Mohammad Riad
এখনো পরিপূর্ণ ভাবে গানটা গাইতে পারলাম না, লিরিক্স, সুর সব রেডি তবে একটা ভালো পরিবেশ পাচ্ছি না গানটা গাওয়ার জন্য। গানটা সম্ভবত আজ থেকে ২ বছর আগে লিখেছি। এই জানুয়ারী মাসেই, কোনো এক কুয়াশা ঘেরা ভোরে।
কোনো এক ব্যাস্তময় শহরে।
একাকী।
হৃদয়ের কাছে থাকা একটা গান এইটা।
চেহারা দেখাবার ইচ্ছে নেই।
আপসোস শীতকাল বিলুপ্তপ্রায়। আর এইবার শীতকাল প্রায় শেষ। বসন্ত সন্নিকটে।
কয়েকদিন পরেই বলতে পারব - 'বসন্ত এসে গেছে'
ভ্রমণ
🌹(আমার সাহিত্যজগৎ)🌹
💜 💜ছোট গল্প💜
গল্পের নাম- রসিকের দেওয়া উপহার 🎁
লেখায় : মোহাম্মদ রিয়াদ হাসান
[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[[]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]]
PART- 3
[[[[[[[]]]]]]]
দিপু বলে, ধুয়ে ফেলি?
না ধুবি কেন সুন্দরইতো লাগছে। কথাটা ব্যাঙ্গ করে বলা। দিপু বুঝতে পেরে বলে আমি আমার বারি থেকে ধুয়ে আসছি।
কেন? তোর বারি থেকে কেন? আমার বারিতে কি পানির অভাব? যা, ওয়াশরুম থেকে ধুয়ে আয়।
দিপু ওয়াশরুমে গেল। মাথাটা বেসিনে নুইয়ে মাথায় পানি ঢেলে জুলির দেওয়া তোয়ালে দিয়ে মাথা মুছে নেয়। দিপুর পকেটের চিরুনিটা দিয়ে মাথা খুব স্টাইল করে আচরিয়ে নেয়। এখন দিপুকে সত্যিই সুন্দর লাগছে।
ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে দিপু জুলিকে দেখতে পায় না। দিপু জুলিকে আর খোজার চেষ্টা করল না। আজ জুলি ব্যাস্ত!
দিপু বারান্দায় একটি সোফাতে বসে পড়ে। বসে কিছুক্ষণ গুণগুণ করে গান গায়। দিপুর গানের গলাও ভালো!
কিছুক্ষণ যেতেই সেখানে পরী আসল। দিপু, জুলি, পরী তারা একসাথেই খেলাধুলা করে। পরীর নাম পরী হলেও, তাকে কিন্তু মোটেও পরীর মতো দেখা যায় না। চেহারা সুন্দরই বলা যায়, কিন্তু গায়ের রঙ একটু কালো।
পরি দিপুর পাশে বসে যায়। তারা কথা বলতে থাকে। আস্তে আস্তে দিপুরা প্রায় সবাই এসে গেছে।
বিকালটা একটু গভির হতেই সেখানে পৌছাল রসিক এবং বাকি সবাই। তাদের এই দলটা আসার পর পরিবেশটা পালটে গেল। একটু রঙ্গ তামাশা, একটু হাসি মজায় ভরপুর। দিপু রসিকদের দেখতে পায়। তারা বন্ধু নয়। শুধু একই এলাকার বলে চেনা পরিচয় আছে। রসিকরা দিপুর থেকে ২ ক্লাস বড়। দিপু, জুলি, পরি তারা এঈটে(৮) পড়ে। রসিকেরা টেনে(১০) পড়ে। দিপু তাদের ভাই সম্বোধন করে ডাকে।
দিপু তাদের কাছে গিয়ে বলে, ভালো আছ ভাইয়ারা?
রাজু অর্থাৎ পেয়াজু জবাব দেয়, হ্যা,আলহামদুলিল্লাহ। তুই?
ভালো আছি ভাইয়া।
আর কথা বারে না। দিপু আবার তার বন্ধুদের কাছে ফিরে আসে।
কিছুক্ষণ পড় সন্ধ্যে ঘনিয়ে আসে। অনুষ্ঠান শুরু হতে আর কিছুক্ষণ!
হঠাৎ এক রাগি গলার চিৎকার শোনা যায়, হাউ ডেয়ার ইয়ু?
দেখা যায় সেই লোকটা যে দিপুকে অপমান করেছিল। সে হলো নাট্য বা ফিল্ম অভিনেতা রুবেল। দেখা যায় প্রায় সময়ই তাকে ঘিরে এক গুঞ্জন হয়। কিন্তু এখন সেটা অনেকটাই বেশি। কারণ অভিনেতা রুবেল পরীকে গালমন্দ করছে। খুবি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে। জুলি জুস পান করছিল হঠাত জুসের একটু মেঝেতে পরে যায়। আর সেখান থেকে কিছু ছিটা পরে নাট্যকার রুবেলের জুতায়।
প্রায় কেউ কিছু না বোঝার আগেই এক গ্লাস পানি পরীর মুখে ঢেলে দেয় অভিনেতা রুবেল।
কেউ সাহায্য করল না জুলিও দেখছে, কিন্তু প্রতিবাদ নেই। শুধু সামনে এগোলো দিপু আর রসিকরা ৭ বন্ধু।
হঠাত এমন সাহায্য দেখে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যায় এই অমানবিক রুবেল। রুবেল কিছুক্ষণ দিপু আর রসিকদের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। সে দেখে একজন পকেট থেকে রুমাল বের করে পরির মুখ মুছে দেয়। ছেলেটি হল হিমেল। হিমেল খুব দরদি মানুষ। যেন দরদের এক হিমেল হাওয়া সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে চায়।
আবার কাদির খুব রাগি। সে রুবেলের দিকে বিষ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছে।
আবার জসিম খুব মুখপোড়া
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Narsingdi