Gastro plus
02/11/2023
গ্যা/স্ট্রি/ক দূর হবে ঔ/ষধ ছাড়া! মৃ/ত্যুর ঝুঁ/কি নিয়েই বছরের পর বছর গ্যা/স্ট্রি/কের ও/ষুধ খাওয়ায় কি/ডনি, হা/র্ট অ্যা/টাক, পাক/স্থ/লীর ক্যা/নসা/র, হাড়/ক্ষয়, স্মৃ/তি ধ্বং/স, এবং নিউ/মোনি/য়ার মতো মারা/ত্মক রো/গে আক্রা/ন্ত হচ্ছে।
👉 তাই, আপনি গ্যাস্ট্রিক থেকে স্থায়ী সমাধান চাইলে। আপনার স্বাস্থ্যকে সুস্থ ও আপনার টাকা এবং সময়কে বাঁচাতে চাইলে অর্ডার করুন !
👉 অর্ডার করতে ভিজিট করুনঃ https://muktiherbs.com/
অথবা বিস্তারিত জানতে কল করুনঃ- 01315-886363
👉 আজই সংগ্রহ করুন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া-বিহীন গ্যা/স্ট্রো প্লাস 👇
#গ্যাস্ট্রিক
26/03/2023
আমলকির রসে শরীর হবে রোগমুক্ত, সুস্থ থাকবে ত্বক, জেনে নিন কী ভাবে
সর্দি-কাশি ছাড়া ভাইরাল বা ব্যাক্টিরিয়াল ইনফেকশানের হাত থেকেও আমলকি রক্ষা করে।
সর্দি-কাশি ছাড়া ভাইরাল বা ব্যাক্টিরিয়াল ইনফেকশানের হাত থেকেও আমলকি রক্ষা করে।
সকালে খালি পেটে ১০ মিলিগ্রাম আমলকির রস পান করা উচিত। পরে এটি বাড়িয়ে ২০ মিলিগ্রাম করতে পারেন।
আয়ুর্বেদে এমন অনেক খাদ্যবস্তুর বিষয় উল্লেখ রয়েছে, যা গ্রহণ করলে নানান রোগ থেকে মুক্তির পাশাপাশি ত্বকও উজ্জ্বল হয়।
এই খাদ্যবস্তুগুলির মধ্যে অন্যতম হল আমলকি। এতে সমস্ত ধরণের জরুরি মিনারেলস ও ভিটামিন থাকে, যা শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
কাঁচা বা জুস বানিয়ে আমলকি খেতে পারেন। আবার আচার বা জ্যাম বানিয়েও খাওয়া যেতে পারে।
ভিটামিন সি-তে সমৃদ্ধ আমলকি রোগ প্রতিরোধ শক্তি ও মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে।
সর্দি-কাশি ছাড়া ভাইরাল বা ব্যাক্টিরিয়াল ইনফেকশানের হাত থেকেও আমলকি রক্ষা করে।
আবার ক্যান্সার সেলের সংখ্যা কমাতে পারে আমলকি।
আয়ুর্বেদ অনুযায়ী আমলকির রস শরীরের সমস্ত প্রক্রিয়ায় ভারসাম্য রক্ষা করে এবং বাত, কফ ও পিত্ত থেকে মুক্তি দেয়।
কখন ও কতটা পরিমাণে পান করবেন আমলকির রস:
সকালে খালি পেটে ১০ মিলিগ্রাম আমলকির রস পান করা উচিত।
পরে এটি বাড়িয়ে ২০ মিলিগ্রাম করতে পারেন। এর চেয়ে বেশি পান করলে, স্বাস্থ্যে এর দুষ্প্রভাব পড়তে পারে। দিনে দুবার এটি পান করতে পারেন।
আমলকির উপকারীতা:
দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে আমলকি সাহায্য করে। মধুর সঙ্গে এক চামচ আমলকির পাওডার মিশিয়ে খেলে চোখের ছানির সমস্যা কাটিয়ে ওঠা যায়।
ফোড়ন দেওয়া আমলকির রস পান করলে জ্বর কমানো যায়। এ ছাড়া, দাঁতে ব্যথা ও ক্যাভিটি হলে আমলকির রসে সামান্য কর্পূর মিশিয়ে মাড়িতে লাগালে স্বস্তি পেতে পারেন।
যে কোনও উপায় আমলকি খেলে শরীর ঠান্ডা থাকে। এ ছাড়া হিচকি উঠলে বা বমি হলে আমলকির রসে মিশ্রী মিশিয়ে দিনে দু-তিন বার পান করলে স্বস্তি পেতে পারেন।
মুখের দাগ-ছোপ দূর করে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য আমলকি উপকারী। এর পেস্ট বানিয়ে মুখে লাগালে ত্বক পরিষ্কার ও উজ্জ্বল হয়। এ ছাড়া বলিরেখাও কমে যায়।
আবার স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এর রস কাশি ও ফ্লু-র পাশাপাশি মুখের ঘা নিরাময়েও উপযোগী।
দুচামচ আমলকির রসে দুচামচ মধু মিশিয়ে পান করলে সর্দি-কাশি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আবার মুখের ঘা সারিয়ে তোলার জন্য জলে দুচামচ আমলকির রস মিশিয়ে গার্গল করলে উপকার পেতে পারেন।
নিয়মিত এর রস পানের ফলে কোলেস্ট্রলের স্তরও কমানো সম্ভব হয়। এর ফলে শরীর সুস্থ থাকে। এতে উপস্থিত অ্যামিনো অ্যাসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কারণে হৃদয়ের কার্যকরিতা যথাযথ থাকে।
শ্বাস-প্রশ্বাস সংক্রান্ত সমস্যা, যেমন অ্যাস্থমা নিরাময়ে আমলকি উপযোগী। এর পাশাপাশি ডায়বিটিজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও পাচনতন্ত্রের সুষ্ঠু কার্যকরীতার জন্য আমলকি দায়ী।
লিভার সুস্থ রাখতে আমলকি সহায়ক। এর ফলে সমস্ত বিষাক্ত পদার্থ শরীর থেকে নির্গত হয়।
ভিটামিন সি ছাড়াও আমলকিতে আয়রন, ক্যালশিয়াম ও ফসফরাস থাকে। ফলে শরীরে পুষ্টির জোগান অব্যাহত থাকে।
চুলের জন্য ওষুধ হিসেবে কাজ করে আমলকি। এতে উপস্থিত অ্যামিনো অ্যাসিড এবং প্রোটিন চুল বড় করে, চুল পড়া রোধ করে ও গোড়া মজবুত রাখে।
সংগৃহীত।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Culinary Team
Attire
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
Mirpur