Complete Building Solutions

Complete Building Solutions

Share

05/10/2020

কমপ্লিট বিল্ডিং সলিউশনস

আমাদের রয়েছে সৃজনশীল স্থপতি, দক্ষ প্রকৌশলী ও অবিজ্ঞ ঠিকাদার।
>>ইনবক্স ফর ডিটেলস
আমাদের সার্ভিস গুলো হচ্ছে -
১। #প্ল্যান/ #ড্রয়িং/ #নকশা
২। #স্ট্রাকচারাল_ডিজাইন
৩। #আরকিটেকচারাল_ডিজাইন
৪। #থ্রিডি_ডিজাইন/ #থ্রিডি_এনিমেশন
৫। #ল্যান্ডস্কেপিং_ডিজাইন
৬। #ইলেকট্রিক্যাল ও #প্ল্যাম্বিং_ডিজাইন
৭। #ইন্টেরিওর_ডিজাইন
৮। #এপ্রোভাল_ড্রয়িং/শিট
৯। #ম্যাটেরিয়ালস_কস্টিং/এস্টিমেট
১০। #কন্সট্রাকশন ও #সুপারভিশন

#বাড়িরপ্ল্যান #বাড়িরডিজাইন #বিল্ডিংপ্ল্যান #বিল্ডিংলেআউট #আর্কিটেকচারফার্ম #ডিজাইনফার্ম #ড্রয়িং #প্ল্যান #আকর্ষণীয়বাড়িরডিজাইন #ডুপ্লেক্সডিজাইন #ল্যান্ডস্কেপডিজাইন #মডার্নডিজাইন #রিসোর্ট #বাংলোবাড়ি #ড্রিমহাউসডিজাইন

যোগাযোগঃ
অফিসঃ ৮/বি/৫ মধ্য পাইকপাড়া, মিরপুর-১, ঢাকা-১২১৬
মোবাইলঃ ০১৯১৯-৮১৮৪৭৭
ই-মেইলঃ [email protected]
ওয়েবসাইটঃ www.ske.com.bd

Photos from Complete Building Solutions's post 04/10/2020

বাড়ির ড্রেনেজ পদ্ধতি: সবকিছু ভেবেছেন তো?

আমাদের বাসাবাড়ির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা আমাদের স্বাস্থ্য ভালো রাখা নিশ্চিত করে এবং বর্জ্য পদার্থের যথাযথ ব্যবস্থা করে আমাদের জীবনকে সুন্দর, সহজ ও সাবলীল করে তোলে তা হলো বাসা-বাড়ির ড্রেনেজ সিস্টেম। এটি বাসার বাথরুম, রান্নাঘর থেকে আমাদের আবর্জনা, ময়লা রাষ্ট্রীয় ওয়েস্ট ডিস্পোজাল সিস্টেমের মাধ্যমে সরিয়ে দিয়ে আমাদের আশেপাশের স্থানকে করে তোলে পরিষ্কার ও আমাদেরকে রাখে ক্ষতিকারক প্রাণী ও কীটপতঙ্গ থেকে নিরাপদ।

এভাবে চিন্তা করলে আমাদের বাসাবাড়ির ড্রেনেজ সিস্টেম শুধু আমাদের বাড়িই না, সাথে সাথে বাড়ির আশেপাশের পরিবেশ এবং সামগ্রিকভাবে দেশের পরিবেশ ভালো রাখতে সাহায্য করে। যেকোনো একটি ছোট স্থানের যেকোনো সমস্যা আমাদের সামগ্রিক ড্রেনেজ সিস্টেমের সমস্যা হিসেবেই পরিগণিত হয়।

এজন্য বাসার নকশার সময় আমাদের ড্রেনেজ সিস্টেম খুব ভালোভাবে নকশা করতে হবে। আসুন জেনে নিই ড্রেনেজ সিস্টেম কীভাবে নকশা করতে হবে, কী কী জিনিস আমাদের খেয়াল রাখতে হবে এবং আমাদের জীবনে কীভাবে এ থেকে সুফল পাব।

কী কী খেয়াল রাখতে হবে?
কোন বাসার ড্রেনেজ সিস্টেম বলতে এর প্লাম্বিং এবং এর সাথে জড়িত পাইপের লেআউটকে বোঝায়। বাসা নকশা করার সময় এই প্লাম্বিং ডিজাইন করাটা অনেক জরুরি। প্লাম্বিং লেআউট থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় মাপের সেপ্টিক ট্যাঙ্ক কিংবা পাইপের ব্যাসার্ধ এসব কিছু প্রয়োজনমাফিকভাবে নির্ধারণ করা এবং সঠিকভাবে দালানে বা বাসায় ইনস্টল করা খুব জরুরি। নাহলে বাসায় বসবাস করা রীতিমতো দুর্বিষহ থেকে অসম্ভব হয়ে পড়বে। আসুন জেনে নিই আমাদের শুরুতেই কী কী জেনে নিতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে।

“কী পরিমাণ বর্জ্য নিঃসরণ হতে পারে” সে বিষয়টি ভবনে কত জন থাকবে এবং সরকারি নিয়ম ও ইঞ্জিনিয়ারিং-এর টেকনিক্যাল জ্ঞান প্রয়োগ করে বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে দালানের নকশা করার আগেই নির্ধারণ করে নিতে হবে।

দালানের নকশার সময় পাইপ দালানের গা বেয়ে নেমে যাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা রাখা হয়েছে কিনা তা নকশা অনুমোদনের সময়ই খেয়াল রাখতে হবে। নাহলে দালানের গা বেয়ে এক্সপোসডভাবে পাইপ নামবে, যা দালানের সৌন্দর্য নষ্ট করবে এবং দালানের প্লাম্বিং ব্যবস্থাকে দুর্বল করে ফেলবে।

বাথরুম ও রান্নাঘরের পাইপের মাপ এক রকম হয় না, কারণ এদের কাজও ভিন্নরকম। তাই পাইপের মাপ, ব্যাসার্ধ ইত্যাদি সঠিকভাবে পরিমাপ করতে হবে। এবং নিয়মমতো ইনস্টল করতে হবে।

সবচেয়ে কম পরিমাণ পাইপ ব্যবহার করা দালান সবসময়ই ভবন ব্যবস্থাপনার জন্য সুবিধাজনক। কারণ এতে করে পাইপে ক্লগ কম হবে, সাস্পেন্ডেড বা ফলস সিলিংয়ের পিছনে খরচ কম হবে। তাই ডাক্টিং খুব খেয়াল করে দিতে হবে যাতে একটি সহজ সরলরৈখিক পথে সেটা নামানো সম্ভব হয়।

প্লাম্বিং-এর পাইপের মান ভালো দিতে হবে যাতে তা থেকে লিক না হয় এবং ফেটে না যায়। এরপরে যাতে ভালোভাবে পাইপের দেখভাল করা যায় সেজন্য উপযুক্ত জায়গা দিতে হবে। এছাড়া বাসা-বাড়ির ভিতরে যাতে লিক না হয় সেজন্য ড্যাম্প-প্রুফিং করতে হবে।

নিয়মকানুন
প্রতিটি আবাসনের ইউনিটে থাকতে হবে কমপক্ষে একটি ওয়াটার ক্লজেট এবং একটি রান্নাঘর সিঙ্ক বা ওয়াশিং সুবিধা। কমপক্ষে একটি বাথরুম রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে স্যানিটেশন এবং ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং সেক্ষেত্রে, স্নানের প্রাথমিক প্রয়োজনীয়তাগুলো পূরণ করতে বাথটাব বা ঝরনার পৃথকভাবে ব্যবস্থা করা হবে।

বিভিন্ন ভবনের ড্রেনেজ ও স্যানিটেশন সিস্টেম ডিজাইনের উদ্দেশ্য হলো দুর্গন্ধ দূরীকরণ, সলিড ওয়েস্ট জমা এবং জমাট বাঁধানো, পর্যাপ্ত পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা এবং পরিদর্শন চেম্বারগুলো এমনভাবে সাজানো যাতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি ছাড়াই ড্রেনগুলো সহজে পরিষ্কার করা যায়।

প্লাম্বিং সিস্টেমটিতে ন্যূনতম পরিমাণে পানি ধারাবাহিকভাবে ব্যবহারের জন্য ডিজাইন এবং সমন্বয় করা হবে, যাতে এর সঠিক কর্মক্ষমতা এবং সহজেই পরিষ্কারের ক্ষমতা সুনিশ্চিত হয়। প্লাম্বিং সিস্টেম, ডিভাইস এবং সংযুক্তিগুলোতে প্রয়োজনীয় পরিমাণে পানির সরবরাহ করা হবে এগুলোকে যথাযথভাবে কাজ করতে সক্ষম করার জন্য। পর্যাপ্ত চাপ এবং সাধারণ অবস্থার অধীনে অযৌক্তিক গোলমাল ছাড়াই যাতে ব্যবহার করা যায় সেভাবে এগুলোর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। যখনই সম্ভব হবে, সমস্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা পাব্লিক নর্দমা বা বেসরকারি বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থায় ফেলে দেওয়া হবে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি ব্যবহার করে।

দালানে প্লাম্বিং সিস্টেমের প্রকারভেদ
দালানে ড্রেনেজ সিস্টেম নকশা করার জন্য সাধারণত ৩ প্রকারের সিস্টেম ব্যবহার করার নিয়ম আছে। এখান থেকে যেকোনো একটি পদ্ধতি বেছে নকশা করতে হয়। সেগুলো হলো-

১. সিঙ্গেল স্ট্যাক সিস্টেম- সাধারণত ৫ তলা পর্যন্ত উঁচু দালানে ব্যবহার করা হয়।

২. একক পাইপ সিস্টেম- যেসব দালানে সবরকমের বর্জ্য পদার্থ একটিমাত্র পথে নিষ্কাশিত হয়, সেসব দালানে এই সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।

৩. ডাবল পাইপ সিস্টেম- যেসব বাসায় রান্নাঘর এবং বাথরুম থেকে স্লাজ আলাদাভাবে নিষ্কাশন করা হবে, যা মাটিতে সেপটিক ট্যাঙ্ক বা ইমহফ ট্যাঙ্কে বর্জ্য হিসেবে নিষ্কাশিত হবে, সেসব ক্ষেত্রে দুটি পাইপ ব্যবস্থা ব্যবহার করা হবে।

এসব সিস্টেম উপযুক্ত এক্সপার্টের পরামর্শ অনুযায়ী বাড়িতে বা দালানের জন্য ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অন্যথায় ব্যবহৃত পানি ও স্লাজের লোডের কারণে তা ব্যর্থ হবে। এছাড়াও পরামর্শ অনুযায়ী উপযুক্ত মাপের এবং স্পেসিফিকেশনসহ পাইপ ব্যবহার করতে হবে, যাতে পাইপ স্লাজ ও পানির আভিকর্ষজ চাপের কারণে ফেটে না পড়ে। এজন্য অভিজ্ঞ প্লাম্বার ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শক্রমে আমাদেরকে আমাদের বাসার ড্রেনেজ সিস্টেম ঠিক করতে হবে।

এতে করে আমাদের বাসার পরিবেশ যেমন ভালো থাকবে, ঠিক তেমনিভাবে সঠিক স্যানিটেশন ও ড্রেনেজ সিস্টেম চালু করার আমাদের বাসার সামনের ও আশেপাশের পরিবেশ ভালো ও পরিষ্কার থাকবে।

Photos from Complete Building Solutions's post 04/10/2020

মেঝের একাল সেকাল

ছোটবেলায় শহরের যেকোনো বাসার মেঝেতেই দেখা মিলত মোজাইক ফ্লোরের, নানা রঙের পাথরের ছোট ছোট টুকরো দেখা যেত ফ্লোরের মাঝে। অনেক জায়গায় সরকারি কলোনিগুলোতে এখনও ফ্লোরে দেখা মেলে প্লেইন কংক্রিট না হয় পাকা ঢালাইয়ের। গ্রামে এখনও পাকা বাড়িতে ফ্লোরে পাকা ঢালাইয়ের ব্যবহার বহুল প্রচলিত। তবে সময় পাল্টে যাচ্ছে। মোজাইক ফ্লোর, প্লেইন কংক্রিট আর পাকা ঢালাইয়ের জায়গাতে গত বেশ অনেক বছর ধরে জায়গা করে নিয়েছে টাইলস। আর এই পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে খরচ, সহজলভ্যতা আর স্থায়িত্ব।

ঘরের মাঝে আমাদের সবচেয়ে কাছাকাছি সংস্পর্শে থাকে মেঝে, সারাক্ষণ মেঝের ওপর দিয়েই চলাচল হয় সবার। তাই ফ্লোর ফিনিশিংয়ের বিষয়টি বাড়ি নির্মাণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

পাকা ঢালাই
ফ্লোর ফিনিশিং-এ পাকা ঢালাই ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেসব জিনিস মাথায় রাখতে হবে তা হচ্ছে:

১. আরসিসি কাজের জন্য কংক্রিট মিশ্রণ ১ঃ২ঃ৪ হওয়া ভালো, এক ভাগ সিমেন্ট, দুই ভাগ বালু, চার ভাগ খোয়া।

২. পানির সাথে মশলা মেশার আগপর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

৩. সেটিং শুরু করার আগেই ঢালাই হয়ে যেতে হবে।

৪. সেটিং এর জন্য এমন তক্তা অথবা প্লেট ব্যবহার করতে হবে যেন তাতে ছিদ্র না থাকে এবং ব্যবহারের আগে তাতে ডিজেল গ্রিজ লাগিয়ে নিলে ফিনিশিং ভালো হয়।

গ্রামে এখনও পাকা ঢালাইয়ের ফিনিশিং দেখা গেলেও, শহরের নতুন নির্মিত বাড়িগুলোতে এর ব্যবহার নেই বললেই চলে।

মোজাইক ফিনিশিং
বিভিন্ন রঙের ৬ মিমি. বা এর নিচের সাইজের মার্বেল পাথরের গুড়া, সাদা বা গ্রে সিমেন্ট ও পানির মিশ্রণ দ্বারা তৈরি মর্টার দ্বারা ১০ থেকে ১২ মিমি. পুরুত্বের যে ফ্লোর নির্মাণ করা হয়, সেটাই হলো মোজাইক ফ্লোর।

মোজাইক ফ্লোর নির্মাণের আগে কিছু কাজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যেমন:

১. পাথরের সাইজ, কালার নির্বাচন, ফ্লোরের লেভেল নির্ধারণ, স্যানিটারি লাইন চেক, সিমেন্ট নির্বাচন, ফ্লোর সারফেস সমতল করা ইত্যাদি।

২. সাইজ ও কালার নির্বাচন করার পর পাথরগুলো বস্তা থেকে বের করে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে এরপর ওজন স্কেল দিয়ে প্রতি বস্তা সিমেন্টের ওজন সমান ৪০ কেজি হিসেব করে বা ৫০ কেজি হিসেবে মেপে বস্তা করে রাখতে হবে। সব রঙের পাথরকেই একইভাবে মেপে রাখতে হবে।

৩. মোজাইকের কাজ শুরু করার আগে ১:২ (১ ভাগ সিমেন্ট, ২ ভাগ বালি) অনুপাতে নিচের মূল ফ্লোরটি তৈরি করে নেওয়া হয়।

৪. এর উপর মোজাইকের মশলা অন্তত ১/২” পুরু করে প্রলেপ দেওয়া হয়।

৫. মোজাইকের এ প্রলেপটি ১৫ থেকে ২০ দিন যথানিয়মে কিউরিং করানো হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে ৪০, ৬০, ৮০, ১০০ ও ১২০ নং পাথর দিয়ে ঘষে মসৃণ করা হয়। এ কাজকে মোজাইক কাটিং ওয়ার্ক বলে।

মোজাইক ফ্লোর সাশ্রয়ী হলেও এর ব্যবহারে বেশ কিছু অসুবিধা রয়েছে, যেমন:

১. মোজাইকের কাজে অত্যন্ত দক্ষ মিস্ত্রির প্রয়োজন, যা বর্তমানে পাওয়া বেশ মুশকিল।

২. এর নির্মাণে জটিলতা বেশি।

৩. মোজাইক ফিনিশিংয়ের ডাস্ট সহজে মাটির সাথে মেশে না, ফলে পরিবেশের ক্ষতি হয়।

৪. কোনোরকম ক্র্যাক করলে রি-কাস্ট করা বেশ একটা সম্ভব হয় না।

টাইলস
সহজে ও স্বল্প সময়ে স্থাপন করা যায় এবং দৃষ্টিনন্দন বলেই নির্মাণকাজে টাইলসের ব্যবহার এখন বহুগুণে বেড়েছে। ফ্লোর, ওয়াল, ছাদ বা পার্কিংসহ জায়গাভেদে বিভিন্ন মানের ও দামের টাইলস পাওয়া যায়।

টাইলসের প্রকারভেদ

গঠনগত দিক দিয়ে ও ধরন বিবেচনায় বাসা-বাড়িতে সাধারণত দুই ধরনের টাইলস ব্যবহৃত হয়:

১. সিরামিক টাইলস

২. হোমোজিনাস টাইলস

সিরামিক টাইলস: ক্লে টাইলসের উপর সিরামিকের লেয়ার দিয়ে সিরামিক টাইলস তৈরি করা হয়ে থাকে। এটি যেকোনো দেয়ালে লাগানোর উপযোগী। এই টাইলস ছোট ও মাঝারি সাইজের পাওয়া যায়।

হোমোজিনাস টাইলস: এই টাইলস পুরোটাই একই ম্যাটেরিয়ালে তৈরি। এই টাইলস বেশি ব্যবহারে উপরে ক্ষয়প্রাপ্ত হলেও নিচে থেকে একই লেয়ারে বের হয়ে আসে। তাই ফ্লোর ও সিঁড়িতে হোমোজিনাস টাইলস বহুল ব্যবহৃত হয়। এই টাইলস বিভিন্ন শেপ ও সাইজের হয়ে থাকে।

নান্দনিকতা ও ফিনিশিংয়ের জন্য যেসব টাইলস ব্যবহার হয়ে থাকে সেগুলো হলো:

মিরর পলিশড টাইলস: বর্তমানে বাসা-বাড়িতে ফ্লোরে যে টাইলসের ব্যবহার সবচেয়ে বেড়েছে তা হলো মিরর পলিশড টাইলস। বড় সাইজের ও উজ্জ্বল হওয়াতে বাসা ও শোরুমে এটি ব্যবহৃত হয় বেশি। তবে মিরর পলিশড টাইলস অবশ্যই উন্নতমানের হতে হবে, তা না হলে অচিরেই উজ্জ্বলতা হারাবে এই টাইলস।

রাস্টিক টাইলস: ভবনের বাইরের দেয়ালে, বাউন্ডারি ওয়ালে এমনকি বাসার ভেতরেও যেকোনো এক দেয়ালে রাস্টিক ফিলিংস আনতে এই টাইলসের বিকল্প নেই। স্টোন চিপস দিয়ে তৈরি এই টাইলস বিভিন্ন সাইজ ও ডিজাইনে বাজারে পাওয়া যায়। এর ব্যবহার বাসার অন্দরে ও বাইরে আলাদা আভিজাত্য ও নান্দনিকতা যোগ করে।

ম্যাট টাইলস: সাধারণত ফ্লোরে পিচ্ছিলতা এড়াতে ম্যাট ফিনিশড টাইলস ব্যবহার করা জরুরি। লক্ষ্য রাখতে হবে বাথরুমে দেয়ালের এবং ফ্লোরে একই রকম টাইলস ব্যবহার করা উচিৎ নয়। এছাড়াও সিমেন্টের তৈরি হেভি লোড বিয়ারিং পার্কিং টাইলস রয়েছে, যা বাগান, ফুটপাত, ছাদে ব্যবহার করা যায়।

টাইলস বসানোর সময় লক্ষ্যণীয় বিষয়সমূহ:

১. ফ্লোর ভালো করে চিপিং করতে হবে, এরপর পরিষ্কার করে নিতে হবে।

২. রুম ভালো করে মেপে টাইলস বসানো শুরু কর‍তে হবে, যেন কাটপিস সামনের দিকে না পড়ে।

৩. প্রথমে ওয়াল টাইলস ও এরপর ফ্লোর টাইলস বসাতে হবে।

৪. টাইলস ব্যবহারের আগেই ভালো করে ভেজাতে হবে, বিশেষত সিরামিক টাইলস অবশ্যই ভিজিয়ে ব্যবহার করতে হবে।

৫. টাইলস বসানোর কাজে রাবারের হাতুড়ি ব্যবহার করতে হবে।

৬. টাইলস বসানোর পরপরই টাইলসে লেগে থাকা বালি-সিমেন্ট পরিষ্কার করে ফেলতে হবে, যদি দেরি করা হয় তাহলে স্ক্র্যাচ পড়ে যেতে পারে। টাইলস বসানো হয়ে গেলে পরদিন ফ্লোর টাইলস কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা কিউরিং করতে হবে।

৭. টাইলস বসানোর পরে অবশ্যই ভালোমতো পয়েন্টিং করতে হবে।

টাইলস ব্যবহারে ফ্লোর ফিনিশিং হয় স্থায়ী এবং নান্দনিক। এতে মেঝে পরিষ্কার করাও সহজ। সব মিলিয়েই বর্তমানে মোজাইক আর পাকা ঢালাইয়ের বদলে টাইলসের ব্যবহার বহুল পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে।

Want your business to be the top-listed Home Improvement Business in Mirpur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address


563/1 Monipur, Mirpur-2, Dhaka
Mirpur
1216

Opening Hours

Monday 09:00 - 18:00
Tuesday 09:00 - 18:00
Wednesday 09:00 - 18:00
Thursday 09:00 - 06:00
Saturday 09:00 - 18:00
Sunday 09:00 - 18:00