Studio QuaDrangle
08/04/2026
Maturing another
25/11/2025
পিচের রাস্তার পরিবর্তে ঢালাই রাস্তা কেনো তৈরী করা হয়?
Date: 20 November, 2025
Location: Palli Bidyut, Khulna-Satkhira Road.
ঢালাই (কংক্রিট) রাস্তা আমাদের দেশে পিচের রাস্তার তুলনায় বেশি টেকসই হয়। এর কয়েকটি প্রধান কারণ:
উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীলতা: বাংলাদেশের গরমে পিচ নরম হয়ে গলে বা ঢেউ খেলতে পারে, কিন্তু কংক্রিট তাপমাত্রায় বিকৃত হয় না।
ভারবহন ক্ষমতা বেশি: ভারী ট্রাক বা বাস চললেও কংক্রিট রাস্তা দ্রুত নষ্ট হয় না, চাকা বসে যায় না।
দীর্ঘস্থায়ী: কংক্রিট রাস্তার আয়ু সাধারণত ২০–৩০ বছর বা তার বেশি, যেখানে পিচের রাস্তা নিয়মিত মেরামত লাগে।
জল সহনশীলতা ভালো: বর্ষায় পানি জমলে পিচ উঠে যায় বা খোয়া খসে পড়ে, কিন্তু কংক্রিট পানিতে সহজে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।
কম রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়: নিয়মিত ওভারলে বা রিপেয়ার প্রয়োজন পড়ে না।
তাছাড়া ঢালাই (কংক্রিট) রাস্তা নির্মাণে দুর্নীতির সুযোগ তুলনামূলকভাবে কম থাকে। তার কারণগুলো হলো:
ম্যাটেরিয়াল লুকানো যায় না:
কংক্রিট ঢালাইয়ের সময় সিমেন্ট, বালি, পাথরের সাইজ ও পরিমাণ সহজে দেখা যায়। মান কম দিলেই সঙ্গে সঙ্গে বোঝা যায়।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা সহজ:
কংক্রিটের স্লাম্প টেস্ট, কিউব টেস্ট ইত্যাদি সাইটেই করা হয়, তাই মান কমাতে চাইলে ধরা পড়ার সম্ভাবনা বেশি।
দ্রুত নষ্ট হয় না:
নিম্নমানের পিচ অনেক সময় কিছুদিন টিকে থাকে, তাই দুর্নীতি লুকানো যায়। কিন্তু নিম্নমানের কংক্রিট ২–৩ দিনেই ফেটে বা ক্র্যাক হয়ে পড়ে, এটি লুকানো কঠিন।
কাজের মান “স্থায়ী” থাকে:
পিচের রাস্তা তৈরি করতে অনেক স্তর (বেস, সাব-বেস, বিটুমেন, ওভারলে) থাকে; প্রতিটি স্তরে মান কমানো বা উপকরণ কম ব্যবহার করার সুযোগ থাকে।
কংক্রিটে স্তরের সংখ্যা কম, তাই কাটছাঁটের সুযোগও কম।
পরিমাণ কমানো কঠিন:
কংক্রিট মিক্সার ট্রাকে বা সাইট ব্যাচিংয়ে নির্দিষ্ট মিক্স ডিজাইন থাকে। সিমেন্ট বা স্টোন কম দিলে মিশ্রণ ঠিকমতো হবে না, এটি তাৎক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান।
তাই সাধারণভাবে কংক্রিট রাস্তার ক্ষেত্রে মান কমিয়ে অর্থ আত্মসাতের সুযোগ তুলনামূলকভাবে কম, এবং কাজের ত্রুটি দ্রুত ধরা পড়ে। এ কারণে ঢালাই রাস্তা অনেক সময় বেশি নির্ভরযোগ্য হয়।
02/11/2025
৪ তলা বিল্ডিঙের প্রথম ছাদ ঢালাইয়ের আগে।
Date: 20 August, 2025
Site Location: Batiaghata, Khulna
ছাদ ঢালাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় সংক্ষেপে:
ফর্মওয়ার্ক ও সাপোর্ট – শক্ত ও সঠিকভাবে বসানো থাকতে হবে।
রডের বাঁধাই – নকশা অনুযায়ী সঠিক দূরত্বে ও অবস্থানে।
কংক্রিট মিশ্রণ – নির্ধারিত অনুপাতে ভালো মানের উপকরণ দিয়ে।
ঢালাই সময় – নিরবচ্ছিন্নভাবে একটানা ঢালাই করতে হবে।
কম্প্যাকশন (ভাইব্রেটর) – বায়ু ফাঁক দূর করতে অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে।
কিউরিং (Curing) – ঢালাইয়ের পর অন্তত ৭–১৪ দিন পানি দিতে হবে।
আবহাওয়া ও তাপমাত্রা – অতিরিক্ত গরম বা বৃষ্টিতে ঢালাই এড়িয়ে চলা উচিত।
02/11/2025
Date: 10 October, 2025
Site: South side of Rail Station, Narail
Client: Nurujjaman
🧱 SPT (Standard Pe*******on Test) বা স্ট্যান্ডার্ড পেনিট্রেশন টেস্ট
মাটির ঘনত্ব, শক্তি ও বেয়ারিং ক্যাপাসিটি নির্ধারণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফিল্ড টেস্ট হলো SPT টেস্ট। এটি ভূতাত্ত্বিক (geotechnical) ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ভিত্তিমূল পরীক্ষা, যা মাটির দৃঢ়তা ও সহনক্ষমতা বুঝতে সাহায্য করে।
⚙️ SPT টেস্ট করার ধাপ ও N-Value নির্ধারণের নিয়ম
🔹 ধাপ ১: বোরহোল তৈরি
প্রথমে নির্দিষ্ট স্থানে বোরিং (boring) করা হয়— সাধারণত ওয়াশ বোরিং বা রোটারি ড্রিলিং পদ্ধতিতে।
প্রতি ১.৫ মিটার গভীরতা বা যখনই মাটির স্তর পরিবর্তন ঘটে, তখন একটি করে SPT টেস্ট নেওয়া হয়।
🔹 ধাপ ২: স্প্লিট স্পুন স্যাম্পলার নামানো
এরপর Split Spoon Sampler (বাইরের ব্যাস 50.8 mm, ভেতরের ব্যাস 35 mm) বোরহোলের তলায় নামানো হয়।
স্যাম্পলারটিকে হ্যামার দিয়ে উপরে থেকে আঘাত করে মাটির ভেতর ঢোকানো হয়।
🔹 ধাপ ৩: হ্যামারের স্পেসিফিকেশন
হ্যামারের ওজন: 63.5 kg (140 lb)
ফ্রি ফল হাইট: 760 mm (30 inch)
এই নির্দিষ্ট স্পেসিফিকেশনই পরীক্ষার মান ঠিক রাখে।
🔹 ধাপ ৪: পেনিট্রেশন মাপা ও রেকর্ড করা
স্যাম্পলারটিকে মোট 450 mm (18 inch) মাটির ভেতরে প্রবেশ করানো হয় — তিন ধাপে, প্রতি ধাপে 150 mm করে।
ধাপPe*******on (mm)রিডিংমন্তব্য১ম ধাপপ্রথম 150 mmউপেক্ষামাটি সিটিংয়ের জন্য২য় ধাপদ্বিতীয় 150 mmN₂গণনায় ধরা হয়৩য় ধাপতৃতীয় 150 mmN₃গণনায় ধরা হয়
🔹 ধাপ ৫: N-value নির্ধারণ
👉 SPT N-value = N₂ + N₃
অর্থাৎ, দ্বিতীয় ও তৃতীয় 150 mm penetration-এর সময় যতগুলো আঘাত (blow) লেগেছে, তাদের যোগফলই হলো SPT N-value।
🔹 ধাপ ৬: বিশেষ নিয়মাবলী
যদি 50 ব্লো দিয়েও 150 mm প্রবেশ না করে → এটি Refusal (N > 50)।
যদি প্রথম 150 mm-তেই 50 ব্লো লাগে → সেটিও Refusal ধরা হয়।
প্রয়োজনে Energy Efficiency Correction (N₆₀) হিসাব করা হয়ঃ
N_{60} = N \times \frac{E_r}{60} \times (C_B \times C_S \times C_R)
📘 উদাহরণ:
১ম 150 mm → 10 blows
২য় 150 mm → 15 blows
৩য় 150 mm → 20 blows
👉 তাহলে, SPT N = 15 + 20 = 35
📊 ব্যবহার:
SPT N-value ব্যবহার করা হয় নিচের ক্ষেত্রে —
Soil Bearing Capacity নির্ধারণ
Foundation Design Parameter হিসাব
Liquefaction সম্ভাবনা নির্ণয় (বিশেষত বালুময় মাটিতে)
Soil Classification (Cohesive / Non-cohesive মাটি চিহ্নিত করা)
#সয়েলটেস্ট
#সিভিল_ইঞ্জিনিয়ারিং
28/10/2025
Date: 9 May, 2025
Site: Thikarabad, Batiaghata, Khulna
Client: Mahinur Akhtar Bulu
গ্রেডবিম ঢালাইয়ের সময় করণীয় ও সতর্কতা:
গ্রেডবিম (Grade Beam) ঢালাই একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, যা ফাউন্ডেশনকে দৃঢ়ভাবে একত্রে বাঁধে এবং ভবনের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। ঢালাইয়ের সময় কিছু বিষয় বিশেষভাবে মাথায় রাখা প্রয়োজন:
# করণীয় বিষয়:
১। ঢালাইয়ের আগে ফর্মওয়ার্ক ও রডের সংযোগ সঠিকভাবে পরীক্ষা করতে হবে।
২। কংক্রিটের মিশ্রণ (cement-sand-aggregate-water ratio) নকশা অনুযায়ী রাখতে হবে।
৩। ঢালাই চলাকালে ভাইব্রেটর ব্যবহার করে কংক্রিটে থাকা বাতাস বের করে ঘনত্ব নিশ্চিত করতে হবে।
৪। ঢালাই শেষ হওয়ার পর নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত পর্যাপ্ত কিউরিং করতে হবে।
৫। তাপমাত্রা ও আবহাওয়া অনুযায়ী ঢালাইয়ের সময় ও পদ্ধতি ঠিক করতে হবে।
# সতর্কতা:
১। ফর্মওয়ার্কের নিচে ফাঁক বা ঢিলা না থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে।
২। সঠিক মাপের ব্লক ব্যবহার করতে হবে।
৩। কংক্রিট ফেলার সময় অতিরিক্ত উচ্চতা থেকে না ফেলাই ভালো।
৪। ঢালাইয়ের পরপরই উপর দিয়ে চলাচল বা ভারী চাপ দেওয়া উচিত নয়।
----------------------------
Things to Keep in Mind and Safety Measures During Grade Beam Casting
Casting a grade beam is a crucial part of construction, as it ties the foundation together and ensures the overall stability of a building. To achieve a strong and durable result, several key points should be considered during the process.
# Important Considerations:
1. Check the formwork and reinforcement connections carefully before starting the casting.
2. Maintain the proper concrete mix ratio (cement–sand–aggregate–water) as per the design.
3. Use a vi****or during casting to remove air pockets and make the concrete dense.
4. After casting, carry out proper curing for the recommended period.
5. Plan the timing and method of casting according to the weather and temperature conditions.
# Precautions:
1 Ensure the formwork is properly supported and has no gaps or looseness.
2. Use of suitable concrete blocks to ensure proper clear cover.
3. Avoid dropping concrete from too high to prevent segregation.
4. Do not walk or place heavy loads on the beam immediately after casting.
20/09/2025
Date: 19 April, 2025
Site: Thikarabad, Batiaghata, Khulna
Client: Mahinur Akhtar Bulu
রিং পাইলিং করার পর ঢালাই দেয়া ফুটিং পর্যবেক্ষণ করতে গেছিলাম।
14/09/2025
Date: 04.03.2025
Site Location: Thikarabad, Batiaghata, Khulna.
এই প্রোজেক্টের সাইট টা মুলত খুলনা নতুন রেল স্টেশনের পাশেই। ৪ তলা ফাউন্ডেশন দিয়ে করা হয়েছে। ছবিগুলো পাইলিংয়ের কাজ শুরুর দিকে তোলা। এখানে প্রায় মাটির ৫০ ফিট গভীরে ভালো মাটির স্তর পাওয়া যায়। যার ফলে এখানে ৪তলা ফাউন্ডেশনের জন্য রিং পাইলিং করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এটি মুলত স্যান্ড পাইলিংয়ের মতো। পাইলিং নিয়ে কিছু তথ্য নিচে শেয়ার করা হল।
সাইট অনুযায়ী পাইলিং টাইপ বাছাই করার নিয়ম:
মাটির অবস্থা – নরম কাদা মাটি → স্যান্ড পাইল/স্টোন কলাম, নরম মাটি → ডিপ পাইল।
লোডের পরিমাণ – হাই-রাইজ বিল্ডিং/ব্রিজ → RCC বা স্টিল পাইল।
ভূগর্ভস্থ পানির স্তর – পানির স্তর বেশি হলে → কাস্ট-ইন-সিটু পাইল।
সাইটের অবস্থা – শহুরে জায়গা, কম শব্দ/কম কম্পন চাইলে → বোরড পাইল।
খরচ ও সহজলভ্যতা – স্থানীয়ভাবে যেটা সহজে পাওয়া যায় এবং সাশ্রয়ী, সেটাই বেছে নিন।
🔹 বাংলাদেশে সাধারণ পাইলিং টাইপ
ড্রিভেন প্রি-কাস্ট RCC পাইল – সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত, বিশেষ করে বিল্ডিংয়ে।
কাস্ট-ইন-সিটু (বোরড) পাইল – শহরে, যেখানে কম্পন/শব্দ সমস্যা হয়।
স্টিল পাইল (H-পাইল, টিউবুলার) – ব্রিজ ও ভারী লোডের জন্য।
স্যান্ড পাইল (Sand compaction pile) – নরম কাদা মাটি শক্ত করার জন্য।
টিম্বার পাইল – সীমিত ব্যবহার, হালকা বা গ্রামীণ স্ট্রাকচারে।
13/09/2025
Date: 02.10.2024
Site Location: Munshipara 1st Lane, Khulna
নিচের ছবিগুলো আমার সাইট ভিজিটের সময়ে তোলা, সাথে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করলাম যারা সঠিকভাবে বিল্ডিং ডিজাইনের কথা ভাবছেন।
ফাউন্ডেশনের ফুটিং-এ কলামের কেন্দ্র অবস্থান কেন খুব গুরুত্বপূর্ণ:
🔹 ১. গঠনগত স্থিতিশীলতা
যদি কলাম ফুটিংয়ের একদম কেন্দ্রে থাকে, তাহলে কলামের লোড সমানভাবে ফুটিং ও মাটিতে চলে যায়।
এতে একপাশে বেশি চাপ পড়ে না এবং হেলে পড়া, বসে যাওয়া বা ফাটল হওয়ার ঝুঁকি কমে।
🔹 ২. সমানভাবে লোড বণ্টন
কেন্দ্রে কলাম থাকলে মাটির ওপর চাপ সমানভাবে পড়ে।
যদি কলাম সরে যায়, একপাশে বেশি চাপ পড়বে এবং অসম বসতি (Differential Settlement) হতে পারে।
🔹 ৩. ফুটিংয়ে কম বেন্ডিং ও শিয়ার চাপ
সঠিকভাবে কেন্দ্রে কলাম বসানো হলে ফুটিং মূলত শুধু উল্লম্ব চাপ (Axial Load) নেয়।
যদি কলাম সরে যায়, ফুটিংয়ে বাড়তি বেন্ডিং ও শিয়ার চাপ আসবে → বেশি রড, বেশি কংক্রিট লাগবে → খরচ বেড়ে যাবে।
🔹 ৪. সুপারস্ট্রাকচারের সাথে সঠিক মিল
বহুতল ভবনে কলামগুলো এক লাইনে থাকা জরুরি।
যদি কলাম ফুটিংয়ে সঠিক জায়গায় না বসে, উপরের কলামগুলোর সাথে মিলবে না → গঠনে দুর্বলতা আসবে এবং লোড সঠিকভাবে বহন করতে পারবে না।
🔹 ৫. স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা
কেন্দ্রে কলাম সঠিকভাবে বসানো হলে ফুটিং ও কলাম দুটোই বেশি টেকসই হয়।
এতে ফাটল, হেলে যাওয়া বা বসে যাওয়ার ঝুঁকি কমে → ভবনের নিরাপত্তা ও আয়ু বাড়ে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
Mohishkhola, Narail Sadar, Narail
Narail
7501