ব্যাগ পুড়ে পিঠের সাথে লেগে গিয়েছে। মেয়েটা ব্যাগটা খুলতে পারছিল না, কথাও বলতে পারছিল না।
পরে নাফি মেয়েটার ব্যাগটা পিঠ থেকে আস্তে আস্তে সরিয়ে দেয়। তাৎক্ষণিক ভ্যানে তুলে নিরাপদ জায়গায় পাঠিয়ে দেয় সবাইকে।
প্রলয় তখন উদ্ধার করছিল অন্যদিকে। সে দেখতে পায় তাদেরই কিছু বন্ধু পোড়া শরীরে ক্লাসের পাশে পড়ে আছে, আর মা মা বলে চিৎকার করছে।
তখন এই তিন বন্ধু মিলে টেনেহিঁচড়ে বের করে বাকি বন্ধুদেরকে। বন্ধুদের বের করতে গিয়ে পিঠে আগুন লেগে যায় একজনের, প্রচন্ড আঘাতও পায় হাতে।
তবুও নিজ শরীরের আঘাত আর আগুন নিয়েই একে একে বের করতে থাকে বাকি বন্ধুদেরকে। কিছু বন্ধুর শরীর পুড়ে গিয়েছিল, কারো ফুসফুস পুড়ে গিয়েছিল, কেউ মা মা বলে চিৎকার করছিল।
এভাবেই তীব্র সাহসিকতা নিয়ে তিন বন্ধু মিলে উদ্ধার করেছিল বাকি বন্ধুদেরকে। উদ্ধার করার পর ওদের কিছু বন্ধু মারা গিয়েছে, কিছু এখনো হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে।
আমি জানতাম তুমি আসবে- এই উক্তির মতো তিন বন্ধু মিলে উদ্ধার করেছিল বাকি ১৮-২০ জন বন্ধুকে।
সাংবাদিকরা যখন এই তিনজনকে জিজ্ঞেস করেছিল - বন্ধুদেরকে বাঁচাতে গিয়ে তোমাদের যদি কিছু হয়ে যেত? তোমাদেরও যদি পুরো শরীরে আগুন লেগে যেত?
ওরা তিনজন উত্তর দিয়েছে- তখন এসব মাথায় আসে নাই, বারবার শুধু মনে হচ্ছিল ছোট বাচ্চাগুলোকে বাঁচাতে হবে, আমাদের বন্ধুদেরকে বাঁচাতে হবে। আমরা কাঁদছিলাম আর বন্ধুদের পোড়া শরীর ভ্যানে তুলছিলাম।
এই তিনজনের বয়স আর কত হবে, খুব বেশি হলে ১২ কিংবা ১৩। ওদের বয়স হয়তো কম কিন্তু যে অসীম সাহসিকতার কাজ করেছে সেটা পাহাড়ের উচ্চতার চেয়েও বেশি।
সাহসী তো হবেই, ওরা যে মাহরীন, মাসুকাদের মতো সাহসী ম্যাডামদের স্টুডেন্ট। ম্যাডামদের কাছ থেকেই সাহস সঞ্চারিত হয়েছে স্টুডেন্টদের বুকে।
এই তিনজন সাহসী হিরোর জন্যেই বেঁচে গিয়েছে অনেকগুলো বাচ্চা এবং বন্ধুর প্রাণ। বন্ধুত্ব শব্দটা মহিমান্বিত হয়েছে তাদেরই কারণে।
এই তিনজনের যে বন্ধুগুলো বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা নিচ্ছে তারা যখন সুস্থ হবে তখন হয়তো আবারও বন্ধুদের সাথে খেলবে, গান গাইবে।
খেলার কোন এক ফাঁকে হয়তো এই তিনজনকে উদ্দেশ্য করে বাকি বন্ধুরা বলবে- আমরা জানতাম তোরা আসবি, আমাদেরকে উদ্ধার করবি
লেখা- Ibrahim Khalil Shawon
07/05/2025
বিশ্ব আজ বিভীষিকাময়-
কিছু মানুষরূপী অমানুষ দ্বারা,
সাধুজনেরা আজ নয়রে সাধু-
হয়ে যাচ্ছে মোসাহেব তাঁরা।
ওদের কর্ণকুহরে শীশা ঢালা-
শুনেনা মজলুমদের আর্তনাদ,
দুচোখে ওদের মোহর মারা-
তাই খুনিরে পড়াই স্বর্ণের তাজ।
মুসলিম না ওরা মুনাফিক-
যারা বন্ধু বানায় কাফের মুশরিক।
30/12/2024
অনুকাব্য:
-------------
মুক্ত হস্তে অসহায়ত্বে কাছে
করে যে লোকে দান,
শুকনা বৃক্ষে হীনা ডালে
ফুটাতে পারে সে প্রান।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Rajshahi