Md Shariful islam

Md Shariful islam

Share

21/03/2023
03/03/2023

বিয়েতে আল্লাহর সাথে নাফরমানির তালিকাঃ

১. বলা হলো নিজে গিয়ে মেয়ে দেখতে, আমরা শুরু করলাম সবাই মিলে দেখতে!
২. বলা হলো মেয়ে দ্বীনদার কি না দেখতে, আর আমরা শুরু করলাম মেয়ে সুন্দর কি না দেখতে!
৩. বলা হলো ছেলের দ্বীনকে প্রাধান্য দিতে, আর আমরা শুরু করলাম ছেলের টাকা-পয়সাকে প্রাধান্য দিতে!
৪. বলা হলো নিজের পছন্দ মতো মেয়ে দেখে বিয়ে করতে, আর আমরা শুরু করলাম অন্যের মন রাখতে !
৫. বলা হলো মেয়ের মতামত নিয়ে বিয়ে দিতে, আর আমরা শুরু করলাম নিজের ইচ্ছাতে বাধ্য হয়ে বিয়ে দিতে!
৬. বলা হলো কম খরচে বিয়ে করতে, আর আমরা শুরু করলাম আনুষ্ঠানিকতার নামে টাকা অপচয় করতে!
৭. বলা হলো মসজিদে বিয়ে করতে, আর আমরা শুরু করলাম সেন্টারে শুটিং করে বিয়ে করতে!
৮. বলা হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বিয়ে করতে, আর আমরা শুরু করলাম নিজের স্বার্থের জন্য বিয়ে করতে!
৯. বলা হলো ছেলে পক্ষ ওয়ালীমা করে মানুষকে খাওয়াতে। আমরা শুরু করলাম মেয়ের বাবার উপর জুলুম করে খাইতে!
১০. বলা হলো স্ত্রীর মোহরানা পরিশোধ করতে, আর আমরা শুরু করলাম যৌতুক নিতে!
১১. বলা হলো দ্রুত বিয়ে করতে, আমরা শুরু করলাম পিছিয়ে বিয়ে দিতে!
১২. বলা হলো বিয়েকে সহজ করতে, আমরা শুরু করলাম কঠিন করতে!
১৩. বলা হলো নতুন বউকে দেখে দু'আ করতে, আমরা শুরু করলাম হাতে টাকা ধরিয়ে দিতে!
১৪. বলা হলো স্বামীকে সম্মান করতে, আর আমরা শুরু করলাম নিজের ইচ্ছাতে নিয়োজিত করতে!
১৫. বলা হলো স্ত্রীকে ভালোবাসতে, আমরা শুরু করলাম শালীর সাথে মিশতে!
১৬. বলা হলো স্ত্রীর সাথে সুন্দর করে কথা বলতে, আমরা শুরু করলাম দাসীর মতো আচরণ করতে!
১৭. বলা হলো দেবর থেকে দূরে থাকতে, আমরা শুরু করলাম দেবরের সাথে ফাজলামিতে মেতে উঠতে!
১৮. বলা হলো স্বামীর জন্য সাজতে, আমরা শুরু করলাম রাস্তার ছেলের কামনার বস্তু হতে!
১৯. বলা হলো স্ত্রীকে পর্দায় রাখতে, আমরা শুরু করলাম তাকে নিয়ে বাজারে বেড়াতে!
২০. বলা হল সামর্থ্যহীন দ্বীনদার পুরুষগণ ফেতনা হতে বাঁচতে কলমা (ইজাব-কবুল) করে রাখবে, আর আমরা শুরু করলাম engagement / Registry (বিজাতীয় প্রথা) করে রাখতে।
আরো এইরকম হাজার ঘটনা আছে যা আমরা সবসময় উল্টোটা করেই থাকি। আমাদের কারণেই বিয়ে দিন দিন কঠিন হয়ে গেছে। বিয়েতে বরকত কমে গেছে। সংসারে অশান্তি লেগেই থাকছে। দিন দিন বাড়ছে তালাকের সংখ্যা।
আল্লাহ আমাদের হেদায়েত দান করুন। আল্লাহুম্মা আমিন।
(সংগৃহীত)

Md Shariful Islam 28/12/2022

ইব্রাহীম আ: কখনও একা খেতেন না । ঘর থেকে বের হয়ে একজন দাওয়াত করে নিয়ে এসে নিজের খাবারটুকু তার সাথে শেয়ার করতেন ।

এক রাতে কাউকে পেলেন না, অবশেষে যাকে পেলেন সে ছিল মুশরিক । খাবার শুরুর আগে সে মুশরিক তার দেবতার নাম নিল । তা শুনে ইব্রাহীম আ: রাগ করে তাকে খেতে না দিয়ে উঠিয়ে দিলেন ।

আল্লাহ সুবহানুওয়াতায়ালা তা পছন্দ করেননি । ইব্রাহীম আ: কে বললেন :

“আমাকে না ডাকলেও চল্লিশ বছর ধরে আমি তাকে খাওয়াচ্ছি ! তুমি এক বেলা সহ্য করতে পারলে না ?”

ইব্রাহীম আ: সাথে সাথে বেড়িয়ে গেলেন । এবং খুঁজে নিয়ে মাফ চেয়ে ঘরে নিয়ে এলেন ।

সে মুশরিক কারণ জানতে চাইলে ইব্রাহীম আ: বুঝিয়ে বললেন । সে মুশরিক মুসলিম হয়ে গেল ।

আল্লাহ সুবহানুওতায়ালা এতই দয়ালু-

যে তাকে অস্বীকার করে,
তার মাথার উপরও ছাদ দিয়ে রেখেছেন ।
প্রিয়তমা স্ত্রী সন্তান দিয়েছেন ।
রৌদ্রের আলো, গাছের ছায়া, অক্সিজেন, সুস্বাদু খাবার -বলে কি শেষ করা যাবে !

আপনি সারাদিন আল্লাহকে ভুলে আছেন , তবুও দিন শেষে বাসায় ফেরার পর প্রিয়তম সন্তানকে আল্লাহ সুবহানুওতায়ালা আপনার কোলে পাঠিয়ে দেন, দৌড়ে এসে চুমু খায় ।
আল্লাহ কেড়ে নেন না কিছুই ।

আল্লাহু আকবর !!!

মহানবী সা: একবার এক মাকে দেখলেন তাঁর সন্তানকে পরম যত্ন নিয়ে পরিচর্যা করছেন । তিনি সাহাবাদের দেখিয়ে বললেন , তোমরা কি ভাবতে পার এই মা তাঁর সন্তানকে আগুনে নিক্ষেপ করবে ?

সাহাবারা বললেন , একজন মা কখনই এটা পারে না ।

নবী সা: বললেন, এই মায়ের তার সন্তানের প্রতি যে ভালবাসা, এর চেয়ে অপরিসীম ভালবাসেন আল্লাহ তার সৃষ্টিকে ।

আল্লাহ চাইলে প্রত্যেকটা মানুষকে তাঁর ইবাদতে বাধ্য করতে পারতেন । মানুষ ডাকলে আল্লাহ সুবহানুওতায়ালার শ্রেষ্ঠত্ব বাড়ে না, না ডাকলে কমেও না ।

দিনের পর ভুলে থাকা মানুষটাকে মালিক সুযোগ দেন । যদি সে ফিরে আসে ! মালিক চান না তাঁর আদরের সৃষ্টি দোজখের ভয়াবহ আগুনে পুড়ুক ।

সারা জীবন পাপ করা মানুষটিও মাফ পেয়ে যায় যদি সে ফিরে আসে, আল্লাহ কিছুই মনে রাখেন না ।

সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী ।

আমরা ভাবি ‘সময়’ আছে !

আমার বাড়ী, আমার গাড়ী, আমার জমানো সম্পদ এক মুহুর্তেই হাত বদল হয় !

বদলে যায় বাড়ীর ‘নামফলক’ !

*আন্তর্জাতিক ইসলামিক গ্রুপে*
*প্রতিদিন ঈমান আমল সংক্রান্ত বিভিন্ন উপকারী পোস্ট পেতে নিচের লিংকে জয়েন হয়ে সাথে থাকুন।*

অর্পাকে চেনেন?
আরে অর্পা! আপনার বোন। চেনেন না ওকে?
আচ্ছা চিনিয়ে দেই।
নাম অর্পা সাহা। ময়মনসিংহের মেয়ে। বয়স ১৯/২০। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা, যেভাবে ইচ্ছা হিদায়াত করেন। অর্পা তাওহীদের চিরন্তন সত্যকে চিনতে পারে কিছু ইসলামী বই পড়ে । আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল (ﷺ)-কে ভালোবেসে অর্পা ইসলাম গ্রহণ করে।
ডিসেম্বরের ৫ তারিখ ময়মনসিংহের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে অ্যাফিডেভিট করে অর্পা আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের নাম ও ধর্ম পরিবর্তন করে। ওর নাম এখন ফাতেমা রাহমান।
কিন্তু ফাতেমা তার পরিবারের পক্ষ থেকে বাঁধার সম্মুখীন হয়। ওর ওপর নির্যাতন করা হয়। শিরক ছেড়ে তাওহীদ গ্রহণ কারণে পরিবারের কাছে নির্যাতিত হওয়া...সাহাবী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম) এর সময়ের মতো পরীক্ষা।
১০-ই ডিসেম্বরে অর্পা ফাতেমা জিডি করে। পরিবারের পক্ষ থেকে শারীরিক অত্যাচার ও হত্যার আশঙ্কার কারণে। তারপর মুসলিম বোনের ঘরে আশ্রয় নেয় ও।
সেই বাসা থেকে ফাতেমাকে “জিজ্ঞাসাবাদের জন্য” থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। সেখান থেকে জোর করে ফাতেমাকে তুলে দেয়া হয় তার বাবা-কাকার কাছে। সেই বাবা-কাকা যাদের অত্যাচার থেকে বাঁচতে ফাতেমা জিডি করেছিল!
পুলিশের কাছে বাবা-কাকা লিখিত দেয়, ফাতেমাকে স্বাধীনভাবে ইসলাম ধর্ম পালন করতে দেয়া হবে। সবার সাথে যোগাযোগ করতে দেয়া হবে। সে একজন মুসলিম হিসেবে থাকবে।
ফাতেমার বান্ধবীর ভাষ্যমতে, বাসায় নিয়ে যাবার পর ফাতেমাকে পর্দা করতে দেয়া হয়নি। ইসলাম পালন করতে দেয়া হয়নি। বন্ধ করার চেষ্টা হয়েছে সব রকম যোগাযোগও। সেই সাথে চলছে ইসলাম ছেড়ে আসার জন্য মানসিক নির্যাতন।
অর্পার বান্ধবী ১৩ ডিসেম্বর তাকে উদ্ধারের জন্য মামলা করেন। কিন্তু ওয়ারেন্ট আসার পরও প্রশাসন তাকে উদ্ধারের কোন ব্যবস্থা নেয়নি। সাম্প্রতিক ইতিহাসের দিকে তাকালে মনে হয়, এমন কোন ব্যবস্থা নেয়ার সম্ভাবনাও নেই।
এই হল অর্পা বা ফাতেমার গল্প।
১১ তারিখ থেকে, আজ প্রায় দু সপ্তাহ আমাদের বোনটা বন্দী। এই দুই সপ্তাহ সে সালাত আদায় করতে পেরেছে কি না, জানি না। এই দিনগুলো, এই রাতগুলো কিভাবে কেটেছে মেয়েটার?
ফাতেমার জন্য আমার, আপনার কিছু কি করার নেই? একটা মানুষকে নির্যাতন করা হচ্ছে কারণ সে বলছে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ – এই মানুষটা কি আমাদের সাহায্য পাবার যোগ্য না? সাহায্য করা কি আমাদের দায়িত্ব না?
হ্যাঁ, আপনার সামর্থ্য কম। আমি জানি। আমার সামর্থ্যও কম। কিন্তু কম হলেও কিছু তো সামর্থ্য আছে। আর কিছু না হোক, আপনি ফাতেমার খবরটা নিজের পরিচিত সবার কাছে পাঠাতে পারবেন। সবাইকে এ নিয়ে কথা বলতে বলতে পারবেন। আমার সবাই মিলে চাইলে পুরো বাংলাদেশকে ওর কথা জানিয়ে দিতে পারবো।
মসজিদের মিম্বরে, ওয়াজের মঞ্চে, বন্ধুদের আড্ডায়, ফেইসবুকের পোস্টে কিংবা লাইভে অর্পার কথা বলতে পারেন। যারা পত্রিকাতে কাজ করেন, তারা নিউস করতে পারেন। ইউটিউবাররা তারা ভিডিও বানাতে পারেন। ইউটিউবারদের পরিচিতরা তাদেরকে এব্যাপারে কথা বলতে উৎসাহিত করতে পারেন। সেলিব্রিটিও বক্তা এবং দা’ঈরা একটা ৫ মিনিটের ছোট্ট ভিডিও রেকর্ড করতে পারেন। এতো লাইক, ভিউস, ফলোয়ার আর বই দিয়ে কী হবে, যদি আমরা একজন মুওয়াহ্হি‌দাহর জন্য এতোটুকু করতে না পারি?
সাধারণ মানুষদের মধ্যে যাদের প্রভাবশালীদের সাথে যোগাযোগ আছে, তারা অর্পাকে আইনী বা অন্য কোন ভাবে সাহায্য করার ক্ষেত্রেও কাজ করতে পারেন। এর কোন কিছু না পারলে, অন্তত দুআকরতে পারবেন।
সীমিত হলেও এই সামর্থ্যগুলো তো একেবারে কম না, তাই না?
আল্লাহ এমন কোন বোঝা দেন না, যা আমাদের সামর্থ্যের বাইরে। যা আপনার পক্ষে করা সম্ভব না, তা নিয়ে আপনাকে প্রশ্ন করা হবে না। কিন্তু যতোটুকু আপনার দ্বারা করা সম্ভব, সেটুকু আপনি করেছেন কি না – সেটা নিয়ে অবশ্যই আমাকে এবং আপনাকে প্রশ্নের জবাব দিতে হবে।
আসুন, আমরা অর্পাকে; আমাদের বোনটাকে, সাহায্য করি। এই উম্মাহর অনেক বড় অংশের জন্য আমরা কিছু করতে পারি না। আমাদের সেই সক্ষমতা নেই। সেটা নিয়ে আমাদের দুঃখ হয়, কষ্ট হয়। কিন্তু অর্পার জন্য কিছু করা সম্ভব। আমরা অন্তত সেই চেষ্টাটা করি। আসুন অর্পার জন্য আওয়াজ তুলি।
আল্লাহ ফাতিমাকে তাওহীদের ওপর, দ্বীনের ওপর দৃঢ় রাখুন। তাকে শিরক এবং কুফর থেকে হেফাযত করুন। আল্লাহ আল-কাহির, আল-কাহির, তিনি সকল কিছুর ওপর শক্তিশালী। যদি আমরা আমাদের চেষ্টাটুকু করি, তাহলে তিনি চাইলে অবশ্যই সফল হওয়া সম্ভব।

লেখা :............ .....Follow this link to join my WhatsApp community:

Md Shariful Islam WhatsApp Group Invite

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Mymensingh?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Mymensingh