Scientific Theory
আজকের আয়োজন
বিভিন্ন এসিডের নাম ও সংকেতঃ
📚সাইট্রিক এসিডC6H8O7
📚অক্সালিক এসিডHOOC-COOH
📚সালফিউরিক এসিডH2SO4
📚নাইট্রিক এসিডHNO3
📚পাইরুভিক এসিডC3H4O3
📚কার্বলিক এসিডC6H6O
📚কার্বনিক এসিডH2CO3
📚টারটারিক এসিডC4H6O6
📚ল্যাকটিক এসিডCH3-CH(OH)
COOH
📚ফসফরিক এসিডH3PO4
📚ক্লোরিক এসিডHClO3
📚থায়োয়ানিক এসিডHCNS
📚থায়োসালফিউরিক এসিডH2S2O3
📚নাইট্রাস এসিডHNO2
📚নাইট্রিক এসিডHNO3
📚পাইরোবোরিক এসিডH2B4O7
📚পাইরো সালফিউরিক এসিডH2S2O7
📚পারম্যাঙ্গানিক এসিডHMnO4
📚পারক্লোরিক এসিডHClO4
📚ফসফরাস এসিডH3PO3
📚বোরিক এসিডH3BO3
📚সায়ানিক এসিডHCNO
📚সালফিউরাস এসিডH2SO3
📚সিলিকিক এসিডH2SiO3
📚অলিক এসিডC17H35COOH
📚অ্যাসিটিক এসিডCH3COOH
📚পাইরোভিক এসিডCH3-CO-COOH
📚ফরমিক এসিডHCOOH
📚স্টিয়ারিক এসিডC17H35COOH
কল্পনা করুন আপনি আপনার বাড়ির ছাদে বসে পলাশীর যুদ্ধ দেখছেন। যুদ্ধে অত্যাধুনিক যুদ্ধাস্ত্র ও কলাকৌশল দিয়ে নবাব সিরজুদ্দৌলাকে যুদ্ধ জয়ে সাহয্য করছেন। অথবা যদি দেখেন ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনী রাজাকারদের সাহায্যে নিরীহ মানুষদের হত্যা করছে। আপনি কি বসে থাকতে পারবেন? কিংবা টিপু সুলতান-এর বীরত্ব টিভি সিরিয়ালে না দেখে আপনি সরাসরি দেখার সুযোগ পাচ্ছেন। কেমন হবে? এটা সম্ভব হবে যদি মানুষ বিভিন্ন কালে (ভবিষ্যৎ, অতীত) ভ্রমণ করতে পারে। যেটাকে বিজ্ঞানীরা বলেন "Time Travel"। আসলেই কি এটা সম্ভব হবে?
সত্যি কথা বলতে কি "Time Travel" আমাদের চারপাশে প্রতিনিয়ত হচ্ছে। আমাদের শরীর ভেদ করে প্রতি সেকেন্ডে অনেকগুলো আণবিক পদার্থ যাওয়া আসা করে, যাকে "Cosmic Ray" বলা হয়। এই আণবিক পদার্থগুলো এত ক্ষুদ্র যে অনুভব করা যায় না এবং অনেক ক্ষেত্রে এগুলো শরীরের ক্ষতি করে। কিন্তু আমাদের শরীর স্বয়ংক্রিয় ভাবে এই ক্ষতি মেরামত করে নেয়। কসমিক রে'র আঘাতে যে রেডিয়েশন সৃষ্টি হয় তাকে মহাকাশে মহাকশচারীরা মারা যেতে পারেন। কসমিক রে মহাকাশে সবচাইতে বেশি ক্ষতিকর। মহাকাশে কসমিক রে আলোর গতিতে ছুটে চলে। আর কসমিক রে'র স্থায়ীত্ব হয় মাত্র এক সেকেন্ডর এক মিলিয়ন ভগ্নাংশ সময়। তাই এটা পৃথিবীতে মানুষের কাছে এসে পৌছানোর মত পর্যাপ্ত সময় পায় না। কিন্তু কসমিক রে পৃথিবীতে আসে কি করে? মহান বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এর বিশেষ তত্ত্ব "Relativity" এর মতে কসমিক রে এক কাল হতে আরেক কালে ভ্রমনের মাধ্যমেই পৃথিবীতে আসে।
আইনস্টাইন এর তত্ত্ব এর মতে পৃথিবীর সময় অনেক ধীর গতির হয়ে যাবে যদি আমরা আলোর গতির কাছাকাছি গতিতে ভ্রমন করতে পারি। তিনি আরো বলেছেন যে আমরা আরো দীর্ঘজীবি হব যদি আমরা প্রবল মহাকর্ষন শক্তির বলয়ের মধ্যে থাকতে পারি। এভাবে আইনস্টাইন আরো দেখিয়েছেন যে আমরা ভবিষ্যৎ এর দ্বার খুলতে পারি। আমরা যদি সময়ের গতি কমাতে পারি তবে অর্থাৎ আলোর গতির কাছাকাছি গতিতে চলাফেরা করতে পারি তবে পৃথিবী ছেড়ে গিয়ে আবার পৃথিবীতে ফিরে আমাদের নাতি-নাতনী এমনকি নাতি-নাতনী'র নাতি-নাতনীদের দেখতে পারব। তবে তিনি এটা বলেন নি যে আমরা অতীতে যেতে পারব। বিজ্ঞনী স্টিফেন হকিংস ও বলেছেন যে অতীতে ফিরে যাওয়া সম্ভব না। কারণ কেউ যদি অতীতে যায় তবে সম্ভাবনা থাকে যে সে তার দাদী বা নানী মারা যেতে পারে সেক্ষেত্রে তার মা-বাবার জন্ম হবে না সুতরাং তার নিজেরও জন্ম হবে না।
কিন্তু কিছু বিজ্ঞানী বলেছেন যে আমাদের এই পৃথিবীতে এটা সম্ভব না, তবে তাদের ধারনা আমাদের এই মহাবিশ্বে অসংখ্য "Parallel World" আছে। সুতরাং কারো দাদী বা নানী যদি মারা যায় সেক্ষেত্রে সে অন্য একটি প্যারালাল ওয়ার্ল্ড এ যেতে পারবে যেটি তার ভবিষ্যতের সাথে সম্পর্ক যুক্ত নয়।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে "Parallel World" এ অস্তিত্ব নিয়ে। আসলেই কি "Parallel World" বলে কিছু আছে? বিজ্ঞানীরা দাবি করেন আছে। তবে "Parallel World" -এ যাওয়ার উপায় সম্পর্কে তারা কিছুই বলতে পারছেন না। যদি যাওয়া যায় কেমন হবে বলুনতো? খুবই মজা হবে। আমরা আমাদের অতীতকে সংশোধন করতে পারবো। আমাদের ইচ্ছানুসারে জীবনটাকে সাজাতে পারবো। দারুন হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Telephone
Website
Address
Pabna
136