Future Career Development

Future Career Development

Share

15/07/2025

বেশ্যা একটি গালি,
দেখেন মিলে কি না??

"অবৈধভাবে জ্ঞাত
আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে যারা আজ সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত, অথবা এসব টাকা ভোগ করে এরাই হলো সমাজের সবচেয়ে নিকৃষ্ট বেশ্যা।"

কিন্তু বেশ্যা চরিত্রটা কি খুব খারাপ ?

✍️অর্থের বিনিময়ে যে নারী দেহ বেচে সে বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে নৈতিকতা বেচে সেও বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে ফাইলে সই করে সেও বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে চাকুরিতে নিয়োগ দেয় সেও বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে আসামীকে জামিন দেয় সেও বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে দলের পদ বেচে সেও বেশ্যা।
✍️অর্থের বিনিময়ে যে নমিনেশন বেচে সেও বেশ্যা।

😥তবে যার বেচার মত অবশিষ্ট আর কিছু থাকেনা
সেই নারী শুধু দেহ বেচে।
👉কার কাছে বেচে তার নাম কি???

কবি লিখেছেন:----------
😇বেশ্যা"😇
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম

সাধুর নগরে বেশ্যা মরেছে
পাপের হয়েছে শেষ,
বেশ্যার লাশ হবে না দাফন
এইটা সাধুর দেশ।
জীবিত বেশ্যা ভোগে তো আচ্ছা, মরিলেই যত দোস?
দাফন কাফন হবে না এখন
সবে করে ফোস ফোস।
বেশ্যা তো ছিল খাস মাল, তোদের রাতের রানী,
দিনের বেলায় ভুরু কোচ কাও?
মরিলে দেওনা পানি!
সাধু সুনামের ভেক ধরিয়া দেখালি দারুন খেলা,
মুখোশ তোদের খুলবে অচিরে
আসবে তোদের বেলা।
রাতের আধারে বেশ্যার ঘর স্বর্গ তোদের কাছে,
দিনের আলোতে চিননা তাহারে?
তাকাও নাকো লাজে!
চিনি চিনি ভাই সব সাধু রেই হরেক রকম সাজ,
সুযোগ পেলেই দরবেশী ছেরে দেখাও উদ্দাম নাচ!
নারী আমাদের মায়ের জাতি বেশ্যা বানালো কে?
ভদ্র সমাজে সতীর ছেলেরা খদ্দের সেজেছে?
গরীবের বৌ সস্তা জিনিস সবাই ডাকো ভাবি,
সুযোগ পেলেই প্রস্তাব দাও আদিম পাপের দাবি।
স্বামী যখন মরলো ভাবির দুধের শিশু কোলে,
ভদ্র দেবর সুযোগ খোঁজে সহানুভূতির ছলে,
দিনের মত দিন চলে যায়,
হয় না তাতে দোষ
মরা লাশের সুযোগ পেয়ে মোল্লার রোষ।
মোল্লা সাহেব নায়েবে রাসুল ফতোয়া ঝারিশা কয়,
পতিতা নারীর জানাজা কবর এই এলাকায় নয়।
শুধাই আমি ওরে মোল্লা জানাযায় যত দোষ,
বেশ্যার দান নিয়াছো ঝোলিয়ে তুমি বেটা নির্দোষ?
বেশ্যার তবু আছে পাপ বোধ নিজেকে সে ভাবে দোষী,
তোমরা তো বেটা দিন বেচে খাও হচ্ছেয় খোদার খাসি।
আল্লাহর ঘর মসজিদে ও আছে বেশ্যার দান -কলেমা পড়েছে সে ওতো তবে নামেতে মোসলমান!
বেশ্যা নারী ব্যবসায় নারী পুরুষরা পুরুষরা সব সৎ?
জানি মোল্লা খুলবে না মুখ চাকরি যাওয়ার পথ!
আর কতকাল থাকবি অমন মুখোশ ধারীর দল,
আসবো এবার মশাল নিয়ে ভাঙতে তোদের কল।
সত্যর আলো জলবে যখন চিনবে তোদের সবে,
লেবাশধারী মুখোশধারী মুখোশ উপরে যাবে।
এই ভাবে আর চালাবি কত ছল চাতুরীর খেলা।
আসবে তিনি, এবার তোদের বিদায় নেবার পালা।।।
✍️

09/07/2025

একটি কোম্পানির ইন্টারভিউ চলছিল। বস সামনের টেবিলে বসা মহিলার সিভি দেখে জিজ্ঞাসা করলেন,
“এই চাকরির জন্য আপনি কত বেতন আশা করছেন?”

মহিলা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বললেন,
“অন্তত ৯০,০০০ টাকা।”

বস তার দিকে তাকিয়ে বললেন,
“আপনার কি কোনো খেলার প্রতি আগ্রহ আছে?”

মহিলা উত্তর দিলেন,
“জি হ্যাঁ, আমি দাবা খেলতে খুব ভালোবাসি।”

বস হাসিমুখে বললেন,
“দাবা তো খুব মজার খেলা। বলুন তো, দাবার কোন গুটিটি আপনার সবচেয়ে প্রিয়?”

মহিলা হাসি দিয়ে বললেন,
“ওজির।”

বস বললেন,
“কেন? আমার তো মনে হয় ঘোড়ার চাল সবচেয়ে অনন্য।”

মহিলা গম্ভীরভাবে বললেন,
“হ্যাঁ, ঘোড়ার চাল আকর্ষণীয়, কিন্তু ওজিরের মধ্যে সব গুণ রয়েছে। সে তির্যক চলতে পারে, সরাসরি এগোতে পারে এবং প্রয়োজনে রাজার ঢাল হয়ে যায়।”

বস মুগ্ধ হয়ে আবার জিজ্ঞাসা করলেন,
“তাহলে রাজাকে আপনি কেমন দেখেন?”

মহিলা বললেন,
“দাবার খেলায় আমি রাজাকে সবচেয়ে দুর্বল মনে করি। সে নিজেকে রক্ষা করার জন্য মাত্র একটি পদক্ষেপ নিতে পারে, যখন ওজির তার চারপাশে সবদিক থেকে রক্ষা করে।”

বস তার উত্তরে মুগ্ধ হয়ে আরও জানতে চাইলেন,
“তাহলে আপনি নিজেকে দাবার কোন গুটির সঙ্গে তুলনা করবেন?”

মহিলা নির্দ্বিধায় বললেন,
“রাজা।”

বস কিছুটা অবাক হয়ে বললেন,
“কিন্তু আপনি তো রাজাকে দুর্বল বলেছিলেন। তাহলে নিজেকে কেন রাজা বলছেন?”

মহিলা হালকা হাসি দিয়ে বললেন,
“কারণ আমি একজন রাজা, আর আমার ওজির ছিল আমার স্বামী। তিনি আমাকে সবসময় রক্ষা করতেন। কিন্তু এখন তিনি আর আমাদের মাঝে নেই।”

বস স্তব্ধ হয়ে গেলেন। তিনি ধীরে ধীরে জিজ্ঞাসা করলেন,
“তাহলে আপনি এই চাকরি কেন করতে চান?”

মহিলা চোখের কোণে জল নিয়ে বললেন,
“কারণ আমার ওজির চলে যাওয়ার পর, এখন আমাকে নিজেই ওজির হয়ে আমার সন্তানদের ও পরিবারের দায়িত্ব নিতে হবে।”

ঘরের মধ্যে গভীর নীরবতা নেমে এল। বস হাততালি দিয়ে বললেন,
“আপনি এক সাহসী নারী। শুভকামনা আপনার জন্য।”

এই গল্পটি সমস্ত নারীদের জন্য এক অনুপ্রেরণা।

জীবনের প্রতিকূল সময়ে যদি দৃঢ়তা, শিক্ষা ও আত্মবিশ্বাস থাকে, তবে যেকোনো সমস্যা মোকাবিলা করা সম্ভব। নারীদের ভালো শিক্ষা ও সঠিক মূল্যায়ন দেওয়া খুবই জরুরি, যেন তারা প্রয়োজনে নিজেদের পরিবারকে রক্ষা করার শক্তি অর্জন করতে পারে।

08/07/2025

ভারত বর্ষের সর্ব্বোচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি!!
বলতে গেলে, তিনিই পৃথিবীর সবচেয়ে শিক্ষিত ব্যাক্তি!!

পয়সার গরম তো জীবনে অনেক দেখলেন । কিন্ত বিদ্যার এমন গরম দেখেছেন না শুনেছেন কখনও? সবটা শুনলে মাথা ঝিমঝিম করবে, হাত পা’ও অবশ হয়ে যেতে পারে বৈকি।এক জীবনে এত পড়াশোনা কোন রক্ত মাংসের মানুষ করতে পারে, না পড়লে বিশ্বাস হবে না।তাও আবার সেই ভদ্রলোক যদি ভারতীয় হন !!

মারাঠি এই ভদ্রলোকের নাম ‘শ্রীকান্ত্ জিচকার’।

পড়াশোনার কেরিয়ারটা একবার হাল্কা করে চোখ বুলিয়ে নিন শুধু , তাহলেই মালুম পড়বে ভদ্রলোক কি কাণ্ডটাই না করেছেন।

১.জীবন শুরু MBBS, M.D দিয়ে।

২.এরপর L.L.B করলেন।সাথে করলেন ইন্টারন্যাশানাল ল-এর ওপর স্নাতকোত্তর।

৩.এরপর বিজনেস ম্যানেজমেন্ট এর ওপর ডিপ্লোমা,সাথে M.B.A ।

4. এরপর জার্নালিজম নিয়ে স্নাতক।

এতদূর পড়ার পর আপনার যখন মনে হচ্ছে লোকটা পাগল নাকি,তখন আপনাকে বলতেই হচ্ছে এ তো সবে কলির সন্ধ্যে । এখনো গোটা রাত বাকি।

এই ভদ্রলোকের শুধু স্নাতকোত্তর ডিগ্রীই আছে দশটা বিষয়ের ওপর! স্নাতকোত্তরের বিষয়ের তালিকাটা একবার দেখুন খালি-

১.পাবলিক আ্যডমিনিস্ট্রেশন

২.সোশিওলজি

৩.ইকোনমিক্স

৪.সংস্কৃত(ডি.লিট)

৫.হিস্ট্রী

৬.ইংলিশ

৭.ফিলোসফি

৮.পলিটিক্যাল সায়েন্স

৯.এনসিয়েন্ট ইন্ডিয়ান হিস্ট্রী, কালচার,এন্ড আর্কেওলজি

১০.সাইকোলজি

ওপরের যতগুলো বিষয় দেখছেন সব ক’টিতেই প্রথম শ্রেণীর সঙ্গে স্নাতকোত্তর, এবং ২৮টি স্বর্ণপদক বিজয়ী।সব মিলিয়ে ১৯৭৩ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত প্রতি গ্রীষ্মে ও প্রতি শীতেই উনি কোনো না কোন স্নাতকোত্তরের বিষয়ের পরীক্ষা দিয়ে গেছেন।

মাথা ঝিমঝিম করছে তো!তা মাথার আর দোষ কি বলুন!তবে মাথা ঘুরে পড়ে যাবার আগে একবারটি শুধু শুনে যান।এতসব পড়তে পড়তে ওনার যখন একঘেয়েমি লাগছিল,ঠিক করলেন এবার একটু স্বাদ বদলানো যাক! তো স্বাদ বদলাতে আমি আপনি বেড়াতে যাই,আর উনি “আই.পি.এস(IPS)” পরীক্ষায় বসলেন আর পাশ করলেন।সেটা ১৯৭৮ সাল।কিন্তু পোষালো না চাকরীটা।চাকরীটা ছেড়ে দিয়ে বসলেন “আই.এ.এস(IAS)” পরীক্ষায়।১৯৮০ তে “আই.এ.এস(IAS)” হলেন।

নটে গাছটা তাহলে মুড়োলো শেষ অবধি।আজ্ঞে না মুড়োয় নি এখনো।চারমাসের মধ্যে “আই.এ.এস(IAS)” এর চাকরীটাও ছেড়ে দিলেন মহারাষ্ট্রের বিধান সভা ভোটে লড়বেন বলে।১৯৮০ তে উনি যখন বিধায়ক নির্বাচিত হলেন তখন ওনার বয়স সবে ২৫।উনি হলেন ভারতের সবচেয়ে কমবয়সী বিধায়ক।সবই হল যখন তখন মন্ত্রী হওয়াটাই বা আর বাকী থাকে কেন!সেটাও হলেন এবং একটা দুটো দপ্তরের নয়,একেবারে ১৪ টা দপ্তরের।১৯৯২ সাল নাগাদ রাজ্যসভার সদস্য নির্বাচিত হলেন।

ওনার এই ‘সামান্য’ কয়েকটি গুণ ছাড়াও তিনি

অসাধারণ চিত্রশিল্পী,

পেশাদার ফটোগ্রাফার,

মঞ্চাভিনেতা,

সখের বেতার চালক

ও জ্যোতিষশাস্ত্রে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন।সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ ও ইউনেস্কোতে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

ব্যক্তিগত সংগ্রহে ৫২০০০ বই রয়েছে ওনার। ‘লিমকা বুক অফ রেকর্ডস’ ওনাকে “ভারতবর্ষের সবথেকে শিক্ষিত ব্যক্তি”র শিরোপা দিয়েছে।১৯৮৩ তে উনি ‘বিশ্বের অসামান্য দশজন তরুণ’ হিসেবে নির্বাচিত হন।

২০০৪ এ পথ দুর্ঘটনায় ওনার মৃত্যু হয়। বয়স হয়েছিল ৪৯

-সংগৃহীত

28/05/2025

মধ্যবিত্তদের জন্য ছয়টি রেড ফ্ল্যাগ।
বাদল সৈয়দ

১। ভুল জমি, ভুল ফ্লাট: অপর নাম 'কান্না'।

আপনার সারাজীবনের সঞ্চয় খপ করে খেয়ে ফেলার জন্য উৎ পেতে আছে ভুয়া রিয়েল এস্টেট কোম্পানি। কেনার সময় আপনাকে যে জমি দেখানো হবে আসলে তা হয়ত কেনাই হয়নি। জমির মালিককে মাসে দুহাজার টাকা ভাড়া দিয়ে জমির উপর কোম্পানিটি সাইনবোর্ড লাগিয়েছে মাত্র। এ জমি কিনলেন তো বঙ্গোপসাগরে সর্বস্ব বিসর্জন দিলেন। ঠক খাওয়া মানুষটির এসব মাফিয়াদের বিরুদ্ধে কিছুই করার থাকে না। আশেপাশে তাকালেই এদের হাতে পথের ফকির হয়েছেন এমন অনেককেই দেখবেন।উল্টাপাল্টা ডেভেলপার থেকে ফ্লাট কিনলেও একই দশা। মনে রাখবেন, একটি ভুল জমি বা ফ্লাট ইকুয়াল টু বাকি জীবনের কান্না।

২. অস্বাভাবিক ডিসকাউন্ট: ১০ নম্বর
বিপৎসংকেত।

কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান পঞ্চাশ হাজার টাকার জিনিস দশ হাজার টাকায় অফার করবে। কমদাম দেখে মধ্যবিত্তরা ঝাঁপ দেন। এরমধ্যে সামান্য কয়েকজনকে পণ্য সরবরাহ করা হবে, বাকিদের দেবে না। সোজা কথায় তাঁদের টাকা মেরে দেওয়া হবে। বঞ্চিতরা এ কোম্পানির মালিককে জীবনেও ধরতে পারবেন না। তাঁদের সে ক্ষমতা নেই। সব ক্ষমতা টাউট কোম্পানির মালিক তাদের ঠকানো টাকায় কিনে নিয়েছে।

৩। না বুঝে ব্যবসা করা: লবণ দিয়ে চা খাওয়া।

এক্ষেত্রে বেশি ধরা খান সারাজীবন চাকুরি করে রিটায়ারমেন্টে বেনিফিট দিয়ে যারা ব্যবসা করতে যান। ব্যবসার 'ব' না বুঝে ব্যবসা করলেন মানে এতদিন রক্ত পানি করে যে টাকা জমিয়েছেন তাতে আগুন ধরিয়ে দিলেন। হাতে টাকা এলে আপনার কাছে অনেকেই আসবেন ব্যবসা বুদ্ধি দিতে। এক কান দিয়ে শুনে আরেক কান দিয়ে বের করে দেবেন। আমাকে কেউ এ বুদ্ধি দিলে আমি হাসতে হাসতে বলব, 'ভাইসাহেব, এক কাপ লবণ দিয়ে চা দেই, ওটা খেলে বুঝবেন লবণ যেমন চায়ের সাথে যায় না, আমার সাথে ব্যবসাও তেমন যায় না।

৪। ব্যবসা করার জন্য অন্যকে টাকা দেওয়া: ভুল সবই ভুল।

ব্যবসা না বুঝে তা করতে গিয়ে আমরা যেমন মারা খাই, ঠিকই তেমনি আমাদের মরা লাশ জলে ভাসে অন্যের হাতে লাভের আশায় সঞ্চয় তুলে দিলে। আমি এমন মানুষ খুব কম দেখেছি, যারা অন্যকে ব্যবসা করার জন্য টাকা দিয়ে জিতেছেন। দুটো কারণে এটা হয়। প্রথমত যিনি ব্যবসার জন্য টাকা নিয়েছেন তিনি নিজেই মার খেয়েছেন, ফেরত কোত্থেকে দেবেন? দুই নম্বর হলো, টাকা মেরে দেওয়া। কয়েকমাস লাভ দিয়ে তারপর অস্বীকার! লাভ তো দূরের কথা আসলই ফেরত পাওয়া যায় না। তাই লাভের আশায় অন্যকে টাকা দিলেন মানে ব্যাংকের চেক কাটলেন না, নিজের ভাগ্যকেই নিজে কেটে দিলেন। সর্বনাশকে লাল গালিচা পেতে আমন্ত্রণ জানালেন।

৫। অস্বাভাবিক মুনাফা বা সুদ: ইঁদুর মারা ফাঁদ।

যখন কোনো প্রতিষ্ঠান বাজারে প্রচলিত বা সরকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ মুনাফা বা সুদের চাইতে বেশি অফার করে তখন বুঝে নেবেন, আপনাকে 'বকরি' বানানোর কায়দা করা হচ্ছে। জবাই করাত ছুরি শান দেওয়া হচ্ছে। এরা তো জ্বীন-ভূত না যে বাজারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের চাইতে বেশি লাভ দেবে! এটা কি সম্ভব? এদের হাতে কি আলাদীনের চেরাগ আছে? নেই। তবে আপনার টাকা মেরে দিয়ে হাওয়া হয়ে যাওয়ার জন্য 'ম্যাজিক কার্পেট' আছে।

৫। বোকা ম্যার‍্যাথন এবং দুঃখ নামের মেডাল। #

আমাদের একটা বাজে অভ্যাস হলো অন্যদের সাথে অন্ধ প্রতিযোগিতা। পাশের বাসায় ৪২ ইঞ্চি টিভি কেনা হয়েছে! আমারও কিনতে হবে। কেউ গাড়ি কিনেছে! ধারকর্জ করে আমাকেও কিনতে হবে। ফলাফল হচ্ছে, পায়ের নিচের মাটি সরে যাওয়া। এ ইঁদুর দৌড়ের কারণে যখন জীবনে ঘোর বর্ষা নামবে তখন হাতে ছাতা থাকবে না। ফালতু প্রতিযোগিতার কারণে সে ছাতা তো কবেই বিক্রি করে দিয়েছি!

তাহলে কী করবেন? সমাধান কী?

উত্তর: উপরের কোনোটিই করবেন না। টাকাও নিরাপদ থাকবে, আপনিও নিরাপদ থাকবেন। হাতের ছাতা হাতেই থাকুক, নয়ত বর্ষাকালে ভিজে মরণ জ্বরে মরবেন।

রেড ফ্ল্যাগগুলো থেকে উপরওয়ালা আমাদের রক্ষা করুন। সবার প্রতি শ্রদ্ধা, শুভকামনা।

Want your school to be the top-listed School/college in Khilgaon?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Address


Bijoynagar
Khilgaon
1000