Tas Fit Bike Love Ride

Tas Fit Bike Love Ride

Share

01/04/2025

বলে দিলেই তো পাড়ো যে তোমাকে আর ভালো লাগে না

01/04/2025

একটা মানুষ কতটা খারাপ হলে
তার পাশে ঘুমানোও যায় না😄

01/04/2025

আধো ভাবি আমি না থাকলে কি তোমার কিছু হবে?🙃🥀

18/02/2025

নিজের উপর বিশ্বাস রাখো, জয় তোমারই হবে।

জীবনে সবকিছু সহজে আসে না। কখনো বাধা আসবে, কখনো ব্যর্থতা পা ধরবে, কখনো মনে হবে, “আমি পারবো না!” কিন্তু এই একটা জিনিস যদি মনে রাখেন— আপনি যদি নিজেকে বিশ্বাস করেন, তাহলে কেউ আপনাকে থামাতে পারবে না।

একজন মানুষ তখনই হারে, যখন সে নিজে হাল ছেড়ে দেয়। তাই কঠিন সময় এলেও, নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন, কারণ সফলতার চাবিকাঠি আপনার হাতেই।

কেন নিজের উপর বিশ্বাস রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?

ব্যর্থতা মানে শেষ নয়, নতুন শুরু অনেকেই ভাবে, “আমি একবার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু ব্যর্থ হয়েছি, তাই হয়তো এটা আমার জন্য নয়।” কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, প্রতিটি সফল মানুষের জীবনে বহুবার ব্যর্থতা এসেছে, কিন্তু তারা হাল ছাড়েনি।

অন্যরা কী বলছে, তাতে কিছু যায় আসে না
আপনার স্বপ্ন আপনার নিজের। মানুষ হাজার কথা বলবে—“তুমি পারবে না,” “এটা খুব কঠিন,” “এটা সম্ভব নয়।”
কিন্তু তারা আপনাকে জানে না, আপনার স্বপ্ন জানে না, আপনার ইচ্ছাশক্তি জানে না।

আপনি যদি নিজের উপর বিশ্বাস রাখেন, তাহলে অন্য কারও কথা আপনাকে থামাতে পারবে না।

কঠোর পরিশ্রম আর ধৈর্যই আপনাকে জিতিয়ে দেবে
একদিনে কেউ বড় হয় না। আজকের ছোট ছোট প্রচেষ্টাগুলোই একদিন বড় সাফল্যের ভিত্তি গড়বে।

আপনি যদি প্রতিদিন একটু একটু করে শেখেন, তাহলে একদিন আপনি সবার চেয়ে এগিয়ে থাকবেন।

আপনি যদি প্রতিদিন একটু একটু কাজ করেন, তাহলে একদিন আপনি নিজের স্বপ্নের জগতে পৌঁছে যাবেন।

বাস্তব উদাহরণ যা আপনাকে অনুপ্রাণিত করবে:

জিদান (Zinedine Zidane)—ছোটবেলায় সাধারণ পরিবারের ছেলে ছিলেন। কিন্তু ফুটবলের প্রতি বিশ্বাস আর কঠোর পরিশ্রম তাকে বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় বানিয়েছে।

জ্যাক মা (Jack Ma)—১০ বার হার্ভার্ডে ভর্তি হতে ব্যর্থ হয়েছিলেন, চাকরির জন্য ৩০ বার আবেদন করেছিলেন, সব জায়গা থেকে ‘না’ শুনেছিলেন। কিন্তু তিনি বিশ্বাস রেখেছিলেন, “আমি পারবো!” এবং আজ তিনি বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি।

স্টিভ জবস (Steve Jobs)—তাকে তার নিজের কোম্পানি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি হাল ছাড়েননি। তার কঠোর পরিশ্রম আর নিজের উপর বিশ্বাসই তাকে বিশ্বখ্যাত আইফোনের জনক বানিয়েছে।

এই মানুষগুলোর মধ্যে কোনো অলৌকিক ক্ষমতা ছিল না। শুধু একটা জিনিস ছিল—নিজের উপর অটুট বিশ্বাস।

আপনার স্বপ্নের পথে আজই শুরু করুন!

আপনি যদি নিজেকে বিশ্বাস করেন, তাহলে আপনার প্রতি

18/02/2025

ভালবাসার অভাবে কোন সংসার ভাঙ্গে না । সংসার ভাঙ্গে বরং স্বামী -স্ত্রীর বন্ধুত্বের অভাবে । প্রচন্ড প্যাশন, ইন্টেমেসি আপনাকে সাময়িক সুখ দিতে পারে কিন্তু শান্তি দিতে পারবে না । একটি অসুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য বন্ধুত্বহীনতাই যথেষ্ট ।

একটা মানুষের সাথে আরেকটা মানুষের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হলে এখনকার যুগে যেটা সবচেয়ে প্রয়োজন, ওটা হলো একজন মানুষ আরেকজন মানুষকে বুঝতে পারার ক্ষমতা ধরে রাখা এবং দুটি মনের সাথে একজন আরেক জনের সম্পর্ক স্হাপন করা ।

এই বোঝাপড়া ব্যাপারটা বন্ধুত্বের মাধ্যমেই আসে । ভালবাসা ও মায়া এমনি কোন দান না আপনা আপনিই সৃষ্টি হবে । ভালবাসা ও মায়া সৃষ্টি হয় কেবল মাত্র নিরবে কেউ কাউকে বুঝতে পারার মাধ্যমে ।কেউ কাউকে নিরব সাপোর্ট করার মাধ্যমে ।ওটা না থাকলে দাম্পত্য জীবনকে বিষ মনে হয় ।অনেকেই এই প্রেমহীন দাম্পত্য জীবন বয়ে বেড়ায় কারন বাচ্চাদের সুখের কথা ভেবে জীবন সেক্রিফাইজ করে ।কিন্তু প্রতিদিন নিয়ম করে বিষ গিলে খাওয়ার মতই তাদের জীবন যাত্রার ভার কাঁধে বয়ে নিতে হয় ।প্রতিদিন কথাকাটাকাটি গোপন করার মানসিকতা জন্মায় । একটাই কারন তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব থাকে না । একজন আরেকজনকে স্পেস দেয়না । সেক্রিফাইজ করতে পারেনা ।

এমন অনেক সম্পর্কেই চিড় ধরে কারন যদি বিচার করেন তবে একটাই ফলাফল আসে তাদের বন্ধুত্বটা ছিল না ।তাই ইংল্যান্ডের রানীর পুত্র বধূ প্রিন্সেস ডায়না তার মৃত্যুর আগে বলেছিল আমাকে যার ভালবাসার কথা সে ছাড়া পৃথিবীর সকলেই ভালবেসেছে ।প্রিন্স চালর্স ও ডায়নার মধ্যে কখনই ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠেনি শুধু মাত্র তাদের মানসিকতা এক ছিল না বলে ।অথচ ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় প্রিন্স চার্লস তাকে প্রচন্ড পছন্দ করেই বিয়ে করেছিলেন ।কিন্তু তারা কখনই সুখী দম্পতি হিসেবে নিজেদের দাবী করতে পারেননি,,

22/05/2024

আমি... না! নামটা নাহয় আমি নাই বললাম। আমি একজন নারী। ওই যে কবিতাটা আছে না...
"আমি সেই মেয়ে।
বাসে ট্রেনে ট্রামে রাস্তায় আপনি যাকে রোজ দেখেন
যার শাড়ি, কপালের টিপ, কানের দুল আর পায়ের গোড়ালি
আপনি রোজ দেখেন।"
হ্যাঁ... এমনই একটা নিতান্তই সাধারণ নারী আমি। একটা ছোট্ট মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম আমার। ধীরে ধীরে বড়ো হতে হতেই বুঝেছিলাম... নারী হয়ে জন্মে ভীষণ বড়ো ভুল করে ফেলেছি আমি। প্রথম বুঝেছিলাম... যেদিন আট বছরের অবুঝ আমি'কে আমার নিজের মামা খারাপভাবে ছুঁয়েছিল। খুব কষ্ট হয়েছিল আমার। কেঁদেছিলাম খুব। মা'কে জড়িয়ে ধরে বলেছিলাম সবটা। মা সব শুনে আমার মুখ চেপে বলেছিলো,
— উনি না তোর গুরুজন হয়! গুরুজনের সম্পর্কে অমন কথা বলতে নেই, মা!
>আমি অবাক হয়ে শুনেছিলাম। কষ্টটা নিজের মনে চেপে নিজেই গুমরে মরেছিলাম। আরেকটু বড়ো হলাম। বুঝতে শিখেছিলাম... নারী শরীর সবাই খারাপভাবে ছুঁতে চায় বারংবার। বাসে পাশে বসা যাত্রী, টিউশনের স্যার... সবাই বারবার ছুঁতে চেয়েছে আমার স্তনযুগল, নিম্নাঙ্গ। কেউ একবারের জন্যও তাকায়নি আমার মুখের দিকে। আমার চোখে সে কী ভীতি জমেছে ধীরে ধীরে... তারা কেউ লক্ষ্য করেনি।
কলেজ জীবনে পা দিয়ে যখন প্রথম প্রেমে পড়লাম। ভাসলাম আবেগের সাগরে। তখনও দেখলাম... আমার প্রেমিক পুরুষটি কখনোই ভালোবাসেনি আমাকে। আমার চোখের গভীর ভাষা বুঝে ওঠার আগেই সিনেমা হলের গোপন অন্ধকারে সে আবিষ্কার করতে চেয়েছিল আমার নগ্ন শরীর। প্রত্যাখ্যান করলে বলেছিলো... আমি নাকি ভালোবাসিনা তাকে!
সত্যিই কি আমি ভালোবাসিনি? নাকি সে আমাকে? কেজানে...
সেই যে প্রেমের সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এলাম... আর কাউকে কোনোদিন ভালোবাসতে পারিনি। নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে কিনা! তাই কলেজ শেষ হতে না হতেই সম্পূর্ণ অপরিচিত এক মানুষের হাত ধরে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হলাম।
এই যে আজ... হ্যাঁ আজ! আজ আমার বাসররাত। যেই দিন নিয়ে সব মেয়েদের জীবনে কিছু সুখস্মৃতি থাকে। আমি তো চেয়েছিলাম আমার স্বামীকে চিনতে! কিন্তু সে... সে যে এসেই আমার শরীরটা ছিঁড়ে খেতে শুরু করলো। আমার নগ্ন শরীর সে দুচোখ ভোরে দেখলো। আজও একটিবারের জন্য তাকালোনা আমার চোখের দিকে। যে চোখ তাকে ভরসা করতে চেয়েছিল, সে চোখে পাহাড় প্রমান ঘৃণা।
আমি ক্লান্ত...
নারীশরীর বহণ করতে করতে আমি ক্লান্ত। নারীশরীর মানে শুধুই কি তার স্তনযুগল আর নিম্নাঙ্গ? কখনো কি তার চোখের দিকে তাকিয়ে তার মনের কষ্টটা কেউ বুঝবেনা?

Want your business to be the top-listed Transport Service in Khalishpur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address


Khalishpur