MSK
আমি এই মর্মে ঘোষণা করছি যে আমি এসকে ছবিন ফেসবুক বা মেটাকে আমার কোন ব্যক্তিগত তথ্য বা ছবি ব্যবহার করার অনুমতি দিচ্ছি না।
আগামীকাল একটি বড় দিন। এটা অফিসিয়াল। সকাল ৮:১০ মিনিটে স্বাক্ষর করা হয়েছে। এটা টিভিতেও দেখানো হয়েছে। ভুলে যাবেন না, আগামীকাল থেকে নতুন ফেসবুক নিয়ম (অর্থাৎ নতুন নাম, মেটা) চালু হচ্ছে, যার অধীনে কোম্পানি আপনার ছবিগুলো ব্যবহার করতে পারবে। মনে রাখবেন, এর সময়সীমা আজই শেষ।
এই বার্তার যেকোনো স্থানে আঙুল দিন, “কপি” দেখা যাবে। “কপি” তে ক্লিক করুন। এরপর নিজের পেজে যান, একটি নতুন পোস্ট তৈরি করুন এবং খালি স্থানে আঙুল দিন, “পেস্ট” দেখাবে – “পেস্ট” এ ক্লিক করুন। এটি সিস্টেমকে বাইপাস করতে সাহায্য করবে। যারা কিছু করেন না, তারা সম্মতি দিচ্ছেন বলে ধরে নেওয়া হবে।
৬০ মিনিটস শো অনুযায়ী: যদি আপনি এটি মিস করে থাকেন, তাহলে জানিয়ে রাখি যে একজন আইনজীবী আমাদের এই পোস্টটি করার পরামর্শ দিয়েছেন। গোপনীয়তা লঙ্ঘনের জন্য আইন অনুযায়ী শাস্তি হতে পারে।
নোট: ফেসবুক (মেটা) এখন একটি পাবলিক প্রতিষ্ঠান। প্রতিটি সদস্যকে এরকম একটি ঘোষণা পোস্ট করতে হবে। যদি আপনি অন্তত একবারও এরকম কোনো বিবৃতি প্রকাশ না করেন, তাহলে প্রযুক্তিগতভাবে এটি ধরে নেওয়া হবে যে আপনি আপনার ছবি এবং প্রোফাইল তথ্য ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন।
আমি এই মর্মে ঘোষণা করছি যে আমি ফেসবুক বা মেটাকে আমার কোনো ব্যক্তিগত তথ্য বা ছবি ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছি না।
27/07/2025
18/05/2025
এলাকায় সাধারন এক মসজিদ ছিল। সিলিং ফ্যানগুলোও সাধারন। মসজিদে তেমন দামি কিছু নেই, তাই চুরি যাওয়ার ভয়ও নেই। বলতে গেলে সারাদিনই মসজিদ ওপেন থাকতো। মুসল্লিরা যখন তখন এসে নামাজ, কোরআন পরতে পারতেন। গরীব মানুষেরা একটু গা এলিয়ে বিশ্রাম নিতে পারতেন।
তারপর শুরু হলো মসজিদের উন্নয়ন কর্মসূচী। গরমে মানুষের কষ্ট হয় তাই এসি কেনা প্রয়োজন। মিম্বর থেকে হুজুরের আবু-বকর (রা), ওমর (রা) এর দানের ইমোশনাল কাহিনী দিয়ে টাকা কালেকশন।
মাশাল্লাহ পুরো মসজিদ এখন দামি টাইলস, এমনকি বাইরের ওয়াল পর্যন্ত কারুকার্যে ভরা। দামি দামি কার্পেট। তারপর আবার ২ পাশে সারি সারি চেয়ার তো আছেই, আগে মসজিদে ২-৩ জন দায়িত্ব নিলেই হয়ে যেতো, আর এখন মসজিদ কমিটিও অনেক বড়.!
প্রায় মসজিদে এলাকার টপ ঘু" ষখোর, চোর, সু" দখোর,
অ" ত্যাচারী, ক্ষমতাধর প্রকৃতির লোকেরাই সেই কমিটির সদস্য, আবার সভাপতিও।
মসজিদের ভ্যালু এখন অনেক। চুরি যাওয়ার ভয় তো আছেই। অতএব সারাক্ষণ মসজিদ খোলা রাখা যাবে না।তাই এখন প্রায় অনেক মসজিদই নামাজ ব্যতীত অন্যান্য সময় তালাবদ্ধ থাকে, মসজিদে টাইম মেনে মুসল্লিদের আসা যাওয়া করতে হবে। গরীবেরা এখন ভয়ে ভয়ে মসজিদে ঢুকে টাইলস কার্পেট অপরিচ্ছন্ন হয়ে যায় কিনা। তাদের পরিচিত আল্লাহর ঘর এখন পুরোটাই অচেনা।আগের দিনে মানুষ এ দায়িত্ব নিতে ভয়ে কাঁপত কোন ভুল হয়ে যাচ্ছে কিনা। এখন মসজিদে চেয়ারম্যানের সংখ্যা বেড়ে গেছে। সারা পথ হেঁটে এসে চেয়ারে বসে নামাজ পড়ে এ ব্যাপারে ইমাম, খতিবদের কোনো ফতোয়া নাই।
সু" দখোর, চোর,ঘু" ষখোরদের বিরুদ্ধে কোনো ফতোয়া নাই। আস্তে আস্তে কেয়ামতের দিকে এগোচ্ছি আমরা। নামাজিরা নামাজ শেষ করার আগে মসজিদ তালাবদ্ধ করার জন্য ইমাম মুয়াজ্জিন দাড়িয়ে থাকে দরজার গোড়ায়।ওদের ও সময় নাই নিজের দায়িত্ব পালনে। ভবিষ্যতে আরো কতকিছু দেখার অপেক্ষায় আছি আমরা।
- কাহিনিটা সম্ভবত সব এলাকার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য❗
15/05/2025
N1, N2, N8 ইত্যাদি শব্দগুলোর সাথে আমরা অনেকেই হয়তো পরিচিত। তবে আমরা অনেকেই হয়তো জানি না, আসলে এ দ্বারা কি বুঝানো হয়ে থাকে আসলে। মূলত এগুলো হচ্ছে আমাদের জাতীয় মহাসড়ক (হাইওয়ে) সমূহের সংক্ষিপ্ত রূপ। যার মাধ্যমে সহজেই বোঝা যায়, কোনটা কোন মহাসড়ক। চলুন আজ জেনে নিই, আমাদের দেশের আটটি মহাসড়কের সংক্ষিপ্ত নাম-
🔴N1 = ঢাকা - চট্টগ্রাম - টেকনাফ
🟡N2 = ঢাকা - সিলেট - তামাবিল
🟢N3 = ঢাকা - ময়মনসিংহ
🔵N4 = ঢাকা - জামালপুর
🟣N5 = ঢাকা - আরিচা - রংপুর - বাংলাবান্ধা
🟤N6 = ঢাকা - রাজশাহী - চাপাইনবাবগঞ্জ
⚫N7 = দৌলতিয়া - খুলনা - মোংলা
⚪N8 = ঢাকা - ভাঙ্গা - বরিশাল - পটুয়াখালী
09/11/2024
বাংলার প্রাঙ্গণ “বাংলার তথ্যপট” উদ্যোগ নিয়ে এক নবদিগন্তের সূচনা করেছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে যাত্রা শুরু হয়েছে এরই একটি নতুন শাখা “৬৪ জেলার ভ্রমণকথন”। এই শাখার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণ স্থানগুলো সবার সামনে নিয়ে আসা। আজ "৬৪ জেলার ভ্রমণকথন" এর পঞ্চবিংশতম পর্বে থাকছে - নওগাঁ জেলা।
বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলের এক মিষ্টি শহর নওগাঁ, যেখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ইতিহাস ও সংস্কৃতির এক অসাধারণ মেলবন্ধন দেখা যায়। নওগাঁ শব্দের উৎপত্তি হয়েছে 'নও=নতুন ' (নও ফারসি শব্দ) এবং ' গাঁ=গ্রাম' শব্দ থেকে। শব্দ দুটির অর্থ হলো নতুন গ্রাম। অসংখ্য ছোট ছোট নদীর লীলাক্ষেত্র এ অঞ্চল। আত্রাই নদীরতীরবর্তী এলাকায় নদীবন্দর এলাকা ঘিরে নতুন যে গ্রাম গড়ে উঠে,কালক্রমে তাই নওগাঁ শহর এবং সর্বশেষে নওগাঁ জেলায় রূপান্তরিত হয়। নওগাঁ শহর ছিল রাজশাহী জেলার অন্তর্গত। কালক্রমে এ এলাকাটি গ্রাম থেকে থানা এবং থানা থেকে মহুকুমায় রূপ নেয় এবং হয় উঠে গর্বিত ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক।
**পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার**
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারটি নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলা থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।এটি দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ বিহার, যা ৯ম শতাব্দীতে পাল রাজা ধর্মপাল দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। স্যার কানিংহাম ১৮৭৯ সালে এই স্থাপনাটি আবিষ্কার করেন এবং ১৯৮৫ সালে এটি UNESCO বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়।
**দিব্যক জয়স্তম্ভ**
নওগাঁ জেলা থেকে প্রায় ৩৩ কিলোমিটার দূরে পত্নীতলা উপজেলার দিবর দীঘির মাঝখানে বাঙ্গালী আভিজাত্যের প্রতীক দিব্যক জয়স্তম্ভ বা দিবর স্তম্ভ অবস্থিত।প্রায় ৬০ বিঘা জায়গার জুড়ে বিস্তৃত পাল আমলে খননকৃত দেবর দীঘি স্থানীয়দের কাছে কর্মকারের জলাশয় নামেও পরিচিত।তবে দিব্যক রাজার বিজয়লাভের স্মৃতি চিহ্ন হিসেবে দিব্যক জয়স্তম্ভ অধিক পরিচিত।
**রবি ঠাকুরের কুঠিবাড়ী**
নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলায় পতিসর গ্রামে নাগর নদীর তীরে অবস্থিত রবি ঠাকুরের কুঠিবাড়ী বাংলাদেশের একটি অন্যতম সংরক্ষিত পুরাকীর্তি।বর্তমানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত এই কুঠিবাড়ী প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। প্রতিবছর ২৫ বৈশাখ কবির জন্মদিনে পতিসরে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও লোকজ মেলায় দূর দূরান্ত থেকে অসংখ্য দর্শনার্থীর আগমন ঘটে।
**বলিহার রাজবাড়ি**
নওগাঁ জেলা শহর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে বলিহার ইউনিয়নে প্রাচীন বলিহার রাজবাড়ি অবস্থিত।এই রাজবাড়ি সম্রাট আওরঙ্গজেব কর্তৃক জায়গির লাভ করা বলিহার জমিদারের তৈরি একটি প্রাচীন রাজবাড়ি, যা এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
**কুসুম্বা মসজিদ**
নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলাধীন ৮ নং কুশুম্বা ইউনিয়নের কুশুম্বা গ্রামে কুসুম্বা মসজিদের অবস্থান।সুলতানি আমলের ঐতিহাসিক মসজিদ, যা ১৫৫৮ সালে নির্মিত এবং বাংলাদেশের পাঁচ টাকার নোটে তার ছবি মুদ্রিত রয়েছে।
**জগদ্দল বিহার**
নওগাঁ জেলা সদর থেকে ৫২ কিলোমিটার দূরে ধামইরহাট উপজেলার একটি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান জগদ্দল বিহার। প্রায় নয়শ বছরের প্রাচীন এই স্থাপত্য নিদর্শন স্থানীয়দের কাছে বটকৃষ্ণ জমিদার বাড়ীর ধ্বংসাবশেষ হিসাবেও পরিচিত।মূলত জগদ্দল মহাবিহার ১১শ থেকে ১২শ শতাব্দীর দিকে প্রতিষ্ঠিত একটি বৌদ্ধ বিহার ও শিক্ষা কেন্দ্র।
**পাহাড়পুর জাদুঘর**
নওগাঁ জেলায় অবস্থিত দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারের কাছে ষাটের দশকে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে পাহাড়পুর জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়। নওগাঁ থেকে প্রায় ৩৩ কিলোমিটার দূরে পাহাড়পুর ইউনিয়নের পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত এই জাদুঘরে সংরক্ষিত বিভিন্ন প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো আগত দর্শনার্থীদের কাছে প্রধান আকর্ষণ।
**আলতাদীঘি**
নওগাঁ জেলাস্থ ধামইরহাট উপজেলা সদর থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার দূরত্বে আলতাদীঘি অবস্থিত।আলতাদীঘির নামানুসারে আলতাদীঘি গ্রামের নামকরণ করা হয়।এটি একটি প্রাচীন দীঘি যা বৌদ্ধ যুগের কীর্তি হিসাবে মনে করা হয়, এবং বর্তমানে এটি একটি জাতীয় উদ্যান হিসেবে গড়ে উঠেছে।
**ডানা পার্ক**
নওগাঁ জেলা শহরের ভবানীপুর গ্রামে প্রায় ১০ বিঘা জায়গাজুড়ে ডানা পার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। এটি একটি জনপ্রিয় বিনোদন পার্ক, যেখানে বিভিন্ন রাইড, প্রাকৃতিক দৃশ্য, এবং প্রাণীর ভাস্কর্য রয়েছে।
**তালগাছের রাস্তা**
নওগাঁর নিয়ামপুর উপজেলার হাজিনগর গ্রামের ঘুঘু ডাঙার তালতলীতে এ রাস্তা অবস্থিত। এ রাস্তা ধরে দুধারে সারি সারি তাল গাছ। দেখে মনে হবে যেন তাল গাছের সাম্রাজ্য। এ এক অন্যান্য দর্শনীয় স্থান।
**ধামইরহাটের ঝর্ণ**
নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলায় অবস্থিত এক অদেখা ঝর্ণা, যা প্রকৃতির এক অপূর্ব দৃশ্য উপস্থাপন করে। ঝর্ণাটির চারপাশে গাছপালা, পাহাড় এবং পাথরের মধ্যে দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়, যা এখানে ভ্রমণকারীদের জন্য এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা হয়ে থাকে।
**তানোরের বনাঞ্চল**
নওগাঁ জেলার তানোর উপজেলায় বিস্তৃত বনাঞ্চল ও গ্রামীণ পরিবেশ, প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য আদর্শ স্থান। এই অঞ্চলের ছোট ছোট জলপ্রপাত, বনভূমি এবং নানান প্রজাতির বন্যপ্রাণী এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা দেয়।
**দুর্গাপুর কেল্লা**
নওগাঁ জেলার দুর্গাপুর উপজেলা রয়েছে একটি প্রাচীন দুর্গ। দুর্গাপুর কেল্লা বা দুর্গাপুর ফোর্ট তার অবকাঠামো ও ইতিহাসের জন্য বিখ্যাত। এটি নির্মিত হয়েছিল বাংলার শাসকদের সময়ে, এবং এটি এখন ঐতিহাসিক স্থাপনা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
**পাঁচবিবি মন্দির**
নওগাঁ জেলার পাঁচবিবি উপজেলার ঐতিহাসিক পাঁচবিবি মন্দির, এক অতি পুরনো ধর্মীয় স্থান। এটি শাক্ত ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র তীর্থক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত। এখানে প্রতি বছর অসংখ্য ভক্তের সমাগম ঘটে বিশেষ করে অষ্টমী তিথিতে।
বিখ্যাত এবং ঐতিহাসিক ব্যক্তিদের স্মৃতিবিজড়িত এক ভান্ডার নওগাঁ জেলা।যেখানে ইতিহাস,স্মৃতি,সময় এবং নিদর্শন সংরক্ষিত আছে শতবছর ধরে। স্মৃতিবিজড়িত এই স্থানগুলো এক একটি অতীতের রত্নভাণ্ডার।কালের স্রোতে কিছু হারিয়ে গেলেও এখনোও স্মৃতি হিসেবে সংরক্ষিত আছে অনেক ইতিহাস ও ঐতিহ্য যা ভ্রমণ পিপাসুদের মোহিত করে রাখে এবং প্রদান করে এক মনোমুগ্ধকর অভিজ্ঞতা।
তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট,ভ্রমণ গাইড
#ভ্রমণ #নওগাঁ
(অনুমতি ছাড়া রিপোস্ট করবেন না)
েলার_ভ্রমণকথন (বিস্তারিত জানুন কমেন্টে)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Natore, Rajshahi, Bangladesh
Natore
6400