Hare Krishna

Hare Krishna

Share

04/06/2022

✨ গাধাকে সৃষ্টি করার পরে সৃষ্টিকর্তা বললেন :
"তুই আজীবন কঠোর পরিশ্রম করবি, অন্যের বোঝা বয়ে বেড়াবি। তোর মাথায় কোনো বুদ্ধিও থাকবেনা। তোকে আয়ু দিলাম ৫০ বছর।

👉 গাধা : সে কি !! এত কষ্ট করে আমি এত দীর্ঘদিন বাঁচতে চাইনা। প্লিজ, আমার আয়ু কমিয়ে ২০ বছর করে দিন।

👉 সৃষ্টিকর্তা : যাহ, তাই দিলাম।

👉 কুকুরকে বললেন : "তুই হবি মানুষের সবচেয়ে বিশ্বস্ত বন্ধু, কিন্তু মানুষের উচ্ছিষ্ট খেয়ে বেঁচে থাকবি। তোর আয়ু হবে ৩০ বছর।" শুনে, কুকুর বলল : দয়া করে একটু শর্ট করে ঐটা ১৫ করান। এতদিন বাঁচতে চাইনা। এইবারও রাজি হয়ে গেলেন।

👉 এরপর উনি বানরকে বললেন : "হে বানর, তোর একমাত্র কাজ হবে লাফিয়ে লাফিয়ে এক গাছ থেকে আরেক গাছে যাওয়া, আর তামশা দেখিয়ে মানুষকে বিনোদন দেওয়া। তোর আয়ু দিলাম ২০ বছর।

👉 সে আবেগে কেঁদে বলল : দিবেনই যখন ১০ বছর দেন, আমি এত বড় জীবন দিয়ে কি করব??

👉 এইবার মানুষকে বলল : "তুমি হবে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব। সবচেয়ে জ্ঞানী এবং বিচক্ষণ। তোমার আয়ুও হবে ২০ বছর।" সে তো খুশিতে পাগল হয়ে গেল,কিন্তু এত মহত জীবন নিয়ে মাত্র ২০বছর??

👉 সে করজোরে প্রভুকে বলল : একটা কাজ করা যায়না?আপনি আমাকে গাধার ফেরত দেওয়া ৩০ বছর,
কুকুরের ১৫ বছর,
বানরের ১০ বছর দিয়ে দেন।

👉 সৃষ্টিকর্তা বললেন : নিজের ভালো পাগলেও বোঝে, তুই বুঝলি না। যাহ, দিলাম।

সেই থেকে মানুষ সুন্দর ভাবে বাঁচে ২০ বছর,
পরের ৩০ বছর গাধার মত সংসারের বোঝা টানে,
তার পরের ১৫ বছর ছেলে মেয়ে যা দেয় তাই খেয়ে পরে বেঁচে থাকে কুকুরের মতো, আর তার পরের দশ বছর বানরের মত, কখনো এক সন্তানের বাসা তো কখনো আরেক সন্তানের বাসায় ঘোরে আর নাতি নাতনিদের বিনোদন দেওয়াই হয় তাদের প্রধান দায়িত্ব।
হরে কৃষ্ণ।??? 🙏🙏

14/05/2022

রাধা কৃষ্ণ প্রাণ মোর যুগলকিশোর

09/05/2022

ভক্তিবিনোদ ঠাকুর বর্ননা করছেন,
"একাকী আমার নাহি পায় বল হরিনাম সংকীর্তনে।"

আমরা যদি একা একা কৃষ্ণভক্তিতে এগোতে চাই সেই পন্থা অত্যন্ত দুষ্কর হবে।

আমরা নিজেদের উদাহরণ দিয়ে বলতে পারি।
আমরা এত ভক্তের সাথে জপ করি তবুও আমাদের জপের সময় ঘুম পায়।
এত ভক্তের সাথে কৃষ্ণকথা শ্রবণ করি তবুও আমরা ঘুমিয়ে পরি।
আমাদের মন বিভিন্ন স্থানে দৌড়ে বেড়ায়।

তাহলে আমরা যদি একা একা জপ করতে চাই,একা একা কৃষ্ণভক্তিতে এগোতে চাই তাহলে সেই পন্থা আরো কতটা দুষ্কর হবে!

কেউ কেউ মনে করে কৃষ্ণভক্তিতে এগোতে গেলে, "সাধুসঙ্গের প্রয়োজন নেই,আমি একাই যথেষ্ট"- এটা অত্যন্ত ভয়ংকর মনোভাব,ভয়ংকর চেতনা।

শ্রীমান মহাপ্রভু সেইজন্য বলেছেন-
"সাধুসঙ্গে হরিনাম এই মাত্র চাই"।
উন্নত ভক্তরা আমাদেরকে পথ দেখাতে পারবেন কিভাবে এগোনো উচিত আর কিভাবে এগোনো উচিত নয়।

একটা উদাহরণ দেয়া যায়-
একসাথে অনেকগুলো কাঠ একত্রিত করে আগুন জ্বালানো হয়েছে,যেহেতু কাঠগুলো একসাথে জ্বলছে সেইজন্য আগুন বেশ বড়।
আর সেই আগুন থেকে একটি কাঠ যদি আলাদা করে তুলে নেয়া হয় সেই কাঠটি কি বেশিক্ষন জ্বলবে?
জ্বলবে না।

অপরদিকে ধরুন কোন কাঠ একটু ভিজা আছে,সেই ভিজা কাঠকে যদি অনেকগুলো কাঠের আগুনের মধ্যে দিয়ে দেই সেই ভিজা কাঠটা কিন্তু অন্যান্য কাঠের আগুনের সংস্পর্শে আসার পর ভিজা ভাবটা শুকিয়ে যাবে এবং সেই কাঠটিও জ্বলতে শুরু করবে।

ঠিক সেরকম আমরা ভাবছি আমরা অনেক ভালো ভক্ত হয়ে গেছি,অনেক বছর জপ করছি।
তাই ভাবছি আমাদের আর সাধুসঙ্গের দরকার নেই।

আমরা সাধুসঙ্গ থেকে বেরিয়ে আসলাম আমাদের কি হবে?
আমাদের অবস্থা সেই কাঠটির মত হবে,যেই কাঠটি আগুনের সাথে ছিলো,দাউদাউ করে জ্বলছিলো কিন্তু সেই কাঠটি যখন অন্যান্য কাঠ থেকে আলাদা করা হলো তখন তার মধ্যে আগুন জ্বালার সম্ভাবনা থাকলেও সে কিন্তু জ্বলবে না।

কোন না কোনভাবে আমাদের সাধুসঙ্গের সংস্পর্শে থাকা উচিত।
আর এরকম সাধুসঙ্গ বা ভক্তের সঙ্গ করা উচিত যাদের মনোভাব, সমমনভাবাপন্ন,যাদের উদ্দেশ্য এক।

ধরুন কারো উদ্দেশ্য সকাল সকাল জপ করা আর কারো উদ্দেশ্য সকাল বেলার যে ঘুম সেই ঘুমের স্বাদ আস্বাদন করা।
যে সকাল সকাল জপ করছে সে যদি ওই রকম ব্যক্তির সঙ্গ করে যে সকালের ঘুমটাকে পরিত্যাগ করতে পারে না তাহলে আস্তে আস্তে সেও জপ পরিত্যাগ করে সকালে নাক ডেকে ঘুমানো শুরু করবে।

কোন কোন ভক্তের মনোভাব হচ্ছে-
"ভাল না খাইবো ভাল না পরিবো"
আরেকজন ভক্তের মনোভাব হচ্ছে-
"বেঁচে থাকার উদ্দেশ্য হচ্ছে যত পারো তত প্রসাদ পাও"
তাহলে কি হবে?

সাধুসঙ্গের দুটি ভাগ আছে।

একটি ভাগ হচ্ছে-
সমমনোভাবাপন্ন-মানে হচ্ছে আমার উদ্দেশ্য আর উনার উদ্দেশ্য এক।
আমরা ভগবানকে খুশি করতে চাই।
গুরু গৌরাঙ্গের চরণকোমলে আত্মসমর্পণ করতে চাই।

সাধুসঙ্গের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হচ্ছে যারা ভগবদ্ভক্তিতে আমার থেকে উন্নত,যে আমাকে পথ দেখাতে পারবে,যে আমার ভুল-ত্রুটি দেখিয়ে দিতে পারবে তার সঙ্গ করা।

ধৃতরাষ্ট্রের পিতা ছিলেন ব্যাসদেব,আমরা যখন ধৃতরাষ্ট্রের নাম শ্রবন করি আমাদের হৃদয় কি শ্রদ্ধায় ভরপুর হয়ে উঠে?
ধৃতরাষ্ট্র ভীষ্মদেব,কৃপাচার্য, দ্রোণাচার্য উনাদের থেকে শিক্ষা লাভ করেছে।

ধৃতরাষ্ট্র ব্যাসদেবের সন্তান,ভীষ্মদেবের শিষ্য ছিল কিন্তু এরপরও উনার নাম শুনলে আমাদের মন শ্রদ্ধায় ভরে উঠে না।
কারন উনি অসৎসঙ্গে ছিলেন।দূর্যোধনের সংস্পর্শে সবসময় থাকার ফলে উনার মন কলুষিত হয়ে গেছিল।
তাই উনি এগোতে পারলেন না।
এটা সৎসঙ্গে আর অসৎসঙ্গে থাকার ফল।

সারাবিশ্বের মানুষ প্রভুপাদের সংস্পর্শে আসার ফলে কৃষ্ণভাবনামৃত গ্রহণ করেছে।

যারা কৃষ্ণের নাম কখনো শুনে নি তারা এখন কৃষ্ণের জন্য পাগল,যাদের জীবনে ভাবধারা ছিলো চারটি নিয়ম ভঙ্গ করা তারা এখন চা পর্যন্ত স্পর্শ করে না।

সেজন্য আমাদের চিন্তা করতে হবে কিরকম ভক্তের সঙ্গ আমরা করছি।
আমরা যেন কখনো সৎসঙ্গ ত্যাগ করার মানসিকতা হৃদয়ে না নিয়ে আসি।আমাদের মনোভাব সবসময় এমন থাকবে যে আমরা সবসময় সাধুগুরু বৈষ্ণবের তত্ত্বাবধানে ভক্তিজীবনে এগিয়ে যেতে চাই।

আমাদের মন খারাপ হলেও জপ ক্লাসে আসা উচিত,মন্দিরে যাওয়া উচিত,ক্লাস শোনা উচিত
তা নাহলে আমরা হারিয়ে যাবো।

-শ্রীপাদ নাড়ুগোপাল দাস
(০৯-০৫-২০২২)

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Mymensingh?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Mymensingh