AR Tv

AR Tv

Share

15/03/2026

মদীনার আনসার সাহাবীদের সেই ত্যাগ ও ভ্রাতৃত্বের আদর্শ নিয়ে ২০১৭ সাল থেকে দেশব্যাপী ভিটে-মাটিহীন নওমুসলিম ভাই-বোনদের সেবায় কাজ করে যাচ্ছে ‘খাইরুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন’। তাঁদের সঠিক ইসলামিক শিক্ষা, নিরাপদ বাসস্থান, কর্মসংস্থান ও বিয়ে-শাদির মতো মৌলিক প্রয়োজনে আমরা নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছি। আপনারও হয়তো ইচ্ছে হয় আনসার সাহাবীদের মতো এই মহতি খিদমতে শরিক হতে, নওমুসলিম তহবিলে শরীক হতে......

01758213268 (বিকাশ/নগদ/রকেট পার্সোনাল)
01811448843 (বিকাশ মার্চেন্ট)
রেফারেন্স: NM
অথবা
একাউন্ট নম্বর: 3181200101437
একাউন্টের নাম: Khairul Ummah Foundation
ডাচ বাংলা ব্যাংক পি এল সি
ময়মনসিংহ স্টেশন রোড শাখা
রাউটিং নম্বর: 090610213

05/02/2026

ফরিদপুর ভাঙ্গা থানায় দুইজন খ্রিষ্টান ইমাম ধরা পরেছে । যাদের হাত ধরে আগেও অনেকগুলো পরিবার খ্রিষ্টান ধর্মে দীক্ষিত হয়েছে। আজো কয়েকটি পরিবারকে তরিকাবন্দি/খ্রিষ্টান বানাতে গিয়ে ধরা পরেছে। আল্লাহ আমাদের ঈমানকে হেফাজত করেন।

21/12/2025

যার সাথে যার মহব্বত। ওসমান হাদী ভাই এমপি হতে চেয়েছিলেন আর আল্লাহ তা'আলা তাকে দুনিয়া ও আখেরাতের বাদশা বানায়া দিলেন। শহীদের পণ্যভূমি গাঁজাসহ তার নাম পৌঁছে গেছে সমগ্র বিশ্বে।

29/11/2025

#আমাদের_নিস্পাপ_শিশুদের_মাহফিলের_নামে_রাস্তায়_নামানো_বন্ধ_হোক

১. উদ্দেশ্য ও বাস্তবতার করুণ চিত্র

আমরা অভিভাবকরা আমাদের নিস্পাপ সন্তানদের মাদরাসায় পাঠাই—যেন তারা কুরআন-হাদীসের আলোয় আলোকিত হয়ে নবীজির (সাঃ) প্রকৃত অনুসারী ও সমাজের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে।
কিন্তু দুঃখজনকভাবে আজ দেখা যায়, সেই ছোট ছোট বাচ্চাদের হাতে হ্যান্ডবিল দিয়ে রাস্তায়, বাজারে বা বাসস্ট্যান্ডে কালেকশনের জন্য পাঠানো হয়। এতে তাদের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ে, শিক্ষার সময় নষ্ট হয়, আর সমাজে একটি ভুল বার্তা ছড়ায়।

২. নিরাপত্তার প্রশ্ন

যেসব সন্তানদের আমরা একা বাইরে যেতে দিই না—রাস্তাঘাটের বিপদ, যানজট বা সমাজের অনিরাপত্তার কারণে—সেই সন্তানদেরই যখন জনাকীর্ণ স্থানে অর্থ সংগ্রহে পাঠানো হয়, তখন প্রশ্ন জাগে:
এই কাজের দায় কে নেবে?
এতে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে, আর মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি অভিভাবকদের আস্থাও কমে যায়।

৩. সাধারণ মানুষের কাছে অপমান

এই কোমলমতি শিশুরা যখন দোকানে দোকানে সাহায্য চায়, তখন তাদের অনেকেই ফকিরের মতো আচরণ পায়।
কেউ অবহেলা করে হাতে ধরিয়ে দেয় ২ টাকা বা ৫ টাকার খুচরা, যেন তারা ভিক্ষুক।
কেউ বিরক্ত হয়ে বলে, যান যান, এখন সময় নাই,বা প্রতিদিনই কালেকশন আসে!
এমন কথা ও আচরণ শিশুটির কোমল মনে যে কষ্টের দাগ ফেলে, তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।
তারা তো দ্বীনের ইলম নিতে এসেছে, অপমানিত হতে নয়।
এই ধরনের কাজ শিশুদের আত্মসম্মান ও মানসিক বিকাশের পথে বড় বাধা সৃষ্টি করছে।

৪. মাহফিল বা প্রতিষ্ঠানের নামে প্রশ্ন

প্রশ্ন জাগে—মাহফিল বা মাদরাসা চালাতে কি সত্যিই শিশুদের রাস্তায় নামানোই একমাত্র উপায়?

যদি অর্থের প্রয়োজন হয়, তাহলে সমাজের বিত্তশালী, ধর্মপ্রাণ মানুষদের কাছে সুশৃঙ্খল ও সম্মানজনকভাবে সাহায্য চাওয়া যেতে পারে।

আর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে মাদরাসা পরিচালনা করলে মানুষ নিজেরাই আগ্রহী হয়ে সহযোগিতা করবে।

অর্থের নামে শিশুদের ব্যবহার করা শুধু অন্যায় নয়, বরং দ্বীনের ভাবমূর্তিকেও কলঙ্কিত করে।

শেষ কথা
আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই,
মাদরাসা/মাহফিলের নামে ছোট বাচ্চাদের রাস্তায় নামিয়ে অর্থ সংগ্রহ করা বন্ধ হোক।
দ্বীনের কাজ যেন দ্বীনের মর্যাদা নষ্ট না করে, বরং তা নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসার মাধ্যমে পরিচালিত হোক।

ছবিতে যাদের দেখছেন তাদের বয়স ৫-৭ বছরের বেশি নয়।

30/07/2025

বাবার হাতে ছেলে খু**ন

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ৭ বছর বয়সী পুত্র মোবারককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার মানসিক ভারসাম্যহীন পিতা মো. নুরুল্লাহর (৩২) বিরুদ্ধে। বুধবার রাতে উপজেলার সোহাগী ইউনিয়নের বি-কাঁঠালিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত পিতা মো. নুরুল্লাহকে (৩২) আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন নুরুল্লাহ। ঘটনার দিন বৃষ্টির কারণে মোবারক ছাতা নিয়ে বাবার কাছে যাওয়া মাত্রই নুরুল্লাহ তার হাতে থাকা দা দিয়ে সন্তানের মাথায় কোপ দেন। মুহুর্তের মধ্যেই শিশুটি মাটিতে লুটিয়ে পরে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয়রা জানান , নুরুল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। পরিবারের সদস্যরা মাঝে মাঝে তাকে বেঁধে রাখলেও অবস্থার উন্নতি হওয়ায় ১৫ দিন আগে তাকে মুক্ত করে দেওয়া হয়। কিন্তু দুই দিন ধরে তার মানসিক অবস্থা আবার খারাপ হতে শুরু করে। বুধবার সকাল থেকে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে অদূরের একটি জঙ্গলে বসে ছিলেন। বিকেলে প্রবল বৃষ্টি শুরু হলে তার স্ত্রী জাকিয়া বেগম ছেলে মোবারককে বাবার জন্য ছাতা দিয়ে পাঠান।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. উবায়দুর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত পিতাকে আটক করি। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মো. ইসহাক
ঈশ্বরগঞ্জ, ময়মনসিংহ
০১৯১০২০৭৪৫৪
©

Want your business to be the top-listed Media Company in Mymensingh?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Mymensingh