Zayed
30/03/2024
তারাবীহ’র গল্প – পর্ব ১৮ (৩য় বছর)
৩০ মার্চ - মুগদা কেন্দ্রীয় মসজিদ
------------
দেখতে দেখতে ১৯ টি রমজান চলে গেল। বেদনার অবগাহন। যে মাসের জন্য সারাবছর অপেক্ষায় থাকা সেই মাহে রমজানের বিদায় দশক শুরু হবে কাল থেকে। আজ ২০ রমজানের তারাবীহ পড়লাম। আগামীকাল কদরের রাত। ২১ রমজানের রাত। এর মধ্যে অনেকের এলাকায় তারাবীহ নামাজ পড়ার দাওয়াত পেয়েছি। কিন্তু রমজানে একটু দুরে যাওয়া কঠিন আসলে। কারণ ইফতারীর পরপরই দুরে গিয়ে তারাবীহ পড়তে শরীর সায় দেয়না। তারপরও পরিকল্পনা আছে এর মধ্যে একবার ধানমন্ডি আর গুলশান এ পড়বো। ইনশাল্লাহ্।
তারাবীহ নামাজে এখন প্রায় রেগুলার সঙ্গী জহির ভাই। রাজু পারিবারিক কারণে ব্যস্ত। তাই প্রতিদিনই ইফতারীর পর জহির ভাই ফোন দিচ্ছেন। বাসায় ইফতারি করে অফিসে ঢু মারলাম। জহির ভাই হাজির ৭.৫০ এ। ঠিক করতে পারছিনা কোন মসজিদে যাবো। ভাবতে ভাবতে ৮.০০ টা। এখন বেশি দুরেও যাওয়া যাবেনা। অজু করে অফিস থেকে নেমে রিকশা নিলাম বিজয় নগর বটতলা মসজিদে যাবার। হাতে মাত্র ১০ মিনিট আছে। খিলগাও রেলগেটে যেতেই ৮.১০ বেজে গেল। ওখানে গেলে আর এশার জামায়াত পাবোনা। তাই ইনস্ট্যান্ট রিকশা ইউটার্ন করে কমলাপুরের দিকে ছুটলাম। এরই মধ্যে ৮.২০ বেজে গেছে। পথেই মায়াকানন মসজিদে নেমে এশা আদায় করলাম। এই মসজিদে তারাবীহ পড়ার প্ল্যান নেই। এশা পড়ে ভাগবো। কারণ এই মসজিদের সাউন্ড সিস্টেম ভালোনা। তেলাওয়াতও অনেকটা রুরাল স্টাইল।
এশার নামাজ পড়ে আবার রিকশা নিলাম। গন্তব্য এবার মুগদা কেন্দ্রীয় মসজিদ। খুবই ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। শুনেছি এই মসজিদের তেলাওয়াত ভালো। তাই লোভে পড়ে আসা। মসজিদের ঢুকে দেখি অলরেডি ২ রাকাত হয়ে গেছে। হাফেজ সাহেবের তেলাওয়াত ভালো মাশাআল্লাহ্। শুধু একটু তাড়াতাড়ি পড়ছেন। তাও অতোটা না। ১০ এ সাড়ে ৬ দেয়া যায়। তবে মসজিদটা অনেক পুরোনো হবার কারণে স্ট্রাকচারে ৯০ দশকের ছোঁয়া লেগে আছে। একটু অপরিস্কারও লাগছে। পুরোনো হবার কারণে বোধহয়। ভিতরে পর্যাপ্ত আলো বাতাস পাস হবার জায়গা নেই। একটু গরমও লাগছে।
৮ রাকাত শেষ করে বেতের পড়ে নিলাম। বের হয়ে অফিসের দিকে যাচ্ছি। পথে মায়াকাননে আরেকটা মসজিদ পেলাম। অসাধারণ তেলাওয়াত করছেন হাফেজ সাহেব। রিকশায় যেতে যেতে শুনলাম। কাল এই মসজিদে আসতে পারি...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the establishment
Telephone
Website
Address
Khilgaon