Heart thatching

Heart thatching

Share

Photos from Heart thatching's post 16/07/2024

name: butter fly gawn
body:32-44
long: gawn 50 koti 26
fabric: jorzet
Available colour
৭৫০ টাকা

06/07/2024

আমার স্বামী কয়েক দিন ধরে রোজ সময় পেলেই জানালা খুলে নিচে পাশের বাড়ির উঠানের দিকে তাকিয়ে থাকে।

প্রথম প্রথম আমি সেটাকে স্বাভাবিক ঘটনা বলে মনে করে ব্যাপারটা খুব একটা আমলে নিইনি ! কিন্তু সেটা যখন আমার চোখের সামনে ঘনঘন হতে লাগলো, তখন আর নিজের কৌতুহল চেপে রাখতে পারলাম না। খুব জানার ইচ্ছে হতে লাগলো ঘটনাটা আসলে কি? আমার স্বামী মারুফ নিচে তাকিয়ে পাশের বাড়িতে কি এমন জিনিস অমন অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখে?

তা জানতে স্বামীর বিরুদ্ধে আমি তলেতলে গোয়েন্দাগিরি শুরু করলাম। কখন সে জানালার সামনে গিয়ে দাঁড়ায় তাই লক্ষ্য করতে থাকলাম ! ইচ্ছে আছে ঠিক তখনই গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করবো, কি দেখো অমন করে?

এরপর থেকে দুদিন ধরে সে অফিসের কাজে অনেক ব্যস্ত হয়ে পড়লো। তার জন্যই হয়তো জানালার কাছে যাওয়ার সময় পাচ্ছে না সে। আমি যে তাঁকে নজরে রাখছি তা কিন্তু মোটেই বুঝতে দিলাম না। সে-ও এই সমন্ধে কিছু আন্দাজ করতে পারলো না।

এ বাড়িটা তিন তলা আর পাশের বাড়িটি হাফ বিল্ডিং টিনের চৌচালা বিশিষ্ট ঘরবাড়ি। মাঝখানে মোটামুটি ভালোই বড়সড় একটা কাঁচা উঠোন। সেখানে প্রায়ই আমি দেখতে পাই বিভিন্ন ঘরের ভাড়াটিয়ারা কাপড় চোপড় শুকাতে দেন। শীতের দিনে ভাড়াটিয়াদের বৌ ঝিয়েরা ঘরের বাইরে এসে উঠানে রোদ পোহাতে বসে থাকে। তিন তলা থেকে তা ভালো করেই দেখতে পাওয়া যায়।

পাশের বাড়ি হলেও এ বাড়ি ও পাশের বাড়ির মধ্যে রাত আর দিন তফাৎ! ওখানে সব নিম্নবর্গের মানুষ বসবাস করে আর এখানে সমাজের উঁচু শ্রেণির মানুষ।

যারপরনাই তাদের ও আমাদের সমাজ এক হলেও অঘোষিত ভাবে তা আলাদা। দেখা হলে সাধারণ কুশলাদি বিনিময়ের মাধ্যমেই তা শুধু একটুখানি সৌহার্দপূর্ণ। নয়তো এ বাড়ির সবাই পাশের বাড়ির মানুষদের এড়িয়ে চলতেই বেশি পছন্দ করে।

এ বাড়ির মানুষ ও বাড়িতে যায়না বললেই চলে। কিন্তু ও বাড়ির অনেক ভাড়াটিয়া ঠেকাবেঠেকায় এবাড়িতে কালেভদ্রে আসে। আর পাশের বাড়ির মালিক তিনি থাকেন ঢাকায়। তিনি অবশ্য এ বাড়ির মালিকের অনাত্মীয় হলেও আত্মীয়ের অধিক অধিকার রাখেন।

সপ্তাহ খানেক পরে হঠাৎ করে একদিন আমার সামনে সুযোগ এসে গেল। মারুফ কে দেখলাম জানালার কাছে দাঁড়িয়ে আছে। সেই অবস্থায় তাঁকে দেখে কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, কি গো তুমি নিচের দিকে তাকিয়ে প্রতিদিন কি দেখো?

আমার স্বামী স্বাভাবিক ভাবে বলে কই কিছু না তো! আমি তাঁর কথা বিশ্বাস করতে পারলাম না। পুরুষ মানুষের চোখ দুটি কিসের দিকে বেশি আকৃষ্ট হয়, তাতো আর আমাকে কারও বলে দিতে হবে না। আমি তা ভালো করেই জানি! তাই স্বামীর সরল কথা আমি এতো সহজে মেনে নিতে পারছি না!

অবশ্য পাশের বাড়িতে অমন কেউ নেই যে আমাকে টেক্কা দিতে পারে! আর ওঁরা তো অনেক দিন ধরেই সেখানে আছে। আগে তো কখনও এমন স্বভাব ছিলো না আমার স্বামীর। তবে হঠাৎ করে কি এমন দেখার জিনিস গজালো সেই বাড়িতে? তা আমাকে জানতেই হবে!

মনে মনে ভাবলাম, নিশ্চয়ই নিচের সেই বাড়িতে দেখার মতো কিছু একটা অবশ্যই আছে। নয়লে প্রতিদিন সে একই রুটিন মেনে চলছে কেন? সেদিন থেকে আমার স্বামী জানালার কাছে কম যায়। আমিও তাই সবসময় একটা চোখ সেদিকেই রাখি।

কিন্তু এখন আর ওকে জানালার কাছে বেশিবযেতে দেখি না। বুঝতে পারলাম বোকামি করে ফেলেছি। জিজ্ঞেস না করে পিছনে দাঁড়িয়ে উঁকি দিয়ে দেখলেই সব আমার কাছে পরিষ্কার হয়ে যেতো। এখন আমার স্বামী নিশ্চয়ই সাবধান হয়ে গেছে!

তাঁকে ধরা এখন কি আর আমার পক্ষে এতো সহজ হবে? জানি সেই রকম কিছু হলে, মোটেই সহজ হবে না। কিন্তু আমিও হাল ছাড়বার পাত্রী নই। বিয়ের পরে মা আমাকে পইপই করে বলে দিয়েছেন। শোন মা! পুরুষ মানুষ কে কখনো চোখের আড়াল করতে নেই । তবে দেখবি কই না কই গিয়ে একটা না একটা অঘটন ঘটিয়ে ছাড়বে! মায়ের কথাটি কিন্তু আমি কখনো ভুলিনা।

এই পুরুষ মানুষগুলো ছাড়া গরুর মতো। সুযোগ পেলেই অন্যের ক্ষেতে গিয়ে মুখ দিয়ে বসবে। অন্যের ফসল নষ্ট করবে। তারপর গেরস্তের জরিমানা দিয়ে অপমান অপদস্ত হতে হবে। হেয় প্রতিপন্ন হয়েও গরুটাকে ঠিক মায়ার কারণে ঘরে নিয়ে আসতে বাধ্য হতে হবে।

এমন ঘটনা হবার আগেই কিন্তু ভালো গেরস্তের সাবধানে থাকা ভালো। তাই আমিও ভালো গেরস্তের মতো সাবধানে থাকি! স্বামীকে যথাসম্ভব চোখের দৃষ্টিতে বেঁধে রাখার চেষ্টা করি।

একদিন আমার স্বামীকে বললাম টুকিটাকি কিছু জিনিস পত্র কেনার দরকার। চল মার্কেটে যাই! আমার স্বামীর শরীর ভালো নয় বলে আমাকে একাই মার্কেটে যেতে হলো। তাই বাধ্য হয়ে তাঁকে ঘরে রেখে মার্কেটে গিয়ে এটা সেটা কিনে তারাতাড়ি ফিরে এসে দেখি ঘরের দরজা খোলা।

আমিও আর ডাক না দিয়ে আস্তে আস্তে ঘরের ভিতর প্রবেশ করলাম। এদিক সেদিক খুঁজে তাঁকে সন্দেহ করা জায়গায় গিয়ে খুঁজে পেলাম। জানালার শিক ধরে পাশের বাড়ির দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে সে!

আজ আর আগের সেই ভুল করলাম না। চুপিসারে তাঁর পিছনে গিয়ে নিচে উঁকি দিয়ে দেখলাম। দু'জন দুজনের দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। আরে পাশের বাড়ির উঠানের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে অনেক সুন্দরী একটা মহিলা! আর আমার স্বামী তার দিকেই অমন ভাবে তাকিয়ে ছিলো। মহিলাটিও নি*র্ল*জ্জ দৃষ্টিতে আমার স্বামীর দেখা তাকিয়ে ছিলো।

দৃশ্যটা দেখে হঠাৎ আমার মাথাটা চক্কর দিয়ে উঠলো। মারুফের গায়ে পড়ে যাচ্ছিলাম প্রায়। কিন্তু জানালার শিক ধরে নিজেকে সামলিয়ে নিলাম। তাই দেখে মারুফ চমকে উঠে জিজ্ঞেস করে, তুমি কখন কোন সময় এলে? দরজা কে খুলে দিলো?

আমি বললাম তুমি কোন কথা বলবে না আমার সাথে। নিচে তাকিয়ে দেখলাম নিচের উঠানে এখনো নি*র্ল*জ্জের মতো দাঁড়িয়ে আছে সেই সুন্দরী মহিলা। তাঁর চোখেমুখে ভয়ের ছাপ স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি আমি। ওদিকে তাকিয়ে চোখের জল ফেলে বললাম ছি!

জানিনা তিনি শুনতে পেলেন কি-না? তবে আমার মুখ ও বলার ভাব দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন। সেখানে তাঁর প্রতি ঘৃ*ণা ছাড়া আর কিছুই ছিলো না।

আমার স্বামী আমাকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলেন কিন্তু আমি তার কোন কথা শুনতে রাজি হলাম না। সেদিন থেকে এক সপ্তাহ ধরে দুইজন দুই বিছানায় থাকি!

স্বামীর সব কাজ নিরবে করে যাই। কিন্তু কথা বলতে মন চায় না। ভাবি আমার স্বামীর এমন স্বভাব! আমি কখনো স্বপ্নেও তা ভাবতে পারিনা। আমি আমার স্বামীকে অনেক ভালোবাসি। সে মানুষটা মোটেও খারাপ নয়। হয়তো চোখের নেশায় পড়ে গিয়েছিল। এখন আর কতদিন ধরে জানালার ধারেকাছেও যায় না সে।

হয়তো নিজের ভুল এখন সে বুঝতে পেরেছে। আর আমিই বা নিজের স্বামীকে শুধু শুধু একা দোষী ভাবছি কেন? ঐ মহিলা যদি অমন রুপের থালা হাতে নিয়ে ঘুরেন তবে সেই দিকে কোন পুরুষের দৃষ্টি না পড়বে?

ভাবলাম একদিন গিয়ে কয়েকটি কথা উনাকে ভালো করে শুনিয়ে আসবো। বলবো এভাবে পর পুরুষের দিকে তাকিয়ে না থেকে নিজের মানুষটার দিকে নজর দিক। যদি তাতেও তৃপ্তি না হয়, তবে ব্যবসা খুলে বসলেই তো হয়! তখন নিশ্চয়ই তার হুঁশ হবে। তবে যদি তাঁর সম্মান বলে কিছু থেকে থাকে?

আজ মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম স্বামীর সাথে ঝ*গড়া মিটিয়ে ফেলবো। তাই আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে গুছিয়ে নিলাম। মারুফ বসে বসে টিভি দেখছে। আমি তো তার সাথে কথা বলি না। তাই টিভিতে এটা সেটা দেখেই সে এখন সময় কাটায়। আর সকাল হলে তো অফিসে যাওয়ার ব্যস্ততা শুরু হয়ে যায়।

নিজেকে আয়নার সামনে ভালো করে আরও একবার দেখে নিয়ে তারপর ড্রয়িং রুমের দিকে এগিয়ে গেলাম। ভাবছি চুপিসারে কাছে গিয়ে পিছন থেকে তাঁকে জড়িয়ে ধরে চমকে দেবো।

ড্রয়িং রুমে টিভি চলছে কিন্তু মারুফ সেখানে নেই। সে জানালার কাছে গিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আমি তাঁকে সেখানেই পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে বলতে চাই চলো ঝ*গড়া ঝা*মেলা আর নয়। কিন্তু হঠাৎই মারুফ পকেট থেকে কিছু একটা বের করে জানালা দিয়ে নিচে ছুঁড়ে দিলো।

আমি তৎক্ষনাৎ জিজ্ঞেস করলাম, তুমি কি ছুঁড়ে দিলে? চিঠি, মানে প্রেমপত্র! মারুফ আমার দিকে তাকিয়ে বলে, কিছু না! তবে সায়মা তোমার মাথাটা শীঘ্র নষ্ট হতে চলেছে। বাজে চিন্তা বাদ দাও! আমি তাঁর কথা বিশ্বাস না করে কাছে গিয়ে নিচে তাকিয়ে কাউকে দেখতে পেলাম না। ভাবলাম আমার চোখের ভুল হবে হয়তো?

মারুফ কে জড়িয়ে ধরে বললাম, আমি ঠিক করেছি আজ থেকে তোমার সাথে আর ঝ*গড়া করবো না। তুমিও আমার মনে কষ্ট লাগে এমন কাজ করোনা প্লিজ! মারুফ হেসে বলে ঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছো। আমি কখনোই এমন কাজ করবো না কখনো, যাতে তুমি কষ্ট পাও!

সেদিন আমরা অনেক সুখেই রাত্রি যাপন করলাম। কিন্তু পরদিন জানালার কাছে একটা পাঁচশ টাকার নোট পড়ে আছে দেখে তুলে নিলাম। বুঝতে পারলাম কালকে মারুফ জানালা দিয়ে তবে টাকা ছুঁড়ে মেরেছে! তারাহুরো করে একটা হয়তো পড়ে গিয়েছিল? টাকাটা তুলে নিয়ে রেখে দিলাম। রাতে বাসায় ফিরে এলে পাঁচশো টাকার নোটটি মারুফের হাতে দিয়ে বললাম, সকালে পেলাম ্ জানালার কাছে পড়ে ছিলো। মারুফ বললো তুমি পেয়েছো তোমার কাছেই রেখে দাও! আমি টাকাটা ওর হাতে তুলে দিয়ে বললাম, আমার এ মাসের হাত খরচের টাকা প্রায় সবই জমা হয়ে আছে। মারুফ আর কিছু না বলে টাকা পকেটে ঢুকিয়ে নেয়।

মাসখানেক ভালোই কাটলো আমাদের। কিন্তু হঠাৎই সবকিছু যেনো তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়লো। আমি শুধু দেখে কষ্টই পেলাম কিছু করতে পারলাম না!

প্রতিদিনের মতো ঘরের টুকিটাকি জিনিস পত্র গুছাতে গুছাতে হঠাৎ সেই জানালার কাছে গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়লাম। নিচের দিকে চোখের দৃষ্টিটা না চাইতেও চলে গেল।

এমন দৃশ্য নিজের চোখে দেখতে হবে তা কল্পনাও করতে পারিনি আমি! আমার স্বামী সেই মহিলার ঘরে প্রবেশ করছে। কেউ দেখার আগেই আমি জানালা থেকে মুখটা সরিয়ে নিলাম।

আজকে এই দৃশ্য দেখতে পেয়েও আমার মাথা চক্কর দিয়ে উঠলো না! কারণ প্রচন্ড ঘৃ*ণার সৃষ্টি হয়েছে আমার হৃদয়ে। এই সংসারে আমি আর থাকতে চাই না! খুব স্বাভাবিক ভাবেই নিচে নেমে এলাম। তারপর পাশের বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করে সেই ঘরের সামনে এসে দাঁড়ালাম। নিজেকে একটু সামলিয়ে নিয়ে দরজা ধাক্কা দিলাম, দরজাটা খোলাই ছিলো।

দেখতে পেলাম আমার স্বামী কতগুলো টাকা সেই মহিলার হাতে দিয়ে বলছে। আমি তোকে এখন ভালোবাসি রে! কথাটা সে শেষ করার আগেই আমি ঘৃণা মিশ্রিত কন্ঠে চিৎকার করে বলে উঠলাম। এই তবে তোমার আসল চেহেরা? ছি! নিজের উপর আজ আমার বড্ড বেশি ঘৃ*ণা হচ্ছে। এই বলে যে, তোমার ঘরের মানুষ আমি! ছি, মারুফ! ছি!

চলবে,,,

গল্প:- চোখের দেখাই সব নয়
পর্ব: ০১
মোঃ কামরুল হাসান

পরবর্তী পর্বগুলা যারা পড়তে চান,তারা প্রত্যেকেই ১ম পর্বে অবশ্যই রেসপন্স করুন। আমি সব গল্পই শেষ পর্ব পযন্ত পোস্ট করার চেষ্টা করি,,তাই পুরো গল্পটা পড়ার জন্য সকলে পেজে এড হয়ে সাথেই থাকুন ❤️

06/07/2024

"আপনি আমাকে আমার বাচ্চা সহ গ্রহণ করতে পারবেন? তবে আমি রাজি আছি বিয়েতে।"

পাত্রপক্ষের সামনে একেবারে স্পষ্ট ভাষায় কথাটি বলে দিলো মোহ। পাত্রপক্ষ পাত্রীর মুখ থেকে এমন কথা শুনে হতভম্ব। বিশেষ করে পাত্র বিস্ফোরিত চোখে একবার মোহকে দেখছে আরেকবার মোহের কোলে থাকা ছোট্ট ছেলে বাচ্চাকে। পাত্রের মা চোখ বড়ো বড়ো করে বললেন,
"সে কী! তোমার বাচ্চা আছে? দেখে তো বোঝাই যায় না।"

"আমার যে বাচ্চা আছে এই কথাটা কি আমার মুখে পোস্টার মেরে ঘুরতে হবে? আপনাকে দেখে কিন্তু খুব একটা বয়স্ক মনে হয় না। দেখে কিন্তু বোঝা যায় না আপনার একটা বিবাহযোগ্য ছেলে আছে। এর জন্য কি আপনি মুখে পোস্টার লাগিয়ে ঘুরবেন?"

কিছুটা দূর থেকে মোহের মা মিসেস. সুফিয়া মোহকে বারবার ইশারায় চুপ থাকতে বলেও লাভ হলো না। মোহ নিজের কথা শেষ করেই থামল। পাত্রের মা পাত্রের দিকে চোখ রাঙিয়ে তাকালেন। বললেন,
"রাফসান! তুমি এ কেমন মেয়ে পছন্দ করেছ? যার মধ্যে সামান্য কথা বলার ভদ্রতাও নেই। এই ছোটো একটা বাড়িতে পাত্রী দেখতে আসার ইচ্ছে ছিল না কিন্তু তুমি বললে বলে আসতে হলো। অপ*মান করাতে নিয়ে এসেছ আমায়? তাও আবার শুনছি মেয়েটার বাচ্চাও আছে।"

মোহ এবার নিজের কোলে থাকা ছোট্ট ছেলে বাচ্চাকে নামিয়ে দিয়ে সোজা হয়ে উঠে দাঁড়াল। রাফসান তখন মিনমিন করে বলল,
"আসলে মা আমি নিজেও বুঝিনি এই মেয়েটার বাচ্চাও থাকতে পারে। আমি তো ওকে সকালে বাজারে দেখেছিলাম তখনি ভালো লেগেছিল। পিছু নিয়ে এই পর্যন্ত আসি। তারপর ঘটক লাগিয়ে জানতে পারি মেয়েটা অবিবাহিতই। কিন্তু বাচ্চা..."

রাফসানকে থামিয়ে দিয়ে তার মা মুখ বাঁকিয়ে বললেন,
"আজকাল এসব মেয়েদের বাচ্চা হওয়ার জন্য আবার বিয়ে হওয়া লাগে নাকি? কোথা থেকে অকা*জ কুকা*জ করে এসেছে দেখ! তারপর বাচ্চার জন্ম দিয়েছে। এসব মেয়েদের পরিবার কেমন জানি না বাপু! মেয়েদের ঠিক করে শিক্ষাও দিতে পারে না।"

মিসেস. সুফিয়া এবার বেশ অ*পমানিত বোধ করলেন। মুখশ্রী কঠোর হলো উনার। কিছু বলতে উদ্যত হতেই মোহ কড়া সুরে বলতে আরম্ভ করল,
"দেখুন বড়োলোক আন্টি! অন্যের শিক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তোলার আগে নিজের শিক্ষা যাচাই করা উচিত। আপনি বরং আপনার ছেলেকে শেখান যে কোনো মেয়ে অনুমতি না নিয়ে তা পিছু নেওয়া উচিত নয়। আমি আপনার ছেলেকে পিছু নিতে দেখেছি। গতকাল মন ভালো ছিল তাই শুকরিয়া আদায় করুন। নয়ত হসপিটালে পাঠাতাম তিনমাসের জন্য। আর পরবর্তীতে আপনাদের মতোই কোনো বড়োলোক আর অহং*কারী ঘরে সম্বন্ধ নিয়ে যাবেন প্লিজ!"

মোহের এমন শক্ত জবাব যেন একদমই আশা করেননি পাত্র রাফসানের মা। তিনি দ্রুত উঠে দাঁড়িয়ে মোহের দিকে একবার দৃঢ়ভাবে তাকিয়ে কঠোর সুরে বললেন,
"রাফসান, চলে আয়!"

রাফসান তার মায়ের সাথে সদর দরজা দিয়ে প্রস্থান করল। মিসেস. সুফিয়া দীর্ঘশ্বাস ফেলে মেয়ের দিকে হতাশ চোখে চাইলেন। মোহ তখন নিজের ছেলেকে কোলে নিয়ে হাসিমুখে চু*মু খেতেই মিসেস. সুফিয়া বললেন,
'উনাদের সাথে এভাবে কথা না বললেও পারতিস মোহ। ওরা তো শুধু তোকে পছন্দই করেছিল। তাই বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে এসেছিল।"

মোহ দায়সারাভাবে উত্তর দিল,
"হ্যাঁ তো আমি কোথায় মানা করেছিলাম বিয়ের জন্য? আমি তো শুধু বলেছি আমি আমার ছেলে ইথানকে যদি মেনে নেওয়া হয় তবে আমার কোনো আপত্তি ছিল না।"

মিসেস. সুফিয়া এবার মেয়ের কাছে এলেন। চিন্তিত হয়ে বললেন,
"দেখ ইথান তো আমারও নাতি। তাই বলে ওর জন্য চিরজীবন বিয়ে না করে বসে থাকবি? মেয়েদের তো একদিন না একদিন বিয়ে হতেই হয় মোহ। ইথানের বিষয়টা পরে বুঝিয়ে বললে হয়ত রাজি হতেন উনারা কিন্তু তুই যেভাবে বললি..."

ছোট্ট ছেলে ইথান এতক্ষণ ডাগরডাগর আঁখি দুটোতে চেয়ে সকলের কাণ্ড দেখে চুপ থাকলেও যেন নিজের ছোট্ট মনে আর কৌতূহল দমিয়ে রাখতে পারল না। আধো আধো কণ্ঠে শুধাল,
"মা...মাম্মা! একটু আ...আগে ওরা কারা এসেছিল?"

"কেউ না ইথান! এমনি ঘুরতে এসেছিল। তুমি এখন নানুর কাছে থাকো। আমি একটু বাহিরে যাচ্ছি। নানুর কাছে লক্ষী ছেলে হয়ে থাকবে ঠিক আছে?"

মোহের কথায় ইথান মাথা নাড়িয়ে সম্মতি জানালো। মোহ মিসেস. সুফিয়ার পানে তাকিয়ে কঠিন সুরে বলল,
"মা! ইথান আমার ফার্স্ট প্রায়োরিটি। তাই ওর কথায় আগে উঠবে। আর এটা তুমি জানো যে বাকি মেয়েদের মতো আমি নরমভাবে কথা বলতে পারি না। আর না আমি মাথা নুইয়ে চলতে পারি। আমি অন্যায়কে প্রশয় দিতে জানি না। তাই প্লিজ আমাকে সামান্য বিয়ের জন্য নিজের পরিবর্তন আনতে বলো না।"

"তোর এমন আচরণ যেন তোর বিপদের কারণ না হয়ে দাঁড়ায় কখনো! তুই চুপ থাকতে পারিস না কেন? তুই ভালো করে জানিস আমাদের মতো মধ্যবিত্ত পরিবারকে গলা উঁচিয়ে কথা বলতে নেই। আর যদি গলা উঁচিয়ে কথা বলা হয় তবে সেটা অন্যায় বলে গণ্য করা হয়। এর জন্য শাস্তি ভোগ করতে হয়।"

মায়ের কথা মোহের মনের সামান্য ভিতও যেন নড়াতে পারল না।
"তুমি জানো আমি শাস্তিতে ভয় পাই না। যদি পেতাম ইথান আমার সঙ্গে থাকত না। এসব কথা বাদ দাও। আমি বাহিরে যাচ্ছি। ইথানকে সামলে রাখো।"

মিসেস. সুফিয়া স্নেহের সাথে ইথানকে নিজের কোলে নিতে নিতে প্রশ্ন করলেন,
"কোথায় যাচ্ছিস এ সময়?"

কথার উত্তর পেলেন না মিসেস. সুফিয়া। মেয়েটা বেয়ারা ভাব নিয়ে বেরিয়ে গেল। মোহের এমন স্বভাবে বেশ বিরক্ত হন তিনি। মনে মনে ভয় হয়! কোথায় কোন বিপদে জড়িয়ে যায় ঠিক নেই। ইথানের মৃদু সুরে মিসেস. সুফিয়া আতঙ্কের মনোভাব কা*টিয়ে ইথানের প্রতি মনোযোগী হয়।
"না...নানুমনি আ...আমার খিদে পেয়েছে।"

"তোমার জন্য নুডলস বানিয়েছি সো*না। চলো খেতে দিই।"

ইথানকে কোলে করে নিয়ে ঘরের দিকে অগ্রসর হলেন মিসেস. সুফিয়া।

মোহের পুরো নাম মোহ আনবীর। আজহার আহমেদ এবং তার স্ত্রী মিসেস. সুফিয়ার একমাত্র মেয়ে। ছোট্ট বাচ্চাটি মোহের ছেলে ইথান। যার বাবার কোনো খোঁজ নেই। জন্ম থেকে এই অবধি ইথানের বড়ো হওয়া তার মায়ের বাবার বাড়িতেই। লাগামহীন এই মোহকে সামলাতে খেতে হয় হিমশিম।

মোড়ের রাস্তার পাশের ফুটপাতে জড়োসড়ো হয়ে দাঁড়িয়ে আছে খোলা চুলের একটি মেয়ে। উজ্জ্বল মুখটা চুপসানো। বর্ষাকালের অবাধ্য হাওয়া তার পরনে ওড়না যখন উড়িয়ে দিতে চাইছে তখনি তা জাপটে ধরে ঘাড় বাঁকিয়ে অদূরে থাকা চায়ের দোকানে কিছু বখাটে ছেলেদের দেখছে। ছেলেগুলো হাসাহাসি করছে ভীষণ। আর হাসাহাসির কেন্দ্রবিন্দু যে মেয়েটিই সেটা বুঝতে বাকি নেই তার। অবশেষে কাঙ্ক্ষিত মানুষের দেখা পেয়ে হাফ ছাড়ল সে।
"এই তানিয়া! কতক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছিস? বেশি লেট করে ফেললাম?"

মোহের প্রশ্নে তানিয়া অতিষ্ঠ হয়ে বলল,
"পুরো আধঘণ্টা লেট তুই। কত বিরক্তি নিয়ে এখানে দাঁড়িয়ে আছি জানিস?"

"তোকে দাঁড়িয়ে রাখার কোনো ইচ্ছে ছিল না বিশ্বাস কর! হুট করে কোত্থেকে যেন পাত্রপক্ষ দেখতে চলে এলো। আর পাত্র বলে কী! আমাকে নাকি ফলো করে আমার বাড়ির এড্রেস জেনে নিয়েছে। আমাকে নাকি তার খুবই পছন্দ হয়ে গিয়েছে।"

কথাটা শুনে তানিয়া বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে পরক্ষণেই স্বাভাবিকভাবে বলল,
"এবারও নিশ্চয় ইথানের কথা শুনতেই পালিয়েছে ওরা?"

"সে আর বলতে!"

তানিয়া হেসে বলল,
"এই হলো ছেলেদের পছন্দ! কোনো সমস্যা থাকলেই তাদের পছন্দ উবে যায় বুঝলি? তোর কী মনে হয়? জীবনে এমন কোনো ছেলে পাবি? যে তোর সাথে ইথানের দায়িত্বও নিতে রাজি হবে?"

মোহ দায়সারাভাবে জবাবে বলে ওঠে,
"কী জানি! ভাগ্যে যা আছে তাই হবে। তুই কেন ডাকলি আমায় এই সময়? কী হয়েছে? এখানে দাঁড়িয়ে কথা না বলে চল চা খাই। গলা শুঁকিয়ে গেছে আমার।"

মোহ চায়ের দোকানের দিকে অগ্রসর হতেই তানিয়া তার হাত চেপে ধরে। চাপা সুরে বলল,
"না ওইদিকে যাস না প্লিজ! আসার সময় এমনিতে ওখানে থাকা ছেলেপেলেরা ভীষণ বাজে ইঙ্গিত দিয়েছে। বিশেষ করে ওই কালো লেদারের জ্যাকেট পরা ছেলেটার মুখের ভাষা খুবই বি*শ্রী। ওসব কথা আর শুনতে চাই না।"

মোহ ভ্রু কুঁচকে তানিয়ার দিকে তাকিয়ে রইল কিছুটা সময়। তারপর বলল,
",কোন ছেলে বি*শ্রী কথা বলেছে? কালো জ্যাকেট পরে অন্যদিকে ফিরে রয়েছে যেই ছেলেটা?"

তানিয়া মাথা ঝাঁকায়। মোহ তানিয়ার হাত ধরে তৎক্ষনাৎ বলল,
"চল ওকে চ/ড় মা/রবি।"

তানিয়া ভয়ে তটস্থ হয়ে নিজের হাত ছাড়িয়ে বলল,
"কী বলিস! কী দরকার এসবের? ছাড় তো!"

মোহ এবার জেদ ধরে বলল,
"তুই মা/রবি না তো? ঠিক আছে আমি মে/রে আসছি।"

মোহ বিলম্ব না করে দ্রুত হাঁটা ধরল। তানিয়ার ইচ্ছে করল নিজের কপাল চাপড়াতে। কী দরকার ছিল মোহকে এসব বলার? মোহ যে কেমন বেপরোয়া সেটা সম্পর্কে বেশ ভালোমতো জানে তানিয়া।

মোহ সরাসরি সেই চায়ের দোকানের সামনে গিয়ে কালো জ্যাকেট পরিহিত ছেলেটির বরাবর দাঁড়িয়ে শুধুমাত্র দুটো শব্দ উচ্চারণ করল,
"এক্সকিউজ মি!"

মেয়েলি কণ্ঠ শুনে মোহের দিকে ফিরে তাকাল সেই প্রশস্ত দেহের যুবক। মোহ হাত উঠাতে দেরি করল না। সপাটে থা/প্পড় বসিয়ে দিলো যুবকটির ছোটো দাড়িযুক্ত গালে। মোহ চিল্লিয়ে বলল,
"আপনাকে কি কোনো ছেলে জন্ম দিয়েছে নাকি? মেয়েদের বি*শ্রী কথা বলার আগে মায়ের চেহারা চোখের সামনে ভাসে না? অ*সভ্য লোক!"

সুদর্শন যুবকটির মাঝে কোনো প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেল না। সে ঘাড় বাঁকা করে একভাবে দাঁড়িয়ে আছে। তবে মোহ স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে লোকটির ঘাড়ের রগ দপদপ করছে। এমন পরিস্থিতিতে লোকটির সকল বন্ধুও নিশ্চুপ! শুধুমাত্র কিছুটা পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা আরেকটি যুবক হতভম্ব হয়ে বলল,
"ভাই!"

এবার ঘাড় সোজা করে মোহের দিকে কঠিন দৃষ্টি নিক্ষেপ করল পুরুষটি। তার ঘোলাটে বর্ণের নয়নে উপচে পড়তে লাগল ক্রোধের আগুন। তবে মোহও ভয় পায় না। ভয় পেতও না। যদি না পেছন থেকে আরেকটি যুবক একই রকম কালো লেদাটের জ্যাকেট পরিহিত অবস্থায় এসে মোহের সামনে দাঁড়াত। হুট করে আগমনী এই যুবকটি মোহ যাকে চড় মে/রেছে তার হাতে বাইকের চাবি তুলে দিয়ে বলল,
"ধর তোর বাইকের চাবি। ভুলে ফেলে এসেছিস ওখানে।"

কথাগুলো বলতে বলতে মোহের দিকে নজর গেল তার। সে মিষ্টি হেসে বলল,
"হেই বিউটিফুল গার্ল! এখানে কী করো?"

মোহের কাছে এবার পরিষ্কার হয়ে গেল যে সে কত বড়ো ভুল করেছে। মাথা নত হলো তার। জড়োসড়ো হয়ে সেই ঘোলাটে নয়নের মানবটির দিকে তাকিয়ে মৃদু গলায় বলল,
"ভুল হয়ে গেছে সরি! ইট ওয়াজ মিস্টেক!"

লোকটি এবার অবাক হওয়ার ভান ধরে বলল,
"ওহ রিয়েলি? একটু আশেপাশে তাকাবেন মিস?"

মোহ মাথা ঘুরিয়ে আশেপাশে দেখল। মোড়ে ভীষণ মানুষজন থাকেই। যাদের সবার দৃষ্টি এখন তাদেরই দিকে। মোহ ঢক গিলে অকপটেই বলে,
"এগেইন সরি। ভুল হয়ে গেছে বললাম তো!"

"তুমি ভুল করে ভুল করে ফেলেছ। আমি এখন ঠিক করে ঠিক পানিশমেন্ট দিতে চাইছি মিস. বিছুটি পাতা।"

মেয়েটার চুলে ঢাকা কপালে পরপর তিনটি ভাঁজ পড়ল। তবে নিজেকে ধাতস্থ করে বলল,
"আমার কোনো সমস্যা নেই। আমি আপনাকে ভুল ভেবে থা*প্পড় মে*রে দিয়েছি আপনিও আমাকে একটা থা/প্পড় মে'রে শোধ তুলে নিতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন আমার একটা নাম আছে। আর আপনার দেওয়া এই অদ্ভুত নামটা আমার কোনো প্রয়োজন নেই।"

"তুনি এমনভাবে আমাকে চ/ড় মা*রলে যেন আমার গালে বিছুটি পাতা ঠেকিয়ে ধরেছে কেউ। আর আমি নিজের দেওয়া নামে ডাকতে পছন্দ করব তোমায়। আর তোমার কি মনে হয় না? আমি তোমাকে এখন একটা চ*ড় মা'রলে উল্টে আমার গণধোলাই খাওয়ার চান্স আছে? আর তুমি চ*ড়টা ঠিক কাকে মে'রেছ জানো?"

মেয়েটি এবার দৃষ্টিপাত করল তার সামনে থাকা পুরুষটির ঘোলাটে চোখের দিকে। সাহস নিয়ে বলল,
"আপনি যেই হোন! মিনিস্টার, প্রাইম মিনিস্টার তাতে আমার কোনো আগ্রহ নেই। আর আমি নিজে ভুল করলে স্বীকার করতে জানি।"

সেই ঘোলাটে নয়নের মালিকটা এবার মৃদু হাসল। বলল,
"আমার পানিশমেন্ট নেওয়ার ধরণ যে আলাদা মিস. বিছুটি পাতা! ভুল করে অনেক বড়ো অন্যায় করে ফেলেছ তুমি। অন্যায়ের মাশুল আমি গুনে গুনে তুলব।"

লোকটি আর এক মুহূর্ত দাঁড়াল না। হনহনিয়ে সামনে পার্ক করে রাখা কালো বাইকে গিয়ে উঠে বসল। সজোরে বাইক স্টার্ট দিয়ে কিছু সময়ের ব্যবধানেই যেন উধাও হয়ে গেল। তার এমন কাণ্ডে তার ভাই সবাইকে বলল,
"আমি যাচ্ছি। স্বচ্ছ ভাই রেগে গেলে অনেক জোরে বাইক চালায়। ওহ গড! কী যে হয়!"

মোহ বাকরুদ্ধ! সে বুঝতেই পারেনি এভাবে ভুল হয়ে যাবে। ঠাঁই দাঁড়িয়ে রইল সে সেখানেই। হাতের মুঠো শুক্ত করতেই অনুভব করল বর্ষণের আগমন। ফোঁটা ফোঁটা বর্ষণের উদ্ভব হয়েছে!

যে_বর্ষণে_প্রেমের_ছোঁয়া
আনিশা_সাবিহা
পর্ব ১

Want your business to be the top-listed Media Company in Khulna?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Khulna