Basic Computer Training Program
31/07/2025
সবাই বলছে, ২০২৫ হলো AI এজেন্টদের বছর।
কিন্তু বাস্তবতা একটু ভিন্ন।
Andrej Karpathy-র ভাষায়, এটা কোনো "একটি বছর" না—
এটা আসলে AI এজেন্টদের দশক।
আমরা এখনো খুব শুরুতে আছি।
এই মুহূর্তে AI নিয়ে অনেক হাইপ, অনেক ডেমো হচ্ছে,
আবার অনেক সমাধান এখনও প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল দিচ্ছে না।
AI এমন না যে, হঠাৎ করে একটা সুইচ টিপে আপনার ব্যবসা দখল করে নেবে।
AI আসবে ধীরে ধীরে।
একটা টাস্ক করে, একটা টুল করে… নিঃশব্দে।
আর বেশিরভাগ কোম্পানিতে AI আসে এই তিন ধাপে:
🔹 ১. Augmentation – AI মানুষের কাজকে আরও ভালো করতে সাহায্য করে।
🔹 ২. Automation – কাজের কিছু অংশ AI-এর হাতে চলে যায়।
🔹 ৩. Annihilation – কিছু কাজ বা সম্পূর্ণ প্রসেসই নতুন করে তৈরি হয়ে যায়।
আমি একে বলি AAA পথ।
(হ্যাঁ, ‘annihilation’ বলেছি একটু নাটকীয়ভাবে, ‘transformation’ এর বদলে!)
Bill Gates একবার বলেছিলেন:
“আমরা দুই বছরে যা করতে পারি তা অতিমূল্যায়ন করি, আর দশ বছরে যা সম্ভব তা অবমূল্যায়ন করি।”
বর্তমানে AI-এর আসল শক্তি কোথায়?
মানুষকে বাদ দেওয়া না…
বরং তাদের আরও দক্ষ, আরও বুদ্ধিমান, আরও সময়-বাঁচানো করে তোলায়।
হ্যাঁ, কিছু চাকরি বদলে যাবে, কিছু হারিয়ে যাবে, নতুন কিছু আসবেই।
এটাই নতুন প্রযুক্তি এলে হয়।
কিন্তু স্মার্ট পদক্ষেপ কী?
আগে augmentation দিয়ে শুরু করুন।
আপনার টিমকে আরও ভালো করে তুলুন।
সেখান থেকেই ভবিষ্যৎ গড়ুন।
“A good face is the best letter of recommendation.” – Queen Victoria
বর্তমান যুগে, একটি ভালো মুখের পাশাপাশি একটি ভালো ডিজিটাল পরিচিতি-ই হয়ে উঠছে সবচেয়ে শক্তিশালী রেফারেন্স।
আজকাল কেউ যখন আপনার নাম শোনে, প্রথম কাজটা কী করে?
Google search.
আর প্রথম পেজেই যদি আপনার নাম আসে, এবং তার সঙ্গে আপনার প্রফেশনাল যোগ্যতা, দক্ষতা ও অবদান উঠে আসে, তাহলে সেটাই হয়ে দাঁড়ায় আপনার পরিচয়ের শক্ত প্রমাণ।
"আপনার অনলাইন উপস্থিতি হচ্ছে আপনার নীরব আত্মজীবনী।"
একটি প্রফেশনাল প্রোফাইল, কিছু মানসম্মত প্রকাশনা, কিছু সত্যিকারের কাজের চিত্র—এই সবই মিলিয়ে আপনি গুগলের পাতায় নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে পারেন, মুছে ফেলতে পারেন সন্দেহ, এবং গড়ে তুলতে পারেন আস্থা।
যারা এখনো শুরু করেননি, তাদের প্রতি অনুরোধ—
নিজের কাজের ডকুমেন্টেশন রাখুন,
নিজের নামের সাথেই তৈরি করুন অনলাইন ছাপ।
কারণ গুগল মানুষ ভুলে না, সে শুধু দেখায় আপনি কী রেখে গেলেন।
ভারত থেকে বিদেশে পড়ালেখার জন্য ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ভারত সরকার নূন্যতম ২০ লক্ষ টাকা বিশ বছরের কিস্তিতে বিনা সুদে ঋণ দেয়। তবে শর্ত একটাই বিদেশে গিয়ে এসাইলাম ক্লেইম করা যাবে না, পড়াশুনা শেষ করতে হবে। শুধু তাই না ব্যাংক স্টেটমেন্টের জন্যও সরকারি ব্যাংকগুলো লোন দেখানোর জন্য সব সময় রেডি থাকে।যার ফলে আজকে কানাডা, আমেরিকা এবং ইউরোপ ভারতীয় ছাত্রছাত্রীদের পদচারণায় মুখরিত।
আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া বা ইউরোপের দেশগুলোর ভিসা অফিসাররা যখন দেখে একটা ছেলে বা মেয়ে তাদের সরকারকে লিখিত দিয়েছে, যে তারা আসলে এসাইলাম ক্লেইম করবেনা এবং পড়াশোনা শেষ করবে। সর্বোপরি রাষ্ট্র সবকিছু নিয়ে তাদের সাথে আছে তাদের পড়াশোনার জন্য স্বয়ং রাষ্ট্র ঋণ দিচ্ছে । তখন তাদের ভিসা পসিবিলিটি এমনিতেই বেড়ে যায়।
ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস আমাদের দীর্ঘ ৫৪ বছরের ইতিহাসে একজন গ্লোবাল সেলিব্রেটি।ইতিমধ্যেই বাংলাদেশীদের জন্য তিনি ভারত থেকে বেশ কয়েকটি ইউরোপিয়ান এম্বাসির কার্যক্রম অন্যান্য দেশ যেমন ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়ায় সরাতে সক্ষম হয়েছেন। শুধু তাই না যেসব ইউরোপিয়ান দেশগুলোর এম্বাসি বাংলাদেশে নেই, সেগুলোর কার্যক্রম খুব শীঘ্রই বাংলাদেশেই শুরু হবে।
আমাদের দেশের বর্তমানে হাজার হাজার শিক্ষার্থী অনার্স মাস্টার্স পাশ করে নামমাত্র ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা বেতনে অমানুষিক পরিশ্রম করছে । এরা না পারছে নিজের জন্য কিছু করতে না পারছে পরিবারের জন্য কিছু করতে।অথচ ভারতের মতো ক্ষুদ্র এই প্রকল্পটি আমরা গ্রহণ করলে বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ পরিবার স্বাবলম্বী হতে পারবে। এই ছেলেমেয়েগুলো বিদেশে গিয়ে পড়াশোনা শেষে তাদের পরিবারের হাল ধরতে পারবে। দেশ থেকে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে অথচ এই শিক্ষার্থীদের জন্য খুব বেশি না এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিলে বাংলাদেশের হাজার হাজার পরিবারের মধ্যে সচ্ছলতা ফিরে আসবে।
আমি বাংলাদেশের সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে অনুরোধ করবো এই বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা, অর্থ উপদেষ্টা,পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সাথে যোগাযোগ করুন। এটি বাস্তবায়নে ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস স্যারের মতো একজন বহুমুখী প্রতিভার মানুষের বেশি সময় লাগার কথা নয়। প্রয়োজনে আমরা সবাই মিলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় গুলোতে ইমেইল ক্যাম্পেইন করবো, টুইটারে (এক্স)টুইট ক্যাম্পেইন করবো এবং আমাদের যার যতটুকু ব্যক্তিগত যোগাযোগ এই মানুষগুলোর সাথে আছে সেগুলো কাজে লাগাবো।
শুধু তাই না বিদেশে পড়াশোনার ব্যাপারে সরকারি উদ্যোগের বেশ কিছু দাবি আমরা জানাবো যাতে পরবর্তী সরকার আসলেও এই কার্যক্রম গুলোস্থিমিত হয়ে না যায।
পরবর্তী সকল আপডেট এই গ্রুপে জানানো হবে Revolution for International Bangladeshi Students (RIBS)। আমি সবাইকে এই গ্রুপে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। আপনারা সকল শ্রেণী পেশার মানুষ যার যার অবস্থান থেকে এটি বাস্তবায়নে সাথে থাকুন়।
Written by: Naimur Rahman
International student in UK
Lecturer (2021-2023)
Educational Consultant(2019-2021)
Assistant Engineer(2017-2019)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the school
Website
Address
Kushtia
7000
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 17:00 |
| Tuesday | 09:00 - 17:00 |
| Wednesday | 09:00 - 17:00 |
| Thursday | 09:00 - 17:00 |
| Sunday | 09:00 - 17:00 |