JS islam
আপনি কি জানতে চান??কেনো এতো আপনার মুড সুইং হচ্ছে??জানতে আগ্রহ হইলে শেষ পর্যন্ত পড়তেই থাকুন!!!👇👇👇👇👇
মানুষের মুড সুইং (Mood Swing) বা মেজাজের দ্রুত পরিবর্তন আসলে কোনো একক 'রহস্য' নয়, বরং এটি আমাদের শরীর, মন এবং পরিবেশের বিভিন্ন কারণের সম্মিলিত ফল। আমাদের মস্তিষ্ক ও শরীরে রাসায়নিকের ওঠানামা, জীবনযাত্রার অভ্যাস এবং বিভিন্ন মানসিক ও শারীরিক সমস্যার প্রভাবে মুড সুইং হয়ে থাকে।
মুড সুইংয়ের প্রধান কারণ বা "রহস্য" গুলো জানার জন্য পরবর্তী পোস্টটির জন্য অপেক্ষায় থাকুন!!
22/08/2025
Big shout out to my newest top fans! 💎 M S Jalal
Drop a comment to welcome them to our community,
18/07/2025
যদি এমন কাউকে পান, তাকে বলতে চান কিছু। তাহলে সামনে পেলে কি বলবেন???
17/07/2025
এক কাপ কফিতে ভালোবাসা
শহরের এক কোণে, পুরোনো বইয়ের দোকানের পাশেই ছিল 'কফি কর্নার' নামের ছোট একটি ক্যাফে। ইশারার জীবনের বেশিরভাগ সময় কাটতো সেখানেই। সে ছিল একজন স্বপ্নালু লেখিকা, যার অনুপ্রেরণার উৎস ছিল মানুষের গল্প আর ক্যাফের শান্ত পরিবেশ। প্রতিদিন বিকেলে এক কাপ ল্যাটে নিয়ে সে তার ল্যাপটপে ডুবে যেত, শব্দের জালে বুনে চলতো নতুন কোনো জগৎ।
একদিন, তার চিরচেনা নিরবতা ভাঙলো এক নতুন আগন্তুক। সে ছিল অনিক, একজন গ্রাফিক ডিজাইনার। অনিকও ক্যাফেতে আসতো নিরিবিলি কাজ করার জন্য। প্রথম প্রথম তাদের মধ্যে কোনো কথা হতো না, শুধু নীরবতা আর কফির সুবাস তাদের দুজনকে ঘিরে রাখতো। ইশারা দেখতো অনিক প্রায়শই তার দিকে তাকিয়ে থাকে, আর অনিক দেখতো ইশারা যখন তার লেখায় মগ্ন থাকে, তখন তার চোখে এক অন্যরকম দ্যুতি ফুটে ওঠে।
একদিন, অনিকের কফি মগ ভুল করে ইশারার ল্যাপটপের ওপর পড়ে গেল। ল্যাপটপ ভিজে একাকার! ইশারা রেগে লাল। "এ কী করলেন আপনি?" সে চিৎকার করে উঠলো। অনিক অপ্রস্তুত হয়ে দ্রুত ক্ষমা চাইলো এবং ক্ষতিপূরণ দিতে চাইল। ইশারা প্রথমে রাজি না হলেও, অনিকের আন্তরিকতায় শেষে নরম হলো।
সেই ঘটনা থেকেই তাদের পরিচয়। অনিক ইশারাকে তার ল্যাপটপ ঠিক করতে সাহায্য করলো এবং প্রতিদিনই ক্যাফেতে এসে তার খোঁজ নিতো। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো। তারা কফি খেতে খেতে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলতো – সাহিত্য, শিল্প, জীবন, স্বপ্ন। ইশারা আবিষ্কার করলো অনিকের মধ্যে এক শিল্পী মন লুকিয়ে আছে, আর অনিক মুগ্ধ হলো ইশারার কথার যাদুতে।
এক বৃষ্টি ভেজা সন্ধ্যায়, ক্যাফেতে লোক কম ছিল। ইশারা আর অনিক মুখোমুখি বসেছিল। হঠাৎ অনিক বললো, "ইশারা, আমি তোমার লেখাগুলো পড়েছি।" ইশারা চমকে উঠলো, কারণ সে কখনো অনিককে তার লেখার কথা বলেনি। অনিক হেসে বললো, "তুমি যখন লেখো, তখন তোমার চোখ দুটো ঝলমল করে। আমি তোমার ল্যাপটপের স্ক্রিনে কিছু লাইন দেখেছিলাম। তোমার গল্পগুলো খুব সুন্দর।"
ইশারা লজ্জা পেলো। অনিক তখন তার হাত ধরে বললো, "আমি জানি না এটা ভালোবাসা কিনা, কিন্তু আমি তোমার পাশে থাকতে চাই, তোমার সব গল্প শুনতে চাই, আর তোমার প্রতিটি স্বপ্নে অংশীদার হতে চাই।" ইশারার চোখে জল এসে গেল। সে অনিকের চোখে তাকিয়ে দেখলো গভীর ভালোবাসা।
তারা বুঝতে পারলো, তাদের ভালোবাসার গল্পটা শুরু হয়েছিল এক কাপ কফি আর এক অপ্রত্যাশিত ঘটনার মধ্য দিয়ে। 'কফি কর্নার' তাদের জীবনের নতুন অধ্যায়ের সাক্ষী হয়ে রইলো, যেখানে ভালোবাসা কফির মতোই উষ্ণ আর মিষ্টি।
গল্পটি কেমন লাগলো? আরও কোনো নির্দিষ্ট ধরণের রোমান্টিক গল্প শুনতে চান?
***চাইলেই কমেন্টে লিখে যান**
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Joypur
5910