An-Naaba Foundation

An-Naaba Foundation

Share

10/04/2026

সালাউদ্দীন আইয়ুবী রহ. কেনো ৩০০০ আলেমকে হত্যা করেন? এবং হারাম শরীফের একজন ইমাম।

সালাউদ্দিন আইয়ুবী রহ. বাইতুল মুকাদ্দাস জয় করার পরে সবাই যখন বিজয় উৎসব পালনে ব্যস্ত, তখন সালাউদ্দিন আইয়ুবী গভীর চিন্তায় নিমগ্ন। তার চিন্তার কারণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, বাইতুল মুকাদ্দাস জয় হয়েছে কিন্তু এখনও এমন শত্রু আমাদের মাঝে রয়ে গেছে যাদেরকে খুঁজে বের করতে না পারলে বাইতুল মুকাদ্দাস আমরা বেশিদিন আমাদের কাছে রাখতে পারবো না।

তার কথার প্রয়োজনীয়তা কেউ অনুভব করতে পারলনা। সালাউদ্দীন আইয়ুবী তার অত্যন্ত বিশ্বস্ত সেনাদের নিয়ে খুবই গোপনে নতুন একটি গোয়েন্দা বিভাগ গঠন করলেন। যাদেরকে আটককৃত ইহুদিদের গোয়েন্দা বিভাগের সেনাদের থেকে পাওয়া তথ্য দিয়ে ট্রেনিং দিলেন। সেনারা ফিলিস্তিনে এক ইমামের কাছে গেলেন, লোকজন যার প্রশংসায় ভরপুর,ইসলামি স্কলার, শায়েখ এবং অত্যন্ত আমলদার ও পরহেজগার হিসেবে তার সুখ্যাতি পুরো ফিলিস্তিন জুড়ে।

একদিন তিনি তাফসিরের আলোচনা করছিলেন তার মসজিদে। এ সময় দুজন অপরিচিত আগন্তুক আসলো। তারাও খুব গভীর মনোযোগ দিয়ে তার তাফসির আলোচনা শুনলো। আলোচনা শেষে তারা ইমামের সামনে গিয়ে প্রশ্ন করলো, সূর্য কখন ওঠে? ইমাম জবাব দিল, যখন বৃষ্টি থেমে যায়। অপরিচিত আগন্তুক আবার প্রশ্ন করলো, বৃষ্টি কোন দিক থেকে আসে? ইমাম উত্তর দিল, ঝড়ো হাওয়ার দিক থেকে। এভাবে আরো কয়েকটি প্রশ্ন এবং তার উত্তর নিল।

উপস্থিত মুসল্লিরা এগুলো বুঝলো না। তারা চলে যাওয়ার পর ইমাম সাহেব আগন্তুকদের নিয়ে তার ঘরে প্রবেশ করলেন। ঘরে গিয়ে ইমাম তাদের সাথে তার নিজের পরিচয়ে কথা বলতে শুরু করলেন। ইমামের স্ত্রী আগন্তুকদের মদ পরিবেশন করতে দিলেন। আগন্তুকরা ইমামের সাথে বিস্তারিত কথা বলা শুরু করলো। ইমাম কবে থেকে এখানে, মানুষের মধ্যে কি কি ফিৎনা ছড়িয়েছে, মানুষের ঈমানের মধ্যে চিড় ধরাতে কতটুকু সক্ষম হয়েছে ইত্যাদি বিষয়ে কথা হতে লাগলো।

ইমামও অত্যন্ত আগ্রহের সাথে কিভাবে মানুষের মাঝে ফিৎনা তৈরি করেছে, কিভাবে মাসআলাগত বিরোধ লাগাচ্ছে, কিভাবে এর মাঝেও ইহুদি পণ্ডিতের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেছে, কিভাবে মানুষকে জিহাদ থেকে বিমুখ রাখছে, কিভাবে ইহুদিদের ক্ষমতার ভয় মুসলিমদের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছে— সব বলতে লাগলো। মোটামুটি প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়ার পরে আগন্তুকরা তাদের মাথার পাগড়ি খুললো এবং উপরের জামা খুললো। এটা দেখে ইমাম এবার ভয়ে পালাতে চাইলো কারণ এই আগন্তুকরা ছিল হযরত সালাউদ্দীন আইয়ুবীর সেই গোয়েন্দা বিভাগের সেনা। তারা তাকে ধরে নিয়ে গেল এবং তাকে হত্যা করলো।

এভাবে হযরত সালাউদ্দীন আইয়ুবী তিন হাজার ইহুদি আলেম হত্যা করেছিল। যারা মূলত ইহুদি কিন্তু ইসলামি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে মানুষের মধ্যে ফিৎনা ছড়ানোই ছিল তাদের মূল কাজ।

10/04/2026

মুসনাদের আহমাদে রাসূল সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পবিত্র ইরশাদ বর্ণিত হয়েছে—
“কোনো মুসলিম যখন প্রথমবার কোনো নারীর সৌন্দর্যের প্রতি দৃষ্টি পড়ার পর স্বীয় দৃষ্টি নত করে নেয়, আল্লাহ্‌ তাআলা তার ইবাদতে স্বাদ দান করেন।” (১)

তাবারানী শরীফে দৃষ্টি সরিয়ে নেয়া সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে :
“যে আমার ভয়ে কুদৃষ্টি পরিহার করে আমি তাকে এমন ঈমান দান করি যার স্বাদ সে অন্তরে অনুভব করে।” (২)

কতই-না লাভজনক সওদা! কু-দৃষ্টির অস্থায়ী ও কৃত্তিম স্বাদ পরিহারে ঈমানের স্থায়ী মিষ্টতা ও স্বাদ লাভ হয়। এ থেকে প্রমাণিত হয় যে, আল্লাহ্‌ তাআলা এমন ব্যক্তির অন্তরে প্রশান্তি ঢেলে দেবেন। তা ছাড়া নিয়মও এটাই যে, আমলের প্রতিদান অনুরূপ জিনিস দিয়েই দেয়া হয়। সুতরাং যে পরনারীকে দেখার স্বাদ বর্জন করবে আল্লাহ্‌ তাআলা তাকে ইবাদত ও ঈমানের পরম স্বাদ দান করবেন।

(১) মুসনাদু আহমাদ, ২২২৭৮।
(২) তাবারানী, মু' জামুল কাবীর, ১০/১৭ হাদীস নং ১০৩৬২।

— বই : এখন যৌবন যার, পৃষ্ঠা নং- ৫৭-৫৮।

10/04/2026

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

"আল্লাহ যখন জান্নাত ও জাহান্নাম সৃষ্টি করলেন, তখন জিবরাঈল (আ.)-কে জান্নাতের দিকে পাঠিয়ে বললেন, 'যাও, জান্নাত এবং এর অধিবাসীদের জন্য আমি যা প্রস্তুত করে রেখেছি তা দেখে এসো।'

জিবরাঈল (আ.) গিয়ে জান্নাত এবং এর নেয়ামতসমূহ দেখলেন। এরপর ফিরে এসে বললেন, 'আপনার ইজ্জতের কসম! যে কেউ এর (সুখের) কথা শুনবে, সে অবশ্যই এতে প্রবেশ করতে চাইবে।'

তখন আল্লাহর নির্দেশে জান্নাতকে 'মাকারেহ' (কষ্টকর ও অপছন্দনীয় বিষয়) দিয়ে ঘিরে দেওয়া হলো। এরপর আল্লাহ বললেন, 'আবার যাও এবং দেখে এসো।'

জিবরাঈল (আ.) পুনরায় গিয়ে দেখলেন যে, জান্নাত কষ্টকর বিষয় দিয়ে ঘেরা। তিনি ফিরে এসে বললেন, 'আপনার ইজ্জতের কসম! আমার ভয় হচ্ছে যে, (এত বাধা পেরিয়ে) এখন হয়তো কেউই এতে প্রবেশ করতে পারবে না।'

এরপর আল্লাহ বললেন, 'এবার জাহান্নামের দিকে যাও এবং এর অধিবাসীদের জন্য যা প্রস্তুত রেখেছি তা দেখে এসো।'

তিনি গিয়ে দেখলেন জাহান্নামের আগুন একটির ওপর আরেকটি আছড়ে পড়ছে (ভয়াবহ উত্তাল)। ফিরে এসে তিনি বললেন, 'আপনার ইজ্জতের কসম! এর (ভয়াবহতার) কথা যে শুনবে, সে কখনোই এতে প্রবেশ করবে না।'

তখন আল্লাহর নির্দেশে জাহান্নামকে 'শাহওয়াত' (নফসের কামনা-বাসনা ও প্রলোভন) দিয়ে ঘিরে দেওয়া হলো। এরপর আল্লাহ বললেন, 'আবার যাও এবং দেখে এসো।'

তিনি পুনরায় গিয়ে দেখলেন যে, তা প্রলোভন দিয়ে ঘেরা। ফিরে এসে তিনি বললেন, 'আপনার ইজ্জতের কসম! আমার আশঙ্কা হচ্ছে যে, (প্রলোভনের কারণে) এখন আর কেউই তা থেকে রক্ষা পাবে না, বরং সবাই এতে প্রবেশ করবে।'"

(সূত্র: সুনানে আবু দাউদ,তিরমিযী,নাসাঈ)

জান্নাত এমন সব জিনিস দিয়ে ঘেরা যা মানুষের মন সহজে করতে চায় না। যেমন: কনকনে শীতে ফজরের নামাজ, দান-সদকা, ধৈর্য ধারণ এবং হারাম থেকে বেঁচে থাকা। এধরণের "কষ্ট" সহ্য করলেই জান্নাতে পৌঁছানো সম্ভব।

জাহান্নাম এমন সব প্রলোভন দিয়ে ঘেরা যা মানুষের মন খুব দ্রুত গ্রহণ করে। যেমন: সুদ-ঘুষ, পরনিন্দা, বেহায়াপনা ও আলস্য। মানুষ এই সাময়িক আনন্দের মোহে পড়েই মূলত জাহান্নামের পথে পা বাড়ায়।

জিবরাঈল (আ.)-এর সেই 'আশঙ্কা' আমাদের জন্য একটি সতর্কবার্তা। দুনিয়ার মোহ ত্যাগ করে কষ্টকর হলেও আল্লাহর আনুগত্যের পথে চলাই হলো প্রকৃত সফলতা।

- সালমান ফারসি

24/03/2026

দুজন লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে হত্যা করতে মদীনায় আসে!

একজনের নাম ছিলো আমির ইবনে তুফাইল, আরেকজনের নাম আরবাদ ইবনে কায়স।

মদীনায় আসার আগে তারা প্ল্যান করে— আমির রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে কথা বলে তাঁকে ব্যস্ত রাখবে। আর এই ফাঁকে আরবাদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে হত্যা করবে (নাউজুবিল্লাহ)!

তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে গিয়ে বললো, আসুন, আমরা একটু আড়ালে গিয়ে কথা বলি।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমনিতে তাঁর পরিচিত কেউ হলে এই প্রস্তাব গ্রহণ করতেন। তিনি মানুষের প্রাইভেসিকে সবসময় গুরুত্ব দিতেন।

কিন্তু, কোথাকার কোন আগন্তুক এসেই বললো— 'আসুন, আড়ালে যাই' আর তিনি মেনে নিবেন?

তিনি তাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

তারা মসজিদের একপাশেই কথা শুরু করলো।

আমির ইবনে তুফাইল ছিলো চরম বেয়াদব! সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এমনভাবে কথা বলে, ঘটনাটি পড়তে গিয়ে আমি খুঁজছিলাম একজন সাহাবীকে। মনে মনে ভাবছিলাম, ইশ! উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু যদি আশেপাশে থাকতেন!

আমির বললো— আপনাকে একটা প্রস্তাব দিচ্ছি।

আপনি মদীনা শাসন করুন, শহরের দায়িত্ব আপনার। গ্রামের দায়িত্ব আমাকে দিন। আপনি শহরের রাজা, আমি গ্রামের!

তার এই ধৃষ্টতা দেখে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বুঝতে পারলেন সে আসলে কী চাচ্ছে।

প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলে আমির বললো, তাহলে এক কাজ করেন, আপনি বেঁচে থাকাবস্থায় না হয় পুরোটাই শাসন করেন। মারা যাবার পর আমাকে দায়িত্ব দিয়ে যান!

অর্থাৎ, ইসলাম গ্রহণের আগেই সে 'খলিফা' হবার দাবি করে!

তার ঔদ্ধত্যপূর্ণ প্রস্তাব শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন— "ক্ষমতার মালিক আল্লাহ। তিনি যাকে ইচ্ছে ক্ষমতা দান করেন।"

এরপর সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে হুমকি দিলো। বললো— আমার প্রস্তাব গ্রহণ না করলে আমি ঘোড়ার বাহিনী নিয়ে মদীনা আক্রমণ করবো। এটা ঠেকানো সম্ভব না!

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে শান্তভাবে উত্তর দিলেন। তার এই হুমকির জবাবে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে আল্লাহর কাছেই বিচার দিলেন— "আল্লাহ! আপনি তাদেরকে দেখে নিন!"


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছ থেকে বের হয়ে আমির ইবনে তুফাইল বিরক্ত হয়ে আরবাদকে কী জিজ্ঞেস করলো— "কী ব্যাপার? তুমি তাকিয়ে তাকিয়ে কী দেখছিলে? আমি না বললাম আমি যখন মুহাম্মদকে (ﷺ) কথা বলে ব্যস্ত রাখবো, তুমি হত্যা করবা? কই? দাঁড়িয়ে ছিলা কেন?"

আরবাদ এমন এক কথা বললো, যা শুনে আমিরের চক্ষু চড়কগাছ।

সে বললো, "কোথায় মুহাম্মদ (ﷺ)? আমি তো তাঁকে দেখতে পাইনি? আমি শুধু তোমাকেই দেখলাম একা একা কথা বলছো!"

অর্থাৎ, আল্লাহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আরবাদের দৃষ্টির অগোচরে রাখেন। সামনে থাকা সত্ত্বেও সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখতে পায়নি; যেমনটা হয়েছিলো হিজরতের সময়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বালি নিক্ষেপ করে মক্কার কাফিরদের দৃষ্টির অগোচরে চলে গিয়েছিলেন; সূরা ইয়াসিনে যেই ঘটনা আল্লাহ উল্লেখ করেন।


আমির এবং আরবাদ হতাশ হয়ে মদীনা থেকে বের হলো। উদ্দেশ্য তো পূরণ হলো না, বরং এবার শুনলো এই ভয়ঙ্কর ঘটনা। একজন মানুষ চোখের সামনে কীভাবে গায়েব হয়ে যায়?

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বদ দুআর কথা মনে আছে?

যারা মদীনায় ঢুকে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মসজিদে ঢুকে তাকে হুমকি দিয়েছিলো।

যাত্রাপথে আমির ইবনে তুফাইল অসুস্থ হয়ে পড়ে। তার একটা টিউমার দেখা দেয়। সে আশ্রয় নেয় এক মহিলার বাসায়।

কোনো কোনো বর্ণনামতে সেই মহিলা ছিলো একজন প্রস্টিটিউট!

যে কি-না রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে ক্ষমতা দাবি করেছিলো, খিলাফত দাবি করেছিলো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বদ দুআর ফলে আমির ইবনে তুফাইল টিউমারে আক্রান্ত হয়ে সেই মহিলার ঘরেই মারা যায়।

আর আরাবাদ ইবনে কায়স? যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে হত্যা করতে গিয়েছিলো?

সে উটে চড়ছিলো। একটা বজ্রপাত এসে তার ওপর পড়ে। চিন্তা করুন, কেমন ছিলো তার মৃত্যু!

এই ঘটনা আল্লাহ পবিত্র কুরআনের সূরা রাদের ১৩ নাম্বার আয়াতে উল্লেখ করেন। তাফসীর ইবনে কাসিরে বিস্তারিত পাবেন।

An-Naaba Foundation || ভাটই অঞ্চল দ্বীনি কমিউনিটি

23/03/2026
Want your organization to be the top-listed Non Profit Organization in Jhenida?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Shailkupa, Jhenaidah
Jhenida
7320