Zason Mohammad
14/05/2026
Dog started biting dogs 🤣😜
13/05/2026
প্রায় ১ বছর পর নতুন ফ্লাগশিপ ফোন (Sony Xperia 1 VIII) নিয়ে হাজির। ক্যামেরা হাই কোয়ালিটি।
06/05/2026
ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত 'রেলোস' সামরিক লজিস্টিকস চুক্তির ফলে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ এশিয়ায় সরাসরি রুশ সেনা, যুদ্ধজাহাজ ও সামরিক বিমান মোতায়েনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর মাধ্যমে রাশিয়া ভারত মহাসাগরে স্থায়ী উপস্থিতির পথ পেয়েছে এবং ওয়াশিংটন ও পশ্চিমা জোটের একক প্রভাবকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছে।
'রিসিপ্রোকাল এক্সচেঞ্জ অব লজিস্টিকস সাপোর্ট' বা সংক্ষেপে রেলোসের অধীনে রাশিয়ার নৌবহর, বিমান ও সেনারা ভারতীয় ঘাঁটি ও বন্দর ব্যবহার করে জ্বালানি, রসদ ও মেরামত সুবিধা পাবে। একইভাবে ভারতও রাশিয়ার আর্কটিক ও দূরপ্রাচ্যের ঘাঁটি ব্যবহার করতে পারবে। চুক্তি অনুযায়ী উভয় দেশ একে অপরের ভূখণ্ডে সর্বোচ্চ তিন হাজার সেনা, পাঁচটি যুদ্ধজাহাজ ও দশটি সামরিক বিমান মোতায়েন করতে পারবে। পাঁচ বছরের জন্য কার্যকর এই চুক্তি পরবর্তীতে নবায়নযোগ্য।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই চুক্তি তিনটি বড় কৌশলগত বার্তা দিচ্ছে। প্রথমত, ভারত মহাসাগরে নতুন শক্তির ভারসাম্য তৈরি হচ্ছে। দ্বিতীয়ত, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাশিয়া যে একা নয়, তা প্রমাণ হচ্ছে। তৃতীয়ত, ভারত কোনো নির্দিষ্ট জোটে না গিয়ে বহুমুখী কূটনীতি চালিয়ে যাচ্ছে। শীতল যুদ্ধকাল থেকেই ভারতের সামরিক শক্তির বড় অংশ রুশ অস্ত্রনির্ভর। ১৯৭১ সালে মার্কিন সপ্তম নৌবহরের মোকাবিলায় সোভিয়েত নৌবহর পাঠানো থেকে এই আস্থার ভিত্তি তৈরি হয়েছিল। রেলোসকে সেই পুরনো বন্ধুত্বের আধুনিক রূপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
রাশিয়ার জন্য এশিয়া এখন জ্বালানি রপ্তানির প্রধান বাজার। ভারতের মতো বড় ক্রেতাকে পাশে রেখে তারা ভারত মহাসাগরে নৌশক্তি স্থায়ীভাবে বাড়ানোর সুযোগ পাচ্ছে এবং প্রমাণ করতে পারছে যে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা তাদের বৈশ্বিক উপস্থিতি ঠেকাতে পারেনি। ভারতের জন্য লাভ হলো আর্কটিক ও নতুন সামুদ্রিক রুটে প্রবেশাধিকার এবং চীনের নৌ-আধিপত্য মোকাবিলায় রুশ সহযোগিতা ব্যবহারের সুযোগ।
যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে 'কোয়াড' ও 'ইন্দো-প্যাসিফিক' কৌশলের কেন্দ্রীয় অংশীদার বানাতে চাইলেও দিল্লি একদিকে মার্কিন 'লেমোয়া' চুক্তি ও প্রযুক্তি গ্রহণ করছে, অন্যদিকে রাশিয়ার এস-৪০০ কিনে ও রেলোস স্বাক্ষর করে এক ধরনের দ্বিমুখী কৌশল অনুসরণ করছে। পাকিস্তানকে যেভাবে সহজে নিয়ন্ত্রণ করা গেছে, ভারতের ক্ষেত্রে সেই সূত্র কাজ করছে না — এটাই ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বড় অস্বস্তির কারণ।
সবশেষে বলা যায়, ভারত-রাশিয়ার এই ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতা এবং ভারত মহাসাগরে রুশ যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতি এই অঞ্চলকে নতুন ধরনের স্নায়ুযুদ্ধের প্রতিযোগিতার দিকে ঠেলে দিতে পারে এবং ভবিষ্যতে আঞ্চলিক সংঘাতের ঝুঁকিও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
#ভারতরাশিয়া #সামরিকচুক্তি
Writer: Zason Mohammad
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Natore
6400