IMRAN RAC FAULT Solution

IMRAN RAC FAULT Solution

Share

03/10/2021

✅ BEVERAGE COOLER REFRIGERATION SYSTEM.
✅ বেভারেজ কুলারঃ-
Beverage শব্দের অর্থ পানীয়। যেমন:- পানি, শরবত, জুস, বিয়ার, সিরাপ, কোকোকোলা, ফান্টা, পেপসি, R.C. কোলা প্রভৃতি। ঠান্ডা পানীয় দ্রব্য সুপেয় তাপমাত্রায় শীতল রাখার জন্য ব্যবহৃত হিমায়িত ক্যাবিনেটকে বেভারেজ কুলার বলে। তাপমাত্রা 8°C হতে 12°C পর্যন্ত রাখা হয়।

✅ বেভারেজ কুলারের গঠনঃ-
বেভারেজ কুলার মুলতঃ নো-ফ্রস্ট টাইপ একটি বাতাস নিরোদ্ধ (Air Tight) হিমায়িত ক্যাবিনেট। যা দেখতে আবাসিক রেফ্রিজারেটরের মতো। তবে এর দরজা কাচের (Glass) তৈরি। যার জন্য ক্যাবিনেটে রক্ষিত পানীয় বোতল দেখা যায়। এতে একটি মাত্র দরজা ও ক্যাবিনেটের অভ্যন্তরে অনেক গুলো তাক থাকে। উক্ত তাকে (Rack) সাজায়ে পানীয় বোতল রাখা হয়। ক্যাবিনেটের দেয়াল উন্নত মানের কর্কশিট, গ্লাসউল বা পলি ইউরিথিক ফোম দ্বারা উত্তম রূপে ইন্সুলেশন করা থাকে এবং ক্যাবিনেটের ভিতরের তাপমাত্রা থার্মোস্ট্যাট সুইচ দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

✅ বেভারেজ কুলারের রেফ্রিজারেশন সাইকেলঃ-
1⃣ ইভাপোরেটর।
2⃣ ক্যাপিলারি টিউব।
3⃣ স্ট্রেইনার।
4⃣ কন্ডেন্সার।
5⃣ কম্প্রেসর।
6⃣ বডি।
7⃣ চেম্বার।
8⃣ ফ্যান।

✅ বেভারেজ কুলারের বৈদ্যুতিক/ইলেকট্রিক সার্কিটঃ-
1⃣ সাপ্লাই প্লাগ।
2⃣ ব্যালাস্ট।
3⃣ ল্যাম্প সুইচ।
4⃣ টিউব লাইট।
5⃣ স্টার্টার।
6⃣ টাইমার।
7⃣ বাইমেটাল।
8⃣ ডি-ফ্রস্ট হিটার।
9⃣ থার্মোস্ট্যাট।
🔟 কন্ডেন্সার ফ্যান।
1⃣1⃣ কুলিং ফ্যান।
1⃣2⃣ ক্যাপাসিটর।
1⃣3⃣ ওভার লোড প্রটেক্টর।
1⃣4⃣ কম্প্রেসর।
1⃣5⃣ কানেকশন বাক্স।

✅ বেভারেজ কুলারের প্রয়োজনীতাঃ-
আবাসিক রেফ্রিজারেটরর মতোই বানিজ্যিক ক্ষেত্রে বেভারেজ কুলারের অবদান যথেষ্ট। কারণ এতে সকল প্রকার ঠান্ডা পানীয় দ্রব্য বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করা হয়। কোমল পানীয় সবাই পছন্দ করে এবং বর্তমানে একটি লাভজনক ব্যবসা। তাই বেভারেজ কুলারের প্রয়োজনীয়তা দিন দিন বাড়ছে। তরল খাদ্য সামগ্রী ঠান্ডা ও স্বাদযুক্ত অবস্থায় সংরক্ষণের জন্য বেভারেজ কুলারের গুরুত্ব অপরিসীম।

✅ ডিসপ্লে কেসঃ-
ডিসপ্লে কেস হচ্ছে এমন একটি রেফ্রিজারেশন যন্ত্র যাতে পচনশীল খাদ্য দ্রব্য বিক্রয়ের নিমিত্তে রাখা হয়। খাদ্য দ্রব্য নির্ধারিত তাপমাত্রায় থাকে এবং ক্রেতা পছন্দ মতো দ্রব্য ক্রয়ের নিমিত্তে গ্রহন করতে পারে। যন্ত্রটি এমনভাবে খোলা বা কাচযুক্ত নির্মিত যাতে ক্রেতা সহজেই দ্রব্য দেখতে পারে এবং সহজে গ্রহণ করতে পারে, দরজা খোলার প্রয়োজন হয় না। এটা বিক্রয়ে নিমিত্তে খাদ্য সংরক্ষণ করণার্থে ব্যবহার করা হয়। এটা কাচের ঢাকনা/দরজাযুক্ত বা খোলা ধরনের হয়। ডিসপ্লে কেস (Display Case) এর ভিতরের রক্ষিত দ্রব্যাদি দেখার জন্য লাইট থাকে।

✅ ডিসপ্লে কেসের প্রয়োজনীয়তাঃ-
1⃣ ক্রেতা রক্ষিত দ্রব্যাদি সহজেই দেখতে পারে।
2⃣ পচনশীল খাদ্যদ্রব্য ঠান্ডায় রেখে নষ্ট হতে দেয় না।
3⃣ সংযুক্ত বাতির সাহায্যে ক্রেতা দ্রব্য সহজেই চিনতে পারে।
4⃣ ক্রেতা রক্ষিত দ্রব্য পছন্দ ও পরখ করে নিজেই গ্রহণ করে।
5⃣ দ্রব্যাদি খোলায় থাকায় দুর্গন্ধ হতে পারে না।
6⃣ ক্রেতা সহজেই দ্রব্য গ্রহণ করায় দোকানে কর্মচারীর সংখ্যা কম লাগে ইত্যাদি।

IMRAN RAC-FAULT SOLUTION
[The vehicles are gas-filled 🚗].
PRO:-MUHAMMAD IMRAN KHAN
[RAC-Technician 🛠️].
📲 01782-776800
📩 E-mail:- Imran.Khan.kushtia.07@ gmail.com
☎ Thanks For Visit ---

22/09/2021

✅ AUTOMOBILE AIR-CONDITIONING
মানুষের ভ্রমন আরামপদ করার জন্য মোটরযানে বা গাড়িতে এয়ারকন্ডিশনিং করা হয়। অর্থাৎ মোটরযানের ভিতর আরামদায়ক পরিবেশ সৃষ্টির জন্য ব্যবহৃত শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে অটোমোবাইল এয়ারকন্ডিশনিং বলে। ঐ পদ্ধতিতে রেফ্রিজারেন্ট হিসেবে R-12, R-134 a ব্যবহৃত হয় এবং কম্প্রেসর ইঞ্জিন দ্বারা পরিচালিত হয়। বর্তমানে গাড়িতে থার্মোস্ট্যাট সুইচ নিয়ন্ত্রণ ম্যাগনেটিক ক্লাচ এর মাধ্যমে কম্প্রেসর নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

✅ অটো এয়ারকন্ডিশনারের অবস্থানঃ-
অটোমোবাইল এসি এর অবস্থান।
1⃣ ব্লোয়ার মোটর।
2⃣ মুক্ত বাতাস প্রবেশদ্বার।
3⃣ ইভাপোরেটর।
4⃣ ছাদের ডাক্ট।
5⃣ কন্ট্রোল প্যানেল।
6⃣ কম্প্রেসর।
7⃣ কন্ডেন্সার।
8⃣ সাইট গ্লাস।
9⃣ ডিহাইড্রেটর রিসিভার।

✅ অটোমোবাইল এসি এর অংশ সমূহের নামঃ-
1⃣ কম্প্রেসর।
2⃣ কন্ডেন্সার।
3⃣ রিসিভার ও ফিল্টার।
4⃣ রেফ্রিজারেন্ট কন্ট্রোল।
5⃣ ইভাপোরেটর।
6⃣ লিকুইড ইন্ডিকেটর।
7⃣ সলিনয়েড বাইপাস ভালভ।
8⃣ ম্যাগনেটিক ক্লাচ কন্ট্রোল।
9⃣ সাকশন থ্রটল কন্ট্রোল।
🔟 ভ্যাকুয়াম ডায়াফ্রাম

✅ অটোমোবাইল এসি এর অংশসমূহের বর্ণনাঃ-
1⃣ কম্প্রেসরঃ-
কম্প্রেসর গাড়ির সম্মুখভাগে ইঞ্জিনের পাশে সেট করা থাকে। ম্যাগনেটিক ক্লাচের মাধ্যমে বেল্ট পুলি দ্বারা ইঞ্জিন শ্যাফট এর সাথে সংযোগ দেয়া হয়। এতে ব্যবহৃত কম্প্রেসরের নাম অ্যাক্সিয়াল (Axial) ফ্লো কম্প্রেসর। ইঞ্জিন চলন্ত অবস্থায় এটি চালু থাকে। গাড়ির আইডিয়াল গতিতে কম্প্রেসর পূর্ণ গতিতে চলতে পারে। এক্ষেত্রে ক্লাচ ও গিয়ার ব্যবহার করা হয়। ইঞ্জিনের ( R.P.M) অপেক্ষা কম্প্রেসরের গতি (R.P.M) বাড়ানো যায়। এই ডিসচার্জ সার্ভিস ভালভ থাকে।

2⃣ কন্ডেন্সারঃ-
ফিল্ড টাইপ কন্ডেন্সার ব্যবহার করা হয়। রেডিয়েটর এর মতো এটি ইঞ্জিনের সম্মুখে বসানো থাকে। ফোর্স এয়ার কুল্ড কন্ডেন্সারের মতো কাজ করে। গাড়ি যখন চলে তখন সম্মুখ ভাগে বাধা প্রাপ্ত বাতাস কন্ডেন্সারের তাপ শোষন করে এবং রেফ্রিজারেন্ট ঠান্ডা ও ঘনীভূত হয়।

3⃣ রিসিভার ও ফিল্টারঃ-
এতে রিসিভার ও ফিল্টার একই সাথে সন্নিবেশিত থাকে। সঠিক চার্জ অবস্থায় রিসিভার থাকে এ্যাক্সপানশন ভালভ (রেফ্রিজারেন্ট নিয়ন্ত্রক) পর্যন্ত তরল রেফ্রিজারেন্ট দ্বারা পূর্ণ থাকে। ফিল্টার অপদ্রব্য ছাঁকন করে। রিসিভার অতিরিক্ত রেফ্রিজারেন্ট জমা রাখে। এটি কন্ডেন্সারের পাশাপাশি অর্থাৎ গাড়ির ভাগে থাকে।

4⃣ রেফ্রিজারেন্ট কন্ট্রোলঃ-
এখানে অটোমেটিক এক্সপানশন ভালভ ব্যবহার করা হয়। এটি ইভাপোরেটরের ইনলেট সাইডে বসানো থাকে। এতে সেনসিবল ভালভ ব্যতীত অন্য একটা ইকুলাইজার লাইন থাকে। লাইনটি নিয়ন্ত্রণ ও লো-প্রেসার সাকশন থ্রটলিং ভালভ আউটের সাথে সংযোজিত। রিমোট বাল্ব ইভাপোরেটর আউটলেটে বসানো থাকে।

5⃣ ইভাপোরেটরঃ-
এ ব্যবস্থায় ফিন্ড টাইপ ইভাপোরেটর ব্যবহার করা হয়। গাড়ির উভয় পার্শ্বে এবং সিলিং দিয়ে নিয়ন্ত্রিত বাতাস বন্টনের ব্যবস্থা থাকে। ইভাপোরেটর ডি-হিউমিডিফায়ার হিসেবে কাজ করে। অতিরিক্ত আর্দ্রতা তরল আকারে বাতাস থেকে বের করে ড্রেন দ্বারা বাহিরে ছেড়ে দেয়।

6⃣ লিকুইড ইন্ডিকেটরঃ-
এটি রিসিভার ও ড্রায়ারের একটা অংশ। এর পার্শ্ববর্তী বায়ু অথবা রিসিভারের তাপমাত্রা ২৯° উর্ধ্বে গেলে গ্লাসে ফেনা পরিলক্ষিত হয়।

7⃣ সলিনয়েড বাইপাস ভালভঃ-
সলিনয়েড ভালভ থার্মোস্ট্যাট এবং প্রধান সুইচ সিরিজে সংযুক্ত থাকে। ইভাপোরেটরের তাপমাত্রা ০° সেঃ হলে থার্মোস্ট্যাটের প্রভাবে সলিনয়েড ভালভে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে সলিনয়েড বাইপাস লাইন খুলে যায়। ঐ সময়ে কন্ডেন্সার থেকে উচ্চ চালযুক্ত গ্যাসীয় রেফ্রিজারেন্ট সলিনয়েড ভালভ বাইপাস লাইন এবং ইভাপোরেটর হয়ে সাকশন লাইনের মধ্যদিয়ে কম্প্রেসরে ফিরে যায়। এই প্রক্রিয়ায় বরফ গলে ৩° সে এ পৌছালে সলিনয়েড ভালভ বন্ধ হয়ে যায় এবং পুনরায় স্বাভাবিক প্রবাহ চলতে থাকে।

8⃣ ম্যাগনেটিক ক্লাচ কন্ট্রোলঃ-
যখন অটোমোবাইল এয়ারকন্ডিশনিং পদ্ধতিতে কম্প্রেসর পরিচালনার দরকার তখন ক্লাচটি নিয়ন্ত্রণ করলে কম্প্রেসর চালু হয়। ক্লাচের প্লেট চুম্বকত্বে পরিনত না হলে কম্প্রেসর বন্ধ থাকে। ইঞ্জিনের ফ্লাই হুইলের সাথে পুলি দ্বারা ক্লাচটি সংযোজিত থাকে। এর ড্রাইভ প্লেটের সাথে মভিয়েবল আর্মেচার প্লেট থাকে। আর্মেচার প্লেটটি (চৌম্বকত্ব) চাপ এর দ্বারা কম্প্রেসর শ্যাফটকে আটকে ফেলে এবং কম্প্রেসর চলতে শুরু করে। সুইচ বন্ধ করলে ম্যাগনেটিক ক্লাচ চৌম্বকত্ব হারায়, ফলে প্লেট শ্যাফটকে ছেড়ে দেয়াতে কম্প্রেসর বন্ধ হয়ে যায়।

9⃣ সাকশন থ্রটল কন্ট্রোলঃ-
অত্যাধুনিক অটোমোবাইল এয়ারকন্ডিশনিং পদ্ধতিতে এ ধরনের নিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করা হয়। এর ইনলেট পোর্ট ইভাপোরেটরের আউটলেটের সাথে এবং আউটলেট পোর্ট কম্প্রেসরের সাকশন পোর্টে সংযোগ করা থাকে।

🔟 ভ্যাকুয়াম ডায়াফ্রামঃ-
এটিতে দুটি ডায়াফ্রাম থাকে। পিস্টন ডায়াফ্রামটি পিস্টনের মধ্যে সম্মুখ ভাগে পিস্টন এবং রিটেইনার কাপ ও স্প্রিং দ্বারা আবদ্ধ থাকে। ভ্যাকুয়াম ডায়াফ্রামটি প্রাকসুয়েটিং পিন দ্বারা রিটেইনার পিনের সাথে সংযোজিত থাকে। কাপের উপর বিশেষ স্প্রিং টেনশন সৃষ্টি করে ভ্যাকুয়াম ডায়াফ্রামটি ভালভ বডির সাথে সংযুক্ত থাকে। ভ্যাকুয়াম ডায়াফ্রামে ছোট হোস পাইপ দ্বারা ভ্যাকুয়ামের সংযোগ প্যানেল বোর্ডের মডিউলেটর পর্যন্ত সংযুক্ত থাকে। যখন ডায়াফ্রাম হাউজিং এ বায়ুশূন্যতার সৃষ্টি হয়, তখন ডায়াফ্রাম পিস্টনের দিকে ধাবিত হয়। পিস্টন ডায়াফ্রামের দিকে স্প্রিং চাপ সৃষ্টি করে। সাকশন চাপ বৃদ্ধি পেতে থাকে। ফলে বেশি ঠান্ডা হতে থাকে।

✅ অটো-এসির রেফ্রিজারেশন সাইকেলঃ-
কম্প্রেসর ম্যাগনেটিক ক্লাচের মাধ্যমে ভি-বেল্ট ও পুলি দ্বারা ইঞ্জিন শ্যাফটের সাথে সংযোগ থাকে। ইঞ্জিন চালু হলে কম্প্রেসর নিম্নচাপের বাষ্পীয় রেফ্রিজারেন্ট ইভাপোরেটর হতে গ্রহণ, সংকোচন এবং উচ্চ-চাপে কন্ডেন্সারে প্রেরন করে। কন্ডেন্সারে উক্ত বাষ্পীয় রেফ্রিজারেন্ট বাতাসের সংস্পর্শে ঠান্ডা হয়ে তরলে পরিনত হয় এবং রিসিভার ডিহাইড্রেটরে হয়ে প্রেসার ইকুলাইজার লাইন দিয়ে থার্মোস্ট্যাট এক্সপানশন ভালভ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ভাবে ইভাপোরেটরে যায়।
ব্লোয়ার কর্তৃক গাড়ির গরম বাতাস ইভাপোরেটর কোরের (Core) সংস্পর্শে ঠান্ডা তথা তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ হয়ে পূণরায় গাড়ির অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়ে। অপর দিকে ইভাপোরেটরে প্রবেশকৃত তরল রেফ্রিজারেন্ট গরম বাতাসের তাপে বাষ্পে পরিণত হয়ে সাকশন লাইন দিয়ে পুনরায় কম্প্রেসরে আসে। এভাবে ইঞ্জিন দ্বারা পরিচালিত কম্প্রেসর কর্তৃক রেফ্রিজারেশন সাইকেলের কার্যক্রম চলতে থাকে।

✅ অটো-এসির ইলেকট্রিক সার্কিটঃ-
থার্মোস্ট্যাট সুইচের মাধ্যমে ম্যাগনেটিক ক্লাচ (Clutch) এর ইলেকট্রিক সার্কিট অন হয়ে কম্প্রেসর মোটর চালু হয়। গাড়ির ভিতরের তাপমাত্রা থার্মোস্ট্যাটের সেটিং এর নিচে আসলে থার্মোস্ট্যাট সুইচ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাগনেটিক ক্লাচের সার্কিট বিচ্ছিন্ন করে। ফলে কম্প্রেসর বন্ধ হয়ে যায়।

✅ অটো-এসির ইলেকট্রিক সার্কিটের লোড গুলোর নামঃ-
1⃣ ব্যাটারি।
2⃣ ইগনিশন সুইচ।
3⃣ ব্লোয়ার ফ্যান সুইচ।
4⃣ থার্মোস্ট্যাট।
5⃣ রিলে।
6⃣ ম্যাগনেটিক ক্লাচ।
7⃣ কম্প্রেসর।
8⃣ ব্লোয়ার ফ্যান।
9⃣ ইন্ডিকেটিং ল্যাম্প।
🔟 সিলেক্টর সুইচ।

✅ অটো এয়ারকন্ডিশনার চালুকরণ পদ্ধতিঃ-
1⃣ ব্যাটারির ভোল্টেজ সঠিক মাএায় (১২ ভোল্ট) থাকতে হবে।
2⃣ ইগনিশন সুইচ অন করতে হবে।
3⃣ ব্লোয়ার (ইভাপোরেটর ফ্যান) ফ্যান চালু করতে হবে।
4⃣ মূল নিয়ন্ত্রক (AC) সুইচ অন করতে হবে।
5⃣ গতি নিয়ন্ত্রককে নিম্ন রাখতে হবে।
6⃣ ম্যাগনেটিক ক্লাচ অন করে কম্প্রেসর চালু করতে হবে।
7⃣ থার্মোস্ট্যাট সইচ কুলিং অবস্থানে রাখতে হবে।
8⃣ ইঞ্জিনের গতি বৃদ্ধি করতে হবে।
9⃣ থার্মোমিটারের সাহায্যে বাতাসের তাপমাত্রা পরীক্ষা করতে হবে।
🔟 থার্মোমিটার ইভাপোরেটরে ধরলে এবং ১৫°সে থেকে ২০°সেঃ এর মধ্যে তাপমাত্রা দেখালে বুঝতে হবে। সঠিক মাএায় কুলিং হচ্ছে।
1⃣1⃣ মেশিনের পুলি অস্বাভাবিক শব্দের সৃষ্টি না করে।
1⃣2⃣ সকল ফ্যান নিঃশব্দে চলবে।

IMRAN RAC-FAULT SOLUTION
[The vehicles are gas-filled 🚗].
PRO:-MUHAMMAD IMRAN KHAN
[RAC-Technician 🛠️].
📲 01782-776800
📩 E-mail:- Imran.Khan.kushtia.07@ gmail.com
☎------------.

Want your organization to be the top-listed Government Service in Kushtia?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Kushtia