LEDP Marketer Debashish
গুগল এডসেন্স একাউন্টের অনুমোদন পাওয়ার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হলোঃ
-------------------------------------------------
আমরা জানি গুগল এডসেন্স বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি পি.পি.সি. এডভার্টাইজিং প্রোগ্রাম কারণ তারা পাবলিশারদের সবচেয়ে বেশি পে করে থাকে। প্রায় সকল ব্লগার এবং ওয়েবমাষ্টাররাই চায় গুগল এডসেন্স দিয়ে তাদের সাইট/ব্লগ মনিটাইজেশন করার জন্য কিন্তু অনেকেই এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পায় না আবার অনেকে পেলেও কিছুদিনের মধ্যেই তাদের একাউন্ট ব্যান হয়ে যায়। বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে অনেকেই বলে যে তারা এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পায় না।
কিন্তু আপনি যদি এডসেন্স একাউন্ট এর আবেদন এর পূর্বে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর নজর রাখেন তাহলে খুব সহজেই একাউন্ট এর অনুমোদন পেয়ে যাবেন সাথে সাথে আপনার একাউন্ট ব্যান হবারও কোন সম্ভাবনা থাকবে না।
চলুন দেখে নেওয়া যাক এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পাওয়ার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
১. নিজস্ব এবং টপ লেভেল ডোমেইন নেম
এডসেন্স এর অনুমোদন পাওয়ার জন্য ডোমেইন নাম অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। অনেক নতুন ব্লগাররা দেখা যায় যে ব্লগস্পট, ওয়ার্ডপ্রেস, উইবলী ইত্যাদিতে সাব-ডোমেইন দিয়ে একটি ব্লগ করে তার জন্য এডসেন্স এর অনুমোদন চায় কিন্তু তারা পান না। তাই আপনাকে অবশ্যই একটি ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনে ব্লগ/সাইট বিল্ডাপ করে তারপর এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হবে। আর টপ লেভেল ডোমেইন বলতে মূলত .কম, .নেট, .ওআরজি কে বুঝায়।
২. ডোমেইন এর বয়স
এডসেন্স একাউন্ট পেতে ডোমেইন এর বয়স আরেকটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়। সাধারণত বাংলাদেশ থেকে এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পেতে আপনার ডোমেইন এর বয়স কমপক্ষে ৩-৪ মাস হতে হবে (৬ মাস হলে ভালো হয়)। ৩-৪ মাসের মধ্যে আপনি আপনার ব্লগ/সাইটে ভালো কিছু কন্টেন্ট দিন আর সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর আনার জন্য ভালোভাবে এস.ই.ও. এর কাজ করুন।
৩. ইউজার ফ্রেন্ডলী ব্লগ/সাইট ডিজাইন এবং নেভিগেশন
আপনার ব্লগ/সাইট এর ডিজাইন অবশ্যই ইউজার ফ্রেন্ডলী হতে হবে। আপনাকে অবশ্যই গুগল এর ওয়েব ডিজাইন গাইডলাইন অনুযায়ী আপনার ব্লগ/সাইট এর ডিজাইন করতে হবে। অন্যথায় আপনি এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পেলেও পরবর্তীতে আপনার একাউন্ট ব্যান হবার সম্ভাবনা থাকবে।
৪. কিছু গুরুত্বপূর্ণ পেজ তৈরী করুন
একটি ব্লগ বা সাইটের জন্য কিছু পেজ (যেমনঃ প্রাইভেসি পলিসি পেজ, এবাউট পেজ, কন্টাক্ট পেজ ইত্যাদি) অনেক গুরুত্ব বহন করে যা অনেক নতুন ব্লগাররাই তাদের ব্লগ সাইটে পাবলিশ করতে ভুলে যান। এই পেজগুলো গুগল অনেক পছন্দ করে এবং আপনার ব্লগকে আরো বেশী ইউজার ফ্রেন্ডলী করে তোলে।
৫. কন্টেন্ট সম্পর্কে সচেতন থাকুন
গুগল এডসেন্স পলিসি অনুযায়ী আপনি আপনার সাইট/ব্লগে কোন কপিরাইটেড কন্টেন্ট, ইমেজ বা ভিডিও পাবলিশ করতে পারবেন না। এতে করে আপনি এডসেন্স এর অনুমতি পাবেন না, আর যদিও পান তাহলে পরবর্তীতে আপনার একাউন্ট ব্যান হয়ে যাবে। তাই ব্লগে কপিরাইটেড কোন কিছু পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকুন।
৬. পোষ্ট লিমিট
এডসেন্স এ আবেদন করার পূর্বে আপনার ব্লগে কমপক্ষে ৪০-৫০টি পোষ্ট থাকলে খুব সহজেই আপনি এডসেন্স এর অ্যাপ্রুভাল পেয়ে যাবেন। মনে রাখবেন পোষ্টগুলো যাতে কমপক্ষে ৫০০-৬০০ ওয়ার্ড এর মধ্যে হয় এবং কিছু পোষ্ট যাতে ১০০০-১৫০০ ওয়ার্ড এর মধ্যে হয়।
৭. নাম, ইমেল এবং বয়স এর ভেরিফিকেশন
অনেকেই নাম এবং ইমেল ভেরিফিকেশন কে গুরুত্ব দেয় না, কিন্তু এটাও এডসেন্স এর অনুমোদন পাওয়ার জন্য একটি ফ্যাক্টর। আপনার ব্লগের এবাউট এবং কন্টাক্ট পেজ এ অবশ্যই আপনার আসল নাম আর ইমেইল আইডি দিবেন।
এডসেন্স এর অনুমোদন পেতে আপনার বয়স অবশ্যই কমপক্ষে ১৮+ হতে হবে।
৮. সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর আনুন
এডসেন্স থেকে ভালো পরিমান উপার্জন করতে হলে সার্চ ইঞ্জিন থেকে অবশ্যই ভালো পরিমান ভিজিটর আপনার ব্লগে আসতে হবে। প্রতিদিন কমপক্ষে ২০০-৩০০ ভিজিটর হলে খুব সহজেই এডসেন্স এর অনুমোদন পেয়ে যাবেন।
৯. অন্যান্য এড নেটওয়ার্ক অপসারণ করুন
আপনি যদি বর্তমানে ব্লগে অন্য কোন এড নেটওয়ার্ক (যেমনঃ ইনফোলিঙ্কস, চিঠিকা ইত্যাদি) ব্যবহার করে থাকেন তাহলে এডসেন্স এর জন্য আবেদন করার পূর্বে অবশ্যই ঐ এড নেটওয়ার্কগুলো ব্লগ থেকে অপসারণ করতে হবে।
১০. পেইড ট্রাফিক
এডসেন্স এর পলিসি অনুযায়ী আপনার ব্লগের জন্য পেইড ট্রাফিক ব্যবহার করতে পারবেন না। যদি ব্যবহার করে তাহলে এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল পাবেন না।
এ বায়ার রিকোয়েস্ট পাঠানোর জন্য কিছু তথ্য:-
ফাইভারে নতুন প্রোফাইল এবং গিগ তৈরি করে পাবলিশ করার পর সেটা সার্চ লিস্টে শো করতে কম বেশি সর্বোচ্চ ৭২ ঘণ্টা সময় লাগে। তবে ভাগ্য ভাল হলে অনেকের টা সাথে সাথেই সার্চ রেজাল্টে চলে আসে। সার্চ রেজাল্টে আসার পর সেটা রেঙ্কিং ঠিক করা এবং সেখান থেকে প্রথম অর্ডার পাওয়ার জন্য একটু বেশিই অপেক্ষা করা লাগে। কারো জন্য সেই অপেক্ষা ১-২ দিন, কারো ১০-১৫ দিন বা কারো হয়তো ৬ মাসের বেশি। সব কিছু আপনার ভাগ্য এবং পারিপার্শ্বিক অন্যান্য বিষয় মিলে বিবেচিত হয়।
আপনি ইচ্ছে করলেই এতদিন অপেক্ষা না করেও যেদিন গিগ পাবলিশ করেছেন সেদিন থেকেই হয়তো আপনার অর্ডার পাওয়া শুরু করতে পারেন। আর সেটা হল Buyer Request এ Apply করার মাধ্যমে। আমার প্রথম অর্ডার Buyer Request থেকেই পেয়েছিলাম। Buyer Request এ কিভাবে Apply করবেন সেটা জানার জন্য ইউটিউবে অসংখ্য ভিডিও আছে। একটু খুঁজে দেখে নিতে পারেন। How to apply buyer request in fiverr লিখে সার্চ দিলেই হবে। তবে সেই ভিডিও গুলোতে যে জিনিসটা শিখানো হয় সেটা হল নিজে ফেক বায়ার সেজে ফেক জব পোষ্ট করা এবং অন্য সেলারদের রেসপন্স থেকে ম্যাসেজ লিখার আইডিয়া কপি করা। আমার কাছে এটা ফালতু একটা বিষয় মনে হয়। আমি নিজে এরকম বায়ার রিকুয়েস্ট পেলে Apply করার পর যদি দেখি সে একজন নতুন সেলার, আমি তার আইডিতে রিপোর্ট মেরে দেই।
Buyer Request এ ম্যাসেজ লেখা নতুনদের জন্য বিরাট একটা সমস্যা! আমি নিজেও যখন নতুন ছিলাম তখন অনেক কিনফিউসনে থাকতাম এই বিষয় নিয়ে। তাই নতুনদের জন্য কিছু লিখলাম নিজের অভিজ্ঞতা থেকে। আশাকরি অনেকের উপকারে আসবে।
প্রথমে বলি বায়ার রিকুয়েস্ট পাবেন কখন?
সাধারনত বাইরের দেশে সকালে, দুপুরে, সন্ধায় বায়াররা জব পোষ্ট করে। সেই অনুযায়ী ওদের সকাল মানে আমাদের সন্ধ্যা ৬-৯ টা, ওদের দুপুর বা লাঞ্চ আওয়ার মানে আমাদের রাত ১-৩ টা, ওদের সন্ধ্যা বা রাত মানে আমাদের সকালে ৯-১১ টা। এই সময় গুলো ছাড়াও অন্য সময়েও দেখতে পারেন যদি কোন Buyer Request পাওয়া যায়।এবার আসি বায়ার কে কি ম্যাসেজ লিখবেন সে বিষয়ে। বায়ার রিকুয়েস্টে কখনোই রবোটিক টাইপ কিছু লিখবেন না। মানে টেক্সট পড়লেই যেন মনে না হয় যে এটা রোবট লিখছে। এরকম রিকুয়েস্ট হাজারটা পাঠালেও লাভ হবে না।
সবার আগে মনোযোগ দিয়ে বায়ার কি লিখেছে সেটা পড়ুন। সে কি কাজ করাতে চাচ্ছে সেটা আগে বুঝুন। আপনি সেই কাজ ভাল মতো পারেন কিনা সেটা দেখুন। কাজ টি তার কতদিনের মধ্যে লাগবে সেটা দেখুন। সব কিছু দেখে যদি বুঝেন যে আপনি পারবেন তাহলে এবার রিকুয়েস্টে এপ্লাই করেন।
কি লিখবেন?
এমন কিছু যেটা আর বাকি ১০ জনের থেকে আলাদা। এমন কিছু যেটা চোখে পড়া মাত্র রবোটিক মনে হবে না। এমন কিছু যেটা পরে বায়ার আপনার প্রোফাইলে আসতে বাধ্য হবে। যেটা দেখে মনে হবে আপনি আসলেই বায়ারের কি রিকুয়েস্ট ছিল সেটা মনোযোগ দিয়ে পড়েই তার কাজের জন্য এপ্লাই করেছেন।
এগুলোর যথাযথ না থাকলেই বায়ার আপনার পাঠানো প্রপোজাল না পড়েই বাদ দিয়ে দিবে। কারন আপনি বাকিদের মতই একই ধরনের মুখস্ত করা কমন লেখা লিখছেন।
নিচের Buyer Request টি খেয়াল করেন-
I am looking for someone who can collect at least 700 leads for my agency, I need business owners contact information who lives in California.
Delivery time- 7 Days
Budget- 300 USD
এখানে বলা হচ্ছে যে তার এজেন্সির জন্য ৭০০ লিড লাগবে এবং সেগুলো California অবস্থিত business owners দের। সেটা তার ৭ দিনের মধ্যেই লাগবে।
এখন আপনি কি লিখবেন?
Hi Sir/Madam, I am তমুক। I can do your work. please give me the order. I am new please give the order. I will satisfy you with my work. হেন তেন হাবি যাবি ব্লা ব্লা ব্লা... লাভ নাই। এভাবে লিখি বলেই ঘোড়ার ডিম পাই। কাজ আর পাই না।
আপনি লিখতে পারেন এভাবে...
Hi, I just saw your job post that you are looking for business owners leads for your agency. I can provide your targeted leads like business owners NAME, EMAIL, PHONE NUMBER, POSITION, WEBSITE LINK, SOCIAL MEDIA PROFILES LINK, EMPLOYEE TYPE, EMPLOYEE SIZE, BUSINESS LOCATION etc within your FIXED TIME. And I will charge (আপনার বাজেট লিখবেন) for that. If its ok for you then please INBOX ME for further discussion. I will be happy to help you. Here’s my portfolio: (আপনার পোর্টফলিও লিঙ্ক দিবেন) Thank you.
এরকম ভাবে লিখলে বায়ার বুঝবে যে আপনি আসলেই তার লিখা ভাল মতো পড়েছেন। তখন সে আপনাকে নক করতে বাধ্য যদি আপনার কপাল ভাল হয়। আপনার লেখায় প্রধান যে বিষয় গুলো সেগুলো Capital Letter এ লিখে দিবেন যেমন টা আমার উপরের লেখায় আছে। তাতে মেইন জিনিস গুলো বায়ারের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। যেমন- সময়, বাজেট, কি কি দিচ্ছেন, আপনাকে ইনবক্স করতে বলা এসব জিনিস Capital করে দিবেন।
আরেকটা সমস্যা হল ফাইভারে বায়ার রিকুয়েস্ট বেশিক্ষণ থাকে না। তাই এত কিছু লিখে সাথে সাথে সেন্ড করা সম্ভব হবে না। তাই আপনি আগে থেকেই এরকম ৩/৪ টা ডেমো টেক্সট লিখে ওয়ার্ড ফাইলে সেভ করে রাখতে পারেন। রিকুয়েস্ট পড়ে সেই মতো শুধু service এর নাম আর সময় বা বাজেট এগুলো পরিবর্তন করে সেন্ড করে দিবেন কপি পেস্ট করে। কিভাবে সেন্ড করবেন সেটার জন্য ভিডিও দেখার কথা শুরুতেই বলেছিলাম।
তবে একই টেক্সট এক নাগারে অনেক দিন ব্যাবহার করবেন না। লেখার ধরন চেঞ্জ করবেন। একই কথা অন্য ভাবে ঘুরায় লিখে নতুন করে আবার ৩/৪ টা তৈরি করবেন।
বায়ার কে Sir/ Madam কিছু বলার দরকার নাই। সে আপনার Boss না যে তাকে Sir/Madam ডেকে ডেকে মুখে ফেনা তুলে ফেলবেন। Hi বা Hi there বা Hello দিয়ে শুরু করতে পারেন। বায়ার কে Boss নয় বন্ধুর মতো ভাবুন। তাহলে কাজ করতে সুবিধা হবে।
সবশেষে বলবো ইংলিশে ভাল হতে হবে। ইংলিশ বোঝা এবং ইংলিশে লেখার জন্য যত টুক ভাল হওয়া প্রয়োজন ঠিক ততটুকই ভাল হতে হবে। তার চেয়ে বেশি হতে পারলে আরও ভাল। কারন আপনি সুন্দর বায়ার রিকুয়েস্ট লিখলেন কিন্তু তাতে ১০১ টা গ্রামাটিকেল ভুল করে আছেন। তখন কোন লাভ হবে না কিন্তু। বায়ার আপনার ভুল ইংলিশ দেখেই দৌড় দিবে সে আপনি তারে কাজ ফ্রি করে দেয়ার অফার ই দেন না কেন! সো ইংলিশ এখানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
আরেকটা কথা আমি যে ডেমো টেক্সট লিখে দিলাম এটাই আবার সবাই কপি পেস্ট করে দেয়া শুরু করবেন না কিন্তু। এটার মতো করে নিজের ব্রেইন কাজে লাগিয়ে নিজের মতো করে কিছু লিখবেন।
সব কিছু আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লেখা। সো ভুল থাকাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কমেন্ট বক্স তো খোলাই আছে...লিখতে পারেন!
22/06/2021
ফাইভারে গিগ ইমেজ আপনাকে ক্লায়েন্ট/বায়ার পেতে অনেক সহযোগিতা করবে।একজন বায়ার প্রথমে আপনার দেয়া ফিচার ইমেজ এবং টাইটেল দেখেই সিদ্ধান্ত নেবে, যে সে আপনার গিগে ক্লিক করবে কি না। এছাড়াও আপনি নিজে যখন রিসার্চের জন্য অন্য কারো গিগ ভিজিট করেন তখন কি দেখে একটা গিগে প্রবেশ করেন? নিশ্চয়ই টাইটেল এবং ইমেজ। ঠিক একইভাবে বায়ার/ ক্লায়েন্ট আপনার গিগ ইমেজ দেখে আকর্ষিত হয়ে গিগে প্রবেশ করবে। (কেননা কথায় আছে আগে দর্শনদারী তারপর গুণবিচারী) ভাগ্য ভালো থাকলে অর্ডারও পেয়ে যেতে পারেন। তাহলে বুঝতেই পারছেন এটা আসলে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপনার গিগ তৈরির ক্ষেত্রে থাম্বেল ইমেজের প্রতি আলাদা নজর দিতে হবে।
✅✅ফাইভারে গিগ ইমেজে তৈরির ক্ষেত্রে যা যা করা উচিত এবং যা যা করা উচিত নয় তা নিয়ে আলোচনা করা হলোঃ
☑️গিগ ইমেজ তৈরির করার সময় আপনাকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মেনে চলতে হবে। আর আপনি এই বিষয়গুলো সঠিক ভাবে করতে পারলে অবশ্যই আশা করা যায় আপনার গিগ র্যাঙ্ক হবে।
➡️ Quality:
গিগের ফিচার ইমেজের জন্য আপনি যে ইমেজটি পছন্দ বা তৈরি করবেন তার কোয়ালিটি(high-resolution images) অবশ্যই ভালো হতে হবে। অর্থাৎ কোন রকম low quality image ব্যবহার করা যাবে না। অনেক সেলারকে দেখা যায় গিগের ইমেজ কোয়ালিটির দিকে বিশেষ নজর রাখে না। এতে বায়ার আপনার সার্ভিসের ব্যপারে সন্দেহ পোষণ করতে পারে। ভাবতে পারে আপনার সার্ভিসও হয়ত ইমেজের মতোই লো- কোয়ালিটির। তাই গিগ ইমেজ তৈরি করার সময় হাই কোয়ালিটি বজায় রাখুন।
➡️ Copyright:
কপিরাইট ইমেজ অর্থাৎ Stock Image ব্যবহার করবেন না। এমনকি অন্য কারো ডিজাইন করা ইমেজ বা গুগল থেকে ডাউনলোড করেও ব্যবহার করবেন না। ফাইভার তাদের Terms & Conditions এ Copyright এর ব্যাপারটি খুব কঠোরভাবে পালন করে। সুতরাং Copyright Image ব্যবহারের ফলে আপনার গিগ র্যাঙ্ক তো করবেই না, বরং একাউন্ট ব্যান হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।
➡️ Clickbait:
ইমেজের মাঝে কোন ক্লিক লেখা বা সিম্বল বা আইকন ব্যবহারকে Clickbait বলা হয়। এই ধরেনের কোন Clickbait Symble ব্যবহার করা যাবে না। এতে গিগ র্যাংকিং কমে যায়।
➡️ ইমেজের সাইজ ও অনুপাত ঠিক রাখুন:
গিগের ফিচার ইমেজ তৈরির ক্ষেত্রে সঠিক সাইজ ও Proportions অনুসরণ করুন। ইমেজের অনুপাত ঠিক রাখতে বর্তমান (Recommended image size is 1280 x 769 px, 72 Dots Per Inch (DPI).
Minimum: 712 x 430 px)
পূর্বে ছিল ( 550 Pixels by 370 Pixels) রেশিও মেইন্টেইন করে গিগ ইমেজ তৈরি করুন। এই মাপের ইমেজ তৈরি করলে তা আপনার গিগে সুন্দরভাবে মানানসই এবং ফিট হবে।
➡️ Badges:
সেলারদের সেল অনুযায়ী ফাইবার badge (level 1, level 2,top rated) প্রদান করে। কিন্তু আপনি ফাইভারে কত নম্বর সেলার এটা badge হিসেবে গিগ বা প্রোফাইল ইমেজে ব্যবহার করা যাবে না। আপনি ফাইভারে কোন পজিসনের সেলার সেটা বায়ার আপনার প্রোফাইলে প্রবেশ করলেই দেখতে পাবে। তাই গিগ ইমেজে এই ধরনের badge এর ছবি যুক্ত করা উচিত না।
➡️ ছবিতে অতিরিক্ত লেখা পরিহার করুন:
অনেককেই ইমেজের মাঝে অনেক বেশি পরিমাণে টেক্সট ব্যবহার করেন। ফলে বায়ার কনফিউসড হয়ে যায়। তাছাড়া এতে করে গিগের ইম্প্রেশন ভালো হয় না। সর্বদা চেষ্টা করবেন গিগ ইমেজ যতটুকু পারা যায় ক্লিন রাখা। অর্থাৎ খুবই অল্প কথায় আপনার সার্ভিস সম্পর্কে ক্লায়েন্টকে বোঝানো।
➡️ কম কনটেন্ট ব্যবহার করুন:
গিগ ইমেজে অতিরিক্ত কনটেন্ট ব্যবহার পরিহার করুন। যেমন, আপনি আপনার বায়ারকে যে সার্ভিস দিচ্ছেন সেই সার্ভিস এর মূল কয়েকটি টপিক উল্লেখ করাই শ্রেয়। কখনোই একটি ইমেজ অতিরিক্ত কনটেন্ট দিয়ে হিজিবিজি করে ফেলবেন না। মূল কথা, যতটুকু জায়গা খালি রেখে মিনিমাল ইমেজ তৈরি করা যায় ততই ভালো।
➡️ একই ইমেজ একাধিক গিগে ব্যবহার করবেন না:
আপনার যদি একাধিক গিগ থাকে তাহলে একই ইমেজ একাধিক গিগে ব্যবহার করবেন না। প্রতিটি গিগের জন্য ইউনিক ফিচার ইমেজ ডিজাইন করার চেষ্টার করুন এবং আপার সার্ভিসকে আলাদাভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করুন।
➡️ নিজের সত্যিকারের ও প্রফেশনাল ছবি দিন:
ইমেজে নিজের ছবি দেয়াটা বাধ্যতামূলক কোন শর্ত নয়। কিন্তু আপনি যদি নিজের ছবি আপনার গিগের ফিচার ইমেজে যুক্ত করতে চান, তাহলে রিয়েল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং প্রফেশনাল মানের ইমেজ ব্যবহার করুন।
➡️ অপ্রাঙ্গিক ইমেজ ব্যবহার করবেন না:
আপনার সার্ভিসের সাথে সামঞ্জস্যতা আছে এমন ইমেজ সর্বদা ব্যবহার করবেন। ধরুন, আপনি দিচ্ছেন Digital Marketing এর সার্ভিস, কিন্তু ইমেজে ব্যবহার করেছেন লোগোর আইকন। এর ফলে বায়ার আপনার সার্ভিস নিয়ে সন্দেহ পোষণ করবে। সুতারং এই ধরনের কাজ করা থেকে বিরত থাকুন।
Debashish Karmaker
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Panchagarh
5000