NGDC Science Club
07/08/2021
0 x ∞ = ?
কিছুক্ষন আগে দেখেছি একটা যুক্তি যে শুন্যকে ইনফিনিটি দিয়ে গুন করলে শুন্য হবে । যুক্তিটা এমন যে কোন কিছু গুন করা অর্থ হল গুনক সংখ্যাক মুল সংখ্যা যোগ করা । তাহলে অসীম কে ০ বার যোগ করা হচ্ছে। মানে একবার ও যোগ করা হয়নি। তাহলে শুন্যই তো হবে তাই না ?
প্রথম কথা ১০০% সত্য।
4 x 3 = 12
4 + 4 + 4 = 12
তাহলে
কি আসলেই ০ হবে ?
না শুন্য হবে না। কারন আমাদের প্রথমে মাথায় রাখতে হবে অসীম কোন সংখ্যা না । এটি একটি ধারনা। অসীম কে কখনোই ধরা যায় না। ভৌত জগতে কোন কিছুই অসীম নয়। অসীমের কোন মান নাই। তাহলে কি হবে উত্তর ?
আমরা জানি ,
n/0 = ∞
এখন,
∞ x 0
= (n/0) x 0
= (n x 0)/0
= 0 / 0
এখন আমরা জানি যে 0/0 একটা অনির্ণেয় আকার। এর মান কি হবে কেউ জানে না। । তাই ,
0 x ∞ = we don't know
08/06/2021
Day - 5
নক্ষত্রের জীবনচক্র
আচ্ছা কখনো মনে হয় নি বিজ্ঞানে বার বার ই তারা না বলে নক্ষত্র কেন বলা হয়?
আসলে উত্তর আমার জানা নেই আজকের লেখা অনেক বিস্তৃত বলে একটা উদ্ভট প্রশ্ন করেই আহুরু করলাম। তারা বললে দোষ নাই কোন।
⭕ নক্ষত্রের জীবনচক্র জানার জন্য আমাদের একদম শুরু থেকে শুরু করতে হবে।
আমরা গত পর্বের আগের পর্বে নেবুলা বা নিহারিকা নিয়ে জেনেছিলাম। নক্ষত্র তৈরি হয় নিহারিকা থেকেই। নিহারিকা গ্যাস এর জোগান দেয় নক্ষত্র তৈরি হওয়ার জন্য। মহাকর্ষ বলের প্রভাবে নিহারিকা সংকুচিত হয়। গ্যাস গুলো কাছে আসতে থাকে। যত কাছে আসে তত তাপমাত্রা বাড়ে গ্যাস অনুর গতি বাড়ে এবং একে অন্যের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। যার ফলে একসময় ফিউশন বিক্রীয়ার সৃষ্টি হয়। ফিউসনের ফলে তৈরি হয় তাপ আর এখান থেকেই হয় নক্ষত্র।
🔴 এখন এইভাবে তৈরি হওয়া নক্ষত্রকে বলা হয় মেইন সিকুয়েন্স স্টার। আমাদের সূর্য এরকম একটি নক্ষত্র। মেইন সিকুয়েন্স স্টার গুলো কয়েক বিলিয়ন বছর পর্যন্ত ভারসাম্যে থাকে।
কিসের ভারসাম্য?
🟢 মহাকর্ষ ক্রমাগত নক্ষত্রের সকল কণাকে কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করতে থাকে এদিকে ফিউশন এর বাইরের দিকে দেওয়া শক্তির জন্য দুটি সমান ও বিপরিতগামী বল তৈরি হয়। এর কারনে নক্ষত্র গুলোতে ভারসাম্য থাকে।
তিলে তিলে এর হাইড্রজেন এক সময় শেষ হয় এবং এটি মহাকর্ষের প্রভাবে সংকুচিত হতে থাকে। সংকুচিত হতে হতে আবার একটা সময় ওর ভেতরে থাকা মৌল গুলো ফিউশন শুরু করে এবং শুরু হয় তার দ্বিতীয় দফার জীবন।
🔘🔘 একটা নক্ষত্র এই দ্বিতীয় দফায় কি হবে তা নির্ভর করে এটি তার প্রথম অবস্থায় কেমন ছিল তার উপর।
⭕ যদি এটি ক্ষুদ্র নক্ষত্র হয়ে থাকে তবে এটা পরিনত হবে রেড জায়েন্ট এ। যেমন আমাদের সূর্য হবে।
⭕ যদি বড় হয়ে থাকে তাহলে হবে রেড সুপার জায়েন্ট। এগুলো মেইন সিকুয়েন্স স্টার থেকে কয়েক মিলিয়ন গুন বড় হয়।
🔵 যদি রেড জায়েন্ট হয় কোন নক্ষত্র তাহলে এক সময়বের জ্বালানী আবার শেষ হয়ে যায় এবং সে হোয়াইট ডর্ফ এ পরিনত হয়। আর তারপর ধীরে ধীরে নিজের আলো ফুরিয়ে ব্ল্যাক ডর্ফ বা মৃত নক্ষত্রে পরিনত হয়। ব্ল্যাক ডর্ফ কিন্তু ব্ল্যাক হোল না। ব্ল্যাক ডর্ফ নিয়ে সামনে লিখব।
⭕ যদি হয় রেড সুপার জায়েন্ট তাহলে সে তার জীবনকালে আরো কয়েক টি ধাপ পার করে। সংকোচন ও প্রসারণ হয় ঘন ঘন । লোহা বা আয়রন তৈরি হওয়া পর্যন্ত এসব চলতে থাকে। তারপর আবার আকারের উপর ভিত্তি করে দুই রকম হতে পারে।
🟣 যদি তুলনায় ছোট হয় তাহলে সেখান থেকে এবার সংকোচনে নিজের নিউক্লিয়াস ধরে রাখতে পারে না এবং ইলেক্ট্রন গুলো প্রোটনে নিক্ষেপিত হয়ে নিউট্রন তৈরি করে আর তৈরি হয় নিউট্রন স্টার।
🔵 যদি আসলেই খুব বেশি বড় হয়ে থাকে তাহলে এই স্টার গুলো শেষ বিস্ফোরণে বা সুপারনোভার পর ব্ল্যাক হোল এ পরিনত হয়।
⭕ ব্ল্যাক হোল হোক বা নিউট্রন স্টার গ্যাস ক্লাউড আবারো সুপারনোভা থেকে ছটিয়েই যায়। যার কারনেই আবার একটি নক্ষয়্র তৈরি হওয়ার সুযোগ এর সৃষ্টি হয়।
🟢 আমাদের সূর্য একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের নক্ষত্র। অর্থ্যাত পূর্ববর্তি একটু সুপারনোভার গ্যাস একত্র হয়েই এর সৃষ্টি হয়েছে।
লেখকঃ আদিব সাখাওয়াত
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Rajshahi