Hello Pigeon

Hello Pigeon

Share

30/09/2018

কবুতর এর কৃমির লক্ষণ ঔষধ খাওয়ানোর নিয়ম, গুরুত্বপূর্ন পোষ্ট......

ক্রিমির কিছু লক্ষন -

অনেক দিন ধরে পাতলা পায়খানা, বেশি পানি পান করা, ডানা ঝুলে যাওয়া, ওজন কমে গিয়ে বুকের হাড্ডি বের হয়ে আসা, চুপচাপ বসে থাকা শুধু খাওয়ার সময় উঠা, উতপাদন কম হয়া, ডিম না দেয়া, পায়াখানার সাথে ক্রিমি আসা বা পরা ।

১) কখন করাবেন কোর্স-

ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় , খালি পেটে করান ।
গরমের দিনে করালে খুব ভোরে বা অনেক রাতে যখন খাবার হজম হয়ে যায় , প্রয়োজনে অই দিন খাবার একটু আগে দেওয়া ভাল তাতে রাতে খাবার আগে হজম হবে ।অবশ্যই সুস্থ কবুতরকে করাতে হবে । অথবা গরমের দিনে হাল্কা বৃষ্টি হচ্ছে এমন আবহাওয়ায় দেওয়া ভাল । একটানা ৩/৪ দিন বৃষ্টি হয় তখন না দেওয়া উচিৎ ।

২) দৈহিক ওজন অনুসারে ঔষধের পানির পরিমাপ নির্ণয়
কবুতরের আনুমানিক ওজন ২০০-৩০০ গ্রাম হলে ১০ মিলি ।
দৈহিক ওজন ৩০০-৫০০/৭০০ গ্রাম হলে ১৫-২০ মিলি করে খাওয়ান ।

৩) কি কি ঔষধ দিতে বা খাওয়াতে পারি-

Elcaris vet (square )
Poulnex (Novartis )
Avinex ( Reneta )

৪) ঔষধ তৈরির নিয়মাবলি ও পরিমাপ-

এভিনেক্স ১ লিটার পানিতে ২ গ্রাম ঔষধ মিশিয়ে অই পানি প্রতি কবুতরকে ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় খালি পেটে ১০ মিলি করে সিরিঞ্জ দিয়ে খাইয়ে দিন ।

দৈহিক ওজন ৩০০-৫০০ গ্রাম হলে ১৫-২০ মিলি করে খাওয়ান ।

৫) কৃমির ঔষধ খাওয়ানোর পদ্ধতি-

ঔষধ এর পানি দিয়ে রাখলে অনেক সময় অনেকে বেশি পানি খায় , অনেকে কম খায় , অনেকে খায়নাহ তাই ঝামেলা হয় ।
যেহেতু ৬০/৯০ দিন পর পর তাই একটু কষ্ট হলে ও ধরে সিরিঞ্জ দিয়ে খাওয়ানো ভাল ।

৬) কতক্ষন পর কি করতে হবে-
ঔষধ খাওয়ানোর ৩ ঘণ্টা পর লিভার টনিক / লিভা ভিট বা লিভা টন বা হামদারদ এর ইকটার্ন দিনার ২ মিলি আর ইলেকট্রমিন স্যালাইন ২ গ্রাম করে ১ লিটার পানিতে মিক্স করে খেতে দিন । কৃমির ওষুধ দেওয়ার পর বমি করতে পারে । এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই । আর ওষুধ দেওয়ার ৫ ঘণ্টা পর খাবার দিন এর আগে না দেওয়া ভাল । আর ওই দিন ৩/৫ ঘণ্টা পর কবুতরের খাঁচা , খাঁচার নিচের ময়লা , ট্রে পরিষ্কার করুন ।
আর লিভার টনিক ও স্যালাইন ওষুধ দেওয়ার দিন, আরও দুইদিন খাওয়ান ।

৭) এক কোর্স থেকে আরেক কোর্স এর মেয়াদ-

৬০-৯০ দিনের মধ্যে একবার করে এই কোর্স করা ভাল ।

8) কাদের জন্য নিশেধ-

২/১ দিনে ডিম দিবে বা ২/৭ দিনের বাচ্চা আছে এমন কবুতর বা অসুস্থ কবুতর কে এই কোর্স করা যাবে নাহ ।

৯)যারা বাদ পরবে তাদের কি করবেন-

পরে তারা ডিম পাড়লে ৪/৫ দিন পর আর বাচ্চা ৮/১০ দিন বয়স হলে তাদের বাবা মা কে এবং অসুস্থ কবুতর সুস্থ হলে বা নতুন কবুতর কিণে আণলে কৃমির লক্ষণ থাকলে ,আলাদা করে ওষুধ খাইয়ে নিবেন ।

১০) কয়দিন দিবেন বা করাবেন-

৬০-৯০ দিনে ১ দিন ১ বার/ ১ বেলা দিবেন কখনোই ২ দিন বা দুই বেলা দিবেন না ।

15/09/2018

♥ আলোচনার বিষয়ঃ
SPLAYED LEGS / SPARDDLE LEGS :
স্প্লেইড লেগস বা স্প্রেডল লেগস ।♥

স্প্লেইড-লেগস বা স্প্রেডল লেগস হলে পা দুটো ২ পাশে ছড়িয়ে থাকবে। পাখি তার দুই পায়ে দাড়াতে পারবে না, হাটা-চলা করতে পারবে না এবং অনেক কষ্ট করে শরীর নাড়াচাড়া করবে।

প্রায় অকেজ হয়ে পরবে সে, তাই একা বেচে থাকার ক্ষমতা থাকবে না।
এ সমস্যা মূলত বাচ্চাদের হয় তবে আঘাতজনিত কারনে বড় পাখিরও হতে পারে।
অনেক সময় পায়ের আঙুল বেকে যায় যা মেসেজ বা ফিজিও থেরাপি দিয়ে ভালো ফল পাওয়া যায় ।
কারণঃ

♦ ডিমে তা দেয়ার সময় যথাযথ আদ্রতা বজায় না থাকলে অনেক ক্ষেত্রে পায়ের মাসল সঠিকভাবে গঠিত হয় না, তখন বাচ্চা জন্মগত ভাবে এ সমস্যা নিয়ে বড় হতে থাকে।

♦ক্যালসিয়ামের অভাবে পায়ের হাড্ডি ছোটবেলায় ঠিকমত শক্ত না হলে এমন হতে পারে। ভিটামিনের অভাবে হলে বেশিরভাগ সময় শুধু এক পা ছড়িয়ে থাকে।

♦জন্মের পর যদি মা, বাবা বা ভাই-বোন অতিরিক্ত চাপ দিয়ে বাচ্চার উপরে বসে থাকে। তাহলে চাপের কারনে বাচ্চা ঠিকমত তার পা সোজা করার সুযোগ পায় না।

♦চলাফেরা করা শিখতে হয় বাচ্চাদের ১৮ দিনের মধ্য। এই সময়ে বাচ্চাদের হাড়ি বা বাক্সে নড়াচড়া করা প্রয়োজন। পা দিয়ে জিনিসপত্র ধরে রাখার সুবিধা না পেলে পায়ের আঙ্গুল ঠিকমত শক্ত হতে পারবে না।
৫। যদি হাড়ি বা বাক্স পিছলা হয়। পিছলা জিনিষে বাচ্চারা দাড়াতে পারবে না। চেষ্টা করলেই পিছলে পড়ে যাবে, যার ফলে হাটা-চলার অসুবিধা হবে ও পা ছড়িয়ে থাকবে।

♦অন্য কোন কারনে নিয়মিত পায়ের ব্যায়াম না হলে এবং বাচ্চার পা দুই পাশে ছড়িয়ে থাকলে সেই হাড্ডির বয়েস বেড়ে শক্ত হতে থাকে। বাকা পা শক্ত হলে সেই পা আর ঠিক করা সম্ভব হয় না।

♥প্রতিরোধঃ♥

♦শক্তিশালী মাসল ও হাড় গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন ও ক্যালসিয়ামযুক্ত সুষম খাবার প্রদান ।

♦পিছলা হাড়ি বা বাক্স ব্যাবহার করা যাবে না। হাড়িতে ছালা বা কাঠের তুষ দিতে পারেন যাতে সহজে দাড়াতে পারে বা পা ছড়ীয়ে না রাখে ।

বাচ্চা কবুতর দীর্ঘক্ষণ মেঝে বা ফ্লোর এ রাখা যাবে না ।
♦বাচ্চাদের বয়স ১৩ দিন হওয়ার পড়ে নিয়মিত তাদের পা দেখবেন। পায়ে যদি পায়খানা লেগে থাকে, তাহলে পরিষ্কার করতে হবে, নইলে শক্ত পায়খানা হাড্ডি ঠিকমত বড় হতে দিবে না। কুসুম-গরম পানিতে টিশু ভিজিয়ে পায়ে হাল্কা চাপ দিয়ে পায়খানা পরিষ্কার করে দিবেন।

♥চিকিৎসা ♥

কম বয়স থাকাকালীন চিকিৎসা শুরু করলে অনেক দ্রুত এই সমস্যা সমাধান হয়ে যায়। কিন্তু বাচ্চা বড় হয়ে হাড় শক্ত হয়ে গেলে তা ঠিক হয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে।

√ √ ১ম পদ্ধতি – পায়ের গোড়ালি ও হাটুর মাঝের স্থানে স্টিকি ব্যান্ডেজ দিয়ে এমনভাবে পেচিয়ে দিতে হবে যাতে বাচ্চা নিজ পায়ের উপর ভর করে দাড়াতে পারে এবং নাড়াচাড়া করতে পারে। ব্যান্ডেজ যাতে দুই পাকে বেশি কাছাকাছি নিয়ে না আসে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

√√ ২য় পদ্ধতি – মেক-আপ এর স্পঞ্জ কেটে নিয়ে, নির্দিষ্ট জায়গায় দুটি ছিদ্র করে পাখির পা দুটো ঢুকিয়ে দিতে হবে। এভাবে বাচ্চাকে ১-২ সপ্তাহ দেখাশুনা করতে হবে। হাড্ডি শক্ত হলে যখন মেক-আপ স্পঞ্জ পড়েও পাখি দাড়াতে পারবে, তখন স্পঞ্জ থেকে তার পা বের করে দিতে হবে।

√√ ৩য় পদ্ধতি – একটি নরম চুল বাধার ব্যান্ড নিয়ে স্ট্র ছোট করে কেটে সেটার ভিতর দিয়ে ব্যান্ড ঢুকিয়ে দুই কোনার ভিতর দিয়ে দুই পা ঢুকিয়ে দিতে হবে। স্ট্র এমন ভাবে কাটতে হবে যাতে বাচ্চার পায়ে তা ঘষা না খায়।
প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা করলে ২-৩ দিনেই বাচ্চা সুস্থ হয়ে নিজেনিজে সঠিকভাবে হাটা শুরু করতে পারবে, অন্যথায় ১-২সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে।
√√ চতুর্থ পদ্ধতি -
অনেক সময় বাচ্চা কবুতর এর পায়ের আঙুল বেকে যায় যা আঙুল আলাদা ব্যান্ডেজ করে সোজা কোণো পাঈপ জাতীয় ফ্রেম এ ভরে কিছু দিন রাখলে অনেক সময় ভালো ফল পাওয়া যায় । এদের কে একটু আলাদা করে বা আলাদা খাঁচায় রাখতে হবে ।

Want your business to be the top-listed Health & Beauty Business in Mymensingh?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Nandail
Mymensingh
2290