Human Development Organization- HDO
05/05/2026
সাফল্যের ৪ বছর ও নতুন পথচলা! 🌟
আজ আমাদের সবার প্রিয় সংস্থা এইচডিও (HDO) ৪ বছর পূর্ণ করে ৫ বছরে পদার্পণ করলো। আমাদের জন্য সবচেয়ে আনন্দের খবর হলো, আপনাদের ভালোবাসা ও আমাদের নিরলস পরিশ্রমের ফলে এইচডিও এখন একটি সরকারি স্বীকৃত সংস্থা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
গত চার বছর আমাদের পাশে থাকার জন্য সকল সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং সাধারণ মানুষকে জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। সরকারি এই নতুন যাত্রায় আমাদের লক্ষ্য এখন আরও সুদূরপ্রসারী।
আপনারা এভাবেই আমাদের পাশে থাকবেন। শুভ জন্মদিন এইচডিও! 🎂🇧🇩
03/05/2026
💚 মানুষের জন্য মানুষ — এটাই আমাদের পরিচয়
পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় ধর্ম হলো মানবতা।
সবচেয়ে বড় ইবাদত হলো একজন অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানো।
আমরা হয়তো পুরো পৃথিবী বদলাতে পারব না —
কিন্তু একজনের জীবন বদলে দিতে পারলেও
আমাদের পথ চলা সার্থক।
Human Development Organization — HDO
সেই বিশ্বাস বুকে নিয়ে প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছে
যশোরের দেয়াড়ার প্রতিটি অসহায় মানুষের পাশে।
একটি ভাত,
একটি ওষুধ,
একটি বই —
এই ছোট ছোট জিনিসগুলোই কারো কাছে স্বর্গের মতো মনে হয়।
আসুন, একসাথে সেই স্বর্গ গড়ি।
"যে মানুষের উপকার করে, সে কখনো একা থাকে না।"
আমাদের এই যাত্রায় আপনাকে স্বাগতম। 🤝
━━━━━━━━━━━━━━━━━
❤️ লাইক করুন | 🔁 শেয়ার করুন | 💬 Comment করুন
📍 HDO — Deara, Jessore, Khulna
━━━━━━━━━━━━━━━━━
#মানবতা #মানুষেরজন্যমানুষ
#সেবাইধর্ম #যশোর #ভালোকাজ
#বিষয়টি_অতীব_জরুরী
আগামী ৫ এপ্রিল, রবিবার থেকে হাম (Measles) এর টিকা ক্যাম্পেইন শুরু হচ্ছে।
১. এই ক্যাম্পেইনে ৬ মাস থেকে ১০ বছরের সব বাচ্চাকে ভ্যাক্সিন দিতে হবে। এটার সাথে আগে ২ ডোজ ভ্যাক্সিন দেয়া আছে , একটাও না দেয়া, শুধু ১টা ডোজ দেয়ার কোনো সম্পর্ক নাই; সবাইকে এই টিকা নিতে হবে।
২. এমনকি হাম হয়ে গেছে এমন বাচ্চাকেও এই টিকা দিতে হবে। তবে হাম হওয়ার ৩০দিন পর দিতে পারবেন।
৩. যাদের এ মাসে হামের টিকার ডেট আছে তারা সিডিউল টিকা নিয়ে ৩০ দিন পর ক্যাম্পেইন থেকে টিকা দিবেন।
৪. ১টা ডোজ যারা গতমাসে দিয়ে ফেলেছেন, তারা ঐ ডোজের ৩০ দিন পর এই টিকা দিতে পারবেন।
৫. অন্য কোন কারণে অসুস্থ থাকলে, সম্পূর্ণ সুস্থ হওয়ার পর আপনার বাচ্চাকে টিকা অবশ্যই দিবেন।
কৃতজ্ঞতা : Prof. Salahuddin Mahmud
/হাম Outbreak ও সচেতনতামূলক কিছু কথা
★Measles (মিজেলস) কী?
এটি একটি ভাইরাসজনিত অত্যন্ত সংক্রামক রোগ, যা measles virus‑এর মাধ্যমে ছড়ায়। এটি প্রধানত শিশুদের মধ্যে বেশি হয়, যদিও বয়স্করাও আক্রান্ত হতে পারে।
★ কিভাবে ছড়ায়?
আক্রান্ত ব্যক্তি যখন কাশি বা হাঁচি দেয়, ভাইরাস বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে; সুস্থ মানুষ এটি শ্বাসের মাধ্যমে নিলেই সংক্রমিত হতে পারে।
ভাইরাস সংক্রমিত ব্যক্তির শ্বাস‑প্রশ্বাস বা থুতুর ফোঁটা দুই ঘন্টা পর্যন্ত বাতাস/পৃষ্ঠে জীবিত থাকতে পারে।
একই ঘরে থাকলে প্রায় ৯০% অকার্যকরী টিকা‑নেওয়া বা ইমিউনিটি নেই/ কম এমন মানুষ সংক্রমিত হবে।
সংক্রমণ ক্ষমতা খুব বেশি, আক্রান্ত ব্যক্তি একাই প্রায় ১০–১৮ জনকে সংক্রমিত করতে পারে যদি ভ্যাকসিন না নেয়।
★ উপসর্গ (Symptoms)
সাধারণত সংক্রমণের ৭–১৪ দিনের মধ্যে শুরু হয়।
১) জ্বর
২) কাশি এবং শ্বাসকষ্ট
৩) নাক দিয়ে পানি বের হওয়া
৪) চোখ লাল হওয়া ও চোখ দিয়ে পানি পড়া (conjunctivitis)
৫) মুখের ভিতরে ছোট ছোট সাদা দাগ (Koplik spots)
— এগুলি র্যাশ হওয়ার আগেই দেখা যায়।
র্যাশ — প্রথমে মুখ/ঘাড় থেকে শুরু হয়ে শরীরের ওপর থেকে নিচে ছড়িয়ে পড়ে।
** র্যাশ হওয়ার ৪ দিন আগে থেকেই এবং র্যাশের ৪ দিন পরে পর্যন্ত সংক্রমিত করতে পারে।
★ ঝুঁকিপূর্ণ গ্রুপ
১) টিকা না নেওয়া শিশু
২) শিশুদের মধ্যে ০–৫ বছর
৩) অপুষ্ট শিশু
৪) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এমন দুর্বল ব্যক্তি
৫) গর্ভবতী নারী
এরা কম‑বেশি জটিলতায় পড়তে পারে।
★ জটিলতা
১) ফুসফুসের সংক্রমণ (Pneumonia)
২) কানের সংক্রমণ
৩) মস্তিষ্কে প্রদাহ (Encephalitis)
৪) দীর্ঘমেয়াদে পুষ্টির অভাব/ইমিউন সিস্টেমে ক্ষতি
৫) খুব বিরল ক্ষেত্রে Subacute Sclerosing Panencephalitis (SSPE) – কয়েক বছর পরে মস্তিষ্কের জটিল রোগ ঘটায়।
★করণীয়
Measles (হাম) হলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রোগীকে বাসায় রেখে সঠিক যত্ন নিলে ভালো হয়ে যায়।তবে সতর্কতা খুব জরুরি, কারণ এটি অত্যন্ত সংক্রামক এবং জটিলতা হতে পারে।
১)আলাদা /Isolate রাখুন
২)জ্বর নিয়ন্ত্রণ করুন- প্যারাসিটামল দিয়ে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী
৩)পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টিকর খাবার দিন(পানি, স্যালাইন,সহজপাচ্য খাবার- খিচুড়ি, স্যুপ,ফল হিসেবে কলা, ভাতের সাথে ১ পিস লেবু, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত হলে ডাবের পানি)
৪) Vitamin A ক্যাপসুল Measles চলাকালীন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়াবেন।
*** ৫ বছর পর্যন্ত Measles উপসর্গ না থাকলেও যে সকল শিশু ৬ মাসের মধ্যে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খায় নি তাদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা করুন।
৫)বিপজ্জনক লক্ষণ দেখলে হাসপাতালে নিয়ে যান, যেমন :
শ্বাসকষ্ট
খিঁচুনি
খুব বেশি দুর্বল হয়ে যাওয়া
খাওয়া বা পানি পান বন্ধ
কান ব্যথা বা কানে পুঁজ
জ্বর ৪–৫ দিনের বেশি থাকলে
★ প্রতিরোধ
টিকা হলো প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
১) Measles, Mumps & Rubella (MMR) ভ্যাকসিন দেওয়া যায়।
২) বাংলাদেশে জাতীয় সম্প্রসারিত ভ্যাকসিনেশন কর্মসূচি অনুযায়ী- MR (Measles, Rubella) vaccine দেওয়া হয়।
সাধারণত
১) প্রথম ডোজ: ৯ মাস বয়সে
২) দ্বিতীয় ডোজ: ১৫ মাস বয়সে
দুই ডোজ ভ্যাকসিন আনুমানিক ৯৭% কার্যকর। কমপক্ষে ৯৫% মানুষ টিকা নিলে রোগের সম্প্রসারণ রোধ করা যায় — একে বলা হয় Herd Immunity।
*****WHO এবং বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, দুই ডোজই নেওয়া বাধ্যতামূলক।
(রেগুলার স্কুল, এক্সট্রা কারিকুলার শিক্ষার জায়গা-- আর্ট, গান, কারাতে ইত্যাদিতে (ভর্তির
সময়) ভ্যাক্সিন কার্ডের কপি দেওয়া বাধ্যতামূলক করার মত ব্যবস্থা সরকার নিতে পারেন)
★ বিশেষ পরিস্থিতি
***Outbreak এর সময় ৬ মাসের শিশুরাও টিকা পেতে পারে (বুস্টার হিসেবে)।
*****CATCH UP vaccination- যারা পূর্বে বিভিন্ন কারণে টিকা নিতে পারেন নি- তারা অতিসত্ত্বর ২ ডোজ টিকা ৪ সপ্তাহ ব্যবধানে নিতে পারেন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী।
★ সতর্কতা জনসাধারণের জন্য :
১) রোগীর কাছ থেকে দূরে থাকা
২) হাত ধোয়া, নাক ও মুখ ঢেকে রাখা- মাস্ক ব্যবহার করুন
৩) ভ্যাকসিন না নেওয়া শিশুদেরকে জনগণের সংস্পর্শ থেকে বিরত রাখা
★★★স্বাস্থ্যকর্মী হিসেবে নিজেদের সুরক্ষায় করণীয় :
১) ২ ডোজ MR/MMR টিকা নেওয়া আছে কিনা নিশ্চিত করুন।
২) সবসময় মাস্ক ব্যবহার করুন ও হাত ধুবেন (Hand hygiene maintenance)।
৩) Measles রোগী isolate/ আলাদা রাখা জরুরি।
৪) Exposure হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া
- টিকা নেওয়া থাকলে: ২১ দিন পর্যন্ত উপসর্গ পর্যবেক্ষণ করুন
- টিকা না থাকলে: ৭২ ঘন্টার মধ্যে MR/MMR vaccine নিন
৫) উপসর্গ হলে isolate/ আলাদা থাকুন।
??? অনেকে টিকা পাওয়া স্বত্ত্বেও কেন Measles হচ্ছে এইটি নিয়ে বিস্তর গবেষণা করা দরকার!!
ডা. আসসাদে তারান্নুম,
এমবিবিএস(ডিএমসি),
বিসিএস (স্বাস্থ্য),
এমসিপিএস (শিশুস্বাস্থ্য),
এফসিপিএস (শিশুস্বাস্থ্য)।
৪–৬ মাসের প্রেগনেন্ট( অন্তঃসত্ত্বা) হলে আপনি পেতে পারেন সরকারি ভাতা! প্রতিমাসে ৮৫৫টাকা করে টোটাল ৩০,৬০০টাকা।
৩৬মাস অবধি টাকা পাবেন!❤️
২য় সন্তানের ক্ষেত্রেও আপনি ভাতা পাবেন।তৃতীয় সন্তানের ক্ষেত্রে পাবেন না!
💚💚 কে কে আবেদন করতে পারবেন?
👉 বর্তমানে গর্ভাবস্থার ৪–৬ মাস চলছে
👉বয়স ২০-৩৫ মধ্যে হতে হবে
👉 ANC (Antenatal Care) কার্ড আছে(যেকোন সরকারি হসপিটাল থেকে সংগ্রহ করবেন)
👉 জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) রয়েছে
👉 ইউনিয়ন পরিষদের আওতাভুক্ত
💚💚 কিভাবে আবেদন করবেন?
নিজ নিজ ইউনিয়ন পরিষদ,উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়,পৌর ডিজিটাল সেন্টার অথবা সিটি কপোরেশন অফিসে যাবেন।
অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে,
ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবেদনটি সাবমিট করবেন।
❌কোনরকম আর্থিক লেনদেন করবেন না!
💚💚 যে কাগজপত্র লাগবে:
👉 ANC কার্ড (গর্ভকালীন চেকআপ কার্ড)
👉 জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
👉নিজস্ব সচল মোবাইল নম্বর, ব্যাংক একাউন্ট ও অন্যান্য মৌলিক তথ্য
⏰ গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা:
🗓️ প্রতি মাসের ১–২০ তারিখের মধ্যে আবেদন করতে হবে
➡️ সময় পার হলে সেই মাসে আবেদন গ্রহণ নাও হতে পারে
অনেক মা সঠিক সময়ে আবেদন না করায় এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন।
তাই
👉 তাই ৪ মাস পূর্ণ হলেই দেরি না করে ইউনিয়ন পরিষদে যোগাযোগ করুন
👉 ANC চেকআপ নিয়মিত করুন—এটি শুধু ভাতার জন্য নয়,সন্তান ঠিকমত বড় হচ্ছে কিনা সার্বিক অবস্থা জানার জন্য❣️
ANC কার্ড কেমন হয় সেটির ছবি দিয়ে দিচ্ছি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
AMDABAD BAZAR Road SADAR JASHORE
Jessore
7400