Bcs and Bank Math Solution
বাংলাদেশে ইলিশের (Hilsa) প্রজনন ও সংরক্ষণের জন্য কয়েকটি অভয়াশ্রম (Sanctuary) নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে নির্দিষ্ট সময়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৬টি ইলিশ অভয়াশ্রম রয়েছে।
বাংলাদেশের ৬টি ইলিশ অভয়াশ্রম:
1. মেঘনা নদী (চাঁদপুর অংশ) – চাঁদপুরের মতলব উত্তর থেকে ভোলা জেলার ভেদুরিয়া পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার এলাকা।
2. মেঘনা নদী (শরীয়তপুর, বরিশাল ও ভোলা অংশ) – মেঘনা নদীর শাহবাজপুর চ্যানেলের ৯০ কিলোমিটার এলাকা।
3. পদ্মা নদী (শরীয়তপুর অংশ) – নাওডোবা থেকে চরভেদুরিয়া পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার এলাকা।
4. তেঁতুলিয়া নদী (ভোলা অংশ) – ভোলার ভেদুরিয়া থেকে তজুমদ্দিন পর্যন্ত ৮০ কিলোমিটার এলাকা।
5. আন্দারমানিক নদী (পটুয়াখালী অংশ) – পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ৬০ কিলোমিটার এলাকা।
6. সন্দ্বীপ চ্যানেল (নোয়াখালী অংশ) – নোয়াখালীর হাতিয়া ও সন্দ্বীপের সংযোগস্থলে ইলিশের প্রজনন কেন্দ্র।
ইলিশ সংরক্ষণ নীতিমালা:
নিষিদ্ধ সময়: প্রতিবছর ইলিশের ডিম ছাড়ার মৌসুম (সাধারণত অক্টোবর মাসে) ২২ দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকে।
জাটকা সংরক্ষণ: ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত ৭৬ দিন জাটকা (১০ ইঞ্চির কম ইলিশ) ধরা নিষিদ্ধ।
মা ইলিশ রক্ষা অভিযান: প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে মাছ ধরা, বিক্রি, পরিবহন ও সংরক্ষণ নিষিদ্ধ করা হয়।
এই অভয়াশ্রমগুলোতে ইলিশের অবাধ প্রজনন ও সংরক্ষণের কারণে বাংলাদেশে ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।
আল মাহমুদ (১৯৩৬-২০১৯) ছিলেন বাংলাদেশি কবি, ঔপন্যাসিক ও গল্পকার। তিনি বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ আধুনিক কবিদের একজন হিসেবে পরিচিত। তাঁর কবিতায় গ্রামবাংলার রূপ, প্রকৃতি, প্রেম, মুক্তিযুদ্ধ, ইতিহাস ও সংস্কৃতি গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
জীবন ও কর্ম
আল মাহমুদের প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর লেখালেখির সূচনা হয় পঞ্চাশের দশকে, যখন তিনি কলকাতার বিভিন্ন সাহিত্য পত্রিকায় কবিতা প্রকাশ করেন।
তিনি সাংবাদিকতা করতেন এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ও তাঁর লেখনীতে দেশপ্রেম ফুটে উঠেছিল। স্বাধীনতার পর তিনি সরকারি চাকরিতে যুক্ত হন এবং বাংলা একাডেমির পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন।
সাহিত্যকর্ম
আল মাহমুদের সাহিত্যকর্মকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়: কাব্যগ্রন্থ, উপন্যাস ও নাটক।
কাব্যগ্রন্থ:
আল মাহমুদ মূলত একজন শক্তিশালী কবি। তাঁর কবিতায় বাংলার প্রকৃতি, জনজীবন, প্রেম এবং রাজনৈতিক বাস্তবতা ফুটে উঠেছে। উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো—
সোনালি কাবিন (১৯৭৩)
লোক লোকান্তর (১৯৬৩)
কালের কলস (১৯৬৬)
মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো (১৯৭৬)
আরব্য রজনীর রাজহাঁস (১৯৮৭)
বখতিয়ারের ঘোড়া (১৯৯২)
অন্ধকার বর্ষণ (২০০১)
উপন্যাস:
আল মাহমুদ কবিতার পাশাপাশি গদ্যেও ছিলেন সমান পারদর্শী। তাঁর উপন্যাসগুলো মূলত সামাজিক বাস্তবতা, মুক্তিযুদ্ধ ও গ্রামীণ জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে রচিত। উল্লেখযোগ্য উপন্যাসসমূহ—
কবি ও কোলাহল
উপমহাদেশ
ডাহুকি
গল্পগ্রন্থ পানকৌড়ির রক্ত
নাটক ও অন্যান্য সাহিত্য:
আল মাহমুদের নাটকসংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম, তবে তাঁর গল্প ও আত্মজীবনীমূলক রচনা বেশ জনপ্রিয়। তাঁর আত্মজীবনীগ্রন্থ "যেভাবে বেড়ে উঠি" সাহিত্যানুরাগীদের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত।
পুরস্কার ও স্বীকৃতি
আল মাহমুদ বাংলা সাহিত্যে অসাধারণ অবদানের জন্য বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন, যার মধ্যে অন্যতম—
একুশে পদক (১৯৮৭)
বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬৮)
জীবনানন্দ দাশ সাহিত্য পুরস্কার
উপসংহার
আল মাহমুদ ছিলেন বাংলা কবিতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কণ্ঠস্বর। তাঁর কবিতা ও সাহিত্যকর্ম বাংলার সংস্কৃতি, প্রকৃতি এবং জীবনবোধকে গভীরভাবে তুলে ধরেছে। তাঁর সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অমূল্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হবে।
"সরল" শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো:
সহজ
স্পষ্ট
সাদামাটা
অনাড়ম্বর
অবিনয়
সাধারণ
অকপট
নির্বিকার
সিধা
"সরল" শব্দের বিপরীত শব্দগুলো হলো:
জটিল
কঠিন
কুটিল
দুর্বোধ্য
প্রতারণাপূর্ণ
বাঁকানো/বক্র
প্রবঞ্চক
"গরল" শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো:
বিষ
হলাহল
কালকূট
তীব্র
প্রাণঘাতী
"গরল" শব্দের বিপরীত শব্দ হলো:
অমৃত
সুধা
মধু
পানীয়
জীবনদায়ী
█▒▒▒ সর্বশেষ/Just In ▒▒▒█
অবশেষে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা স্থায়ীভাবেই বৃদ্ধি পাচ্ছে !! আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী
সোর্স : NEWS 24
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Binodpur Motihar Rajshahi
Rajshahi